পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান- কানাডা সরকার দুদককে সাহায্য করছে না

পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি অনুসন্ধানের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) কানাডা সরকার যথাযথ সাহায্য করছে না। কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান এ দাবি করে বলেছেন, কানাডা সরকারের অসহযোগিতার কারণে দুদকের তদন্ত দলের সে দেশে যেতে দেরি হচ্ছে।


গতকাল বুধবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান দুদকের চেয়ারম্যান।
কানাডার তথ্য ছাড়া পদ্মাবিষয়ক অনুসন্ধান অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে উল্লেখ করে চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, দুদকের তদন্ত দল মনে করছে যে কানাডার কাছে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য রয়েছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে তা কমিশনের জানা দরকার।
পদ্মা সেতুবিষয়ক তদন্ত দল অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মাধ্যমে শিগগিরই কানাডায় যৌথ আইনি সহায়তার অনুরোধ (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট—এমএলএআর) পাঠাবে। এতে কানাডা সরকার সাড়া দিলে দুদকের তদন্ত দল কানাডায় যাবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
গতকাল দুপুরে দুদকের চেয়ারম্যানের কক্ষে ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তাঁর দুদকে আসার কারণ সম্পর্কে দুদকের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে লুটপাটের পরিমাণ বেড়েছে। তিনি যেহেতু আইন বিশেষজ্ঞ, আমরা তাঁর কাছে আইনি সহায়তা চেয়েছি। তিনি আমাদের কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি সহায়তা করবেন।’
পদ্মা সেতুর পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দিতে অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার (ঘুষ দিতে চাওয়া) অভিযোগে কানাডিয়ান মাউন্ট পুলিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক ইসমাইল ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত রমেশ সাহাকে গ্রেপ্তার করেছে। বলা হচ্ছে, তাঁদের বাসা থেকে উদ্ধার করা ল্যাপটপ ও ডায়েরিতে ঘুষ লেনদেনের কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।

No comments

Powered by Blogger.