পাবলিক ভার্সিটিসহ উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে ভর্তি একযোগে শুরু হচ্ছে- ফরম বিক্রি ও পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা ॥ মেডিক্যালে ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ, তবে শিক্ষক রাজনীতির যাঁতাকলে বুয়েট by বিভাষ বাড়ৈ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষাঙ্গনে একযোগে শুরু হলো নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তোড়জোড়। ফরম বিক্রি ও পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা করেছে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, শাহজালাল, খুলনা, টেক্সটাইলসহ অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে আজ।


তবে এরই মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা তুলে দেয়ার একটি প্রস্তাব নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃৃষ্টি হয়েছে মেডিক্যালে ভর্তিচ্ছুসহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে। এদিকে শিক্ষক সমিতির রাজনীতির যাঁতাকলে পড়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি। সাধারণ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা দ্রুত ভর্তি শুরুর তাগিদ দিলেও তাতে বাধা সৃষ্টি করছে শিক্ষক সমিতির একটি গ্রুপ। তার পরেও শীঘ্রই শুরু করা হচ্ছে বুয়েটের ভর্তি কার্যক্রম। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ভর্তি পরীক্ষার বিশাল কর্মযজ্ঞ চলবে দেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনজুড়ে। অন্যদিকে দেশের সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী এখানও চূড়ান্ত হয়নি। তবে এবার সেশনজট কমাতে ডিসেম্বরেই পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর অনার্স ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে ডিগ্রী বা পাস কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম।
জানা গেছে, প্রধান প্রধান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার পাঁচ থেকে ছয় হাজার আসন বৃদ্ধির চিন্তাভাবনা চলছে। বিষয়টি কিছুটা হলেও মেধাবীদের আসন সমস্যার সমাধান দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারও ক্লাস্টার বা গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা না হওয়ার খবরে কিছুটা হতাশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে একই ধরনের প্রতিষ্ঠানে মেডিক্যাল কলেজের মতো একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হলেও এবার তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ক্লাস্টার পদ্ধতি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে সরকারকে অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। নতুন কোন পদ্ধতি গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছে বাকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কাউন্সিল। এদিকে কোথায় কখন ফরম বিক্রি, কোথায় কখন পরীক্ষা? এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস এবং ডেন্টাল বা বিডিএস কোর্সের প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম এবার কোন্ পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে তা আজ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠক ডাকা হয়েছে। গত সপ্তাহে স্বাস্থ্য অধিদফতরে বিভিন্ন সরকারী কলেজের অধ্যক্ষদের উপস্থিতিতে প্রাক-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ’র ভিত্তিতে ভর্তির প্রস্তাব করা হয়। যদিও এ বিষয়টি এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা-শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. শাহ আবদুল লতিফ বলেছেন, ভর্তি প্রক্রিয়া কিভাবে চলবে সেটি চূড়ান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ উর্ধতন সবাই বসে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন। আমরা সব পদ্ধতি নিয়ে ভাবনার সুযোগ উন্মুক্ত রেখেছি। সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে দুটি প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এক. আবেদনের যোগ্যতার শর্ত কঠোর করে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো। দুই. কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে এসএসসি এবং এইচএসসির ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করানো। প্রস্তাব দুটির মধ্যে কোন্টি যথার্থ সেটি নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা। তবে পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিলের চিন্তাভবনাকে মেধার মূল্যায়নে অন্তরায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও ভর্তিচ্ছু অনেকেই। ইতোমধ্যেই এধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করেছে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এধরনের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছে, কেবল এসএসসি ও এইচএসসির ফল দিয়ে প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন সম্ভব নয়। তাছাড়া এ উদ্যোগে গ্রামের শিক্ষার্থীরা আরও পিছিয়ে পড়বে। তারা আরও বলেছে, কোচিং বাণিজ্য বন্ধের জন্য অনেক পদ্ধতি রয়েছে। আইন করেও সেটি করা সম্ভব। কিন্তু এর পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা তুলে দেয়ার প্রস্তাব আমরা মানি না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনপত্র বিতরণ শুরু হবে আগামী ২৬ আগস্ট আর শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর। আবেদনকারীদের টাকা জমা দেয়ার প্রক্রিয়া ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই ছবি আপলোড করতে হবে, না হলে আবেদন বাতিল হবে। গত দুই বছর যেহেতু প্রবেশপত্র তৈরিতে কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল তাই এ বছর ২২ আগস্টের মধ্যে ছবি আপলোড করার বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে। তারা আরও জানান, ছবি ছাড়া প্রবেশপত্র তৈরি করা যায় না, আর অনেক ভর্তিচ্ছুই আলসেমি করে শেষদিন ছবি আপলোড করে এতে আমাদের অনেক অতিরিক্ত ঝামেলা পোহাতে হয়। গত দুই বছরের অভিজ্ঞতার আলোকেই এ বছর ছবির বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। ঘোষিত তারিখ অনুসারে ক ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ অক্টোবর, খ ইউনিটের (মানবিক) ১৯ অক্টোবর, গ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) ২ নবেম্বর, ঘ ইউনিটের (বিভাগ পরিবর্তন) ৯ নবেম্বর এবং চ ইউনিটের (চারুকলা) ভর্তি পরীক্ষা ১৬ নবেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষক সমিতির রাজনীতির যাঁতাকলে পড়ে পিছিয়ে পড়ছে বুয়েট। বুয়েট শিক্ষক সমিতি এবার শিক্ষার্থীদের ভর্তি নয়, বরং উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ব্যস্ত থাকায় ভর্তি প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অচলাবস্থা থাকায় উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় ভর্তিচ্ছুরা। সেশনজটের আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ । উপায় না পেয়ে শিক্ষক নেতাদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে আদালতে যান এক অভিভাবক। আদালত আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ দিলে প্রকাশ্য আন্দোলন বন্ধ করেছেন নেতারা কিন্তু ভেতরে অচলাবস্থা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সাধারণ শিক্ষকরা ইচ্ছুক হলেও নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার পরেও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্র্তৃপক্ষ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে থাকা শুক্রবারে কোন পরীক্ষা হবে না। এবারই প্রথমবারের মতো ভর্তির আবেদন হবে অনলাইনে। তবে ম্যানুয়ালিও আবেদন করা যাবে। সুনির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও জানা গেছে, ঈদের ছুটির পর ফরম বিতরণ শুরু হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ১২ অক্টোবর শুরু হবে। ১২ অক্টোবর বিজ্ঞান অনুষদ, ১৯ অক্টোবর কলা অনুষদ, ২ নবেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও ৯ নবেম্বর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর যাত্রা শুরু করেছিল দেশের প্রথম টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়। স্বাভাবিকভাবেই এর দিকে আকর্ষণ অনেক। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র সূত্রধর জানালেন, এবারও ভর্তির প্রক্রিয়া অনলাইনে। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ নবেম্ববর। ফরম বিক্রির সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে আগামী অক্টোবর মাসেই আবেদন ফরম বিক্রি ও জমাদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৭ ও ২৪ নবেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে আগামী ১০ থেকে ১২ অক্টোবর। আগামী ৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (িি.িশঁ.ধপ.নফ/ধফসরংংরড়হ) পাওয়া যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১১ নবেম্বর শুরু হবে। চলবে ১৮ নবেম্বর পর্যন্ত। আবেদন জমা নেয়া হবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ নবেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভর্তির আবেদন ফরম বিতরণ শুরুর তারিখ পরে জানিয়ে দেয়া হবে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/বিইউআরপি কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৯ নবেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ৬ ও ৭ নবেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (িি.িনৎঁৎ.ধপ.নফ) পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ নবেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ফরম বিতরণসহ অন্যান্য বিষয় পরবর্তীতে পত্রিকা ও ওয়েবসাইটের () মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
আগামী ১৭ নবেম্বর ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) কর্তৃপক্ষ। ভর্তি ফরম বিতরণ এবং গ্রহণসহ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ের জন্য চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ভর্তি কমিটির সভা বসবে। ভর্তির সকল তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে () পাওয়া যাবে। দেশের সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষে অনার্স ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী এখানও চূড়ান্ত হয়নি। বরাবরের মতো এবারও প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পরেই এখানে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবার সেশনজট কমাতে ডিসেম্বরেই পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর অনার্স ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে ডিগ্রী পাস কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান জানান, সেশনজট কমিয়ে আনার লক্ষ্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা পরীক্ষা নিতে চাই এবার। ডিসেম্বরের পরীক্ষা গ্রহণ ছাড়াও এ লক্ষ্যে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হলে ফল প্রকাশের আগেই মাস্টার্সে ভর্তি শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। এক্ষত্রে অনার্স পরীক্ষার পরই শিক্ষার্থী মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে যাবে। যদি দেখা যায় সে ফেল করেছে তবে তার ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে।
এদিকে মোট আসনে কোন সমস্যা না হলেও বরাবরের মতো প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও মেডিক্যাল। মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগরসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা পাঁচ হাজার ২৮৯টি। বুয়েটের পাঁচটি অনুষদে আসন রয়েছে ৮৮৬টি। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজার ৩৫০, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ২৮৩টি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হাজার ৪০০, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ২২০টি আসন রয়েছে। শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে এক হাজার ২৫০টি আসন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০০, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৫০ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১২০টির মতো আসন রয়েছে।

No comments

Powered by Blogger.