Tuesday, May 22, 2012
শিক্ষক নিগ্রহ-আমার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত by সুলতানা মোসতাফা
শিক্ষক নিগ্রহ-আমার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত by সুলতানা মোসতাফা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর যে বিষয়টি আমাকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে তা হলো, কার্ল মার্ক্সের ‘শ্রেণী’সংক্রান্ত রচনাবলি। কিন্তু তা আমাকে একই সঙ্গে একধরনের বিভ্রান্তিতেও ফেলে দেয়। মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করার মাপকাঠি যদি হয় উৎপাদন উপকরণের মালিকানা থাকা বা না থাকা, অর্থাৎ বৈষয়িক বা অর্থনৈতিক বিষয়টি, তবে আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা তো অনেক নিম্নবর্তী শ্রেণীতে স্থাপিত হবেন।
কিন্তু বাস্তবে, আমাদের দৃষ্টিতে, ‘সম্মানের’ মাপকাঠিতে তো তাঁদের অবস্থান অনেক ঊর্ধ্বে। এই বিভ্রান্তি থেকে আমাকে রক্ষা করেন আরেক মনীষী—ম্যাক্স ভেবর। তাঁর তত্ত্বে আমরা জানতে পারি, কেবল ‘অর্থ’ নয়, ‘মর্যাদা’ও শ্রেণীর একটি নির্ধারক হতে পারে। অর্থাৎ, বিত্ত না থাকলেও কেবল শিক্ষার গুণেও একজন উচ্চমর্যাদার অধিকারী হতে পারেন।
আমার জানার এই ‘সন্তুষ্টিও’ এক দিন মুখ থুবড়ে পড়ল যেদিন জানলাম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা মর্যাদার দিক থেকেও তৃতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচ বছর আগে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অর্থবিত্ত নয়, কেবল তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধির দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কালক্রমে আমিও এক দিন এই আন্দোলনের সঙ্গী হয়ে যাই এবং বিভিন্ন ফোরামে এ নিয়ে কথা বলার সময় মনে হতো, আমরা কেবলই একটি অচলায়তনকে সর্বশক্তি দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছি, কিন্তু তা সরার নয়। মাঝেমধ্যে খুব হতাশ হয়ে পড়তাম।
অকস্মাৎ ১৫ মে খবরে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়েছে। মনে হলো, এটি বছরের শ্রেষ্ঠতম সুসংবাদ। মনে হলো, বিজয়ের আনন্দে এবার পিঠ সোজা করে দাঁড়ানো যায়। সে মুহূর্তেই পিঠের ওপর যেন আছড়ে পড়ল সব সভ্যতা ও মানবতার সংহারক এক চাবুক। এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর আক্ষরিক অর্থেই নির্যাতনের চাবুক নেমে এল। লাঠি ও মুষ্টির আঘাতে, জলকামানের গরম জলের দাহে কেবল তাঁদের মর্যাদা নয়, দেহও ভূলুণ্ঠিত হলো, ক্ষতবিক্ষত হলো। সভ্যতা, বিবেক, মানবতা কি কিছু সময়ের জন্য থমকে দাঁড়িয়েছিল?
প্রথমে আমার মনে হলো, এ আঘাত নেমে এসেছে আমারই পিঠে, আমিও শিক্ষকসমাজেরই একজন। এ আঘাত তো কেবল আমার পিঠে নয়, আমার পিতৃরূপী সেসব শিক্ষকের পিঠেও, যাঁদের অপত্য স্নেহে এক দিন বিশ্বদুয়ার খোলার হাতেখড়ি হয়েছিল। আমার এ অবস্থানে পৌঁছার পর তাঁদের কারও চোখে আমি আনন্দের অশ্রু ঝরতে দেখেছি। আজও স্পষ্ট দেখি মোহাম্মদপুর স্কুলের সেই আনোয়ার স্যারকে, যিনি আমার হাতে চক দিয়ে আমি ব্ল্যাকবোর্ড নাগালে পাইনি বলে আমাকে কোলে তুলে নিয়ে বোর্ডে লিখিয়ে ছিলেন। যিনি আমাকে আদর করে ডাকতেন ‘কাঠবেড়ালি’ বলে। চোখের সামনে আরেকবার ভাসল আমার সন্তানের বিলেতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিস টমসলিনের ছবি—নিরাপত্তার নির্ভরতায়, স্বাস্থ্যের ঔজ্জ্বল্যে, ব্যক্তিত্ব ও নিষ্ঠায়, প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর নিবেদিত এক মানুষ, যাঁর মর্যাদা তাঁর প্রতিবেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের চেয়ে একবিন্দুও কম নয়।
যেসব শিক্ষক আজ নিগৃহীত হলেন, তাঁরা বাস পোড়াননি, ভাঙচুর করেননি, সরকারবিরোধী স্লোগান দেননি, এমনকি কোনো কটূক্তিও করেননি। তাঁরা সরকারের রেজিস্টার্ড শিক্ষক, কেবল জাতীয়করণ চেয়েছিলেন। সরকার কি জানে, ঢাকায় একজন নিরক্ষর গৃহপরিচারিকার বেতন খাওয়া-পরা, চিকিৎসা, বিনোদন, বাসস্থানের পর নগদ তিন-চার হাজার টাকা। আর একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেতন সর্বসাকুল্যে প্রায় চার হাজার টাকা। তাঁরা কোন ঘরে বাস করেন? তাঁরা কী খান?
আমি একজনকে জানি, যাঁর বাড়িতে আক্ষরিক অর্থেই ২৪ ঘণ্টায় একবার খাবার জোটে। আমার এক প্রবীণ আত্মীয়ের কাছে শুনেছিলাম, তাঁদের ছেলেবেলায় স্কুলে ‘আবাদের বন্ধ’ বলে একধরনের ছুটি হতো। শিক্ষকেরা ধান বোনা/ কাটার সময় স্বঘোষিত এই ছুটি দিতেন এবং গ্রীষ্মের ছুটি কমিয়ে সেটা সমন্বয় করতেন। আমার এক ছাত্র তার গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের সময় এক বিভ্রান্তিতে পড়েছিল। তার উত্তরদাতারা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। সে সমস্যায় পড়ে উত্তরদাতাদের প্রধান পেশা ও আয়সংক্রান্ত তথ্যবিন্যাসে। কারণ, তাঁদের একজন ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, যিনি অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে যা উপার্জন করেন, তা তাঁর মাসিক বেতনের চেয়ে বেশি। তাহলে তাঁর প্রধান পেশা হিসেবে তিনি কৃষিশ্রমিক, না শিক্ষক? এখন আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কৃষক কাম শিক্ষক, খেতমজুর কাম শিক্ষক, ইটভাটার শ্রমিক কাম শিক্ষক এবং কেউ কেউ তা-ও জোটাতে না পেরে কেবল ‘অনারারি’ নয়, ‘অনাহারী’ শিক্ষক।
বহু যুগ আগে আমাদের পূর্বপুরুষের পিঠে ছিল নির্যাতনের স্বাক্ষর রক্তজবার মতো ক্ষত। কারণ, তখন ছিল দাসত্বের যুগ। লিখেছিলেন কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। আমাদের কি হিসাব করে বের করতে হবে, দলীয় নেতাদের সংবর্ধনার জন্য যেসব তোরণ তৈরি হয়, তার একটির একাংশের কয় গজ কাপড় বা কয়টি বাঁশের সমান মূল্য আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন? কিংবা অমাত্য-পরিজনসহ যত সরকারি সফর হয় বিদেশে, তার কয়টি টিকিটের একাংশের অর্থে নিশ্চিত করা যায় কত সহস্র শিক্ষকের বেতন?
এই স্বাধীন দেশে, দাসযুগ ও বিদেশি শাসকদের যুগ পেরিয়ে, বিদ্যালয়-শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন ও সাফল্য আনার পরও, নিবেদিতপ্রাণ একজন মন্ত্রী দায়িত্বে থাকার পরও কি আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেটে থাকবে ক্ষুধার অনল, পিঠে থাকবে রক্তজবার মতো ক্ষত, হূদয়ে থাকবে মর্যাদাহানির গ্লানি, স্মৃতিতে থাকবে পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ ছবি এবং কাঁধে থাকবে সহকর্মীর লাশ? শিক্ষকের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত সারা শরীরে, মননে, সমগ্র সমাজে সংক্রমিত হওয়ার পরিণতি কী, আমরা কি তা জানি?
ড. সুলতানা মোসতাফা: অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
sultanamk@yahoo.co.uk
আমার জানার এই ‘সন্তুষ্টিও’ এক দিন মুখ থুবড়ে পড়ল যেদিন জানলাম, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা মর্যাদার দিক থেকেও তৃতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচ বছর আগে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অর্থবিত্ত নয়, কেবল তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধির দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কালক্রমে আমিও এক দিন এই আন্দোলনের সঙ্গী হয়ে যাই এবং বিভিন্ন ফোরামে এ নিয়ে কথা বলার সময় মনে হতো, আমরা কেবলই একটি অচলায়তনকে সর্বশক্তি দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছি, কিন্তু তা সরার নয়। মাঝেমধ্যে খুব হতাশ হয়ে পড়তাম।
অকস্মাৎ ১৫ মে খবরে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়েছে। মনে হলো, এটি বছরের শ্রেষ্ঠতম সুসংবাদ। মনে হলো, বিজয়ের আনন্দে এবার পিঠ সোজা করে দাঁড়ানো যায়। সে মুহূর্তেই পিঠের ওপর যেন আছড়ে পড়ল সব সভ্যতা ও মানবতার সংহারক এক চাবুক। এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর আক্ষরিক অর্থেই নির্যাতনের চাবুক নেমে এল। লাঠি ও মুষ্টির আঘাতে, জলকামানের গরম জলের দাহে কেবল তাঁদের মর্যাদা নয়, দেহও ভূলুণ্ঠিত হলো, ক্ষতবিক্ষত হলো। সভ্যতা, বিবেক, মানবতা কি কিছু সময়ের জন্য থমকে দাঁড়িয়েছিল?
প্রথমে আমার মনে হলো, এ আঘাত নেমে এসেছে আমারই পিঠে, আমিও শিক্ষকসমাজেরই একজন। এ আঘাত তো কেবল আমার পিঠে নয়, আমার পিতৃরূপী সেসব শিক্ষকের পিঠেও, যাঁদের অপত্য স্নেহে এক দিন বিশ্বদুয়ার খোলার হাতেখড়ি হয়েছিল। আমার এ অবস্থানে পৌঁছার পর তাঁদের কারও চোখে আমি আনন্দের অশ্রু ঝরতে দেখেছি। আজও স্পষ্ট দেখি মোহাম্মদপুর স্কুলের সেই আনোয়ার স্যারকে, যিনি আমার হাতে চক দিয়ে আমি ব্ল্যাকবোর্ড নাগালে পাইনি বলে আমাকে কোলে তুলে নিয়ে বোর্ডে লিখিয়ে ছিলেন। যিনি আমাকে আদর করে ডাকতেন ‘কাঠবেড়ালি’ বলে। চোখের সামনে আরেকবার ভাসল আমার সন্তানের বিলেতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিস টমসলিনের ছবি—নিরাপত্তার নির্ভরতায়, স্বাস্থ্যের ঔজ্জ্বল্যে, ব্যক্তিত্ব ও নিষ্ঠায়, প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর নিবেদিত এক মানুষ, যাঁর মর্যাদা তাঁর প্রতিবেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের চেয়ে একবিন্দুও কম নয়।
যেসব শিক্ষক আজ নিগৃহীত হলেন, তাঁরা বাস পোড়াননি, ভাঙচুর করেননি, সরকারবিরোধী স্লোগান দেননি, এমনকি কোনো কটূক্তিও করেননি। তাঁরা সরকারের রেজিস্টার্ড শিক্ষক, কেবল জাতীয়করণ চেয়েছিলেন। সরকার কি জানে, ঢাকায় একজন নিরক্ষর গৃহপরিচারিকার বেতন খাওয়া-পরা, চিকিৎসা, বিনোদন, বাসস্থানের পর নগদ তিন-চার হাজার টাকা। আর একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেতন সর্বসাকুল্যে প্রায় চার হাজার টাকা। তাঁরা কোন ঘরে বাস করেন? তাঁরা কী খান?
আমি একজনকে জানি, যাঁর বাড়িতে আক্ষরিক অর্থেই ২৪ ঘণ্টায় একবার খাবার জোটে। আমার এক প্রবীণ আত্মীয়ের কাছে শুনেছিলাম, তাঁদের ছেলেবেলায় স্কুলে ‘আবাদের বন্ধ’ বলে একধরনের ছুটি হতো। শিক্ষকেরা ধান বোনা/ কাটার সময় স্বঘোষিত এই ছুটি দিতেন এবং গ্রীষ্মের ছুটি কমিয়ে সেটা সমন্বয় করতেন। আমার এক ছাত্র তার গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের সময় এক বিভ্রান্তিতে পড়েছিল। তার উত্তরদাতারা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। সে সমস্যায় পড়ে উত্তরদাতাদের প্রধান পেশা ও আয়সংক্রান্ত তথ্যবিন্যাসে। কারণ, তাঁদের একজন ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, যিনি অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে যা উপার্জন করেন, তা তাঁর মাসিক বেতনের চেয়ে বেশি। তাহলে তাঁর প্রধান পেশা হিসেবে তিনি কৃষিশ্রমিক, না শিক্ষক? এখন আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কৃষক কাম শিক্ষক, খেতমজুর কাম শিক্ষক, ইটভাটার শ্রমিক কাম শিক্ষক এবং কেউ কেউ তা-ও জোটাতে না পেরে কেবল ‘অনারারি’ নয়, ‘অনাহারী’ শিক্ষক।
বহু যুগ আগে আমাদের পূর্বপুরুষের পিঠে ছিল নির্যাতনের স্বাক্ষর রক্তজবার মতো ক্ষত। কারণ, তখন ছিল দাসত্বের যুগ। লিখেছিলেন কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। আমাদের কি হিসাব করে বের করতে হবে, দলীয় নেতাদের সংবর্ধনার জন্য যেসব তোরণ তৈরি হয়, তার একটির একাংশের কয় গজ কাপড় বা কয়টি বাঁশের সমান মূল্য আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন? কিংবা অমাত্য-পরিজনসহ যত সরকারি সফর হয় বিদেশে, তার কয়টি টিকিটের একাংশের অর্থে নিশ্চিত করা যায় কত সহস্র শিক্ষকের বেতন?
এই স্বাধীন দেশে, দাসযুগ ও বিদেশি শাসকদের যুগ পেরিয়ে, বিদ্যালয়-শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন ও সাফল্য আনার পরও, নিবেদিতপ্রাণ একজন মন্ত্রী দায়িত্বে থাকার পরও কি আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেটে থাকবে ক্ষুধার অনল, পিঠে থাকবে রক্তজবার মতো ক্ষত, হূদয়ে থাকবে মর্যাদাহানির গ্লানি, স্মৃতিতে থাকবে পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ ছবি এবং কাঁধে থাকবে সহকর্মীর লাশ? শিক্ষকের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত সারা শরীরে, মননে, সমগ্র সমাজে সংক্রমিত হওয়ার পরিণতি কী, আমরা কি তা জানি?
ড. সুলতানা মোসতাফা: অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
sultanamk@yahoo.co.uk
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
ডিডাব্লিউ
3/ডিডাব্লিউ/post-grid
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment