Tuesday, March 8, 2011
তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ! by মিজানুর রহমান খান
তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ! by মিজানুর রহমান খান
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্মানজনকভাবে বিদায় দেওয়ার ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি আমাদের নিম্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই ধারাবাহিকতা। এই কাণ্ড ঘটিয়ে ভিন্নমতকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আনুগত্যহীনদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির এই নিকৃষ্ট রূপটি নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। এ প্রসঙ্গে মনে পড়ছে তাজউদ্দীন আহমদের কথা। ওই সময়ে তাঁর অবস্থান অন্য সতীর্থদের মতো ছিল না। অনেক বিষয়ে তাঁর ভিন্নমত ছিল। সে জন্য তাঁকে খেসারত দিতে হয়।
ড. ইউনূস নোবেল জিতেছিলেন বলে কি রুষ্ট হন শেখ হাসিনা? ইউনূস দল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেসব অন্যতম উপসর্গ। আসল রোগ নয়। গ্রামবাংলায় বিরল, যেখানে একজন মানি লোক আছেন যিনি স্থানীয় দলীয় এজেন্ট বা মাস্তানকে কুর্নিশ করছেন না, সেলাম ঠুকছেন না, ভেট-ভোট দিচ্ছেন না। নিরীহ নাগরিকের সর্বজনশ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছে না রাষ্ট্র। রাষ্ট্রযন্ত্র শুধু মেধা ও প্রজ্ঞার জন্য কাউকে কুর্নিশ করছে এমনটা কোথাও নেই। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন বহু ব্যক্তির বিকাশ ও সহাবস্থান আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বেশি দিন ধারণ করতে পারে না। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অনেকেই সামন্ত আমলের জমিদারের মতো। তাঁরা দেশটাকে নিজের জমিদারি মনে করেন। অজ্ঞতা ও স্বেচ্ছাচারিতা তাঁদের ধর্ম। আমরা তাকে কখনো জাতীয়তাবাদী, কখনো সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চিহ্নিত করে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলি। তাঁরা সংবিধান ও গণতন্ত্রের লেবাস বেশিক্ষণ গায়ে চাপিয়ে রাখতে পারেন না। অভ্যাস নেই। অস্বস্তি লাগে। তাই হঠাৎ হঠাৎ লেবাসটা খসে পড়ে।
ড. ইউনূসের ছায়াটা আরও প্রকাণ্ড হয়ে উঠেছিল। বিশ্ববাঙালি হওয়ার পথে তাঁর ছায়াটা দীর্ঘতর হচ্ছিল। কিন্তু তা ব্যক্তির পূজায় লাগছিল না। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ও অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর অসম্মানজনক অন্তর্ধানের কারণও ওই একই সুতোয় গাঁথা। আমিই শক্তি, নৈবেদ্য আমারই প্রাপ্য। প্রশ্নটা নিরঙ্কুশ আনুগত্যের। একইভাবে ড. কামাল হোসেনকে ‘বস্তি থেরাপি’ দেওয়া হয়েছিল। এভাবে আমরা আমাদের ইতিহাসে এটা দেখব যে—কি সামরিক কি বেসামরিক—একজন ব্যক্তিকে আমরা আরাধনার পাত্রে পরিণত করি। আর তাঁকে ঘিরে অন্য সবার অনন্ত আরাধনা আশা করি। অনেক জ্ঞানীগুণী তাই বড় দলে ভাত পান না। হারিস চৌধুরী ও মোসাদ্দেক আলী ফালুর মতো মাপের ব্যক্তি ভাত পান। তাঁরাই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বা উপদেষ্টা হন। কিচেন ক্যাবিনেটে মোসাহেবদের রোশনাই বরাবর।
হাইকোর্টে শুনানি শুনছিলাম। রাষ্ট্রের ধাতব কণ্ঠ শুনলাম। রাষ্ট্র বলছে, মোদ্দা কথা, এটা বয়সের ব্যাপার। বয়সগত একটা সর্বজনীন ব্যাপার আছে। সবচেয়ে হাস্যকর ও ঠুনকো যুক্তি। আমরা ব্যক্তির জন্য সংবিধান তাঁর পায়ের মাপে করে নিতে ওস্তাদ জাতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হবেন প্রধানমন্ত্রী, তাই একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতেই নির্বাহী ক্ষমতা সমর্পিত হলো। মুজিব হবেন রাষ্ট্রপতি, তাই সংবিধানে লেখা হলো, ধরে নিতে হবে যেন তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। সামরিক ফরমানের যুগেও যেই লাউ সেই কদু। জিয়া সিএমএলএ থাকবেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার বাসনাও পুর্ণ করবেন। সেভাবে ফরমান পয়দা হলো। বিচারপতি সাত্তারের জন্য ষষ্ঠ সংশোধনী ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের জন্য আমরা একাদশ সংশোধনী পাস করেছি। বিচারপতি কে এম হাসানের জন্য এল ১৪তম সংশোধনী। এর আগে বয়সের ফাঁদ পেতে প্রধান বিচারপতি বধ করেন ‘বিশ্ববেহায়া’ এরশাদ। ড. ইউনূসের মতো প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেন আকস্মিক ‘নো-বডি’ হন।
আমরা আইনের চোখে (অ)সমতা নিশ্চিত করা জাতি। সে জন্য আমরা ইউনূসকে ‘নিয়মিত কর্মকর্তার’ ঊর্ধ্বে তুলিনি। তবে তাঁকে স্বপদে বহাল রাখতে সংবিধান সংশোধনের দরকার ছিল না। বড়জোর এক লাইনের একটি বাক্য দরকার ছিল। গ্রামীণ ব্যাংকে বিকল্প নেতৃত্ব কিংবা ক্ষুদ্রঋণ পুঁজিবাদকে প্রশ্রয় দেয় কি দেয় না; দারিদ্র্যকে, সাম্রাজ্যবাদকে মহান করল কি না সেসব বিতর্ক এখন অবান্তর। তাঁকে অপমান করার মনোভঙ্গিই প্রকট। পুরো বিষয়টি আপাদমস্তক সামন্ততান্ত্রিক।
ইউনূস একা নন। এই সমাজে আরও অনেক ইউনূস রয়েছেন, যাঁরা ভিন্নমতাবলম্বী। তাঁরা দাসখত দিতে রাজি নন, তাঁদের প্রতি এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
আদালতে ড. কামাল হোসেন বলছিলেন, ‘যদি ব্যাংকের স্বার্থ দেখার কথা বলা হয়, তাহলে একজন সিইও (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) পেতে হবে। এ জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েও ইউনূসের চেয়ে যোগ্য কাকে মিলবে?’ জবাবে রাষ্ট্র মশকরা করেছে। কিংবা মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে ‘কঠিন সত্য’। আমাদের রাষ্ট্র বলল, নেলসন ম্যান্ডেলা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হননি। সোনিয়া গান্ধী শত অনুরোধেও প্রধানমন্ত্রী হননি। জ্যোতি বসুও প্রধানমন্ত্রী হননি। অথচ এর কোনোটাই ইউনূসের জন্য খাটে না। খাটে বরং তাঁদের জন্য, যাঁরা এই রাষ্ট্রের খেয়ে-পরে এই রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মাথা খাচ্ছে, অমরত্বের দাবি নিয়ে একই পদে গদিনশিন থাকছে—তিন দশকের বেশি সময় ধরে। আমরা হয়ে আছি চিন্তার ক্রীতদাস। দুই নেত্রী দলীয় গদি ছাড়লে তাঁদের দল কয় টুকরা হবে, সে উত্তর পাওয়া কঠিন কিছু নয়।
ম্যান্ডেলা ৭৬ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি হন। ৮১-তে দ্বিতীয়বার হতে চাননি। ৮৬ বছর বয়সেও মুখ্যমন্ত্রী থাকা জ্যোতি বসু ও সোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী না হওয়ার সঙ্গে ইউনূস তুলনীয় নন। কলকাতার দৈনিক টেলিগ্রাফ এক সম্পাদকীয়তে ইউনূসকে তালিম দিয়েছে। তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, রতন টাটা (৭৫) আগামী বছর অবসর নেবেন। বাংলাদেশের বাজেটের চেয়ে বড় বাজেটের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিশ্বে অনেক আছে। সেসব সংস্থার তুখোড় সিইও হিসেবে বিশ্বে এখন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি আছেন যাঁরা বয়সে সত্তরোর্ধ্ব। রুপার্ট মারডক আশিতেও বাসি নন। তাহলে ৭০ পেরোনো ইউনূসের জন্য বয়স বাধা হবে কেন?
আমরা আক্রান্ত ‘আমি’ নামক শব্দদূষণে। ‘আমি’, ‘আমি’, ‘আমি’। ‘আমি’ এটা করেছি। ‘আমার সরকার‘ এটা করেছে। ‘আমি’ দেশের জন্য এটা করব, ওটা করব। ‘আমরা’ আমাদের সংস্কৃতিতে নেই। সে কারণে আমরা বিশেষ দুই ব্যক্তির নেতৃত্ব মানলাম। স্রেফ অধিকতর যোগ্যতার কারণে কাউকে নেতা মানা আমাদের স্বভাবে নেই। অথচ আমরা একই সঙ্গে যোগ্যতা, শিক্ষা ও মেধার কথা বলি। সসম্মানে আমরা কাউকে বিদায় দেওয়া ভুলছি। ধারণা করি, বিদায় সংবর্ধনার কার্ডই সবচেয়ে কম ছাপা হয়। এই সংস্কৃতি ক্রমশ আরও নিম্ন ও পশ্চাদমুখী। ‘যেতে নাহি দেব হায়, তবু যেতে দিতে হয়’—এ পঙিক্ত প্রায় অনুচ্চারিত। আমরা যে যেখানে আছি, বিদায় কেউ সহজে নিতে চাই না। দিতেও চাই না।
গত বছর অর্থমন্ত্রীকে লেখা একটি চিরকুট ছাপা হয়েছে পত্রিকায়। তাতে দেখি, ইউনূস মসৃণ ক্রান্তিকাল চেয়েছেন। ক্রান্তিকালের আভিধানিক অর্থ হলো, একপর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে উত্তরণের মধ্যবর্তী সময়। এই সামন্ত মুলুকের ক্রান্তিকাল তো যায় না।
ইউনূস শেষতক দল করতে উৎসাহ পাননি। অথচ আমরা বিকল্প শক্তির কথা বলি। বিকল্প শক্তির উত্থান না দেখে হা-পিত্যেশ করি। আবার কেউ এগিয়ে এলে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত হলে, এই আমরাই অদ্ভুত আচরণ করি। বাম-ডান যা-ই হোক, সর্বাগ্রে মতলব খুঁজি। ইউনূসকেও আমরা পত্রপাঠ অবিশ্বাস করেছি। সন্দেহ করেছি। সেটা কি অসময়ের কারণেই? সময় কবে আসবে? পাশ্চাত্য ঠেকাতে আমরা নাকি দুই নেত্রীকে বাগে রাখতে পারি। বেশি শিক্ষিত ও বিদেশি লাইন থাকা ইউনূসকে আমরা বাগে রাখতে পারব না। তাই অনেকেই তাঁকে গাছে তুলে মই সরিয়ে নেন। মাত্র চার বছর আগে ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘আমি নিজেকে রাজনৈতিক দল গঠন থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছি। কারণ, গোড়াতে যাঁরা আমাকে এ কাজে উৎসাহ জুগিয়েছিলেন, তাঁদের উৎসাহে ভাটির টান পড়েছে।’ তিনি আরও স্বীকার করেছিলেন, জরুরি অবস্থা জারি না হলে তিনি রাজনীতিতে নামার কথা ভাবতেন না। সামরিক শাসনে আমরা তথাকথিত বহুদলীয় গণতন্ত্র পেয়েছি। আওয়ামী লীগের পুনর্জন্ম দেখেছি। সম্ভাবনাময় কেউ যদি এখন দল করেন, যাঁরা কল্পনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে তাঁরা মার খাবেন। আমরা তাঁদের পিটিয়ে তক্তা বানাব। কারও না কারও এজেন্ট বলব।
সেই কল্পনাটা কী? আগামী সাধারণ নির্বাচন হবে। কিন্তু সেখানে আর দুটি সম্ভাবনা থাকবে না। মানুষ বাজি ধরবে না নির্দিষ্ট দুটো প্রতীকে। নৌকা ও ধানের শীষ ছাড়াও নতুন দল দাঁড়াবে। কিংবা ওই দুই দলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসবে। যোগ্যতাসম্পন্নরা মনোনায়ন পাবেন। ছোট দলের অনেক গুণী লোক আফসোস করেন, বড় পত্রিকা তাঁদের বক্তব্য ছাপে না। কারণটা বাণিজ্যিক। জায়গা দিয়ে লাভ কী? খামোখা কে জায়গা নষ্ট করে! কারও তো মুরোদ নেই দাবার ছক পাল্টানোর। গরিবের পেটে ঋণ সয়, ঘি সয় না। আমরা কোনো ব্যক্তি বা ছোট দলকে সম্ভাবনাময় মনে করি না। সেভাবে কেউ গড়ে উঠুক, তাও চাই না। দুই বড় দল নিয়েই থাকি। কিন্তু সেখানে দুই ব্যক্তির বাইরে সম্ভাবনাময় অন্য কেউ আছেন কি? আমরা সে চিন্তা করতেও ভুলে গেছি।
আমরা কী অবলীলায় সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের পূজারি বানালাম ইউনূসকে। তাই দ্রুতই তাঁর অবস্থা দাঁড়াল, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। আমরা তাঁকে তিরস্কার করলাম। পুরস্কার আমরা তাঁকে দিইনি। আমরা কতটা হীনম্মন্য, তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার কেড়ে নিতে বলেছি। আজ জন কেরি ও মরিয়ার্টির প্রতিবাদের ভাষা আমাদের জাতীয় প্রতিবাদের নিনাদকে যেন ছাপিয়ে যাচ্ছে। আমাদের চেনা শাসকগোষ্ঠী এতটাই পরীক্ষিত যে, তাঁরা নাকি ‘পুঁজিবাদে’র দোসর নন। অথচ আফগানিস্তানে যুদ্ধ করতে বাংলাদেশ ভাড়া নিতে হামিদ কারাজাই লাগেনি। গ্যাস-তেলের চুক্তি আমরা জানতেও পারি না। চটজলদি ইউনূস যখন বিদায় নিলেন, তখন দুই বড় দলই অভিনন্দন জানাল। আপদ বিদায় নিয়েছে বলে তারা উভয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ইউনূসের অপসারণকে প্রতিহিংসামূলক বলে প্রত্যাশিত বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কের জায়গাটি কি স্পষ্ট করবে বিএনপি?
ব্যাংকার ইউনূসকে আমরা এই সমাজে ৩০ বছর বাঁচতে দিয়েছি। একজন রাজনীতিক ইউনূসকে ২০০৭ সালে আমরা বাঁচতে দিয়েছি মাত্র ৬৮ দিন। সেই দিনগুলোও অবশ্য টেস্টটিউবেই কেটেছে। ময়দান তাঁকে দেখেনি। ইউনূস বলেছিলেন, প্রয়োজনে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ছেড়ে রাজনীতিতে নামবেন। ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেছিলেন, গ্রামীণ ব্যাংক ত্যাগ করা তাঁর কখনো সেভাবে হবে না। ব্যাংকে তাঁর প্রচণ্ড প্রভাব, যা রাজনীতিতে ব্যবহার করা সম্ভব। গ্রামীণ ব্যাংকের মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, বাংলাদেশে যদি রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার থাকত, তাহলে তিনি অনেক আগেই রাজনীতিতে আসতেন। সামনের দিনগুলোতে এসব উক্তি আমরা যাচাই করতে পারব।
অনেকের চোখ আদালতের দিকে। কিন্তু প্রশ্নটা আইনগত নয়, একান্তভাবেই রাজনৈতিক। আদালতের সিদ্ধান্তে আমার আগ্রহ নেই। দি ইকোনমিস্ট ২ মার্চ লিখেছে, ‘১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, প্রফেসর ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের অসাধারণ কাজের জন্য তাঁরা গর্বিত। শান্তিচুক্তির পরে তাঁর ‘পারিষদ-দলের’ মদদে তিনি নোবেল জয়ের স্বপ্ন দেখেন। আর লক্ষ করেন, ইউনূস জনপ্রিয়তায় বিশ্বে তাঁর প্রয়াত পিতাকে ছাড়িয়ে গেছেন। শেখ হাসিনাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে জানেন তাঁরা বলেন, এটা তাঁর জন্য তেতো বটিকা গেলা। তাঁর সেই তিক্ততা শত্রুতায় পরিণত হয় যখন নোবেল পাওয়ার পাঁচ মাস পরে তিনি দল গঠনের ঘোষণা দেন। তিনি সন্দেহ করেন তাঁকে সরানোর জেনারেলদের চেষ্টায় তাঁর সায় ছিল।’ সুতরাং অসুখটা সর্বগ্রাসীরূপে রাজনীতিতে। সেই অসুখের সংক্রমণ থেকে এ দেশের কেউ, কোনো প্রতিষ্ঠান বিচ্ছিন্ন নয়। ইকোনমিস্ট আদালত সম্পর্কে যে ভাষ্য দিয়েছে তার প্রবণতা সাম্প্রতিক নয়। পত্রিকাটি লিখেছে, ‘বাংলাদেশের আদালত উত্তরোত্তর সরকারসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উদাসীন হয়ে পড়ছে। তিনি হবেন এক সাহসী বিচারক, যিনি তাঁর পদোন্নতি বরবাদ হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে ইউনূসের সমর্থনে কোনো আদেশ দেবেন।’
এক নোবেলজয়ীকে কুপোকাত করতে রাষ্ট্র ও তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয়ে আরেক নোবেলজয়ীর ওপর ভর করেছেন। ইউনূসকে অনির্দিষ্ট মেয়াদে ব্যাংকে রাখতে রেহমান সোবহান ব্যাংকের বোর্ড সভায় যথার্থ যুক্তি দেন। আদালতে রাষ্ট্রের আইনজীবী তাঁকে কটাক্ষ করেন। ‘দুই বিঘা জমি’ থেকে বলেন, ‘বাবু যতো বলে পারিষদ-দলে বলে তার শতগুণ।’ আর দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ। বয়সটাই যে আইনি বাধা, সেটাই তিনি বোঝান। তাঁর সুন্দর বচন শুনে মনে হবে, আহা! সরকার চক্ষুষ্মান, কিন্তু আইনের চোখ তো অন্ধ। দীপু মনি বলেন, ‘সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম, সে কখনো করে না বঞ্চনা’।
আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্রে যোগ্যতম লোকের নেতৃত্বই ভোটাধিকার-অসেচতন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনমান বাড়াবে। ক্ষুদ্রঋণ অন্যতম হাতিয়ার মাত্র। তবে এখন সত্য কী? সরকারি প্রচারযন্ত্র কোটি কোটি টাকা তছরুপের গল্প শোনাচ্ছে। আমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস করি না। শ্রদ্ধেয় রবীন্দ্রগবেষক আহমেদ রফিককে সত্য বলে বিশ্বাস করি। শনিবার তিনি আমাকে বললেন, ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ। ইউনূসের ঋণদানের ৭৫ বছর আগের কথা। ১৯০৫ সাল। পতিসরে কৃষি ব্যাংক বসে। রবীন্দ্রনাথ শতকরা আট শতাংশ সুদে ঋণ নিতেন। কৃষকদের দিতেন চার শতাংশ বেশি সুদে। নোবেল পুরস্কারের অর্থের সিংহভাগ (এক লাখ ১২ হাজার টাকা) তিনি ওই ব্যাংকে জামানত রেখেছিলেন। জমিদার রবীন্দ্রনাথকে কেউ ‘রক্তচোষা’ বলেছিল কি না জানি না। তবে রবীন্দ্রনাথ কিন্তু ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতা রচনা করেছিলেন পতিসরেই, হয়তো কোনো উপেনের জমি কেড়ে নেওয়ার ঘটনা তাঁকে বিচলিত করেছিল।
আমি বড় রসসিক্ত হলাম। বৃৃহস্পতিবার সকালে দেখি আদালতে ইউনূসকে জব্দ করতে রবীন্দ্রনাথ, পরদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রবীন্দ্রনাথ। ইউনূসকে ‘গরিবের রক্তচোষা’ বলার ধরন দেখে হাসি পায়। রাজনীতিকদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলেছিলেন তিনি। হঠাৎ আইন ‘আপন গতি’ নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে স্বতঃস্ফূর্ত মামলার হিড়িক পড়েছিল। এসবের একটা সমুচিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে ক্ষুদ্রঋণ-গুরু রবীন্দ্রনাথকেই ধ্যান করি।
আদালতকক্ষে ড. ইউনূসের ঠিক পেছনে বসেছিলাম। রাষ্ট্র যখন বলল, ইউনূস ‘ধানাইপানাই’ করেছেন, সরকারের ৬০ ভাগ মালিকানা কমিয়ে ২৫ ভাগ করেছেন, তখন ইউনূসের এক পরিহাসসূচক অভিব্যক্তি চোখে পড়ে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি, গ্রামীণ ব্যাংক যেন কখনো আদমজীতে পরিণত না হয়। ড. ইউনূস রবীন্দ্রনাথেই সান্ত্বনা পেতে পারেন: ‘বাবু কহে হেসে, বেটা সাধুবেশে পাকা চোর অতিশয়!’ আমি শুনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে—তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
ড. ইউনূস নোবেল জিতেছিলেন বলে কি রুষ্ট হন শেখ হাসিনা? ইউনূস দল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেসব অন্যতম উপসর্গ। আসল রোগ নয়। গ্রামবাংলায় বিরল, যেখানে একজন মানি লোক আছেন যিনি স্থানীয় দলীয় এজেন্ট বা মাস্তানকে কুর্নিশ করছেন না, সেলাম ঠুকছেন না, ভেট-ভোট দিচ্ছেন না। নিরীহ নাগরিকের সর্বজনশ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছে না রাষ্ট্র। রাষ্ট্রযন্ত্র শুধু মেধা ও প্রজ্ঞার জন্য কাউকে কুর্নিশ করছে এমনটা কোথাও নেই। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন বহু ব্যক্তির বিকাশ ও সহাবস্থান আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বেশি দিন ধারণ করতে পারে না। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অনেকেই সামন্ত আমলের জমিদারের মতো। তাঁরা দেশটাকে নিজের জমিদারি মনে করেন। অজ্ঞতা ও স্বেচ্ছাচারিতা তাঁদের ধর্ম। আমরা তাকে কখনো জাতীয়তাবাদী, কখনো সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চিহ্নিত করে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলি। তাঁরা সংবিধান ও গণতন্ত্রের লেবাস বেশিক্ষণ গায়ে চাপিয়ে রাখতে পারেন না। অভ্যাস নেই। অস্বস্তি লাগে। তাই হঠাৎ হঠাৎ লেবাসটা খসে পড়ে।
ড. ইউনূসের ছায়াটা আরও প্রকাণ্ড হয়ে উঠেছিল। বিশ্ববাঙালি হওয়ার পথে তাঁর ছায়াটা দীর্ঘতর হচ্ছিল। কিন্তু তা ব্যক্তির পূজায় লাগছিল না। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ও অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর অসম্মানজনক অন্তর্ধানের কারণও ওই একই সুতোয় গাঁথা। আমিই শক্তি, নৈবেদ্য আমারই প্রাপ্য। প্রশ্নটা নিরঙ্কুশ আনুগত্যের। একইভাবে ড. কামাল হোসেনকে ‘বস্তি থেরাপি’ দেওয়া হয়েছিল। এভাবে আমরা আমাদের ইতিহাসে এটা দেখব যে—কি সামরিক কি বেসামরিক—একজন ব্যক্তিকে আমরা আরাধনার পাত্রে পরিণত করি। আর তাঁকে ঘিরে অন্য সবার অনন্ত আরাধনা আশা করি। অনেক জ্ঞানীগুণী তাই বড় দলে ভাত পান না। হারিস চৌধুরী ও মোসাদ্দেক আলী ফালুর মতো মাপের ব্যক্তি ভাত পান। তাঁরাই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বা উপদেষ্টা হন। কিচেন ক্যাবিনেটে মোসাহেবদের রোশনাই বরাবর।
হাইকোর্টে শুনানি শুনছিলাম। রাষ্ট্রের ধাতব কণ্ঠ শুনলাম। রাষ্ট্র বলছে, মোদ্দা কথা, এটা বয়সের ব্যাপার। বয়সগত একটা সর্বজনীন ব্যাপার আছে। সবচেয়ে হাস্যকর ও ঠুনকো যুক্তি। আমরা ব্যক্তির জন্য সংবিধান তাঁর পায়ের মাপে করে নিতে ওস্তাদ জাতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হবেন প্রধানমন্ত্রী, তাই একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতেই নির্বাহী ক্ষমতা সমর্পিত হলো। মুজিব হবেন রাষ্ট্রপতি, তাই সংবিধানে লেখা হলো, ধরে নিতে হবে যেন তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। সামরিক ফরমানের যুগেও যেই লাউ সেই কদু। জিয়া সিএমএলএ থাকবেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার বাসনাও পুর্ণ করবেন। সেভাবে ফরমান পয়দা হলো। বিচারপতি সাত্তারের জন্য ষষ্ঠ সংশোধনী ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের জন্য আমরা একাদশ সংশোধনী পাস করেছি। বিচারপতি কে এম হাসানের জন্য এল ১৪তম সংশোধনী। এর আগে বয়সের ফাঁদ পেতে প্রধান বিচারপতি বধ করেন ‘বিশ্ববেহায়া’ এরশাদ। ড. ইউনূসের মতো প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেন আকস্মিক ‘নো-বডি’ হন।
আমরা আইনের চোখে (অ)সমতা নিশ্চিত করা জাতি। সে জন্য আমরা ইউনূসকে ‘নিয়মিত কর্মকর্তার’ ঊর্ধ্বে তুলিনি। তবে তাঁকে স্বপদে বহাল রাখতে সংবিধান সংশোধনের দরকার ছিল না। বড়জোর এক লাইনের একটি বাক্য দরকার ছিল। গ্রামীণ ব্যাংকে বিকল্প নেতৃত্ব কিংবা ক্ষুদ্রঋণ পুঁজিবাদকে প্রশ্রয় দেয় কি দেয় না; দারিদ্র্যকে, সাম্রাজ্যবাদকে মহান করল কি না সেসব বিতর্ক এখন অবান্তর। তাঁকে অপমান করার মনোভঙ্গিই প্রকট। পুরো বিষয়টি আপাদমস্তক সামন্ততান্ত্রিক।
ইউনূস একা নন। এই সমাজে আরও অনেক ইউনূস রয়েছেন, যাঁরা ভিন্নমতাবলম্বী। তাঁরা দাসখত দিতে রাজি নন, তাঁদের প্রতি এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
আদালতে ড. কামাল হোসেন বলছিলেন, ‘যদি ব্যাংকের স্বার্থ দেখার কথা বলা হয়, তাহলে একজন সিইও (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) পেতে হবে। এ জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েও ইউনূসের চেয়ে যোগ্য কাকে মিলবে?’ জবাবে রাষ্ট্র মশকরা করেছে। কিংবা মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে ‘কঠিন সত্য’। আমাদের রাষ্ট্র বলল, নেলসন ম্যান্ডেলা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হননি। সোনিয়া গান্ধী শত অনুরোধেও প্রধানমন্ত্রী হননি। জ্যোতি বসুও প্রধানমন্ত্রী হননি। অথচ এর কোনোটাই ইউনূসের জন্য খাটে না। খাটে বরং তাঁদের জন্য, যাঁরা এই রাষ্ট্রের খেয়ে-পরে এই রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মাথা খাচ্ছে, অমরত্বের দাবি নিয়ে একই পদে গদিনশিন থাকছে—তিন দশকের বেশি সময় ধরে। আমরা হয়ে আছি চিন্তার ক্রীতদাস। দুই নেত্রী দলীয় গদি ছাড়লে তাঁদের দল কয় টুকরা হবে, সে উত্তর পাওয়া কঠিন কিছু নয়।
ম্যান্ডেলা ৭৬ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি হন। ৮১-তে দ্বিতীয়বার হতে চাননি। ৮৬ বছর বয়সেও মুখ্যমন্ত্রী থাকা জ্যোতি বসু ও সোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী না হওয়ার সঙ্গে ইউনূস তুলনীয় নন। কলকাতার দৈনিক টেলিগ্রাফ এক সম্পাদকীয়তে ইউনূসকে তালিম দিয়েছে। তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, রতন টাটা (৭৫) আগামী বছর অবসর নেবেন। বাংলাদেশের বাজেটের চেয়ে বড় বাজেটের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিশ্বে অনেক আছে। সেসব সংস্থার তুখোড় সিইও হিসেবে বিশ্বে এখন অন্তত এক ডজন ব্যক্তি আছেন যাঁরা বয়সে সত্তরোর্ধ্ব। রুপার্ট মারডক আশিতেও বাসি নন। তাহলে ৭০ পেরোনো ইউনূসের জন্য বয়স বাধা হবে কেন?
আমরা আক্রান্ত ‘আমি’ নামক শব্দদূষণে। ‘আমি’, ‘আমি’, ‘আমি’। ‘আমি’ এটা করেছি। ‘আমার সরকার‘ এটা করেছে। ‘আমি’ দেশের জন্য এটা করব, ওটা করব। ‘আমরা’ আমাদের সংস্কৃতিতে নেই। সে কারণে আমরা বিশেষ দুই ব্যক্তির নেতৃত্ব মানলাম। স্রেফ অধিকতর যোগ্যতার কারণে কাউকে নেতা মানা আমাদের স্বভাবে নেই। অথচ আমরা একই সঙ্গে যোগ্যতা, শিক্ষা ও মেধার কথা বলি। সসম্মানে আমরা কাউকে বিদায় দেওয়া ভুলছি। ধারণা করি, বিদায় সংবর্ধনার কার্ডই সবচেয়ে কম ছাপা হয়। এই সংস্কৃতি ক্রমশ আরও নিম্ন ও পশ্চাদমুখী। ‘যেতে নাহি দেব হায়, তবু যেতে দিতে হয়’—এ পঙিক্ত প্রায় অনুচ্চারিত। আমরা যে যেখানে আছি, বিদায় কেউ সহজে নিতে চাই না। দিতেও চাই না।
গত বছর অর্থমন্ত্রীকে লেখা একটি চিরকুট ছাপা হয়েছে পত্রিকায়। তাতে দেখি, ইউনূস মসৃণ ক্রান্তিকাল চেয়েছেন। ক্রান্তিকালের আভিধানিক অর্থ হলো, একপর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে উত্তরণের মধ্যবর্তী সময়। এই সামন্ত মুলুকের ক্রান্তিকাল তো যায় না।
ইউনূস শেষতক দল করতে উৎসাহ পাননি। অথচ আমরা বিকল্প শক্তির কথা বলি। বিকল্প শক্তির উত্থান না দেখে হা-পিত্যেশ করি। আবার কেউ এগিয়ে এলে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত হলে, এই আমরাই অদ্ভুত আচরণ করি। বাম-ডান যা-ই হোক, সর্বাগ্রে মতলব খুঁজি। ইউনূসকেও আমরা পত্রপাঠ অবিশ্বাস করেছি। সন্দেহ করেছি। সেটা কি অসময়ের কারণেই? সময় কবে আসবে? পাশ্চাত্য ঠেকাতে আমরা নাকি দুই নেত্রীকে বাগে রাখতে পারি। বেশি শিক্ষিত ও বিদেশি লাইন থাকা ইউনূসকে আমরা বাগে রাখতে পারব না। তাই অনেকেই তাঁকে গাছে তুলে মই সরিয়ে নেন। মাত্র চার বছর আগে ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘আমি নিজেকে রাজনৈতিক দল গঠন থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছি। কারণ, গোড়াতে যাঁরা আমাকে এ কাজে উৎসাহ জুগিয়েছিলেন, তাঁদের উৎসাহে ভাটির টান পড়েছে।’ তিনি আরও স্বীকার করেছিলেন, জরুরি অবস্থা জারি না হলে তিনি রাজনীতিতে নামার কথা ভাবতেন না। সামরিক শাসনে আমরা তথাকথিত বহুদলীয় গণতন্ত্র পেয়েছি। আওয়ামী লীগের পুনর্জন্ম দেখেছি। সম্ভাবনাময় কেউ যদি এখন দল করেন, যাঁরা কল্পনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে তাঁরা মার খাবেন। আমরা তাঁদের পিটিয়ে তক্তা বানাব। কারও না কারও এজেন্ট বলব।
সেই কল্পনাটা কী? আগামী সাধারণ নির্বাচন হবে। কিন্তু সেখানে আর দুটি সম্ভাবনা থাকবে না। মানুষ বাজি ধরবে না নির্দিষ্ট দুটো প্রতীকে। নৌকা ও ধানের শীষ ছাড়াও নতুন দল দাঁড়াবে। কিংবা ওই দুই দলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসবে। যোগ্যতাসম্পন্নরা মনোনায়ন পাবেন। ছোট দলের অনেক গুণী লোক আফসোস করেন, বড় পত্রিকা তাঁদের বক্তব্য ছাপে না। কারণটা বাণিজ্যিক। জায়গা দিয়ে লাভ কী? খামোখা কে জায়গা নষ্ট করে! কারও তো মুরোদ নেই দাবার ছক পাল্টানোর। গরিবের পেটে ঋণ সয়, ঘি সয় না। আমরা কোনো ব্যক্তি বা ছোট দলকে সম্ভাবনাময় মনে করি না। সেভাবে কেউ গড়ে উঠুক, তাও চাই না। দুই বড় দল নিয়েই থাকি। কিন্তু সেখানে দুই ব্যক্তির বাইরে সম্ভাবনাময় অন্য কেউ আছেন কি? আমরা সে চিন্তা করতেও ভুলে গেছি।
আমরা কী অবলীলায় সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের পূজারি বানালাম ইউনূসকে। তাই দ্রুতই তাঁর অবস্থা দাঁড়াল, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। আমরা তাঁকে তিরস্কার করলাম। পুরস্কার আমরা তাঁকে দিইনি। আমরা কতটা হীনম্মন্য, তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার কেড়ে নিতে বলেছি। আজ জন কেরি ও মরিয়ার্টির প্রতিবাদের ভাষা আমাদের জাতীয় প্রতিবাদের নিনাদকে যেন ছাপিয়ে যাচ্ছে। আমাদের চেনা শাসকগোষ্ঠী এতটাই পরীক্ষিত যে, তাঁরা নাকি ‘পুঁজিবাদে’র দোসর নন। অথচ আফগানিস্তানে যুদ্ধ করতে বাংলাদেশ ভাড়া নিতে হামিদ কারাজাই লাগেনি। গ্যাস-তেলের চুক্তি আমরা জানতেও পারি না। চটজলদি ইউনূস যখন বিদায় নিলেন, তখন দুই বড় দলই অভিনন্দন জানাল। আপদ বিদায় নিয়েছে বলে তারা উভয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ইউনূসের অপসারণকে প্রতিহিংসামূলক বলে প্রত্যাশিত বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কের জায়গাটি কি স্পষ্ট করবে বিএনপি?
ব্যাংকার ইউনূসকে আমরা এই সমাজে ৩০ বছর বাঁচতে দিয়েছি। একজন রাজনীতিক ইউনূসকে ২০০৭ সালে আমরা বাঁচতে দিয়েছি মাত্র ৬৮ দিন। সেই দিনগুলোও অবশ্য টেস্টটিউবেই কেটেছে। ময়দান তাঁকে দেখেনি। ইউনূস বলেছিলেন, প্রয়োজনে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ছেড়ে রাজনীতিতে নামবেন। ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেছিলেন, গ্রামীণ ব্যাংক ত্যাগ করা তাঁর কখনো সেভাবে হবে না। ব্যাংকে তাঁর প্রচণ্ড প্রভাব, যা রাজনীতিতে ব্যবহার করা সম্ভব। গ্রামীণ ব্যাংকের মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, বাংলাদেশে যদি রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার থাকত, তাহলে তিনি অনেক আগেই রাজনীতিতে আসতেন। সামনের দিনগুলোতে এসব উক্তি আমরা যাচাই করতে পারব।
অনেকের চোখ আদালতের দিকে। কিন্তু প্রশ্নটা আইনগত নয়, একান্তভাবেই রাজনৈতিক। আদালতের সিদ্ধান্তে আমার আগ্রহ নেই। দি ইকোনমিস্ট ২ মার্চ লিখেছে, ‘১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, প্রফেসর ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের অসাধারণ কাজের জন্য তাঁরা গর্বিত। শান্তিচুক্তির পরে তাঁর ‘পারিষদ-দলের’ মদদে তিনি নোবেল জয়ের স্বপ্ন দেখেন। আর লক্ষ করেন, ইউনূস জনপ্রিয়তায় বিশ্বে তাঁর প্রয়াত পিতাকে ছাড়িয়ে গেছেন। শেখ হাসিনাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে জানেন তাঁরা বলেন, এটা তাঁর জন্য তেতো বটিকা গেলা। তাঁর সেই তিক্ততা শত্রুতায় পরিণত হয় যখন নোবেল পাওয়ার পাঁচ মাস পরে তিনি দল গঠনের ঘোষণা দেন। তিনি সন্দেহ করেন তাঁকে সরানোর জেনারেলদের চেষ্টায় তাঁর সায় ছিল।’ সুতরাং অসুখটা সর্বগ্রাসীরূপে রাজনীতিতে। সেই অসুখের সংক্রমণ থেকে এ দেশের কেউ, কোনো প্রতিষ্ঠান বিচ্ছিন্ন নয়। ইকোনমিস্ট আদালত সম্পর্কে যে ভাষ্য দিয়েছে তার প্রবণতা সাম্প্রতিক নয়। পত্রিকাটি লিখেছে, ‘বাংলাদেশের আদালত উত্তরোত্তর সরকারসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উদাসীন হয়ে পড়ছে। তিনি হবেন এক সাহসী বিচারক, যিনি তাঁর পদোন্নতি বরবাদ হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে ইউনূসের সমর্থনে কোনো আদেশ দেবেন।’
এক নোবেলজয়ীকে কুপোকাত করতে রাষ্ট্র ও তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয়ে আরেক নোবেলজয়ীর ওপর ভর করেছেন। ইউনূসকে অনির্দিষ্ট মেয়াদে ব্যাংকে রাখতে রেহমান সোবহান ব্যাংকের বোর্ড সভায় যথার্থ যুক্তি দেন। আদালতে রাষ্ট্রের আইনজীবী তাঁকে কটাক্ষ করেন। ‘দুই বিঘা জমি’ থেকে বলেন, ‘বাবু যতো বলে পারিষদ-দলে বলে তার শতগুণ।’ আর দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ। বয়সটাই যে আইনি বাধা, সেটাই তিনি বোঝান। তাঁর সুন্দর বচন শুনে মনে হবে, আহা! সরকার চক্ষুষ্মান, কিন্তু আইনের চোখ তো অন্ধ। দীপু মনি বলেন, ‘সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম, সে কখনো করে না বঞ্চনা’।
আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্রে যোগ্যতম লোকের নেতৃত্বই ভোটাধিকার-অসেচতন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনমান বাড়াবে। ক্ষুদ্রঋণ অন্যতম হাতিয়ার মাত্র। তবে এখন সত্য কী? সরকারি প্রচারযন্ত্র কোটি কোটি টাকা তছরুপের গল্প শোনাচ্ছে। আমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস করি না। শ্রদ্ধেয় রবীন্দ্রগবেষক আহমেদ রফিককে সত্য বলে বিশ্বাস করি। শনিবার তিনি আমাকে বললেন, ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ। ইউনূসের ঋণদানের ৭৫ বছর আগের কথা। ১৯০৫ সাল। পতিসরে কৃষি ব্যাংক বসে। রবীন্দ্রনাথ শতকরা আট শতাংশ সুদে ঋণ নিতেন। কৃষকদের দিতেন চার শতাংশ বেশি সুদে। নোবেল পুরস্কারের অর্থের সিংহভাগ (এক লাখ ১২ হাজার টাকা) তিনি ওই ব্যাংকে জামানত রেখেছিলেন। জমিদার রবীন্দ্রনাথকে কেউ ‘রক্তচোষা’ বলেছিল কি না জানি না। তবে রবীন্দ্রনাথ কিন্তু ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতা রচনা করেছিলেন পতিসরেই, হয়তো কোনো উপেনের জমি কেড়ে নেওয়ার ঘটনা তাঁকে বিচলিত করেছিল।
আমি বড় রসসিক্ত হলাম। বৃৃহস্পতিবার সকালে দেখি আদালতে ইউনূসকে জব্দ করতে রবীন্দ্রনাথ, পরদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রবীন্দ্রনাথ। ইউনূসকে ‘গরিবের রক্তচোষা’ বলার ধরন দেখে হাসি পায়। রাজনীতিকদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলেছিলেন তিনি। হঠাৎ আইন ‘আপন গতি’ নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে স্বতঃস্ফূর্ত মামলার হিড়িক পড়েছিল। এসবের একটা সমুচিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে ক্ষুদ্রঋণ-গুরু রবীন্দ্রনাথকেই ধ্যান করি।
আদালতকক্ষে ড. ইউনূসের ঠিক পেছনে বসেছিলাম। রাষ্ট্র যখন বলল, ইউনূস ‘ধানাইপানাই’ করেছেন, সরকারের ৬০ ভাগ মালিকানা কমিয়ে ২৫ ভাগ করেছেন, তখন ইউনূসের এক পরিহাসসূচক অভিব্যক্তি চোখে পড়ে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি, গ্রামীণ ব্যাংক যেন কখনো আদমজীতে পরিণত না হয়। ড. ইউনূস রবীন্দ্রনাথেই সান্ত্বনা পেতে পারেন: ‘বাবু কহে হেসে, বেটা সাধুবেশে পাকা চোর অতিশয়!’ আমি শুনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে—তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1280)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
March
(707)
-
▼
Mar 08
(39)
- সাঙ্গাকারার মুম্বাই-বিস্ময়
- বল হাতে ‘অচেনা’ নায়ক
- নোবেল বিজয়ীর প্রতি এ কেমন আচরণ? ব্য মাহফুজ আনাম
- অনৈতিক উপহার - আড়ম্বর সংবর্ধনা দিয়ে কি অন্যায় ঢাকা...
- সাম্প্রতিক বিতর্ক ও উত্তরণের উপায় by মোহাম্মদ সি...
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে কিউবায় এক মার্কিনের বিচার শুরু
- ফ্রান্সে প্রকাশ্যে বোরকা পরা নিষিদ্ধ হচ্ছে
- সৌদি আরবে শিয়াদের বিক্ষোভ
- মিসরের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দুর্নীতির বিচার শুরু
- লিবিয়ার সঙ্গে কাশ্মীরের ঘটনার মিল আছে
- মোশাররফকে গ্রেপ্তারে পুলিশকে দুই সপ্তাহ সময় দিলেন ...
- ভারতে জোট সরকার থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা ডিএমকের
- আসন ভাগাভাগি নিয়ে কংগ্রেস-তৃণমূল বিরোধ
- বিক্ষোভ না করতে দেশের মানুষকে সতর্ক করল চীন
- ভাট্টি হত্যার ঘটনায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে পাকিস্তান সরকার
- ইউএই উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ
- প্রথমার্ধে বাজেট ঘাটতি ৫,০২৩ কোটি টাকা
- সংকুচিত হয়ে পড়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন
- পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে পাঁচ হাজার কোটি টাক...
- প্রিমিয়ার ব্যাংক ও বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডসের লভ্য...
- চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আর হবে না
- এক ম্যাচে চার শূন্য
- কেভিনকে হেইডেনের অভিনন্দন
- বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই দেখছে আইসিসি
- ঢাকার ঘটনায় ক্ষুব্ধ ধোনি
- আয়ারল্যান্ড-হত ইংল্যান্ডকে সমীহ স্মিথের
- অসমাপ্ত স্বাধীনতাস্তম্ভ
- যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে করণীয়
- ইংলিশদের ভাবনায় ফিল্ডিং
- তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ! by মিজানুর রহমান খান
- অস্ট্রেলিয়ার জয়রথ থামাল বৃষ্টি
- জবাবদিহির রাজনীতি, সুশাসনের অর্থনীতি by মামুন রশীদ
- তাঁদের হাতে চট্টগ্রামের চাবি
- ও’ব্রায়েনকে হুমকি ভাবছেন না মাঞ্জেরেকার
- গণতন্ত্র, ক্রিকেট আর ক্রীড়া সংস্থায় গণতন্ত্র by আ...
- মন্দার কারণে বাতিল মুদ্রাও...
- কিউবায় মার্কিন নাগরিক দোষী সাব্যস্ত
- চে গুয়েভারার বন্ধু গ্রানাদো আর নেই
- বাহরাইনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অবরোধ বিক্ষোভকারীদের
-
▼
Mar 08
(39)
-
▼
March
(707)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment