প্রধানমন্ত্রীর জিজ্ঞাসা- লোভী, প্রতারক ও দুর্নীতিবাজের প্রতিবেদন কতটা গ্রহণযোগ্য?

বৌদ্ধবিহারে হামলার ঘটনায় বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা আবার তদন্ত কমিটিও করে। সেই তদন্ত কমিটির আবার চেয়ারম্যানও হয়। তারা তদন্ত করে নাকি পেয়ে গেছে, ওখানে আওয়ামী লীগ সব করেছে।’


গতকাল শুক্রবার গণভবনে শ্রমিক লীগের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শ্রমিক লীগের নেতাদের মধ্যে শুকুর মাহমুদ ও সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গুলশানের একটা বাড়ির লোভ সামলাতে পারে না, বিদেশিদের সঙ্গে প্রতারণা করে সেই বাড়ি বেহাত করে নেয়, যে ২০টা নামে অ্যাকাউন্ট খুলে এত বড় ফ্রড করে, যে দুর্নীতির জন্য জেল খাটে, জেনারেল এরশাদ যারে ক্ষমা-ঘেন্না করে মাফ করে দিয়ে আবার দলে ভিড়িয়ে নেয়, তার রিপোর্ট বাংলাদেশের মানুষের কাছে কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে?’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশ চালাচ্ছে। আমাদের কোনো “হাওয়া ভবন” বা “খোয়াব ভবন” নেই।’ বৌদ্ধবিহারে হামলার ঘটনা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করার কাজ চলছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য অন্যের ওপর দোষ দেওয়া, উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির চরিত্র—এটা সবাই জানে।’
গতকাল সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বৌদ্ধবিহারে হামলার ঘটনায় ৬৭ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে বিএনপি। নয় সদস্যের তদন্ত দলের প্রধান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকারের নিষ্ক্রিয়তাই এ ঘটনাপ্রবাহ সংঘটিত হতে সব ধরনের সহায়তা করেছে। সরকার নিজেদের মদদে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

No comments

Powered by Blogger.