জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী আর নেই

বিশ্বসাহিত্যের বহু মূল্যবান রত্ন যিনি বাংলায় অনুবাদ করে অর্ধশতাব্দী আগে বাংলাভাষী পাঠকদের সমৃদ্ধ করেছেন এবং বাংলা সাহিত্যকে ইংরেজি সাহিত্যের পাঠকদের কাছে তুলে ধরে মাতৃভাষাকে মহিমান্বিত করেছেন, সেই পণ্ডিত লেখক আমাদের জ্ঞানের বাতিঘরতুল্য কবীর চৌধুরী আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। নিভে গেল তার আলোর ভুবন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী মেহের কবীর, তিন কন্যা, অসংখ্য শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ আসর জানাজা শেষে সন্ধ্যায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
তাকে সমাহিত করা হয়। কবীর চৌধুরীর মেয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক শাহীন কবীর জানান, ভোর ৬টার দিকে বাবাকে ওষুধ খাওয়াতে গিয়ে দেখেন, তিনি নড়াচড়া করছেন না। ঘুমের মধ্যেই ভোরে কোনো এক সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন বাংলা একাডেমীর সভাপতি বর্ষীয়ান এই শিক্ষাবিদ।
রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ও স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট কবীর চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। সকালেই বিভিন্ন অঙ্গনের বরেণ্য ব্যক্তিরা তাকে শেষবার দেখতে ছুটে যান ৪১ নয়াপল্টনের বাসায়।
২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট কবীর চৌধুরী লিখিত নির্দেশনা দেন, তার মরদেহ শহীদ মিনারে না নিতে। জানাজা একটি এবং দাফন যেন খুব সাধারণভাবে করা হয়। তাকে যেন সাধারণ স্থানে সমাহিত করা হয়, যেখানে তার কবরের ওপর অন্যজনকে কবর দেওয়া যেতে পারে। এমনকি কুলখানি ও চেহলাম না করার নির্দেশ দিয়ে যান তিনি। এই বরেণ্য লেখক-শিক্ষাবিদ ১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
কবীর চৌধুরীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী :জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মরদেহ দেখতে নয়াপল্টনে তার বাসভবন 'গাজী ভবনে' যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গাজী ভবনের কমিনিউটি স্পেসে রাখা কবীর চৌধুরীর মরদেহের পাশে দুপুর পৌনে ১টা থেকে ১টা ৮ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণের জন্য কবীর চৌধুরী শয়ন কক্ষে যান এবং কবীর চৌধুরীর স্ত্রী মেহের কবীরসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কবীর চৌধুরীকে শেষবারের মতো দেখতে তার বাসায় যান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ, পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার, আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, শাহরিয়ার কবির, কামাল লোহানী, মনজুরুল আহসান খান, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, মুনতাসীর মামুন, শামসুজ্জামান খান, রামেন্দু মজুমদার, রাশেদ খান মেনন, আবুল হাসনাত, এইচটি ইমাম, লিয়াকত আলী লাকী, হায়াৎ মামুদ, সৈয়দ আবুল মকসুদ, কাইয়ুম চৌধুরী, বেবী মওদুদ, ফকির আলমগীর, আয়েশা খানম, গোলাম কুদ্দুছ, ম. হামিদ, এমএম আকাশ, নিসার হোসেনসহ অনেকে।
জানাজায় মানুষের ঢল :বাদ আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে ক্ষণজন্মা এ শিক্ষাবিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, উপ-উপাচার্য ড. হারুন অর রশিদ, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, আলী যাকের, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, নাজিম উদ্দিন আলম, খায়রুল কবীর খোকন, আবেদ খান, নির্মলেন্দু গুণ, আ স ম আবদুর রব, আবুল হাসনাত, তারিক আনাম খান, মনসুর মুসা, শিক্ষা সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী, আবদুল মান্নান চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জানাজা শেষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কবীর চৌধুরীকে 'গার্ড অব অনার' দেওয়া হয়। এ সময় তার কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয় এবং বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
বেনু কবীর বাবাকে দেখতে পারলেন না : কবীর চৌধুরীর মেজ মেয়ে বেনু কবীর শেষবারের মতো বাবাকে দেখে যেতে পারলেন না। গত শনিবারই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।
বর্ণাঢ্য জীবন : ১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন কবীর চৌধুরী। তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীর চাটখিলের গোপাইরবাগ গ্রামে। বাবা খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী এবং মা আফিয়া বেগমের ৯ সন্তানের মধ্যে তিনি প্রথম। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতিত্বপূর্ণ শিক্ষাজীবন শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা সম্পন্ন করেন। বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে দেশের নানা সরকারি কলেজে অধ্যাপনা ছাড়াও অধ্যাপক কবীর চৌধুরী সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর প্রধান হিসেবে পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে ১৯৭৩-৭৪ সালে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনায় যোগ দেন এবং বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৯৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োজিত হন। দেশের সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সভাপতিও ছিলেন তিনি। অধ্যাপক কবীর চৌধুরী ২০০৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আমৃত্যু বাংলা একাডেমীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তার ছোটভাই মুনীর চৌধুরীকে হত্যা করে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণর্ ভূমিকা রাখেন তিনি। জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী শুধু একজন লেখকই ছিলেন না; জীবন, শিল্প, সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতিসহ নানা বিষয়ের অসংখ্য দিকনির্দেশক রচনারও স্রষ্টা।
বিশ্বসাহিত্যের বহু গুরুত্বপূর্ণ রচনা বাংলায় অনুবাদ এবং বাংলাসাহিত্যের বেশ কিছু গ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ তার গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হিসেবে চিহ্নিত।
বাংলা ও ইংরেজিতে মৌলিক রচনা ও অনুবাদ মিলিয়ে কবীর চৌধুরীর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ২১৭টি। তার বেশকিছু রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত ও সংকলন গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে।
পুরস্কার ও সম্মাননা : সৃজনশীল ও মননশীল ভূমিকার জন্য কবীর চৌধুরী একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পদক, বাংলা একাডেমী পুরস্কারসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
শোকার্ত বিশিষ্টজন : অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃত্যুতে সমকালের কাছে শোকার্ত উচ্চারণে তার অবদানের কথা বলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা বলেন, তার লেখনী ও চিন্তা-চেতনার মধ্য দিয়ে তিনি সমাজকে আধুনিক, প্রগতিশীল ও দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ করার সাহস জুগিয়েছেন। তার এ অবদান বাঙালি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার মতো ছিলেন তিনি। তার শূন্যতা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, তিনি আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন না। তার পরেও তার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখতাম।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, তার মতো প্রজ্ঞাময় ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের অভাব কিছুতেই পূরণ হওয়ার নয়।
শাহরিয়ার কবির বলেন, ৪০ বছর ধরে আমাদের নাগরিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি। মৌলবাদ, যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনসহ সব গণতান্ত্রিক ও নাগরিক আন্দোলনে মিছিল-মিটিংয়ে থাকতেন সর্বাগ্রে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, কবীর চৌধুরী একজন গণমুখী মানুষ ছিলেন। জ্ঞানচর্চার সবক্ষেত্রে তিনি যে নিদর্শন রেখে গেছেন তা ভুলে যাবার নয়।
মফিদুল হক বলেন, তিনি গড়ে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা লেখালেখি, পড়াশোনা করতেন। যেখানে তিনি যেতেন, তার সঙ্গে কোনো না কোনো বই সঙ্গে থাকত। তিনি চেয়েছিলেন স্বাভাবিক মৃত্যু। আল্লাহ তার কথা রেখেছেন। ঘুমের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মনজুরুল আহসান খান বলেন, তিনি বাংলাদেশের চেতনাদীপ্ত সব আন্দোলনের স্থপতি ছিলেন। ছিলেন অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার ও প্রতিবাদী লেখক।
রামেন্দু মজুমদার বলেন, তিনি ছিলেন একেবারে সাদামাটা মানুষ। আড়ম্বরপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন না। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অবিরাম লিখে গেছেন।
বিভিন্ন মহলের শোক : জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ূয়া, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক আরআইএম আমিনুর রশিদ, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল।
আরও শোক প্রকাশ করেছে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, বাংলা একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমী, ছাত্রলীগ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম_মুক্তিযুদ্ধ ৭১, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জেএসডি, জয়বাংলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিশ্ব কবিতাকণ্ঠ পরিষদ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, বিশ্ব বাঙালি সংগঠন ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি।
ডিইউজের আলোচনা সভা : জাতীয় অধ্যাপকের মৃত্যুতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) আজ বুধবার সকাল ১১টায় ইউনিয়ন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সূর্যসহ বিশিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ।

No comments

Powered by Blogger.