গল্পালোচনা- ''বিভীষণ' বিদায় ও হরতাল সমাচার' by শুভ রহমান

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বহিষ্কার নিয়ে বাজার সরগরম। দুই দিন ধরে তা 'টক অব দ্য কান্ট্রি'। পত্রিকান্তরে 'বিভীষণ' বিদায় নিয়ে কার্টুনও আঁকা হয়েছে। সাবেক এই তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারপারসন আগেই লাইমলাইটে এসেছিলেন জাতীয় ঐকমত্যের জন্য দুই নেত্রীকে আলোচনায় বসানোর উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে। তখনো বিএনপি মহলের ভেতরে তাই নিয়ে সমালোচিত হচ্ছিলেন। তারপর হঠাৎ বাড়ি আর হরতাল নিয়ে বক্তব্য রেখে দল থেকে বহিষ্কৃতই হয়ে গেলেন। বিএনপি তাঁকে ঘরের শত্রু বিভীষণবৎ বিদায় করে দিলেও বিএনপির বিভিন্ন সময়কার গণবিরোধী ভূমিকার কারণে তাঁর প্রতিবাদী ও স্পষ্ট বক্তব্যে দেশবাসী চমৎকৃতই হয়েছে। ব্যারিস্টার হুদা ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে সমর্থন করেও গণতান্ত্রিক মহলের প্রশংসা পেয়েছিলেন ও বিএনপির বিরাগভাজন হয়েছিলেন।
'বিভীষণ' কথাটা সচরাচর নিন্দার্থে ব্যবহৃত হলেও মহাকাব্য অনুসারে বিভীষণ লোকটা খারাপ ছিল না। রাক্ষসকুলে জন্ম নিলেও এবং রাবণের কনিষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও ন্যায়যুদ্ধে রামের পক্ষ নেওয়ায় রাবণ তাকে লঙ্কাপুরি থেকে বিদায় করে দেয়। পুরাণে বলা আছে, 'বিভীষণ ধর্মাত্মা, তাহার আচরণ রাক্ষসসুলভ নহে।'
ব্যারিস্টার হুদা ১/১১-র সময় দুর্নীতির দায়ে জেল খেটেছেন। তাঁর পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার নানাভাবে বিতর্কিতও। ক্যান্টনমেন্টে জন্ম নেওয়া দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে, তাঁর ভাষায়, অনেক ঝড়ঝাপ্টা সহ্য করে দলকে টিকিয়ে রাখলেও এবং প্রতিষ্ঠাতা জিয়া ও পরে চেয়ারপারসন 'ম্যাডাম জিয়া'র 'গুড বুকে' থাকলেও শেষ রক্ষা হলো না, তাঁকে বহিষ্কৃত হতে হলো। বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা তাঁর কালিমা কিছুটা মোচন করেছে, কিন্তু বিএনপির চেহারা আরো কালিমালিপ্ত ও দেশবাসীর কাছে আরো স্পষ্ট করে দিয়েছে।
বিভীষণ কিংবা 'কী ভীষণ', বিএনপির কাছে যা-ই মনে হোক না কেন, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তাঁর কিছু স্পষ্ট উক্তির জন্য মানুষের বাহবাই কুড়াচ্ছেন। অবশ্য তিনিই প্রথম নন, আশির দশকে কে এম ওবায়দুর রহমান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময় চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, প্রয়াত মান্নান ভূঁইয়া, রাষ্ট্রপতি বি. চৌধুরী, আখতারুজ্জামানসহ অনেক নেতাই দলের বিভিন্ন অবস্থান থেকে বিতাড়িত হন এবং তাঁদের ব্যাপারে দলের অভ্যন্তরের অসহিষ্ণু কার্যক্রম দেশবাসীর দৃষ্টি কাড়ে। এ দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিকতা বিভিন্ন সময়ই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই অগণতান্ত্রিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে নিতে, সাংগঠনিক ব্যাপারে অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিতে নিতে, সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া এ দলটির গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিকশিত হওয়ার যেটুকু সুযোগ ছিল, তা নিজের দোষেই মাটি হতে বসেছে।
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বহিষ্কারে মানুষ বস্তুত বেশ হতবাক ও হতভম্বই হয়েছে। নাজমুল হুদা কী এমন বললেন যে তাঁকে দল থেকে বের করে দিতে হবে। বিএনপির ভেতরে 'টলারেন্স লেভেল' কি এমন জিরোতে নেমে গেছে যে সামান্য ফুলের টোকাতেই মূচ্র্ছা যেতে হচ্ছে! মানুষ বুঝছে, বিএনপি ভুল রাজনীতি করতে করতে এখন এমনই 'আন-নার্ভড্' হয়ে পড়েছে যে এতটুকু সমালোচনাও তার আর সহ্য হচ্ছে না।
আসলে নাজমুল হুদা যেসব কথা গণমাধ্যমকে বলেছেন, সেগুলো এমন অযৌক্তিক কিছু বলেও মানুষ ভাবতে পারছে না। তিনি এ-কদিনে যে কথাগুলো বলেছেন, সংক্ষেপে সেগুলো মোটামুটি এ রকম : ১. 'সেনানিবাসের বাড়ি থেকে বের হয়ে আসার পর বেগম জিয়ার আবেগপ্রবণ হয়ে হতাশ ও ভেঙেপড়া সঠিক হয়নি। তাঁর আপসহীন চরিত্রের সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা বেমানান'; ২. 'বেগম জিয়ার বাড়ি ছাড়াসংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশের আবেদন না করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। সুপ্রিম কোর্টের লিভ টু আপিলের পাশাপাশি বেগম জিয়ার আইনজীবীদের অবশ্যই আলাদাভাবে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশের আবেদন জানানো উচিত ছিল, তা হলে বাড়ি ছাড়ার ব্যাপারে আদালতের কাছ থেকে একটা সিদ্ধান্ত পাওয়া যেত' এবং ৩. 'বেগম জিয়াকে বাড়ি থেকে 'উচ্ছেদ'-এর প্রতিবাদে ১৪ নভেম্বরের হরতালের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। ঈদের আগে এ রকম হরতাল ডাকার মাধ্যমে বেগম জিয়ার প্রতি দেশের মানুষের সহানুভূতি বিভক্ত হয়েছে, তাঁর প্রতি সরকারের ওই নির্দয় আচরণে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, বেগম জিয়ার প্রতি দেশবাসীর যে সহানুভূতি জেগেছে, তা ওই হরতালে ম্লান হয়ে গেছে।'
মূলত এ তিনটি বক্তব্যই ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তাঁর বিরুদ্ধে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে গত শুক্রবার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে দিয়েছিলেন। অবশ্য সেই সঙ্গে সে দিন নাম উল্লেখ না করে বিএনপির আরেক নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদেরও তিনি কঠোর সমালোচনা করেছিলেন এবং বলেছিলেন: 'ওনার কেবল সংসদীয় পদ্ধতির সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়াই বাকি আছে। আর সব কিছুই তিনি হয়েছেন।'
দেখা যাচ্ছে, রবিবার রাতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে তাঁর উপরোলি্লখিত তিনটি বক্তব্যের জন্যই সেন্সর করা হয় এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সর্বস্তর থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। এই বহিষ্কারের আগে তিনি দলের ভাইস চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও দলের অন্যান্য আইনজীবীর সমালোচনাই হয়তো ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার জন্য শেষে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার রাতেই তাঁর বহিষ্কারাদেশের কথা জেনে ত্বরিত নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি যে বক্তব্য দেন, সেখানে তিনি নিজেও কার্যত সে রকম ধারণাই দেন। তিনি দলের 'নোয়াখালী চক্র'কে দায়ী করে বলেন, নোয়াখালীভিত্তিক আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কথা বলাই তাঁর 'কাল' হয়েছে।
ব্যারিস্টার হুদার বক্তব্য যতই তেতো লাগুক, আঞ্চলিকতা দোষে দুষ্ট দলকে নোয়াখালী সমিতি বানানোর অভিযোগটার মধ্যে কিছু পরিমাণে সত্যতা যে থাকতেই পারে, এমন সম্ভাবনা আমজনতাও কিন্তু একেবারে উড়িয়ে দিতে পারছে না এবং তা হলেই বুঝুন, একটি জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক দলের তকমা-আঁটা জাতীয়ভিত্তিক দলটি আজ কোথায় এসে দাঁড়াচ্ছে! একটি আঞ্চলিক দল কি করে গোট দেশের স্বার্থ দেখবে?
যাই হোক, আমরা ব্যারিস্টার হুদার মূল তিনটি বক্তব্যে আসি। প্রথম বক্তব্য, বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়ে বিরোধীনেত্রীর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটা যে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া নেত্রীর পক্ষে সারা দেশের মানুষের কাছেই বিসদৃশ ঠেকেছে, এটা অস্বীকার করার বা আপত্তিকর মনে করার কি আছে! বাস্তবিকই তো মানুষ সেদিন ও রকম 'মোলোড্রামা' আশাও করেনি এবং তাকে ভালো চোখেও দেখেনি। এটা দেখে অনেকের কাছেই 'মোটিভেটেড' এবং কৃত্রিম হলেই ভ্রম হতে পারে। বেগম জিয়ার যে নিজেকে সংবরণ করে সংযত, দৃঢ়চিত্ত নেত্রীসুলভ আচরণ প্রদর্শনই করা উচিত ছিল, এ ব্যাপারে দ্বিমতের তো কোনো অবকাশ থাকতে পারে না। সেদিক থেকে দলের ও দলনেত্রীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে ব্যারিস্টার হুদা তো দায়িত্বশীল মন্তব্যই করেছেন।
দ্বিতীয় বক্তব্য, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশের আবেদন না করার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল, এটা এতই প্রাঞ্জল এবং যৌক্তিক, শুধু একজন আইনজীবী নন যেকেনো 'লে ম্যান'-এর পক্ষেও তা অগ্রাহ্য করা সম্ভব নয়। যদি তা অগ্রাহ্য করা হয়, যদি বলা হয়, স্থগিতাদেশ আপনা-আপনি অটোমেটিক হবে, তা অবশ্যই একটি বড় রকম ব্লান্ডার এবং এ ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। সে মহাভুলের মাসুল গুনতে হয়েছে। এর জন্য কাউকে দোষারোপ করাও যাবে না।
এখন তৃতীয় বক্তব্য। ১৪ নভেম্বরের হরতালের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। মানুষের মনে যেটুকু সহানুভূতি জেগেছিল, হরতাল তা ম্লান করে দিয়েছে। হরতাল যে অমানুষিক কীরকম দুর্ভোগ ও টেনশনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে মানুষের কেনাকাটা ও ঘরে যাওয়ার প্রস্তুতির মুখে গজদন্ত মিনারে বসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বেশিরভাগ নেতার পক্ষে তা উপলব্ধি করাই সম্ভব ছিল না। তাহলে দেশ তাঁরা চালাবেন কী করে! ব্যারিস্টার হুদা তো মাত্র ওই 'ল্যাপ্স্'-এর প্রতি অঙ্গুলিনির্দেশ করে দলের সম্বিৎটুকুই ফেরাতে চেয়েছেন। তাকে তো সে জন্য সেন্সর এবং বহিষ্কার না করে দলের উচিত ছিল মাথায় করে রাখা। এ প্রশ্নে ব্যারিস্টার হুদাকে বহিষ্কার করে বিএনপি আবারও নিজেকে একটি হঠকারী দল হিসেবেই প্রমাণ করল।
বিএনপি আবারও ৩০ নভেম্বর হরতাল দিয়েছে। তার আগে বিক্ষোভ, সমাবেশ_এসবও করবে। ব্যারিস্টার হুদা এখন বিএনপির বাইরে। তাঁর এ ব্যাপারে এখন আর মতামত প্রদান কোনো অর্থ বহন করে না। তিনি তা দিতেও যাবেন না। কিন্তু দেশের মানুষ বিএনপির 'এ্যারোগ্যান্স' লক্ষ করছে। হরতালই করতে হবে তাকে; বাস্তব অবস্থা না থাকলেও। হরতাল যে মানুষ কোনো অবস্থাতেই চাইছে না, দেশের এই সুনির্দিষ্ট বাস্তবের প্রতি বিএনপি রহস্যজনকভাবেই ভ্রূক্ষেপহীন। ঈদের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হরতাল দেওয়ায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে, যারা দিন আনে দিন খায় এমন কর্মজীবী মানুষ তাদের এক দিনের রুজি-রোজগারের কথা ভেবে, আর ব্যবসায়ীরা আবারও পুরো একটা দিন লোকসান গুনতে হবে মনে করে অসহায় বোধ করছে। তারা ভেবে পাচ্ছে না, বিএনপির, কি করে চৈতন্যোদয় হবে। বিএনপির কাণ্ডকারখানাও বিচিত্র। তারা বলছিল, তারা হরতাল করবে, এমন গুজব সরকারই ছড়াচ্ছে। শেষপর্যন্ত মানুষ দেখল তারা নিজেরাই সেই গুজব সত্য করে বসেছে।
এ দেশে হরতাল যে তার সব যৌক্তিকতা হারিয়ে ফেলেছে, হরতাল যে আজ এক ভোঁতা অস্ত্রমাত্র, হরতাল করে হরতালকারীরা যে কার্যত দেশে ধ্বংসযজ্ঞ আর সন্ত্রাসের অপশক্তিকেই উস্কে দেয়, তাদের সংকীর্ণ আত্মস্বার্থ হাসিলের পথ করে দেয়_এ কথা আজ আর কাউকে বুঝিয়ে বলে দিতে হয় না। শান্তিপ্রিয়, গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে হরতাল বস্তুত এখন এক বিভীষিকার নাম।
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার অতীতে বিভিন্ন সময় বিতর্কিত ভূমিকা থাকলেও বিএনপিকে হঠকারী পথ থেকে নিবৃত্ত করতে তিনি বিএনপির কাছে বিভীষণ হিসেবে প্রতিভাত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েছেন। দল সম্পর্কে তাঁর সম্পূর্ণ মোহভঙ্গ হয়তো এখনো হয়নি। আবার হয়তো ফিরেও যেতে পারেন দলে, কিন্তু এ মুহূর্তে আঞ্চলিকতা ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে, অযৌক্তিক হরতালের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দলের গ্রহণযোগ্যতা ও গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে বলি দিলেন তিনি নিজেকে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলের ভেতরে গড়ে তোলা নিজের পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার তিনি নিজের হাতে ভেঙে দিলেন। এটা এক জন রাজনীতিকের অবশ্যই বড় রকম ত্যাগ স্বীকার। হ্যাটস্ অফ টু হিম।
==========================
খবর- হরতালের বিরুদ্ধে একজোট, উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা  আলোচনা- 'হজ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে কিছু কথা' by এয়ার কমোডর (অব.) মুহম্মদ জাকীউল ইসলাম  শিল্প-অর্থনীতি 'কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেতন-কাঠামো' by খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ  স্মরণ- 'মীর শওকত আলী বীর উত্তম : একজন বীরের প্রতিকৃতি' by ড. আশকার ইবনে শাইখ  আন্তর্জাতিক- 'মিয়ানমারে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ' by আহসান হাবীব  রাজনৈতিক আলোচনা- 'বিচিত্র সংকটের আবর্তে একটি বাড়ি' by এবিএম মূসা  ইতিহাস- 'হাজংমাতা শহীদ রাশিমনির স্মৃতিসৌধে' by দীপংকর চন্দ  গল্প- 'ঈর্ষার রং ও রূপ' by আতাউর রহমান  ডিজিটাল-প্রযুক্তি কি মানবতাবিরোধী প্রবণতা তৈরি করে? by মোহীত উল আলম  খবর- এক দশক পর ছেলের সঙ্গে দেখা হলো সু চির  যুক্তি তর্ক গল্পালোচনা- 'ট্রানজিটঃ অর্থের বাইরে বাইরে প্রাপ্তিযোগও ভাবতে হবে' by কে এ এস মুরশিদ  খবর- আমনের বাম্পার ফলনেও বাড়ছে চালের দাম by ইফতেখার মাহমুদ  রাজনৈতিক আলোচনা- 'বাড়ি নিয়ে বাড়াবাড়ি' by ফজলুল বারী  আলোচনা- 'খাদ্যনিরাপত্তা ও পশুসম্পদ' by ড. মো. সিদ আলোচনা- 'আমি বাস্তুহারা'_এ কথার মানে কী?' by এ এন রাশেদা  গল্পালোচনা- 'বাংলাদেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র' by মোস্তফা কামাল  রাজনৈতিক আলোচনা- 'যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের যন্ত্রণা এবং নতুন মুক্তিযোদ্ধা সনদ' by হারুন হাবীব


কালের কণ্ঠ এর সৌজন্যে
লেখকঃ শুভ রহমান


এই গল্পালোচনা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.