অস্ত্র চোরাকারবারির সংখ্যা ৪০৪

দেশের সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র আছে। এসব অস্ত্র প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঢুকছে। অস্ত্র চোরাকারবারিরা দেশজুড়ে গড়ে তুলেছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এর নেপথ্যে রয়েছেন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা নামধারী অসংখ্য গডফাদার। এসব ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে ৪০৪ চোরাকারবারি। গত অক্টোবরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। এ প্রতিবেদনের সঙ্গে ৪০৪ অস্ত্র চোরাকারবারি ও রাজনৈতিক গডফাদারের নাম, ঠিকানা এবং পদবি সংবলিত একটি তালিকা সংযুক্ত করা হয়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব) নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। তবে অস্ত্র চোরাকারবারির তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগেরই দাবি, তারা কোনোভাবেই অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত নন। রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানায় তারা। জানতে চাইলে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল জিয়াউল আহসান যুগান্তরকে বলেন, র‌্যাব সব সময়ই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই তালিকা ধরে অস্ত্র চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযানে নামবে র‌্যাব। দেশের অভ্যন্তরে একজন অস্ত্র চোরাকারবারিকেও সক্রিয় থাকতে দেয়া হবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আইনশৃংখলা বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই পরিত্যক্ত অবস্থায় বা অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে। কিন্তু সম্প্রতি হবিগঞ্জের সাতছড়ি বনাঞ্চলে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করে দেশের সন্ত্রাসী গ্র“পের কাছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র আছে।’
এসব অস্ত্র প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে এসে থাকে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উভয় দেশের কতিপয় অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে অবৈধ অস্ত্রের চোরাচালান হচ্ছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। অস্ত্র চোরাকারবারিদের এই দৌরাত্ম্য চলতে থাকলে দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি বিনষ্ট হবে। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ক্রমশই ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলেও মন্তব্য করা হয় প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে ৪টি মন্তব্য ও ৫টি সুপারিশ সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মন্তব্যগুলো হচ্ছে- অবৈধ অস্ত্রের এমন বিস্তারলাভ দেশে সন্ত্রাসী চক্রকে আরও উৎসাহী করে তুলবে। অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশে অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নামে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে প্রতিয়মান হয় যে, স্থানীয় পর্যায়ের কিছু রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, সীমান্তরক্ষী ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় সীমান্তপথে অবৈধ অস্ত্র আসছে।
সুপারিশে বলা হয়েছে, অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে সীমান্তের প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন চেকপোস্ট ও বিওপি স্থাপন। এছাড়া চিহ্নিত চেকপোস্ট ও বিওপিগুলোতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী পদায়ন এবং টহল জোরদার। যেসব অস্ত্র চোরাকারবারির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করা। স্থানীয় পর্যায়ে যেসব জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া। অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধে প্রয়োজনে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে।
অস্ত্র চোরাকারবারি হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর একরামুল হক বাবু যুগান্তরকে বলেন, তিনি মূলত আইনজীবী। একসময় তিনি শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এখন কোনো রাজনীতি করেন না। মূলত শিবিরের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
ফেনী জেলা যুবদলের সভাপতি গাজী হাবিবুল্লাহ বাহার মানিক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। তবে তিনি কখনোই অস্ত্র ব্যবসায়ী ছিলেন না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অস্ত্র চোরাকারবারি হিসেবে তার নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে অস্ত্র চোরাকারবারি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র মামলা দূরে থাক তার বিরুদ্ধে কোনো থানায় একটি মামলাও নেই।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, স্থানীয় পুলিশ সুপারের সঙ্গে তার মতবিরোধ ছিল। পুলিশ সুপার জামায়াত-শিবিরবান্ধব ছিলেন। এছাড়া তার ভাই চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে। পুলিশ তাকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চালালে জনতা রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়। পুলিশ সুপার ধরে নেন এই ব্যারিকেড দেয়ার পেছনে আমার হাত আছে। এ কারণে তিনি আমাকে অস্ত্র চোরাকারবারি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন।
অস্ত্র চোরাকারবারি ও তাদের গডফাদারসহ নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা :
নেত্রকোনা জেলা : নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার বাগিচাপাড় গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম। একই থানার বাহেরউড়া গ্রামের রাজ মাহমুদের ছেলে মজিম। পূর্বধলা থানার মনশুরা গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে আবদুর রশিদ। দুর্গাপুর থানার লোহারগাঁও গ্রমের হারুন আর রশীদের ছেলে বিল্লাল হোসেন। একই থানার বাকলজোড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান। পূর্বধলা থানার পাইলাটি গ্রামের ডা. মহিউদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন। দুর্গাপুর থানার দক্ষিণ জাগিরপাড়া গ্রামের মৃত মমিন মিয়ার ছেলে মো. আবদুল হক মিয়া।
কুমিল্লা জেলা : কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার নুরপুর গ্রামের ঠোঁটকাটা নাসির। একই থানার ঠাকুরপাড়া গ্রামের কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলের একরামুল হক বাবু (ককটেল বাবু)। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ঝাউতলা গ্রামের প্রাণ বল্লভের ছেলে অশোক কুমার। একই থানার শুভপুর, সর্দার বাড়ি গ্রামের গোলাম মহিউদ্দিনের ছেলে শাহজাদা। একই থানার বজ পুর গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে রাকিব। একই থানার মুন্সেফ কোয়ার্টারের মৃত আবদুল হাইর ছেলে আলমগীর। সদর দক্ষিণ থানার কালোরা গ্রামর গ্রীন ক্যাসেল রেস্টুরেন্ট, ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ডের পরিচালক আ. হামিদের ছেলে আসাদুজ্জামান ভুট্টো। কোতোয়ালি থানার মুন্সেফ বাড়ির কাশারীপট্টি, গ্রামের কুসিক কাউন্সিলর সাইফুল। কোতোয়ালি থানার শুভপুর (মাস্টার ভিলা) রমজান মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে একরাম। একই থানার চানপু (কেরানী বাড়ী), মহিউদ্দিনের ছেলে রানা। একই থানার কাপ্তানবাজার, ছোটরা গ্রামের কুসিম কাউন্সিলর ১ নং ওয়ার্ডের মো. কিবরিয়া।
কুমিল্লায় অস্ত্র ব্যবসার গডফাদার যারা : কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সাবেক জিএস জহিরল হক রিন্টু। কোতোয়ালি থানার শাকতলার রাসেল। কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিপন। কোতোয়ালি থানার মুন্সেফ বাড়ি গ্রামের তুহিন। কোতোয়ালি থানার ছোটরা গামের (সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা জেলা যুবদল) আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। একই থানার মুরাদপুর গ্রামের প্রফেসর পাড়া, ৩নং গলি মুরাদপুরের জিএস শহীদ। একই থানার ঠাকুরপাড়া (ছাত্রদলের সভাপতি) শমসের আলীর ছেলে উৎবাতুল বারী আবু। চৌদ্দগ্রাম থানার সাবেক চেয়ারম্যান, কনকাপৈত ইউপির নুরুল বাহার। সদর দক্ষিণ থানার জয়মঙ্গলপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে লাদেন জাকির।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অস্ত্র ব্যবসায়ীরা : ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলার শিমরাইলকান্দি সদর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে জুম্মন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদরের শিমরাইলকান্দি (বড় বাড়ির পার্শ্বে) রইছ মিয়ার ছেলে জুয়েল (হাদিসের ভাতিজা)। কাজিপাড়া সদরের আবদুর রউফ মিয়ার ছেলে জুম্মন। কাজীপাড়া সদরের আফরোজের ছেলে কালন।
ফেনী জেলার অস্ত্রের গডফাদার : ফেনী জেলার সদরপুর থানার কাড়ীর বাগ গ্রামের মতিদ মিয়ার ছেলে জিয়াউদ্দিন ডালিম (বিএনপি নেতা এবং সাবেক সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন) রেহানা আক্তার রানুর ভাই।) সদর থানার একাডেমি রোড গ্রামের অ্যাডভোকেট মীর হোসেনের ছেলে মো. সুমন প্রকাশ কুল সুমন (যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে)। সদর থানার ফেনী জেলার রামপুর গ্রামের শামছুল হক লাতু মিয়ার ছেলে আনোয়ারুল হোসেন পাটোয়ারী। বর্তমান ঠিকানা-আতিকা মঞ্জিল, এসএসকে রোড, থানা-সদর জেলা ফেনী। তিনি ফেনী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।
সদর থানার আফজালুর রহমান সড়ক, একাডেমি রোডের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে আবদুল্লাহ হিল মাহমুদ শিবলু। তিনি ফেনী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ড কমিশনার (যুবলীগ নেতা)। সোনাগাজী থানার চরচান্দিনা গ্রামের মৃত ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলম। তিনি খোরশেদ বাহিনীর প্রধান এবং বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সোনাগাজী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। (তিনি সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক)। সদর থানার পশ্চিম উকিলপাড়ার মৃত আবদুল খালেকের ছেলে মনোয়ার হোসেন দুলাল। থানায় একাধিক মামলা রয়েছে (বিএনপি নেতা)। ফুলগাজী, নূরপুর গ্রামের জিএমহাট এলাকার আবদুল হাইয়ে ছেলে খোরশেদ আলম বাচ্চু। তিনি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। সে বর্তমানে জিএম হাট ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা। সদর থানার পাঁচগাছিয়ার গাজী হাবিবুল্লাহ বাহার মানিক। তার বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানা একাধিক অস্ত্র মামলা রয়েছে। তিনি জেলা যুবদলের সভাপতি। সদর একাডেমি রোডের আফজালুল রহমান সড়কের বাসিন্দা মৃত আফজালুল রহমানের ছেলে ইউসুফ শাহীন। তিনি যুবলীগ কর্মী।
ফেনীর অস্ত্র ব্যবসার গডফাদার যারা : সদর থানার উকিলপাড়া গ্রামের মৃত দিদারুল আলমের ছেলে জিয়াউল আলম ওরফে মিস্টার। ফেনীতে মিস্টার বাহিনী নামে তার একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। সদর থানার রামপুর গ্রামের মৃত শফিকুল রহমানের ছেলে ফজলুল রহমান বকুল। তিনি সদর থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাসাসের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সোনাগাজী থানার মির্জাপুর গ্রামের আবদুল রহিম মুন্সীর ছেলে দাউদুল ইসলাম মিনার। তিনি মঙ্গলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা। সোনাগাজী থানায় বিরুদ্ধে একাধিক অস্ত্র মামলা রয়েছে।
রাজশাহীর অস্ত্র চোরাকারবারি যারা : রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার রামনগর গ্রামের মৃত সৈবুর মওলানার ছেলে হায়দার আলী। গোদাগাড়ী থানার মাদারপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাছুম। একাই থানার ভগমন্তপুর গ্রামের নাজমুল হকের ছেলে কালু মিয়া। দেওপাড়া ইউনিয়নের রাজবাড়ী গ্রামের মৃত মহিউদ্দিনের ছেলে নাসিরউদ্দিন বাবু। চারঘাট থানার জাফরপুর গ্রামের মৃত আজহার বেপারি ছেলে আসলাম মেম্বার। একই থানার বালুদিয়ার গ্রামের ডাক্তার মজিদের ছেলে বাবু ডাকাত। মতিহার থানার সাহাপুর গ্রামের মৃত যতীন্দ্র নাথের ছেলে শ্রী সন্তোষ কুমার, চারঘাট থানার বামনদীঘি গ্রামের আলহাজ রশীদ মেম্বারের ছেলে সাজ্জাদ বিন শিপন। একই থানার ইউসুফপুর জয়পুর গ্রামের মামদুলের ছেলে আবদুল মোমিন। ঝিকড়া গ্রামের মেছের আলীর ছেলে উকিল। বাঘা থানার আলাইপুর গ্রামের কবির উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া ও চকছাতারী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে নাসির উদ্দিন। মতিহার থানার বাখরাবাদ গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে রেজাউল হক রেজা। বোয়ালিয়া থানার দরগাপাড়ার আবদুস সাত্তারের ছেলে হ্যাপি। মতিহার থানার সাহাপুর গ্রামের আসলাম শেখের ছেলে মাসুদ রানা। গোদাগাড়ী পৌরসভার মাদারপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে নওশাদ আলী ও মাদারপুর গ্রামের নওশাদ আলী ছেলে জাহাঙ্গীর আলম। সারাংপুর গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম। গোদাগাড়ী পৌরসভা সুলতানগঞ্জ (কাচারীপাড়া) গ্রামের আফসার আলী বিহারীর ছেলে খায়রুল ইসলাম। সারাংপুর গ্রামের ফজলু বেপারির ছেলে কাশেম আলী। মেডিকেল মোড়ের মৃত ইছমাইলের ছেলে মজিবর রহমান বিশু। মতিহার থানার ডাশমারী গ্রামের মৃত মুক্তার শেখের ছেলে আলমগীর ওরফে আলো। বোয়ালিয়া থানা দরগাপাড়া গ্রামের আমীর আলীর ছেলে সুইট, পুঠিয়া থানার জিউপাড়া গ্রামের চৈতি প্রামাণিকের ছেলে রুহুল আমিন। চারঘাট থানার চৌমুহনীর চক কাপাসিয়া গ্রামের তোজাম্মেল হকের ছেলে মাজহারুল ইসলাম। দুর্গাপুর থানার ঘোরখাই গ্রামের মানিক ওরফে কুমফু মানিক।
নওগাঁ জেলার অস্ত্র চোরাকারবারি ও গডফাদারদের নাম : নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার তিলাভাদুরী (বিলপাড়া) গ্রামের বাসতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে সোলায়মান আলী। মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের হাছেন আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম। নিয়ামত উপজেলার রামগাঁ ডাকঘর বড়িয়া গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে আয়নাল। নেয়ামতপুর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের সাইফুদ্দিনের ছেলে নাজমুল (আওয়ামী লীগ সমর্থক)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অস্ত্র চোরাকারবারির গডফাদার : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সাহাপাড়া তারাপুর (ডাকনীপাড়া) গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মেরাজ, একই উপজেলার পিয়ালীমারী গ্রামের মোশারফ হোসেন মেম্বর (তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য ও বিএনপি সমর্থক। শিবগঞ্জ থানার সোনামসজিদ বালিয়াদিঘী গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে সেনাউল মেম্বর (তিনি শাহবাজপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য ও আওয়ামী লীগ সমর্থক)। ও আলিমুুদ্দিনের ছেলে আখেরুল। তিনি শাহবাজপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। মনাকষার তারাপুর গ্রামের মৃত জেন্নাত আলীর ছেলে আজম আলী ও শাহাপাড়া গ্রামের ঠুঠাপাড়া (ডাইসাপাড়া) গ্রামের মঞ্জুর রাজের ছেলে টাইগার সিরাজুল। শাহাপাড়া গ্রামের ইউসুফ রাজাকারের ছেলে হাবিব। শিবগঞ্জ থানার তারাপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে কাইয়ুম। শাহাপাড়ার তারাপুরের ঠুটাপাড়া গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে বাছেদ আলী। সোনা মসজিদের বালিয়াদিঘী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে আরশাদ আলী ফকির ওরফে ভদু। দাদনচক গ্রামের গাজলুর ছেলে মামুন। বালিয়াদিঘী সোনামসজিদ গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে খাইরুল ইসলাম, কিরণগঞ্জ গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে সাহেদুল ইসলাম। ৮নং ওয়ার্ড রহনপুর পৌরসভার উত্তর রহনপুর বহিপাড়া গ্রামের ইয়ার মোহাম্মদের ছেলে বকুল। শিবগঞ্জ থানার বড়তেলকুপি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে রেন্টু ওরফে কালু।
জয়পুরহাট জেলার অস্ত্র চোরাকারবারি : জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের (রংপুরিয়া) ছেলে সুলতান ও বাগজানা ভীমপুর গ্রামের মৃত খাদের উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে খলিলুর রহমান। বাগজানা রামভদ্রপুর গ্রামের মাহতাব কসাইর ছেলে বদি। রামভদ্রপুর গ্রামের আঃ রশিদ নূরা। চেঁচড়া গ্রামের মৃত বয়েন উল্লাহর ছেলে আঃ মালেক (ফাটাবাবু)। কালাই থানার কুতন শহর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে হুমায়ুন কবীর, জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার জিন্দারপুর গ্রামের মো. আকবর আলীর ছেলে মো. রুহুল আমিন, জয়পুরহাট জেলা ও থানার কদমতলী ডাকঘর তেরগাতি গ্রামের সানাউল্লাহর ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (কুতুব), জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার ধরঞ্জী ডাকঘর উচনা গোনাপাড়া গ্রামের কাছিমুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে কবির হোসেন, দক্ষিণ দিনাজপুর (ভারত) জেলার বালুরঘাট থানার হিলি (রেলস্টেশনের পশ্চিম পার্শ্বে) গ্রামের মনার ছেলে শ্রী শংকর, দক্ষিণ দিনাজপুর (ভারত) জেলার বালুরঘাট থানার হিলি (রেল স্টেশনের পশ্চিম পার্শ্বে) গ্রামের অজ্ঞাত ছেলে ফড়িং, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার ধরঞ্জী ডাকঘর উচনা সোনাতলা গ্রামের মোজাফ্ফর মণ্ডলের ছেলে মজনু মেম্বার, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার ধরঞ্জী (নং-ওয়ার্ড সদস্য) গ্রামের ফনি চন্দ্র বর্মনের ছেলে অমল চন্দ্র বর্মন।
গডফাদার : জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার রুকিন্দিপুর গ্রামের মো. গোলাম রসুল চৌধুরীর ছেলে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী, জয়পুরহাট জেলার শান্তিনগর গ্রামের আবদুল আলীমের ছেলে ফয়সাল আলীম, জয়পুরহাট জেলার জানিয়ার বাগান গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে গোলজার হোসেন, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার হাস্তাবসন্তপুর গ্রামের মৃত মন্তাজার রহমানের ছেলে লায়নস সিরাজুল ইসলাম, জয়পুরহাট জেলার শান্তিনগর গ্রামের গাউস কবিরের ছেলে জাকারিয়া হোসেন (কমল), জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম বালিহাঁটা গ্রামের মো. শরীফ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার আয়মা রসুলপুর ডাকঘর বুধইল গ্রামের মো. ছায়েম উদ্দিনের ছেলে জাহেদুল ইসলাম বেনু, জয়পুরহাট জেলার আরাফাননগর সিও কলোনির মো. হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহমেদ, দক্ষিণ দিনাজপুর (ভারত) জেলার বালুরঘাট থানার হিলি (রেলস্টেশনের পশ্চিম পার্শ্বে) গ্রামের ফড়িং, দক্ষিণ দিনাজপুর (ভারত) জেলার বালুরঘাট থানার হিলি (রেলস্টেশনের পশ্চিম পার্শ্বে) গ্রামের মনার ছেলে শ্রী শংকর,
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের (রংপুরিয়া) ছেলে সুলতান, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বাগজানা পোস্টের চেঁচড়া গ্রামের মৃত বয়েন উল্লাহর ছেলে মো. আ. মালেক (ফাটাবাবু), জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার কুতনশহর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে মো, হুমায়ুন কবীর, জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার জিন্দারপুর গ্রামের মো. আকবর আলীর ছেলে মো. রুহুল আমীন, পাঁচবিবি উপজেলাস্থা কড়িয়া বিওপিতে বর্তমানে কর্মরত নায়েক সুবেদার ইব্রাহীম, পাঁচবিবি উপজেলার আটাপাড়া বিওপিতে বর্তমানে কর্মরত সুবেদার জজ মিয়া, পাঁচবিবি উপজেলার আটাপাড়া বিওপিতে বর্তমানে কর্মরত সুবেদার আতাহার আলী, পাঁচবিবি উপজেলার কয়া বিওপিতে বর্তমানে কর্মরত, পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা সীমান্ত বিওপিতে বর্তমানে কর্মরত নায়েক সুবেদার আবদুল মান্নান।
জয়পুরহাট জেলায় যেসব প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের কারণে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার মূল হোতা কিংবা শীর্ষ স্থানীয়রা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় সেসব প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের নামীয় তালিকা :
জয়পুরহাট জেলার (পাঁচবিবি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক) পাঁচবিবি উপজেলা পাঁচবিবি পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের মো. শরিফ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. আবু সাঈদ আল মাহমুদ চন্দন, পাঁচবিবি পৌর মেয়র ও সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবিবি উপজেলা আওয়ামী লীগের মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম সম্পাদক, জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের জয়পুরহাট পৌরসভা আরাফাতনগর গ্রামের মো. হাফিজুর রহমানের ছেলে মো. মোস্তাক আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক, জয়পুরহাট জেলার মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের জেলার জাতীয় শ্রমিক লীগ ও সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা, জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন হিমু, জেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর রুকিন্দিপুর গ্রামের মো. গোলাম রসুল চৌধুরীর ছেলে মো. গোলাম মাহফুজ চৌধুরী, জয়রপুরহাট শহর বিএনপির শান্তিনগর গ্রামের আবদুল আলীমের ছেলে ফয়সাল আলীম।
যশোর
অস্ত্র চোরাকারবারি : যশোর জেলার বেনাপোল থানার গাতিপাড়া গ্রামের মৃত রব্বানী মিয়ার ছেলে মো. মিয়ারাজ আলী, যশোর জেলার বেনাপোল থানার গাতিপাড়া গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে মো. আয়ুব হোসেন ওরফে কালা আয়ুব, যশোর জেলার বেনাপোল থানা গাতিপাড়া গ্রামের মৃত হবিবুর রহমানের ছেলে মো. জুম্মু, যশোর জেলার বেনাপোল থানার আচড়া গ্রামের আ. রশিদের ছেলে মো. কামাল হোসেন, যশোর জেলার বেনাপোল থানার আচড়া গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে মো. শাহাবুদ্দিন, যশোর জেলার বেনাপোল থানার বড় আচড়া গ্রামের মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে জসীম উদ্দিন, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের মো. ইয়াকুবের ছেলে শুকুর, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের আইউবের ছেলে দুদু, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের হিরাজুল্লাহর ছেলে আবদুল, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের মিজান বিশ্বাসের ছেলে রিংকু, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের মো. কটা আহম্মেদের ছেলে মো. কবির, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের মো. জাফর আলীর ছেলে জাইদুল, যশোর জেলার শার্শা থানার ঘিবা গ্রামের সাইদুলের ছেলে জসিম, যশোর জেলার শার্শা থানার পাঁচভুলেট গ্রামের লবিস উদ্দিনের ছেলে তোফাজ্জেল, যশোর জেলার বেনাপোল থানার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে আলী আকবর, যশোর জেলার বেনাপোল থানার সাদীপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে কোরবান, যশোর জেলার বেনাপোল থানার সাদীপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে কোরবান, যশোর জেলার বেনাপোল থানা গাতিপাড়া গ্রামের আইয়ুব হোসেন ওরফে কালা আইয়ুবের ছেলে সাদ্দাম হোসেন, যশোর জেলার শার্শা থানার গোগা গ্রামের রবিউল সর্দারের ছেলে নূহু, যশোর জেলার বেনাপোল থানার বড় আচড়া গ্রামের কেছমত আলীর ছেলে মো. ইয়ানুর রহমান ইয়ান, যশোর জেলার বেনাপোল থানার সাদীপুর গ্রামের সামসুজ্জোহার ছেলে কামাল হোসেন।
মূল হোতা/গডফাদার : যশোর জেলার বেনাপোল থানা পুটখালী গ্রামের মৃত জেহের সর্দারের ছেলে ফকির আহম্মেদ, যশোর জেলার বেনাপোল থানার পুটখালী গ্রামের মতলেবের ছেলে রেজা, যশোর জেলার বেনাপোল থানার পুটখালী গ্রামের সইদুলের ছেলে রেজা, যশোর জেলার বেনাপোল থানার পুটখালী গ্রামের সইদুলের ছেলে আইজুল, যশোর জেলার বেনাপোল থানার দৌলতপুর গ্রামের মো. মতিউর রহমানের ছেলে মো. জিয়া, যশোর জেলার বেনাপোল থানার ভবারবেড় গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে সেলিম, যশোর জেলার শার্শা থানার গোগা গ্রামের পঁচা ঘোষের ছেলে অশোক, যশোর জেলার বেনাপোল থানার ভবারবেড় গ্রামের শফি মোড়লের ছেলে মোহাম্মদ আলী, যশোর জেলার বেনাপোল থানার রঘুনাথপুর গ্রামের কেরামত মল্লিকের ছেলে বাদশা, যশোর জেলার বেনাপোল থানার গাতিপাড়া গ্রামের (আওয়ামী লীগ সমর্থক) আ. জলিলের ছেলে আলিমুর।
ঝিনাইদহ জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারির গডফাদার : ঝিনাইদহ জেলার মহেশরপুর থানা শ্যামকুড় গ্রামের মৃত কালু মণ্ডলের ছেলে আমীর হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার আরাপপুর গ্রামের মৃত রবি মাস্টারের ছেলে মো. রাজু, ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার চাপাতলা গ্রামের সিয়াম আলীর ছেলে বোরহান, ঝিনাইদহ জেলার মহারাজপুর থানার হরিপুর গ্রামের (গণমুক্তিফৌেেজর নেতা এবং ভারতের পলাতক) হোসেন দেবুর ছেলে আনোয়ার, ঝিনাইদহ জেলার কলাবাগান গ্রামের মৃত ইসরাত সদ্দারের ছেলে মো. মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ জেলার পবহাটি গ্রামের ইমারতের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর, ঝিনাইদহ জেলার ব্যাপারীপাড়া গ্রামের (সাবেক চেয়ারম্যান গান্না ইউনিয়ন) আবদুল ওহাব চেয়ারম্যান, ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার চাতালী গ্রামের সিরাজ লস্করের ছেলে আজিজুল, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার লঘুদণ্ডপুর গ্রামের (নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টির নেতা) আজিবর মাস্টার।
কুষ্টিয়া জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারি : কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানা দুর্বাচারা গ্রামের আজিজুর রহমান মিনার ছেলে জাহাঙ্গীর কবির লিপটন, কুষ্টিয়া জেলার থানাপাড়া ৪৮ এসসি শাহ লেন গ্রামের শাহবুদ্দিনের ছেলে কাজল মজমাদার, কুষ্টিয়া জেলার কুষ্টিয়া সদর থানাপাড়া গ্রামের বেগুর ছেলে পাভেল, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানা গারারপাড়া গ্রামের তারুগারার ছেলে হাসিম, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানা মাগুড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে ইকবাল, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা শ্যামনগর গ্রামের রইদুলের ছেলে নয়ন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা আলার দরগা গ্রামের আজাহার চৌধুরীর ছেলে লোটন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা ভাগজোত গ্রামের মহসিন দফাদারের ছেলে সালাম দফাদার, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা জামালপুর গ্রামের সানার মণ্ডলের ছেলে আরিফ, কুষ্টিয়া জেলার আড়ুয়া পাড়া গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে (গডফাদার টাইগার আলমের ভাই) শাহান, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা পাকুড়িয়া গ্রামের রব্বান আলীর ছেলে শিপুল, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা পাকুড়িয়া মণ্ডলপাড়া গ্রামের সিরাজ মালিথার ছেলে হ্যাবল।
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার পাকুড়িয়া গ্রামের হানিফের ছেলে হবু, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার দৌলতপুর চন্দানা পাড়া গ্রামের মতির ছেলে কাজল, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার শিতলাইয়াপাড়া গ্রামের বাখের আলীর ছেলে বাচ্চু, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের মো. মোতাহার হোসেনের ছেলে রাশেদুজ্জামান (ছন্দ) (আওয়ামী লীগ সমর্থক), কুষ্টিয়া থানা ও জেলার চৌড়হাস গ্রামের এসএম শফিউদ্দিনের ছেলে এসএম এনামুল হক শাহিন, কুষ্টিয়া থানা ও জেলারপূর্ব মজমপুর গ্রামের কুটিমনি খন্দকারের ছেলে রাজিব খন্দকার, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার ভুরকাপাড়া গ্রামের মৃত ছারু মণ্ডলের ছেলে মো. ইউনুস, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার তেলী গাংদিয়া গ্রামের আনোয়ারুল হকের ছেলে তারেক আজিজ, কুষ্টিয়া থানা ও জেলার ঈদগাহপাড়া গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে আজমল, কুষ্টিয়া থানা জেলার বড়ইটুপি গ্রামের মৃত জালাল মণ্ডলের ছেলে মিলাত মণ্ডল, কুষ্টিয়া থানা ও জেলার বটতৈল গ্রামের মৃত হুজুর আলীর ছেলে লাল্টু শেখ, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার গারারপাড়া গ্রামের তাইরুদ্দিনের ছেলে রইনুদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের শামসুর রহমানের ছেলে লেলিন।
মূলহোতা/গড়ফাদার : কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার সদরপুর গ্রামের আবদুল্লাহ মো. আলাউদ্দিনের ছেলে কামারুল আরেফিন (বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান), কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার শোমসপুর গ্রামের মৃত সামসুদ্দিনের ছেলে সদর উদ্দিন খান (বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান), কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার গোয়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে মো. আবদুল হক (মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক), কুষ্টিয়া জেলা ও থানার আলামপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে আমিনুল ইসলাম। সে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের প্রধান। কুষ্টিয়া জেলার প্রতিটি ঠিকাদারের নিকট হতে তাদের কাজের মোট টাকার ৭%-১০% বর্ণিত মুকুলকে চাঁদা দিতে হয় (গণমুক্তি ফৌজ আন্দোলনের প্রধান), কুষ্টিয়া জেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পশ্চিম আবদালপুর গ্রামের ইসহাক আলী মাস্টারের (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) ছেলে আলী রেজা সিদ্দিকী ওরফে কালু (নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন জাসদ গণবাহিনীর বর্তমান কর্ণধার), কুষ্টিয়া জেলা ও থানার পূর্ব মজমপুর গ্রামের আবদুল খলিল চৌধুরীর ছেলে বিপুল চৌধুরী (সে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার জলঙ্গী থানার মুরাদপুর গ্রামে অবস্থান করছে বলে জানা যায়), কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার পাকুড়িয়া গ্রামের সায়েন উদ্দিনের ছেলে লাবু, কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার কাকিলাদহ গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে আবু তালেব (সে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নাসিরাপাড়া এলাকায় পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়), কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার সোনাইকুণ্ডি গ্রামের মৃত শরীফ উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে টোকেন চৌধুরী (কুষ্টিয়া-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরীর ভাই), কুষ্টিয়া জেলা ও থানার আড়ুয়াপাড়া গ্রামের টাইগার আলম আলী।
চুয়াডাঙ্গা জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারির গডফাদার : চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কাআইডাঙ্গা গ্রামের আ. মজিদের ছেলে মো. সোহরাব মেম্বার (সাবেক) ওরফে সিরু ওরফে ন্যাড়া, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা, পরানপুর গ্রামের মো. নাহারুল ইসলাম, (সহকারী শিক্ষক, দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়, দর্শনা পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নাতিপোতা গ্রামের মৃত হরমত আলীর ছেলে আবদুল আজিজ (বর্তমানে দামুড়হুদা থানার সামেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক), চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার হরিহরনগর গ্রামের মো. মোতাহার মণ্ডলের ছেলে মো. মশিউর রহমান (আওয়ামী লীগ সমর্থক), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার দর্শনা হল্টপাড়া গ্রামের মো. নফর আলী (সাবেক দর্শনা পৌর কমিশনার, আওয়ামী লীগ সমর্থক), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার কুতুবপুর গ্রামের মৃত জামাতপাকার ছেলে মো. এলপি (আওয়ামী লীগ সমর্থক), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার বুজরুকপড়গড়ি গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে মো. ইরন (বিএনপি-অহিদুল গ্রুপ), চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর থানার মসজিদপাড়া গ্রামের মকসেদ মণ্ডলের ছেলে মো. খোকন (বিএনপি মোজাম্মেল গ্রুপ), চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের নিয়ামত ওরফে রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, মুকুল গ্র“পের প্রধান), চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর থানার নতুনভাণ্ডরদহ গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে আক্তারুজ্জামান সোহাগ (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, সোহাগ গ্রুপের সদস্য), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার কলাবাড়ী গ্রামের মাজহারুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে হাবিবুর রহমান ওল্টু (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, সোহাগ গ্রুপের সদস্য), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার চারুলিয়া গ্রামের কোদবক্সের ছেলে জামশেদ ওরফে জামু (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য), চুয়াডাঙ্গা সদরের আকন্দবাড়িয়া গ্রামের মনির উদ্দিন মোল্লার ছেলে আরিফ (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য), চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার চারুলিয়া গ্রামের নবী পেটের ছেলে বুড়ো (পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি জামু গ্রুপের সদস্য)।
মেহেরপুর জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারীরা : মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার খাসমহল গ্রামের আবদুলের ছেলে লিটন, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার খাসমহল গ্রামের ইয়াদুলের ছেলে মনিরুল, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে মো. মজনু, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের কিয়াম উদ্দিনের ছেলে হালিম, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের আক্কেল মিলিটারির ছেলে মুকুল মিলিটারি, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী নিশিপুর গ্রামের মৃত হাসেম উদ্দিনের ছেলে আমিরুল, বামুন্দী বাসস্ট্যান্ডের (অজ্ঞাত) আফসারের ছেলে হাসান মেকার, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী নিশিপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে আলী ব্যক্তিদ্বয়- (নদীয়া জেলার করিমপুর থানার শিকারপুর গ্রামের আবদুলের বাড়িতে অবস্থান করে অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে), মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের নূর মিলিটারির ছেলে লিটন মিলিটারি, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের রহমানের ছেলে নাসির (অস্ত্র বিক্রি করে থাকে), মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গরিবপুর শহরাতলা গ্রামের আ. সামাদের ছেলে মো. আ. রশিদ, মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার পলাশীপাড়া গ্রামের দবের উদ্দিনের ছেলে কামরুল, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী নিশিপুর গ্রামের ভঁজার ছেলে হবি, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার খলিশাকুণ্ডু গ্রামের ছালামের (সাবেক চেয়ারম্যান) ছেলে সবুজ, মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর থানার রুদ্রনগর গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে মহীদুল, মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার গ্রামের আ. হালিমের ছেলে রিটন।
অস্ত্র সরবরাহকারী : মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে মো. মজনু, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের কিয়ামউদ্দিনের ছেলে হালিম, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের আক্কেল মিলিটারির ছেলে মুকুল মিলিটারি, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী নিশিপুর গ্রামের মৃত হাসেম উদ্দিনের ছেলে আমিরুল, বামুন্দী বাসস্ট্যান্ডের অজ্ঞাত আফসারের ছেলে হাসান মেকার, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী গ্রামের দাউদ আলীর ছেলে শুকুর আলী, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী গ্রামের হেলাল, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামুন্দী, নিশিপুর গ্রামের ভঁজার ছেলে হবি, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার খলিশাকুণ্ডু গ্রামের ছালামের (সাবেক চেয়ারম্যান) সবুজ, মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর শহরের যাদবপুর গ্রামের মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে তুহিন।
গডফাদার : মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের কিয়াম উদ্দিনের ছেলে আলীম উদ্দীন (গাংনী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক), মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের রেজাউলের ছেলে করিফুল ইসলাম ওরফে ন্যাড়া (ইউপি সদস্য)।
মেহেরপুরের বর্ণিত অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী/চোরাকারবারিরা এবং অস্ত্র সরবরাহকারীরা ভারতের নিুবর্ণিত অস্ত্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অস্ত্র ক্রয় করে থাকে বলে জানা যায় :
ভারতের নদীয়া জেলার করিমপুর থানার পাকশি গ্রামের নিফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন, ভারতের নদীয়া জেলার করিমপুর থানার ব্রজনাথপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে মো. শওকত আলী, ভারতের নদীয়া জেলার করিমপুর থানার ব্রজনাথপুর গ্রামের মৃত ফজল মণ্ডলের ছেলে খলিল ডাকাত, ভারতের তেহট্টদ্বয় থানার নবচন্দ্রপুর গ্রামের পিতা অজ্ঞাত বিমল বাগদী, ভারতের তেহট্টদ্বয় থানার নবচন্দ্রপুর গ্রামের পিতা অজ্ঞাত মিনা বাগদী।
সাতক্ষীরা জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারী : সাতক্ষীরা জেলা ও থানার বাদামতলা গ্রামের মৃত শফিউল্লাহর ছেলে ছামছুজ্জামান (জামান), সাতক্ষীরা জেলা ও থানার বৈকারী গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মিলন মেম্বার, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার ভাড়–খালী গ্রামের কমির গাজীর ছেলে মো. হাসান, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার হাড়দ্দহ গ্রামের দক্ষিণপাড়ার আকবর গাজীর ছেলে সেলিম, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার চান্দুড়িয়া গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে নাসির, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার হাড়দ্দহ গ্রামের উত্তরপাড়ার আজিজ গাজীর ছেলে টুটুল, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার কুশখালী গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে মো. শ্যামল, সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার সেকেন্দারা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে রবিউল ইসলাম রবি, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার শাখরা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম (ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), সাতক্ষীরা জেলা ও থানার তলুইগাছা গ্রামের জব্বার সরদারের ছেলে আ. খালেক, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার কাকডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে মো. ইয়ার আলী মেম্বার, সাতক্ষীরা জেলা ও থানার বৈকারী গ্রামের মৃত রয়েল সরদারের ছেলে মো. ওয়াসলে মেম্বার, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার শ্রীউলা গ্রামের মৃত কুদ্দুস সরদারের ছেলে আক্তারুজ্জামান ওরফে রিটু, সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ থানার শ্রীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মধু, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার কমলাপুর গ্রামের বাবু গাইনের ছেলে বিকাশ গাইন, সাতক্ষীরা জেলার সদর থানার আলীপুর গ্রামের আবদুল সাত্তার সরদারের ছেলে আবদুল রউফ। কামালনগর গ্রামের শামসুর রহমানের ছেলে বসির আহমেদ। একই গ্রামের মৃত ছোবহান খানের ছেলে নাসিম ফারুক খান ওরফে মিঠু। দেবহাটা থানার কুলিয়া গ্রামের আসাদুল চেয়ারম্যান। তার বর্তমান ঠিকানা সাতক্ষীরা শহরের লাবণী মোড় ভূমি অফিসের পাশে। তিনি কুলিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। পলাশপোল গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে আল ফেরদৌস ওরফে আলফা।
বরিশালের অস্ত্র চোরাকারবারি : বরিশাল জেলার কোতোয়ালি থানার সিএন্ডবি রোডের হাবিবুর রহমানের ছেলে সহিদুল ইসলাম। তিনি যুবদল কর্মী। সদর থানার ভাটিখানা গ্রামের মানিক কসাইয়ের ছেলে রাজা কসাই। কোতোয়ালি থানার দফতরখানা গ্রামের ইসমাইল ভূঁইয়ার ছেলে জাহিদ ওরফে খাটো জাহিদ। তিনি যুবদলকর্মী। সদর রোডের কামরুল হাসান রতন তিনি মহানগর যুবদলের কর্মী। বগুড়া রোডের মাহফুজুর রহমান তিনিও মহানগর যুবদলকর্মী। বান্দ রোডের আলাউদ্দিন, সদর রোডের নাসির উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে সাগর উদ্দিন মন্টি। তিনি মহানগর যুবদলের কর্মী। কাশীপুর থানার ইছাকাঠি গ্রামের মান্নান সিকদারের ছেলে হানিফ সিকদার। তিনি ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য। রূপাতলী গ্রামের আতাহার আলী হাজীর ছেলে আইয়ুব আলী ওরফে মেচাকার আইয়ুব ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য। বাবুগঞ্জ থানার রাকুদিয়া গ্রামের মৃত এসকান্দার মাঝির ছেলে মাসুম মাঝি। বানারীপাড়া থানার ইলুহার গ্রামের মৃত ফারুক সিকদারের ছেলে সোহেল সিকদার। মুলাদী থানার ষোলগাড় গ্রামের মোসলেম খাঁর ছেলে মজুন খাঁ। হিজলা থানার হরিনাথপুর গ্রামের ফিরোজ সর্দারের ছেলে বেরায়েত হোসেন সর্দার। একই থানার পালপাড়া গ্রামের জয়নাল চৌকিদারের ছেলে আলম চৌকিদার। গৌরনদী থানার আধুনা গ্রামের তুজাম্বর আকনের ছেলে হারুন আকন। একই থানার মহিষাগ্রামের মৃত গফর মোল্লার ছেলে আজিজুল মোল্লা। মেহেন্দীগঞ্জ থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম বেপারীর ছেলে ওমর বেপারী। একই থানার ঘোড়াঘাট গ্রামের হোসেন বেপারীর ছেলে দুলাল বেপারী। আগৈলঝাড়া থানার সেরাল গ্রামের আবদুল হক মেধার ছেলে নয়ন মেধা। তিনি যুবদল নেতা। একই থানার পশ্চিম সুজনকাঠি গ্রামের ইয়াকুব আলী মোল্লার ছেলে মনির মোল্লা। উজিরপুর থানার লস্করপুর গ্রামের কাশেম বেপারীর ছেলে মাসুম বেপারী। বাকেরগঞ্জ থানার রানীহাট গ্রামের শাজাহানের ছেলে রিপন ওরফে বোমা রিপন। কোতোয়ালি থানার সাগরদী গ্রামের মোমিন উদ্দিন সিকদারের ছেলে জিয়াউদ্দিন সিকদার। শহরের সিএন্ডবি রোডের হাবিবুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম। ব্রাঞ্চ রোডের চাঁন মিয়ার ছেলে মীর জাহিদুল ইসলাম রনি। বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মির্জা আবুল হোসেন অরুন। মেহেন্দীগঞ্জ থানার ৯নং জাঙ্গালিয়া গ্রামের রব গাজীর ছেলে সিদ্দিক গাজী। মুলাদী উপজেলার উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত হাকিম হাওলাদারের ছেলে খায়রুল। একই থানার মাঝ কাজীরচর গ্রামের কাঞ্চন মৃধার ছেলে আবুল খায়ের মৃধা। শ্রীপুর গ্রামের আলতামাদ্দিন কাজীর ছেলে সালাম কাজী ও একই গ্রামের রশিদ কাজীর ছেলে রুবেল কাজী।
দিনাজপুরের অস্ত্র চোরাকারবারি
দিনাজপুর জেলার হিলি হাকিমপুর থানার চুরিপট্টি গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে গিয়াসউদ্দিন। একই থানার নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম। দক্ষিণ বাসুদেবপুর মহিলা কলেজ পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে নূর ইসলাম। নবাবগঞ্জ থানার জাকিহাড় গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে আবদুর রহমান। হিলি হাকিমপুর থানার বাসুদেবপুর গ্রামের মৃত আবদুল হাকিম মাস্টারের ছেলে রায়হান হাকিম। সিপি রোড গ্রামের মৃত ফজলে মল্লিকের ছেলে টগর মল্লিক। তিনি সিএন্ডএফ এজেন্ট। হিলি হাকিমপুর থানার ফকিরপাড়া ধরদা গ্রামের আসফাক আলীর ছেলে সোহরাব হোসেন। বিরল উপজেলার বনগাঁও ক্যাম্পপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে আলমগীর মিয়া। একই উপজেলার জিল্লুর রহমানের ছেলে মোকারম হোসেন। সদর উপজেলার নুনিয়া শাহপাড়া গ্রামের মৃত হয়বুল্লার ছেলে বজলুর রহমান কালু। বিরল থানার ক্যাম্পপাড়া বনগাঁও গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে নূর ইসলাম। তিনি ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। হাকিমপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম। একই উপজেলার দাঙ্গাপাড়া গ্রামের রিয়াজউদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন কবির।
দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে আলম, বিরল উপজেলার কারুলিয়া গ্রামের জিল্লু হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন, সদর উপজেলার মোহব্বতপুর খাড়িপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, সদর উপজেলার রামসাগর গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান, সদর উপজেলার মহোরমপুর গ্রামের মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে সেরেকুল, দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে আকরাম মাস্টার, দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার হাড়িপুকুর গ্রামের আফুর উদ্দিনের ছেলে তোজাম্মেল হক।
মূল হোতা/গডফাদার
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হিলি দক্ষিণ দিনাজপুরের পূর্ব আফতইর গ্রামের মৃত হযরত মণ্ডলের ছেলে আতিয়ার রহমান, ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের ভারত হিলি থানার হাড়ীপুকুর গ্রামের মৃত সাহেব উদ্দিনের ছেলে নাজির হোসেন, ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের ভারতহিলি থানার হাড়ীপুকুর গ্রামের সারব আলীর ছেলে মাহবুবুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার বনগাঁও, ক্যাম্পপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে আলমগীর মিয়া, দিনাজপুর সদর উপজেলার মহোরমপুর গ্রামের মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে আবদুস সাত্তার,
সিলেট জেলা :
অস্ত্র চোরাকারবারি-
সিলেট জেলার শিবগঞ্জ থানার ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামের মৃত তৈয়মুছ আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট সামছুজ্জামান জামান, সিলেট জেলার খাস দবীরের বন্ধন-বি/২০ গ্রামের আবদুর করীমের ছেলে মাহফুজুল করীম জেহিন, সিলেট জেলার কোতোয়ালি থানার কুয়ারপাড়ের ইয়াকুব মিয়ার ছেলে শাকিল মোর্শেদ, সিলেট জেলার সিলেট মহানগরীর ০৭ কাজলশাহ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, সিলেট জেলার কোতোয়ালি থানার বাগবাড়ী গ্রামের মৃত গুণেন্দ চন্দ্র সাহার ছেলে বিধান সাহা, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানার কোনাগ্রামের ইসমাঈল উদ্দিনের ছেলে দেলয়ার হোসেন, সিলেট জেলার কোতোয়ালি থানার ভাঙ্গাটিকর, শেখ ঘাট গ্রামের মৃত ননী গোপাল দের ছেলে পীযুষ কান্তি দে, সিলেট জেলার ১২৮, কুয়ারপাড়, ইঙ্গুলাল রোডের মৃত সাজ্জাদুর রহমানের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান শামীম, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানার নয়াগ্রাম গ্রামের মৃত আবদুল হান্নানের ছেলে নজরুল ইসলাম ওরফে শাহজাহান, সিলেট জেলার সদরের নুরুর, জুম্মাটিলা গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে মারুফ হাসান সুনু, সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানার বাজিদপুর গ্রামের সমর উদ্দিনের ছেলে হোসাইন আহমদ, সিলেট জেলার সদরের মেজরটিলা গ্রামের রাজেন্দ্রনাথের ছেলে বিষু, সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানার জাফলংবাজার গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে শাহআলম স্বপন, সিলেট জেলার শাহপরানের শাপলাবাগ, টিলাগড় গ্রামের অজ্ঞাত পিতার ছেলে কবির হোসেন (হিরোইন কবির), সিলেট জেলার শিবগঞ্জ থানার সোনালী-২৫, মজুমদারপাড়ার মৃত চেরাগ আলীর ছেলে আবদুল খালিক মিল্টন, সিলেট জেলার টিলাগড়ের গোপাল টিলা গ্রামের শৈলেন্দ্র মল্লিকের ছেলে টিটন মল্লিক।
সুনামগঞ্জ জেলা
অস্ত্র চোরাকারবারি-
সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে নান্টু মিয়া (সুবিধাবাদী), সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার উপজেলার দক্ষিণ ক্যাম্পের ঘাট গ্রামের সাহেদ আলঅর ছেলে জলিল হোসেন (আওয়ামী লীগ), সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিন উদ্দিন (আওয়ামী লীগ), ছাতক উপজেলার খাগামুড়া গ্রামের তজবির উল্লাহর ছেলে আবদুছ ছোবহান ওরফে রাজ্জাক (বিএনপি), তাহিরপুর থানার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বিরেন্দ্রনগর গ্রামের রিয়াজউদ্দিন খন্দকারের ছেলে শাহজাহান খন্দকার, একই উপজেলার বাধাঘাট ইউনিয়নের মুকসেদপুর গ্রামের মনিরউদ্দিনের ছেলে আবদুন নূর, বড়ছড়া গ্রামের আক্তার মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া, কোনাগাঁও গ্রামের জয়ধর মিয়ার ছেলে নজরুল মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলার দাওরাই গ্রামের আওলাদ খানের ছেলে প্রতাফ খান ও মাসুক মিয়ার ছেলে কায়েস মিয়া।
হবিগঞ্জের অস্ত্র চোরাকারবারি-
হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার দেবনগর মুড়াবাড়ি গ্রামের মন্নোর আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন, বাহুবল উপজেলার দিগুড়া গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে ফুলমিয়া, সদর উপজেলার শ্যামলী আবাসিক এলাকার আমিরুদ্দিন বিহারীর ছেলে এহতেশাম, মাধবপুর উপজেলার সিধরপুর গ্রামের শামসুদ্দিন ভুইয়ার ছেলে শানু মিয়া ভুইয়া, সদর উপজেলার ওমেদনগর পাইনাহাটি গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে বসির মিয়া।
রাঙ্গামাটির অস্ত্রের গডফাদার : রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার বড়হরিনা ইউনিয়নের তেতাংপাড়া গ্রামের মৃত শাপলাল রাজেক সাংকের ছেলে রিং চাঙ্গা পাংকু (তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান), বাঘাইছড়ি উপজেলার ওল্ডলংকর সাজেক গ্রামের বানাইয়া সাংকুর ছেলে সাবেক সেনা সদস্য রামা পাংকু, একই গ্রামের চালজুয়ানা পাংকুর ছেলে সাবেক সেনাসদস্য থাংক চাংগা সাংকু, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার স্বনির্ভর এলাকার ধীরেন্দু চাকমার ছেলে সবুজ চাকমা ওরফে অংশুমান চাকমা (তিনি জেএসএস লারমা গ্র“পের সাধারণ সম্পাদক), মাঝের বস্তি তবলছড়ি গ্রামের কীর্তিব্রত চাকমার ছেলে লক্ষ্মীপ্রসাদ চাকমা ওরফে মেজর দেবাশীষ, বাঘাইছড়ি উপজেলার মরঘোনা সিজকমুক গ্রামের মৃত পরিমল বিকাশ চাকমার ছেলে নিখিল চাকমা।
রাঙ্গামাটি জেলার সদর থানার পাবলিক হেলথ এলাকার কোমল কৃষ্ণ চাকমার ছেলে সুজন চাকমা ওরফে সুজন বাবু ওরফে সজিব বাবু ওরফে রাহুল বাবু। নানিয়াচর গ্রামের সুমতি রঞ্জন চাকমার ছেলে কালিশংকর চাকমা। রাজস্থলী উপজেলার মদনকারবারী পাড়ার মৃত লবি তংঞ্চঙ্গার ছেলে রাহুল তংঞ্চঙ্গা। কাউখালী উপজেলার ঘিলাছড়ী গ্রামের চম্প লাল চাকমার ছেলে পুলক জ্যোতি চাকমা। নানিয়ারচর উপজেলর বেতছড়ি গ্রামের পুল কিশর চাকমার ছেলে আনন্দ প্রকাশ চাকমা। তিনি ইউপিডিএফর সশস্ত্র শাখার প্রধান। নানিয়ারচর উপজেলার সাপমারা গ্রামের মৃত যুগল চাকমার ছেলে মনাধন চাকমা ওরফে হিতৈষী বাবু। তিনি জেএসএসর (সন্তু গ্রুপ) প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালক।
খাগড়াছড়ির অস্ত্রের গডফাদার
সদর উপজেলার অনন্ত মাস্টারপাড়া গ্রামের বিহারী খীসার ছেলে প্রসীত বিকাশ খীসা। তার বর্তমান ঠিকানা রাজধানী ঢাকার ক্রিসেন্ট রোড। তিনি ইউপিডিএফর সভাপতি। তার ঢাকাস্থ কার্যালয় ১২৪/এ আজিজ সুপার মার্কেট, শাহবাগ, ঢাকা। খাগড়াছড়ির জেলার স্বনির্ভর বাজারের রবিশংকর চাকমা। তিনি ইউপিডিএফর সাধারণ সম্পাদক। দক্ষিণ খবংপুডিয়া গ্রামের প্রমদ বিকাশ চাকমার ছেলে উজ্জ্বল স্মৃতি চাকমা। স্বনির্ভর গ্রামের ঝোলুন বাবু। তিনি ইউপিডিএফর বিশেষ শাখার নেতা। মাস্টারপাড়া গ্রামের শ্রী তাতিন্দ্র লাল চাকমা। খাগড়াপুর গ্রামের ডেবরা ত্রিপুরার ছেলে উদয় কিরণ ত্রিপুরা ওরফে অজিত বাবু। মহলছড়ি থানার করল্লাছড়ি গ্রামের ধীরেন চাকমার ছেলে অংশুমান চাকমা ওরফে সবুজ চাকমা। মহজনপাড়া গ্রামের সুধাসিদ্ধু দেওয়ানের ছেলে কিরোন চাকমার ছেলে রবি চাকমা ওরফে রুপেন্দু খিসা ওরফে রবি।
বান্দরবান জেলার অস্ত্র চোরাকারবারি
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার মৃত উথই অং মারমার ছেলে ইয়ানা ভাসা মার্মা। রোয়াংছড়ি উপজেলার জামছড়ি গ্রামের সুবল কারবারির ছেলে এস মং। একই উপজেলার কানাইজুপাড়া গ্রামের উচানু মার্মার ছেলে নেউ মার্মা ওরফে নিউ মার্মা। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কমলাছড়ি গ্রামের উচি মং মার্মার ছেলে সাচিং মং মার্মা। আলী কদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মংছপাড়া গ্রামের মাফু অং মার্মার ছেলে তুইছা অং মারমা। আলীকদম উপজেলার বরিমুখ গ্রামের মৃত লাফোয়াই মারমার ছেলে লাচি অং মারমা। থানছি উপজেলার চং খ্যাং পাড়ার অংখই মারমার ছেলে চিংপাই মারমা। বান্দরবান সদর থানার বালাঘাটা গ্রামের আবু তৈয়ব ও সৈয়দ আহম্মেদ। নাইক্ষ্যাংছড়ি উপজেলার উত্তর ঘুনধুম গ্রামের আবদুল গনির ছেলে শামসুল। কেনুইয়াপাড়া কাগজীখলা গ্রামের মোতালেবের ছেলে শামসুল আলম। রোয়াংছড়ি উপজেলার বাজার ফার্মেসি এলাকার ডাক্তার মংচনু। থানচি উপজেলার এন্থনিপাড়ার বিমল ত্রিপুরা। রোয়াংছড়ি উপজেলার বৈদ্যপাড়া গ্রামের সুইসা অং মারমার ছেলে মেমং মারমা। থানচি উপজেলার আংগাপাড়া গ্রামের আংগ্রাই ম্রোর ছেলে নাপ্পায় ম্রো। লামা উপজেলার শিলের তোয়া গ্রামের মং থোয়াই মারমা। সুয়ালক হেডম্যানপাড়া গ্রামের ম্যাগাউ মারমার ছেলে কুলা মং মারমা। রোয়াংছড়ি উপজেলার বাকিছড়া গ্রামের অসি চাকমা। আরাকান মায়ানমারের নাগরিক বসি অং মারমা ও বো চ ম্রা রেখ। সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখলা গ্রামের মৃত ছায়েদ আলী হাওলাদারের ছেলে মোহাম্মদ আলী। একই গ্রামের মোহাম্মদ আলী ছেলে জাফর ও আবু তাহের। লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামের পেঠান আলীর ছেলে হারুন অর রশিদ শাহাদত। একই উপজেলার ধনী বিল গ্রামের আহমেদ হোসেনের ছেলে জহির উদ্দিন।

No comments

Powered by Blogger.