সম্পাদকের কলাম-বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী by ইমদাদুল হক মিলন

বঙ্গবন্ধুকে আমি কাছ থেকে দেখেছি দুবার। একবার স্কুলজীবনে। গেণ্ডারিয়া হাই স্কুলে পড়ি। সম্ভবত '৬৮ সাল। নাকি '৬৯! ঠিক মনে করতে পারছি না। একুশে ফেব্রুয়ারির ভোরবেলা প্রভাতফেরিতে বেরিয়েছি আমি আর আমার ক্লাসের তিনবন্ধু। মানবেন্দ্র, মুকুল, হারুণ আর আমি। মানবেন্দ্রদের বিশাল বনেদি বাড়ি দীননাথ সেন রোডে। ওরা চক্রবর্তী।


বাড়ি ভর্তি ফুল-ফলের গাছ। ওদের বাড়ি থেকেই ফুল তুলেছি আমরা। খালি পায়ে গেণ্ডারিয়া থেকে হেঁটে গেছি শহীদ মিনারে। সেখানে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে গেছি তিন নেতার সমাধিতে। তখনো বাংলা একাডেমী নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়নি। সেখানে ভাষাশহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান হয়, গানের অনুষ্ঠান হয়, শুনেছি। বাংলা একাডেমীতে না গিয়ে আমরা গেছি তিন নেতার সমাধিতে। তখনকার সমাধিস্থল এখনকার মতো ছিল না। তবে একুশে ফেব্রুয়ারির সকালে সেখানেও যেতেন অনেকে। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ দেশপ্রেমিক মানুষ।
এখানে বঙ্গবন্ধুকে প্রথম দেখি। সমাধিস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন অনেকে। কেউ কেউ ফুল দিচ্ছেন, জটলা পাকিয়ে নানা রকম আলাপ-আলোচনা করছেন। এ সময় একজন মানুষ এলেন। দীর্ঘদেহী, সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, খালি পা। তাঁকে দেখেই সাড়া পড়ে গেল চারদিকে। তাঁকেই ঘিরে ধরলেন সবাই। অনেকেই পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে লাগলেন।
মানবেন্দ্র আমাকে ফিসফিস করে বলল, শেখ মুজিবুর রহমান।
এই নাম শুনে আমি অভিভূত। বন্ধুরা কেউ কিছু বুঝতে পারল না, ভিড় ঠেলে আমি চলে গেলাম বঙ্গবন্ধুর পায়ের কাছে। তাঁর পা স্পর্শ করলাম। মুহূর্তের জন্য তিনি আমার মাথা ছুঁয়ে দিলেন। বেঁচে থাক, বেঁচে থাক।
সেই স্পর্শ এখনো আমার মাথায় লেগে আছে।
৭ই মার্চের ভাষণ শুনতে গিয়েছিলাম রেসকোর্স ময়দানে। লাখ লাখ মানুষের ভিড়ে বহুদূর থেকে দেখতেই পাচ্ছিলাম না বঙ্গবন্ধুকে। তাঁর অসাধারণ কণ্ঠস্বর ভেসে আসছিল মাইকে। 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।'
সমগ্র বাঙালি জাতির রক্ত তখন টগবগ করে ফুটছে।
তারপর বঙ্গবন্ধুকে দেখি আমাদের গেণ্ডারিয়ায়। '৭৩-'৭৪ সালের কথা। ছাত্রনেতা এবং বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফান্টোমাস ভাইয়ের বিয়েতে বেশ কাছ থেকেই দেখতে পেয়েছিলাম। ফান্টোমাস ভাইয়ের স্ত্রী রেণু আপার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করছিলেন বঙ্গবন্ধু, এই দৃশ্য এখনো আমার চোখে লেগে আছে।
পঁচাত্তরের সেই কালরাত্রি শেষে, পরদিন ভোরবেলা যখন বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শাহাদাতবরণ করেছেন শুনলাম, আমার মা ছিলেন রান্নাঘরে, দিশেহারা ভঙ্গিতে ছুটে বেরোলেন। বিক্রমপুরের ভাষায় বললেন, হায় হায়, বঙ্গবন্ধুরে মাইরা ফালাইছে? কোন পাষণ্ডরা করল এই কাজ?
মা আর রান্নাঘরেই ঢুকলেন না, অবিরাম কাঁদলেন।
বঙ্গবন্ধুকে কী ভালো যে বেসেছে বাঙালি জাতি, বলে বোঝানো যাবে না। আমি আমার 'নূরজাহান' উপন্যাসের এক জায়গায় বঙ্গবন্ধুর কথা লিখেছি। আমার জন্মের দুই বছর পরের ঘটনা। '৫৭ সাল। বিক্রমপুরের মেদিনী মণ্ডল গ্রামের এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের। তিনি যেতে পারলেন না। হঠাৎ করেই করাচিতে চলে যেতে হয়েছে তাঁকে। বিক্রমপুরের দুই কৃতী নেতা তখন তাঁর সহযোগী। কোরবান আলী সাহেব আর শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন। পূর্ব পাকিস্তানে এই দুই নেতা তখন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছেন। তাঁরাই চালিয়ে গেলেন অনুষ্ঠান। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানকে একপলক দেখার জন্য, তাঁর কথা শোনার জন্য দেশ-গ্রামের মানুষ অপেক্ষা করছিলেন, তাঁরা খুব মন খারাপ করলেন।
বিক্রমপুরের পুরনো দিনের কথা লিখতে গিয়ে এই ঘটনার কথা আমি 'নূরজাহান' উপন্যাসে লিখেছি।
একটা সময়ে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করাও দুরূহ হয়ে উঠেছিল এই বাংলাদেশে, ভাবা যায়! যাঁর স্বপ্ন আর আত্মত্যাগে বাংলাদেশ, সেই দেশের মানুষ তাঁর নাম উচ্চারণ করতে পারেনি ভয়ে। পঁচাত্তরের পৈশাচিক ঘটনায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন নিজ দেশে ফিরতেই পারছেন না। কী অসহায় জীবন তাঁদের! পরিবারের কেউ বেঁচে নেই, তাঁরা দুই বোন পড়ে আছেন পরদেশে! এই বেদনা যে সহ্য করে, সে ছাড়া পৃথিবীর কেউ বুঝবে না।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমি একটা গল্প লিখেছিলাম। 'নেতা যে রাতে নিহত হলেন'। এমন সময়ে লিখেছিলাম, যখন একটি প্রজন্মকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামটি পর্যন্ত ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাঠ্য বইয়ে বদলে গেছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।
কিন্তু এসব করে কোনো কাজ হয় না। ইতিহাস কোনো প্রবঞ্চনা সহ্য করে না। সঠিক ইতিহাস সব বাধা অতিক্রম করে কোনো না কোনো সময়ে ঠিকই জাতির সামনে উঠে আসে। বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতাগুলো যে মানুষটির কল্যাণে আলোকময় হয়ে আছে, চাইলেই কি সেই পাতা থেকে মুছে ফেলা যাবে তাঁকে! তা ছাড়া ইতিহাসের পাতা থেকে সেই মানুষটি তো আসলে জায়গা করে নিয়েছেন সমগ্র বাঙালি জাতির হৃদয়ে। মানুষের হৃদয় থেকে কে মুছে দেবে তাঁকে? কার এত শক্তি?
বঙ্গবন্ধু আছেন বাঙালি জাতির হৃদয়জুড়ে। এ দেশের মাটি আর আকাশ, নদী আর শস্যের মাঠ, আমাদের দিনগুলো আর রাতগুলো সব জুড়ে আছেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।
'নেতা যে রাতে নিহত হলেন' গল্পটি ছিল একজন সাধারণ ভাগচাষি কতটা ভালোবাসেন বঙ্গবন্ধুকে, তাই নিয়ে লেখা।
কদিন আগে বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রকাশিত হয়েছে। খবরের কাগজে এই সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই আমি অস্থির। কখন বইটি হাতে আসবে, কখন পড়তে শুরু করব এই মহান নেতার আত্মজীবনী। ইউপিএল থেকে প্রকাশিত হয়েছে বইটি। ইউপিএলের কনসাল্টিং এডিটর বদিউদ্দিন নাজির আমার বন্ধু। তাঁকে ফোন করলাম। বলল, কাউকে পাঠিয়ে দে। বই দিয়ে দেব।
আমার সেক্রেটারি শাহিনকে পাঠালাম। আশ্চর্য ব্যাপার, ঠিক একই সময়ে দুটো বই এসে পৌঁছাল আমার হাতে। শাহিন একটা নিয়ে এসেছে, আরেকটা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিল। আমি শাকিলের পাঠানো বইটাই পড়তে শুরু করলাম। ৩৩০ পৃষ্ঠার বই এক রাতে পড়ে শেষ করা সম্ভব না। আর এই বই আমি একবারে পড়তেও চাই না। আমি চাই ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন গভীর মনোযোগ এবং মমতা দিয়ে পড়তে।
এই অসামান্য গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভূমিকাটি এককথায় অতুলনীয়। কিভাবে এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী তাঁর হাতে পৌঁছাল সেই বিবরণের মধ্য দিয়ে একজন মহান নেতা, এক স্নেহময় পিতার যে ছবি তিনি এঁকেছেন, পড়তে পড়তে চোখে পানি আসে।
পঁচিশে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ধানমণ্ডির বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পরদিন ছাবি্বশে মার্চ রাতে পাকিস্তানিরা আবার আসে সেই বাড়িতে। ব্যাপক লুটপাট চালায়, ভাঙচুর করে, বাড়ি দখলে নিয়ে নেয়। এই বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর শোবার ঘরের সঙ্গে একটা ড্রেসিংরুম আছে। সেই রুমের আলমারির ওপর, এক কোণে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর চারটি খাতা, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনী, ডায়েরি এবং বঙ্গবন্ধুপত্নীর সংসারের হিসাব লেখার খাতাও ছিল। পাকিস্তানিরা এসব খাতাপত্র লুটপাট করার মতো মূল্যবান মনে করেনি। ওগুলো ওখানেই রয়ে যায়। '৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে দেখেন তাঁদের বাড়ি সিল করা। পরের মাসে বাড়িটি তাঁদের হস্তান্তর করা হয়। তখন বঙ্গবন্ধুর লেখা স্মৃতিকথা, ডায়েরি আর ভ্রমণের খাতাগুলো পাওয়া যায়, কিন্তু আত্মজীবনী লেখা খাতাগুলো নেই। কিছু টাইপ করা কাগজ পাওয়া গেল। সেগুলোর বেশির ভাগই উইপোকায় খেয়ে ফেলেছে। ফুলস্কেপ কাগজের অর্ধেক অংশই নেই। যেটুকু আছে সেটুকু পড়ে বোঝা যায় এটা বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীর পাণ্ডুলিপি। টাইপ করা কাগজের অর্ধেক আছে অর্ধেক নেই, এ তো কোনো কাজে আসবে না। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বহু খোঁজখবর করে, বহু চেষ্টা করেও মূল খাতার হদিস করতে পারেননি। একপর্যায়ে আশাই ছেড়ে দিলেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা হয়। পরম করুণাময়ের অশেষ রহমতে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ প্রাণ হারান ২৪ জন। এই ঘটনায় শোক-কষ্ট আর দুঃখ-বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে আছেন যখন আমাদের আজকের প্রধানমন্ত্রী, যখন মনে হচ্ছে তাঁর নতুন জন্ম হয়েছে, তখন আশ্চর্যজনকভাবে তাঁর হাতে এলো বঙ্গবন্ধুর হাতে লেখা অমূল্য আত্মজীবনীর চারটি খাতা। খাতাগুলো এনে দিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যার এক ফুফাতো ভাই। 'বাংলার বাণী' সম্পাদক, বঙ্গবন্ধুকন্যার আরেক ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল হক মণির ড্রয়ারে পাওয়া গেছে খাতাগুলো। বঙ্গবন্ধু সম্ভবত শেখ মণিকে টাইপ করতে পাঠিয়েছিলেন খাতাগুলো। আত্মজীবনী ছাপানোর একটা চিন্তা তাঁর ছিল। কিন্তু পঁচাত্তরের সেই নৃশংস ঘটনায় ফজলুল হক মণিও শাহাদাতবরণ করেন।
খাতাগুলো হাতে পেয়ে বাক্রুদ্ধ শেখ হাসিনা। ছোট বোন শেখ রেহানাকে ডাকলেন। পিতার হাতের লেখার ওপর গভীর শ্রদ্ধা মমতায় হাত বোলাতে বোলাতে চোখের জলে ভাসতে লাগলেন দুই বোন। যেন তাঁরা কোনো কাগজ স্পর্শ করছেন না, যেন তাঁরা স্পর্শ করছেন পিতাকেই।
এই ঘটনা অতি হৃদয়গ্রাহী করে ভূমিকায় লিখেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তারপর কিভাবে, কার কার সহযোগিতায় প্রকাশিত হলো গ্রন্থটি, সে কথাও লিখেছেন।
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' এক মহান গ্রন্থ। ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লিখতে শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। তবু যতখানি লিখেছেন তাও বাঙালি জাতির এক অমূল্য সম্পদ। বইটিতে তাঁর আত্মজীবনী লেখার প্রেক্ষাপট, তাঁর বংশপরিচয়, জন্ম-শৈশব, স্কুল ও কলেজজীবন, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা, দেশভাগ, ভাষা আন্দোলন, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণ, জেলজীবন, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সর্বংসহা সহধর্মিণীর কথা গভীর আন্তরিকতায় লিখেছেন। "আমার সহধর্মিণী একদিন জেলগেটে বসে বলল, 'বসেই তো আছ, লেখ তোমার জীবনের কাহিনী।' বললাম, লিখতে যে পারি না; আর এমন কী করেছি যা লেখা যায়! আমার জীবনের ঘটনাগুলি জেনে জনসাধারণের কি কোনো কাজে লাগবে? কিছুই তো করতে পারলাম না। শুধু এইটুকু বলতে পারি, নীতি ও আদর্শের জন্য সামান্য একটু ত্যাগ স্বীকার করতে চেষ্টা করেছি।"
"আমার স্ত্রী যার ডাকনাম রেণু- আমাকে কয়েকটা খাতাও কিনে জেলগেটে জমা দিয়ে গিয়েছিল। জেল কর্তৃপক্ষ যথারীতি পরীক্ষা করে খাতা কয়টা আমাকে দিয়েছেন। রেণু আরও একদিন জেলগেটে বসে আমাকে অনুরোধ করেছিল। তাই আজ লিখতে শুরু করলাম।"
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অসমাপ্ত হয়েও বহু মূল্যবান এক গ্রন্থে উন্নীত। বেশ কিছু দুষ্প্রাপ্য ছবি ছাপা হয়েছে বইয়ে। ছবিগুলো আলাদা মর্যাদা দিয়েছে বইটিকে। পাঠক এই বই পড়ে এক মহান বাঙালির, এক মহান নেতার জীবনের বহু অজানা তথ্য জানতে পারবেন। আমাদের দুঃখ, এই আত্মজীবনী তিনি যদি শেষ করে যেতে পারতেন, তাহলে পৃথিবীর মানুষ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম বাঙালির জীবন পাঠ করে মুগ্ধ বিস্ময়ে অভিভূত হতো।

No comments

Powered by Blogger.