দিরাইয়ে জনসভায় সুরঞ্জিত-নির্দোষ প্রমাণিত হলে মিডিয়াকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে

রেলের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনা সংবাদমাধ্যমের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন ওই ঘটনায় মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়া সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, 'রেল কেলেঙ্কারির ঘটনা সাজানো ও ষড়যন্ত্রকারীদের কাজ। মিডিয়ায় আসা অভিযোগ অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ। দুদকের (দুর্নীতি তদন্ত কমিশন) প্রাথমিক তদন্তে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। এর পরও যদি আমি দোষী প্রমাণিত হই, তাহলে যে শাস্তি দেওয়া হবে- তা মাথা পেতে নেব।


আর যদি আবারও নির্দোষ প্রমাণিত হই, তাহলে মিডিয়া আমার সঙ্গে যে বাড়াবাড়ি করেছে- এর জন্য তাদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।'
গতকাল রবিবার বিকেলে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত তাঁর নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের মিলনগঞ্জ বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনাকে দেশের সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন আওয়ামী লীগে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সুরঞ্জিতের তখনকার সহকারী একান্তসচিব (এপিএস) ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খান ও মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্য বিষয়ে তিনি বলেন, 'কোথাকার আজম খানকে ছয় মাস পর মিডিয়ার সামনে এনে তোতাপাখির মতো শেখানো কথা বলানো হচ্ছে।' আগামী ১০ অক্টোবর ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে সব কিছুর জবাব দেওয়া হবে বলে সুরঞ্জিত জানান।
এর আগে সুরঞ্জিত নিজেকে নিষ্পাপ দাবি করে বলেছেন, আজম খানকে তিনি চেনেনই না।
আওয়ামী লীগের এই জ্যেষ্ঠ নেতা ঘটনাটিকে অনুন্নত ও পশ্চাৎপদ ভাটি বাংলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবেও আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, 'সুখে-দুঃখে আমি এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব।'
গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কুলঞ্জ ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগের নেতা মিম্ভর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরো বক্তব্য দেন দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রঞ্জন রায়, সৈয়দ ইয়াউর রহমান প্রমুখ।

No comments

Powered by Blogger.