ইউরো বচন

সংবাদমাধ্যম আর সমর্থকদের মনে হয় আমাদের মতো ধৈর্য নেই। ২০১০ বিশ্বকাপেও প্রথম ম্যাচটা হেরে গিয়েও শিরোপা জিতেছিলাম আমরা। ইউরোয় নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইতালির বিপক্ষে ড্রয়ের পর দলের সমালোচনার জবাবে স্পেনের জেসাস নাভাস


আমি জার্সি খুলে ফেলায় কেউ রাগ করেনি, বরং আমার শরীর দেখে হিংসায় লালকার্ড দেখিয়েছে।
জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনাল শেষে ইতালির জয়ের নায়ক মারিও বালোতেল্লি

আপনি যখন জিতবেন, সুখী থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক। আর হারলে মেজাজটাও চড়বে। আমাদের সেটাই হয়েছিল।
দলে অন্তর্কলহের কথা জানিয়ে ফ্রান্সের স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরু

মেসির সঙ্গে নিজেকে তুলনা করি না। আশাও করি না, পাঁচজনকে কাটিয়ে গোল করছি এমনটা আমার কাছে কেউ দেখতে চাইবে
তাঁর কাছে মেসির মতো পারফরম্যান্স আশা করলে সেটা হবে ভুল, জানিয়ে স্পেনের
সেস ফ্যাব্রিগাস

তিন ম্যাচেই পরাজয়। এটা মেনে নেওয়াটা কঠিন। তবু আয়নার সামনে দাঁড়ানোর সাহস আমাদের করতেই হবে
গ্রুপ পর্বেই ছিটকে পড়ার পর ডাচ তারকা আরিয়েন রোবেন

ম্যাচটা আমি দেখেছি। ইংল্যান্ড আশানুরূপ সাহস, নিবেদন এবং লড়াকু মানসিকতা নিয়ে খেলেছে বলে মনে করি আমি।
ইতালির বিপক্ষে টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডের হারের পর সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন

No comments

Powered by Blogger.