কোচিং বাণিজ্যে ৫৭ বিসিএস কর্মকর্তা by মাসুদুল আলম তুষার

একেই যেন বলে 'কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হওয়া'। কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা করতে গিয়ে গোয়েন্দারা পেয়েছেন চমকে ওঠার মতো সব তথ্য। তাঁরা দেখেছেন, কোচিং বাণিজ্যে শুধু ব্যবসায়ী নন, জড়িয়ে গেছেন খোদ সরকারি কর্মকর্তারা।


বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সরকারি কর্মকর্তারা শুধু যে কোচিংয়ে ক্লাস নিয়েই আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তা নয়, ওই কোচিং সেন্টারের রীতিমতো ব্যবসায়িক অংশীদারও হচ্ছেন তাঁরা। এই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের কল্যাণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাণিজ্যের পাশাপাশি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণের 'সুযোগ' করে দেওয়ার মতো চ্যালেঞ্জ নিতেও দ্বিধা করছে না তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন কোচিং সেন্টারগুলো। অংশীদারত্ব বা শিক্ষকতার সূত্রে তাঁদের নাম-পদবিকে পুঁজি করে ওই সেন্টারগুলো ব্যবসাও চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা। অথচ আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের কোচিং বাণিজ্য দূরে থাক, কোনো রকম ব্যবসা-বাণিজ্য বা চাকরি করা নিষেধ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নিষিদ্ধ করে সরকার ইতিমধ্যে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে। এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ খুঁজতে গিয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার গোয়েন্দারা পেয়েছেন অবাক করা এক চিত্র। তাঁদের তদন্তে কোচিং সেন্টার পরিচালনা, অংশীদারত্বসহ নানা তৎপরতায় অর্ধশতাধিক সরকারি কর্মকর্তার যোগসূত্রতা মিলেছে। তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা লেনদেনের কথাও জানা গেছে। মূলত বিসিএস পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত তিনটি কোচিংয়ের কোর্সেই মিলেছে ৫৭ জন সরকারি কর্মকর্তার নাম। তাঁরা শুধু কোচিং পরিচালনা নয়, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পাস করিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে প্রতারণাসহ নানা অপতৎপরতায় জড়িত বলে ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ ব্যাপারে বিশদ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।
পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকারের কাছে জানতে চাইলে গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, 'এ ধরনের প্রতিবেদনের ব্যাপারে আমি ওয়াকিবহাল নই। তবে কারো বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি পুলিশ কর্মকর্তাদের কারো কোচিং বাণিজ্যে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
পুলিশের বিশেষ শাখার সুপার খন্দকার গোলাম ফারুক এ ব্যাপারে কালের কণ্ঠকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে তিনিও শুনেছেন। তবে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ব্যাপারে তিনি এখন পর্যন্ত জানেন না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. আলাউদ্দিন ভূইয়া ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ একজন কর্মকর্তা। তিনি সাইফুরসে বিসিএস কোচিংয়ের ব্যবসায়িক পার্টনার ও বিসিএস কোচিংয়ের কোর্স কো-অর্ডিনেটর বলে তথ্য মিলেছে গোয়েন্দা অনুসন্ধানে। তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর একই সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ও কোচিংয়ের প্রসপেক্টাসে। তিনি এ কোচিং সেন্টার থেকে বছরে ৩০ লক্ষাধিক টাকা আয় করেন এবং তাঁকে একটি প্রাইভেট কার উপহার দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরো পাঁচজন সহকারী সচিবের এতে সংশ্লিষ্ট থাকার তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।
কোচিং সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে সহকারী সচিব মো. আলাউদ্দিন ভুঁইয়ার কাছে জানতে চাওয়া হলে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, 'আগে থেকেই এ কোচিং সেন্টারের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। তবে এখন তাদের সঙ্গে সেভাবে জড়িত থাকতে পারছি না। আমি মাঝেমধ্যে কোচিং সেন্টারটিতে বসলেও অন্য সহকারী সচিবরা ক্লাস নেওয়ার মতো সময় পান না।' অতিরিক্ত কিছু করে অর্থ পাওয়ার আশায় তিনি কোচিংয়ের সঙ্গে জড়িয়েছেন বলে দাবি করেন।
৩৩তম বিসিএসে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক মেসবাহ উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী এ প্রতিবেদককে জানালেন, সাইফুর'স কোচিংয়ে গেলে তারা শুরুতেই সহকারী সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়ার কোচিং পার্টনারশিপের বিষয়টি জানায় এবং বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে বলে ইঙ্গিত দেয়। ওই শিক্ষার্থী আরো বলেন, অন্য কোচিং সেন্টারেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ও ছবি দেখিয়ে বলা হয়েছে, তাঁরা যেহেতু রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিকভাবে ক্ষমতাবান তাঁদের মাধ্যমে বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়া সহজ হবে। তবে ক্লাস শুরুর সময় সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯ অমান্য করে বিসিএস কর্মকর্তারা কোচিং ব্যবসা করছেন। তাঁরা প্রসপেক্টাসে নিজেদের ছবির পাশাপাশি সরকারের উপদেষ্টা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের ছবি ছাপিয়ে প্রতারণাও করে যাচ্ছেন। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী একজন বিসিএস (গেজেটেড) কর্মকর্তা তাঁর সরকারি কাজ ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসা বা চাকরি বা কাজ গ্রহণ করতে পারেন না, যা ১৭ নম্বর বিধিতে উল্লেখ আছে। তা লঙ্ঘন করলে ৩২ নম্বর বিধি অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫-এর আওতায় অসদাচরণ বলে গণ্য হয় এবং কোনো সরকারি কর্মচারী ওই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে ওই বিধিমালার আওতায় শৃঙ্খলামূলক শাস্তির জন্য অভিযুক্ত হন। বিসিএস কর্মকর্তাদের কোচিং ব্যবসায় জড়িত থাকার বিষয়টি আইনগতভাবে অন্যায়ই শুধু নয়, এটা প্রশাসনকে বিতর্কিত করে তুলছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'রাজধানীর ইন্দিরা রোডে অবস্থিত কনফিডেন্স কোচিং সেন্টার শুধু বিসিএস অফিসারদেরই ছবি ও তথ্য ব্যবহার করছে তা নয়, তারা তাদের প্রসপেক্টাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জাতীয় সংসদের স্পিকার অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার, সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ, সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, বিটিআরসির সাবেক চেয়ারম্যান মার্গুব মোরশেদসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তির ছবি অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রদর্শনের নিমিত্তে ও বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে।' গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, 'এসব রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তি কোনোভাবেই কোচিংয়ের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, এমনকি এসব ছবির বেশির ভাগ কোচিংয়ের কোনো অনুষ্ঠানে তোলা হয়নি। এর বেশির ভাগ ছবি কোচিংয়ের কার্যক্রমের বাইরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তোলা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিকভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ছবি প্রসপেক্টাসে ব্যবহার করে সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের প্রতারিত করা হচ্ছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের কোচিংয়ে কর্মরত সাধারণ কর্মচারীরা ভর্তির সময় ও ভর্তির পরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বলেন, 'আমাদের মালিকের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ভালো সম্পর্ক, সুতরাং কনফিডেন্স কোচিংয়ে ভর্তি হলে ও পড়াশোনা করলে বৈধ ও অবৈধ উভয়ভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের প্রভাবে বিসিএসে তারা সহজে চান্স পাবে।'
প্রতিবেদনের সঙ্গে গোয়েন্দারা কনফিডেন্সসহ চারটি কোচিং সেন্টারের প্রসপেক্টাস সংযুক্ত করেছেন।
গ্রীন রোডে অবস্থিত সাইফুর'স কোচিং ও ফার্মগেটে সেন্টার পয়েন্ট কনকর্ডে অবস্থিত ক্যারিয়ার এইড কোচিং সেন্টারে এ রকম নানা প্রতারণার ফাঁদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে অনেক বিসিএস কর্মকর্তার নাম কোচিং সেন্টারগুলোতে শিক্ষক হিসেবে প্রসপেক্টাসে লেখা হলেও তাঁরা সেখানে পড়ান না। শুধু আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাঁদের নাম প্রসপেক্টাসে ব্যবহারের সুযোগ করে দেন।
গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, তিনটি কোচিং সেন্টারে ব্যবসায়িক অংশীদারীসহ নানাভাবে জড়িত রয়েছেন ৫৭ জন বিসিএস কর্মকর্তা। কনফিডেন্স কোচিং সেন্টারে যুক্ত রয়েছেন যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) আফজাল হোসেন, উপসচিব (অষ্টম বিসিএস) মো. আবদুল লতিফ খান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সহপরিচালক মিজানুর রহমান, সহপরিচালক (অডিট) মনজুরুল কবির, বিসিএস (বাণিজ্য) রুহুল আমিন, বিসিএস (পুলিশ) তোফায়েল আহম্মেদ, বিসিএস (ডাক) শাহ আলম ভুঁইয়া, সহপরিচালক (অডিট) নজরুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের রফিকুল ইসলাম, পরিকল্পনা মন্ত্রীর পিএস সুশান্ত কুমার সরকার, পিএসসির পরীক্ষক প্রফেসর এম ইউ খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, সি. সহকারী প্রধান (পরিকল্পনা) মিজানুর রহমান, বিসিএস (ডাক) তারিকুল ইসলাম, ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) উত্তম কুমার, ৩০তম বিসিএস (পুলিশ) উত্তম কুমার, আনসার অ্যাডজুডেন্ট মাহবুবুর রহমান, বিসিএস (কাস্টমস) সুশান্ত পাল, বিসিএস (শিক্ষা) এজাজুল করিম, আমিনুর রহমান, নজরুল ইসলাম, আশীষ বাগচী ও শামীমুর রহমান।
সাইফুর'স কোচিংয়ে জড়িত হিসেবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়া, আনিসুজ্জামান, নাফিসা মনসুর, খায়রুল বাশার, মাহবুর রহমান, আল আলেমুল ইমাম, লক্ষ্মীপুরের সহকারী কমিশনার (ম্যাজিস্ট্রেট) রাজিব সিদ্দিকী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব আশরাফ উদ্দিন, বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম, বরিশাল কে সি কলেজের প্রভাষক হুমায়ুন বিন সিরাজ, ঝিনাইদহ কে সি কলেজের প্রভাষক এস এম আবদুল মতিন, সহকারী পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়ান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার তাসিন মাসরুফ, নারায়ণগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জামাল হোসেন, বরিশালের সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক প্রবাল শরীফ, সোনালী ব্যাংকের অফিসার ইনচার্জ পরান চন্দ্র, শোয়েব মাসুদ ও জি আর সেলিম। এ প্রতিষ্ঠানে নটর ডেম কলেজের প্রভাষক তাহেরুল ইসলাম (অপু), আইডিয়াল কলেজের প্রভাষক মো. শাহিন, বাংলাদেশ রাইফেলস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোমিনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক তারিক মনজুর ও পূবালী ব্যাংকের অফিসার রবিউল ইসলাম। একই প্রতিবেদনে 'ক্যারিয়ার এইড' কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিসিএস (প্রশাসন) আবু লাবিব, বিসিএস (বাণিজ্য) রুহুল আমিন, আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাকির হোসেন, বিসিএস (শিক্ষা) নাসির উদ্দিন খিলজী, বিসিএস (তথ্য) আবু জোবায়ের, বিসিএস (শিক্ষা) এম এ মিঠু, সহকারী জজ মো. শাহাদত হোসেন, বিসিএস (তথ্য) সামির মাহমুদ, বিসিএস (প্রশাসন) এ হোসাইন, বিসিএস (তথ্য) আবু সাজিদ, বিসিএস (প্রশাসন) রইস উদ্দিন, বিসিএস (শিক্ষা) জাহিদ বিন মতিন (কল্লোল), বিসিএস মো. রেজাউল ইসলাম খান, বিসিএস (শিক্ষা) আমানুল্লাহ আল মারুফ ও বিসিএস (শিক্ষা) ইয়াসিন পাটোয়ারীর নাম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, কিছুসংখ্যক বিসিএস কর্মকর্তা বিভিন্ন বিসিএস ভর্তি কোচিংয়ে জড়িয়ে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন। এতে অন্যরাও উৎসাহিত হচ্ছেন। সব মিলিয়ে প্রশাসনের প্রতি আস্থা ও সম্মান কমে যাচ্ছে তাঁদের এ তৎপরতায়। বিসিএস অফিসারদের কোচিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কোচিং ব্যবসায়ীদের লাভবান করলেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি। একই সঙ্গে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

No comments

Powered by Blogger.