Saturday, December 4, 2010
সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠা
সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠা
একজন কবি কখন একটি কবিতাকে কবিতা মনে করেন, কবিরা নিজেদের লেখালেখিকে মানদণ্ড হিসেবে নিয়ে একান্ত কথা বলেছেন এ বিশেষ আয়োজন
।
ব্যাখ্যাতীত শব্দগুচ্ছের নামই হয়তো কবিতা
ম হা দে ব সা হা
জানি না। 'তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি'। জানি না ঠিকই, না জেনেও কী ভাবে কী করে যেন এইসব পদ্য-পঙক্তি লিখে ফেলি; তাকেই বলি কবিতা, নাম দিয়েছি কবিতা।
কখন কী ভাবে কার মধ্যে জেগে ওঠে সেই কবিতার মুহূর্ত তার কাছেও হয়তো অজানা, কী ভাবে এই শব্দ শব্দেরও বেশি অর্থময় হয়ে ওঠে, ধারণ করে রহস্য, রহস্যাতীত বহু সুখ-দুঃখ, কী ভাবে এই অন্তমিলসমূহ বিদু্যৎ ঝলকের মতো ঝলসে ওঠে, নক্ষত্রখচিত হয় তার মধ্যে, ফুলের গন্ধ, নদীর কলধ্বনি জেগে ওঠে। এই ব্যাখ্যাতীত বর্ণনাতীত শব্দগুচ্ছের নামই হয়তো কবিতা, এই আলো অন্ধকারের নামই হয়তো কবিতা, এই ছন্দ, ছন্দহীনতার নামই হয়তো কবিতা; জানি না, আর কিছুই জানি না।
কখন কী ভাবে কার মধ্যে জেগে ওঠে সেই কবিতার মুহূর্ত তার কাছেও হয়তো অজানা, কী ভাবে এই শব্দ শব্দেরও বেশি অর্থময় হয়ে ওঠে, ধারণ করে রহস্য, রহস্যাতীত বহু সুখ-দুঃখ, কী ভাবে এই অন্তমিলসমূহ বিদু্যৎ ঝলকের মতো ঝলসে ওঠে, নক্ষত্রখচিত হয় তার মধ্যে, ফুলের গন্ধ, নদীর কলধ্বনি জেগে ওঠে। এই ব্যাখ্যাতীত বর্ণনাতীত শব্দগুচ্ছের নামই হয়তো কবিতা, এই আলো অন্ধকারের নামই হয়তো কবিতা, এই ছন্দ, ছন্দহীনতার নামই হয়তো কবিতা; জানি না, আর কিছুই জানি না।
আমি কবিতা লিখতে লিখতে কখনো হয়তো এই কবিতা হয়ে ওঠে, কখনো হয়ে ওঠে না, কখনো হয়তো এক ঝলক আলো দেখতে পাই, কখনো পাই না, এই আমার কবিতা, এই আমার ভালোবাসার পঙক্তি, স্বপ্নে পাওয়া, আকাশ থেকে পাওয়া এক টুকরো মিথ্যা আলো, তাকেই আমি কবিতা বলি, নৈঃশব্দ বলি, অন্তর্বেদনা বলি, এইসব আরো আরো এইসব মিলিয়ে কবিতা বা কবিতা_না। আর কীইবা বলা যায়?
হয়তো এভাবেই কিংবা আরো অন্য অন্য ভাবে জন্ম হয় কবিতার। সে হয়তো বর্ষার অগি্নগর্ভ মেঘের মতো যার মধ্যে লুকিয়ে থাকে বিদু্যৎ, তাকে আবিষ্কার করার জন্য বহু দিন বহু রাত্রি জেগে থাকতে হয়, চোখের জল ফেলতে হয়, জীবন ছারখার করতে হয়, নিজেকে উৎসর্গ করতে হয় এই অনিশ্চিত অদৃশ্য অধরা কবিতার কাছে। এভাবেই হয়তো কবিতা হয়ে ওঠে, হয়তো ওঠে না।
এ যেন নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ
আ ল ফ্রে ড খো ক ন
কবিতা যে কুমারের হাতে মাখানো নরম মাটি, ধীরে ধীরে গড়ে তুলে আগুনে পুড়িয়ে তাকে লাল করতে হয়। মাঝেমধ্যে দিতে হয় প্রয়োজনীয় রঙের লেপন। কেউ তাকে কিনে নেয় পুজোর সমীপে। কেউ তাকে কিনে নেয় পিপাসার কলসি ভেবে, কেউ তাকে কিনে নেয় সোকেসের মাটির পতুল মনে করে, কেউ তাকে চেয়ে নেয় ভালবাসার মনন আদরে।
একটি কবিতা কিভাবে জন্ম নেয়, কিভাবে হয়ে উঠে, তা বলতে গেলে আমাকে বলতে হবে, প্রতিটি কবিতার জন্মই ভিন্ন আলোড়নের ভেতর। আমার কাব্যযাত্রায় লক্ষ করেছি, কখনো একটি কবিতা বসে থাকতে থাকতেই জন্ম নেয়। কোন কবিতার গজজন্ম অর্থাৎ দাঁড়িয়ে থেকেই হয়ে যায়। একটি কবিতা দীর্ঘ রাত জেগে জন্ম লাভ করে। কখনো কবিতা রাতজাগা চোখ দুহাতে কচলাতে কচলাতে প্রতু্যষ অবধি প্রতীক্ষা করে।
কবিতা অবশ্যই কবির মস্তকের কলা অনুষদ (আর্ট চেম্বার অব ব্রেইন) থেকেই জন্মলাভ করে, যার সূচনা যেকোন সাধারণ বা অসাধারণ চেতনা কিংবা অনুভূতি বা আবেগ তাড়িত দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান বিষয় থেকেই হতে পারে। সূচনার ক্ষণটি আসলে বোবার মত, যা ভাষা খোঁজে, অন্যের সঙ্গে কথা বলতে চায়, ভাষার অভাবে মনের ভার সে অন্যের কাছে ব্যক্ত হয়ে নির্ভার হতে চায়। একে আমরা ভ্রূণ বলতে পারি। কবিতার সেই ভ্রূণ কবির মস্তকের কলা অনুষদ থেকে ক্রমশ জন্ম নিয়ে একটি আকৃতি বা অবয়ব লাভ করতে থাকে। কিন্তু অনেক কবিতা বা কবিতার ভ্রূণ কবির আর্ট চেম্বারেই ঝরে যায়। আবার জন্মের পরও অনেক কবিতার মৃতু্য হয়। হলো না বলে কবি তাকে ফেলে দেন। ফলে লেখার পর কোন কবিতা হয় না বলে কবির হাতে মৃতু্যবরণ করে আবার কোন কবিতা হয় বলে বেঁচে থাকে। কখনো কখনো এমন ঘটে কবি যাকে ব্যর্থজন্ম মনে করেন, পরবর্তীতে তা সফল জন্মে আকর্ষিত হয়।
এমনও দেখেছি একবার একটি বোধ কবিতার মতো আমাকে লেখাল, কিন্তু মধ্যপথে অন্য কোন ঘটনায় মনোযোগ ভেঙ্গে যাওয়ায় সে আর পুনর্জন্ম পেল না, বিকলাঙ্গ হলো। তাকে শত চেষ্টায়ও পূর্ণাঙ্গতা দিতে পারলাম না। জন্মই হলো না, অথচ সে মৃতু্যবরণ করল! এই বিস্ময়ের হাত ধরে আবার নতুন চেতনা আসে, আবেগ আসে, অনুভূতি খোঁচা দেয় মস্তকের কলা অনুষদে, সেখানে যতক্ষণ পূর্ণ মনোযোগ থাকে তার ভিতর দিয়েই শব্দ-ছন্দ-চিত্রকল্প নিয়ে একটি কবিতা জন্ম নেয়। এ যেন নারী-পুরুষের সঙ্গমকালীন নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ, যেখানে উঠানের একটি পাতার পতনও টের পাওয়া চলে না।
একটি কবিতা কখন কিভাবে জন্মাবে নিশ্চিত বলা যায় না। কোন কবিই কবিতা লেখার জন্য কাগজ-কলম আর ক্ষণ-লগ্ন ধার্য করে কবিতা লিখতে বসেন না। সেভাবে বসলে কবিতার জন্ম হয় কিনা, তা আমার অভিজ্ঞতায় আসেনি এখনো।
চিরায়তের মুক্তি চিরকবির হাতেই
তু ষা র দা শ
একজন কবিই তাঁর কবিতার সবচেয়ে বড় সমালোচক। অন্য যে কারো চেয়েই তিনি নিজের লেখা কবিতা ও অকবিতাকে ভালো চিনতে পারেন। তারপরও বহু কবি নিজের অনেক অকবিতাকে কেন কবিতার পাশাপাশি অবমুক্ত করেন? কারণ, তখন তাঁর সমস্যা আসন্নপ্রসবা মায়ের মতোই_গর্ভজাত সন্তানকে অবমুক্ত করেই তাঁর আনন্দ ও সার্বিক মুক্তি। তো, সেই সন্তানের সার্বিক সাফল্য তো সময়ের হাতে, ভবিষ্যতের হাতে। কবিরাও মায়ের মতোই প্রায়শ উদ্ভ্রান্ত, কন্ফিউজ্ড, মতিচ্ছন্ন, গাঢ় সংবেদনায় রক্তিম আর আশাবাদী। তাই, সব সন্তানের মতো প্রায় সব কবিতাই তিনি সময়ের হাতে ছেড়ে দিতে চান। আবার, বাধ্য হয়ে সন্তান জলে ভাসিয়ে দেবার মতো নির্মমতাও কোনো কোনো কবির ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই। এসবই প্রায় সবাই জানেন। অনেক লিখেও সামান্য পরিমাণ রচনাকে কেউ কেউ অবমুক্ত করেন, আবার অনেকে যা-ই লেখেন, তা-ই ছাপেন।
কবিতার হয়ে ওঠার ব্যাপারটা কবির মাথায় থাকলে, তাঁর পক্ষে বিস্তর রচনা অবমুক্ত করা প্রায় অসম্ভব। আমরা অনেক সময় মক্শো করার জিনিসও অবমুক্ত করে দেই নানা সীমাবদ্ধতার কাছে নতি স্বীকার করে।
প্রখ্যাত সংগীত-শিল্পী ভীমসেন যোশীর 'সাবেরিয়া' যাঁরা শুনেছেন, তাঁরা বুঝতে সহজেই পারবেন যে, প্রকৃত কবিতা হয়ে ওঠা কী জিনিস!! তিনি বলেছেন_'সাবেরিয়া' যে 'সাবেরিয়া' হয়ে উঠল, সার্থক একটা 'পীস্' হয়ে উঠলো_তার কারণ সেদিন তাঁর মুড ভালো ছিলো, যেভাবে যা তিনি ঐ গানের ক্ষেত্রে করতে চাচ্ছিলেন, সেগুলো ঠিক সেই অনুযায়ীই হয়ে উঠেছিলো- আর তাতেই 'সাবেরিয়া'র মতো গানও পেলো শিল্পীর শিখরস্পশর্ী সাফল্যের অনুমোদন। কবিতার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি এরকমই_কবি যেভাবে তাঁর ভাব বা বিষয়কে রূপ দিতে চান, উপকরণগুলো যেভাবে তিনি ব্যবহার করতে চান, যেভাবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে চান, ঠিক ঠিক সেভাবেই হয়ে উঠলেই, কবির কাছে কবিতাটির অনুমোদনের ব্যাপারটি তখন অনেক সহজ হয়ে ওঠে। এসব একজন কবির জীবনে মাঝে মাঝে ঘটে- 'এ্যাপিকানির' সবটুকুও সবসময় গ্রাহ্য হয় না প্রকৃত কবির কাছে_স্বপ্নে পাওয়া কবিতাও অনেক সময় হারিয়ে যায় সময়-স্রোতযাত্রায়_কবির দেয়া মুক্তি সবসময় সেই কবিতার প্রকৃত মুক্তি নাও হতে পারে তাই।
কবিতা যে প্রকৃত প্রস্তাবে কী_তার ব্যাপারে কবি ও বোদ্ধাদের এত মত জগদ্ব্যাপী_আমরা যারা দলিত-হরিজন এক্ষেত্রে, তার হয়ে ওঠার ব্যাপারে আমরা তেমন আর কী বলতে পারি?? তবে তাজমহল, সুন্দরবন, হিমালয়ের ঐ শিখরশ্রেণী যে সুন্দরের নানা 'বাহানা' ছড়িয়ে আমাদের বিস্মিত, মুগ্ধ ও নয়নশোভার আরাম দেয়_সে ব্যাপারে আমাদের মতো সাহিত্য-টোকাইরাও আর বিতর্ক-সভা করার প্রয়োজনবোধ করি না।
চিরায়তের মুক্তি তাই চিরকালের কবিরাই দিয়েছেন যুগে যুগে।
অলৌকিক বেহালায় ছড় টানে সময় ও অনুভূতি
মা রু ফ রা য় হা ন
আফ্রোদিতি যখন কবিকে চুম্বন করে, অথবা ইবলিশ বালিশ পেতে দেয় তার আগুনশয্যায়, কিংবা উচ্ছ্রিত সুন্দরের কফিনে পেরেক ঠুকতে থাকে কদাকার লুসিফার_ কবিতা হয়ে উঠতে থাকে সেসময়। যেমন তিস্তায় তরঙ্গ জাগে, জোনাকি জ্বলতে থাকে কালের কৃষ্ণগহ্বরে, সদ্য ফোটা সূর্যমুখীর মুখ ঘুরে যায় অমাবস্যার দিকে; যেমন সর্বনাশের পালে লাগে মন্দমধুর হাওয়া, পূর্ণিমা জ্বালিয়ে দেয় অন্ধগায়কের ঝিমিয়ে পড়া গান, কোথাও বর্ষার জলে ধুয়ে যায় খুন হয়ে যাওয়া দোয়েলের রক্ত_যেমন সহজ নিয়মে ফোটে ফুল গোলাপবাগানে, বৃক্ষের পাঁজর পুড়ে পুড়ে ফোটাতে থাকে ভাত অনাহারী শিশুর জন্যে_এমন সহজ নিয়মে এমন সপ্রাণ স্বাচ্ছন্দ্যে কবিতা হয়ে উঠতে থাকে কবির মনে ও মননে।
তবু কবিতার হয়ে ওঠা জটিল রহস্যময়, অপার অবাক-করা, স্পন্দিত দ্বন্দ্বময়, হর্ষসিক্ত বিষাদগ্রস্ত। তাই কবিতা জন্মাতে থাকে আইসিইউ-র সুনসান বেডে, মড়ার প্রতীক্ষায় থাকা মর্গে, নবজাতকের কান্নায়, নিসর্গের ইশারায়।
কবি এক অলৌকিক বেহালা, সময় ও অনুভূতি ছড় টেনে টেনে বাজায় কবিতা!
শব্দেরা তারার মতো ফুটতে থাকে, আবেগ বাঘের মতো তড়পাতে থাকে, বেদনা বৃষ্টির মতো ঝরে পড়তে থাকে, ধরিত্রী স্বৈরিণীর মতো উস্কে দিতে থাকেঃকবি তো দেবদূত, মেঘেমেঘে তার পর্যটন; কবি যে রক্তমাংসের অভাজন, তারও লাগে রুটি ও মদ, কীভাবে সে এড়াবে প্ররোচনা অথবা প্রলোভন? কবিতার হয়ে ওঠার জন্য জরুরি হলো আধার ও আধেয়, আকাশ ও মাটি, জল ও হাওয়া, কবি ও ব্রহ্মাণ্ড। পিলখানার দীর্ঘশ্বাস থেকে তাই কবিতা হয়ে ওঠে।
সদ্য প্রেমে পড়া নবীনের অপ্রকাশিত ইচ্ছে থেকে তাই কবিতা হয়ে ওঠে। আত্মহননের চেয়ে ভালো শব্দখনন_তাই কবিতা হয়ে উঠতে থাকে প্রাজ্ঞের প্রতিভাতীর্থে, মৃতু্যকে ছাপিয়ে ওঠা জীবনের সহোদর।
অথৈ সীমান্তে নাভিশ্বাস হুইসেল
ফে র দৌ স না হা র
সেই কবে ঘুম ভেঙে ঘুমহীন প্রান্তরের দীর্ঘশ্বাস কাঁধে হেঁটে চলছি। যত দূরেই যাই না কেন পিছুটান ও কিছু মায়াবী মাপজোখ পেছনে লেগেই থাকে। শীতার্ত বস্ন্যাকবোর্ডে রেখা টেনে বুঝাতে চায়_এটাই কবিতা।
কবি যা জানে তার চেয়েও অজানাই বেশি থেকে যায়। বেহিসেবি ভাঙাগড়া বারবার বলে ওঠে_চলো অজানা কুড়াই, কষ্ট বাড়াই প্রতিবার নতুন করে। নামহীন গোত্রহীন এক দুরন্ত চণ্ডাল কবি অবয়বে কাঁপন ধরিয়ে যায় স্মৃতি-বিস্মৃতির আয়ুতটে।
যেভাবে হয়ে উঠলে মনে হয়_হলো, সেভাবে কি কখনো কবিতা এসে দাঁড়িয়েছে! কত না নীরব রাতের গল্প ঝরে পড়ছে পথের দু'ধারে। ভাঙাগড়ার মাঝখানে বয়ে যাচ্ছে ঝড়োমেঘ আর ছিন্নপাতার অভিমানঃ!
শিল্পের হুইসেল শুনতে শুনতে ঝিম নামে শুঁড়িখানা-বুকে। পুবের জানালা দিয়ে ঢুকে পড়ে উত্তরের কোরাস। বেদনাভিক্ষুর কণ্ঠে বাজে উদাস-বিবাগী গান। গায়ে মেখে টকটকে শিখা, আগুনের নামাবলি পোড়ায় দেহঘর। পৌরাণিক বৃষ্টির হিমদানা কবিতা খুঁজতে খুঁজতে উড়ে যায় অথৈ সীমান্তে।
এই তো আমার কবিতার বিষুবরেখা পাড়ি দেয়া। জীবনের চোখে চোখ রেখে দাঁড়ায় বারবার। নিজের সঙ্গে দরকষাকষি, অস্থির আলিঙ্গন এসে চুমু খায়।
আত্মকথনের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো এই আয়ু নিয়ে নিজের প্রকাশ কখনো পরাবাস্তব রহস্যময়তায়, কখনো বা চেনা দৃশ্যের পার্থিব বলয়ে। অর্ধেক আগুনে জ্বলা, অর্ধেক কুয়াশা অতল।
বাঁচি প্রতিটি মুহূর্ত- প্রতিদিন। আলো ভেঙে, অাঁধার ছেনে, প্রেম ও জন্ম মেখে, ধুলায় গড়িয়ে কবিতা আমার কখনো পাথর, কখনো তরল। কখনো কি হয়ে ওঠা?
কবিতা সকলের হাতে ফোটে না
কা ম রু ল হা সা ন
কী কবিতা এবং কী কবিতা নয়_এ এক চিরকালীন বিতর্ক, কেননা কবিতা বহুপ্রকার এবং বিভিন্ন সময়ে বদলে গেছে তার আদল। সঙ্গে বদলেছে পাঠকের রুচি। অতীতে যে কবিতা সমাদৃত হয়েছে, বর্তমান কালে এসে তা হয়েছে পরিত্যক্ত। চর্যাপদ থেকে শুরু করে বাঙলা কবিতা হাজার বছরের পথ পরিভ্রমণ করেছে। এই সহস্র বছরে অজস্র কবি ছন্দোবদ্ধ পদ রচনা করেছেন, আমরা তাদের নাম ভুলে গেছি, টিকে আছে কতিপয় কালোত্তীর্ণ প্রতিভা। সে বিচারও আজকের বিচার, আরো হাজার বছর পরে তা পাল্টে যাবে। কবিতা সকলের হাতে ফোটে না, অনেকে সারাজীবন লিখেও একটি স্মরণযোগ্য পঙ্ক্তি বা কবিতা লিখতে পারেননি, বিপরীতে কেউ কেউ যা লিখেছেন, তাই হয়ে উঠেছে কবিতা। 'সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি' জীবনানান্দের এই আপ্তবাক্যের কাছে আমাদের ফিরে যেতেই হয়। তবে বিখ্যাত কবিদেরও সব লেখা কবিতা হয়ে ওঠেনি। যেসব লেখা কবিতা হয়ে ওঠে, সেসবের ভেতর এমন এক অন্তর্নিহিত সৌন্দর্য আছে, শব্দ ও ছন্দের এমন আশ্চর্য জুড়ন রয়েছে যে পাঠক আন্দোলিত হন, কবিতাটি তার হূদয়ে গেঁথে যায়। কবি নিজেও হয়ত জানেন না কখন কবিতাটি হয়ে উঠল। উত্তীর্ণ কবিতার কাছে পাঠক বারংবার ফিরে যায়, মনোসংকটে এর কাছে আশ্রয় চায়। কবিতা তখনি হয়ে ওঠে, যখন তা এমন এক দু্যতি ছড়ায় যা আবিষ্ট করে রাখে পাঠককে, বিষয়বস্তু যাই হোক না কেন, ছন্দ ও অলঙ্করণের মিশ্রণে তা হয়ে ওঠে অপরূপ। পরিমিত অবয়বে বৃহত্তর পৃথিবীকে ধারণ করে, বিশেষ থেকে সাধারণে পেঁৗছায় আর ইঙ্গিতে ধারণ করে ইন্দ্রিয়বিশ্ব। অগুণিতের মনোসঞ্জাত জগতের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে ঐ ছন্দ-শব্দ_অলঙ্করণ-এ ঋদ্ধ কবিতা; এমন এক বাণী সে নিয়ে আনে যা অশ্রুতপূর্ব, এমন এক অনুভবে দোলায় যা নতুন।
পাঠমাত্রই ঘুম ভেঙে যায়
টো ক ন ঠা কু র
একটা দুপুরবেলার ফাঁকা রাস্তায়, হঠাৎ একটা ঘূর্ণিচক্র কিভাবে তৈরি হয়? খড়কুটো, ছেঁড়া পলিথিন, টুকরো কাগজ কিংবা ধুলো চক্রাকারে দল বেঁধে ঘুরতে ঘুরতে উড়তে থাকে। মাটি ঘেঁষে বেশ কিছুদূর পর্যন্ত যায় ঘূর্ণিটা। একজন কবি লিখেছেন, ঘূর্ণির মধ্যে উড়ে যাওয়া ছেঁড়া কাগজের টুকরোতে কার নাম লেখা ছিল, জানো? মালতী বসুর?
আমি টের পেয়ে যাই, হঠাৎই, ওরকম একটা ঘূর্ণি বোধহয় এল, মাথার মধ্যে। তখন, মাথার মধ্যেই ঘূর্ণিচক্রঃমাথার মধ্যেই খড়কুটো, টুকরো কাগজ, মাথার মধ্যেই ধুলোদল কিংবা একটা আবছা ইমেজ, ইমেজটা হয়তো প্রথমে কয়েকটি শব্দের মধ্যে লুকিয়ে পড়তে পড়তেই বাক্য আত্মপ্রকাশ করে ফেলল। অসংখ্য শব্দে গাঁথা বেশকিছু বাক্যসমষ্টি হয়ে হয়তো লেখা হয়ে যায়, আবার লেখা হয়ও না কতঃলেখা হলেই যে হলো, তাও তো নয়। লেখার পরে মনে হলো, না, যা ভাবনায় ছিল, তা পুরোটা আসেনি। তখন আর ভালো লাগল না। খাতাতেই পড়ে থাকল। কিন্তু যে লেখাটা লেখার পরেই মনে হলো, আহ্! নেমে গেল!! তখন হয়তো নিজের মধ্যেই তৈরি হলো আনন্দ। সৃষ্টির আনন্দ। হয়তো কয়েকটা দিন লেখাটা পড়ে থাকল খাতার মধ্যেই, তারপর আবারো পড়লাম। কাটাকুটি তো লেগেই থাকে, যতক্ষণ মনে হতে থাকে, না, মনমতো হয়নি। যথার্থ সেই শব্দ কিংবা শব্দবন্ধ পেয়ে গেলেই লেখাটা কমপিস্ন্নট। তারপর পাঠিয়ে দেই কাগজে। ছাপা হয়ে যায়। পাঠকের প্রতিক্রিয়া পাই, পাঠিকাদেরও পাই, 'আপনার কবিতাটা খুব সুন্দর হয়েছে' 'পড়ে ভালো লাগলো কবিতাটি' 'আপনার কবিতাটি পড়ে আমি মনে মনে আপনাকে খুঁজছিলাম, পেয়েও গেলাম, বলি, কি লিখেছেন আপনি, পড়তে-পড়তেই তো ফিরে গেলাম তের বছর আগে?' ইত্যাদি মন্তব্যের ভেতর দিয়ে দেখি, আমার সেই লেখাটা 'কবিতা' পদবাচ্য পেয়ে যাচ্ছে।
দেখতেই তো পাচ্ছি, দিনে দিনে বালিকারা বড় হয়ে ওঠে, যুবতী হয়ে যায়, নারী হয়ে ফোটে। ছোট্ট কুঁড়ি, ফুটে ওঠে ফুল হয়ে। স্তব্ধতা নেচে ওঠে গান হয়ে। আর কোত্থেকে একটা শব্দ বা দৃশ্য বা অনুভূতি-চেতনার কোনো ইমেজ_কিভাবে যেন লেখাও হয়ে যায়। কোত্থেকে সব শব্দ-বাক্য নিজেই ছুটে আসে, এলেই একটা লেখা দাঁড়িয়ে যায়। সে লেখা হয়তো খাতার মধ্যে ঘুমোয়, কেউ পাঠমাত্রই তার ঘুম ভেঙে যায়। লেখা আত্মপ্রকাশ করে। তখন তাকে কবিতা বলবে কি বলবে না, তা পাঠক, সমালোচক, অন্যান্য লেখক, শিক্ষিত প্রকাশক_তাদের ব্যাপার। আমার কাজ আবার একটি নতুন লেখার সন্ধানে ফাঁদ পেতে বসে থাকাঃহাওয়ার ঘরে।
পাঠক যখন বলে ওঠেন 'বাহ্'
তু ষা র গা য়ে ন
যে কোনো উত্তীর্ণ কবিতা তিনটি দশাকে অতিক্রম করে হয়ে ওঠে। প্রথম দশাটি হচ্ছে কবির মনোজগতে কোনো এক মুহূর্তের অনুভব, উপলব্ধি বা বোধের আলোড়ন যা কবিকে বিদু্যৎস্পৃষ্ট করে তোলে ঐ মুহূর্তের অভিজ্ঞানকে ভাষার আধারে ধারণ করার জন্য। সেই মুহূর্তটি হতে পারে কোনো খণ্ডকাল অথবা মহাকালের কলরব ও অনুভব রাশির বার্তাবাহী। দ্বিতীয় দশাটি হলো, ঐ মুহূর্তের স্বরূপকে প্রকাশ করার জন্য কবি যখন তাঁর একান্ত প্রকাশভঙ্গী ও ভাষাশৈলী, ছন্দ-উপমা-উৎপ্রেক্ষার মাধ্যমে কবিতা নির্মাণের আনন্দ ও যন্ত্রণাকে যুগপৎ অনুভব করেন, যেভাবে একজন গর্ভধারিণী মা সন্তান প্রসবের আনন্দ ও যন্ত্রণাকে অভিজ্ঞান করে থাকেন। তৃতীয় দশাটি হলো, কবিতাটি রচিত হয়ে যাওয়ার পর যখন তা পাঠকের মানসভোজে উপস্থিত হয় এবং তা পাঠ করে অনাস্বাদিত আনন্দ ও অভিজ্ঞানের মুখোমুখি হয়ে পাঠক বলে ওঠেন, বাহ্?! সত্যিকার অর্থে, কবিতা তখনই হয়ে ওঠে যখন পাঠককে কবি তাঁর উপলব্ধি ও সৃষ্টির আনন্দের অংশীদার করে নিতে পারেন। কবিতা অনেক রকম এবং পাঠকও নানা জাতের; তাই পাঠকের প্রস্তুতি ও পাঠ অভিজ্ঞতাও নতুন কাব্য আস্বাদনের জন্য দায়ী! তবে কবিতা যখন নির্মাণের দাগ মুছে স্বতঃস্ফূর্ত সৃষ্টিশীলতায় উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তখন তা দ্রুত অথবা ধীর প্রক্রিয়ায় পাঠকের মন দখল করতে থাকে। 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ', 'বিদ্রোহী', 'বনলতা সেন', 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা', 'সোনালী কাবিন', 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি', 'ফিরে এসো চাকা'ঃএ রকম অজস্র কবিতা কাল অতিক্রম করে হয়ে উঠেছে পাঠকের স্মৃতি ও শ্রুতির অংশ। পাঠক যখন কবির নাম বিশ্রুত হন, কিন্তু কোনো এক আনন্দ বা বিষাদের মুহূর্তে, জীবনের কোনো এক সন্ধিক্ষণে বা প্রদোষবেলায় গুনগুন করে ওঠে কোনো একটি পঙ্ক্তি, তখন 'কবিতার হয়ে ওঠা'-র পরম মুহূর্তটি টের পাওয়া যায়!
অনাদিকালের পৃষ্ঠে কবিতার ভূগোল
পা ব লো শা হি
তাহার সঙ্গে দেখা হইবার পূর্বে, আমার অন্তর অনুভূতির ঝোল খাইনি কোনদিন। যদিও তিনি অথর্াৎ আমার জানপহেচানের সঙ্গে দেখা হইয়া ছিল তিন দশককাল আগে, তবু প্রথম কবিতার আধার ছবিবিবিকে দর্শনের পর থেকে কবিতার ভাতবর্ণগুলি কেমন যারপরনাই বিচলিত হইয়াছিল আজও তেমন বিচলিত হইয়া আছি। বুঝিয়াছি, আদিকালের কবিতাপৃষ্ঠে সেই আমার নিয়তি? আমার অনুভূতির ঘোড়াগুলির বাঁকঘোরার সেইতো পূর্বক্ষণ, তা থেকে অদ্যাবধি সেরকমই রহিয়াছে। অতঃপর আমার হুশ প্রাপ্তি হইল কবিতার ভূগোলে। ভাবি, পৃথিবী একটা মৃগরোগীর নাম অথচ ইহার মধ্যে লুকায়িত বিষাদ আর বক্ষের ভূগোলে লুকানো মানুষের মন। এইভাবে মনমন্দিরের ঘড়ির কাঁটায় ঝুলিয়া থাকে কবিতা হইয়া ওঠার জন্মইতিহাস। সত্যিকার কবিরা হয়তো পাঁজড় কাটিয়া দেখে, তাহাদের মনের মধ্যে কত আছে অন্তত বিষাদের দৈর্ঘ্যপ্রস্থ। আমিও, তৎপর হইয়া, ছবিকে কাটি, নিজেও রক্তাক্ত হই, নিজে সে অনুভূতির রক্তের কাদায় গড়াগড়ি দেই আর মনের অস্থির মাছির সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে লিখিয়া ফেলি_'তোমার জন্য অনেক দিন ধরে কুড়িয়ে রেখেছি দিনগুলি, মানুষতো সবকিছুর নাম দেয়; তাই দিনগুলির নাম দিয়েছি 'হারানো গান'।' এই 'তুমি'কে অনেক নামে ডাকিয়াছি আমি_সে 'হলুদপাখি' সে 'আগুনপাখি' সে 'জানপহেচান' সে শৈশবের জমিনে চিহ্নিত খোলাখাতা। ফলত, 'তুমি'তে ঘোরলাগা চারধারের বস্তুসমূহ কবিতা হইয়া ওঠে। এর মধ্যে রূপায়িত হইয়া ওঠে সমাজ, জনগোষ্ঠীর আত্মচরিত আর গর্ভবর্তী বেড়ালের প্রার্থনা। আর 'তুমি' নিরন্তর এই বক্ষের মানচিত্রে, কেননা সে মনপোড়াগন্ধ ও দস্যুমেঘ থেকে রক্ষা পাবার ছাতা? 'তারপরও আমার হারিয়ে যাওয়া কাহিনী আমি তোমাকে বলবো না। যদি তুমি তার মধ্যে গন্ধ শুঁকে খুঁজে পাও দুঃখ ও পাপঃআমি এখনও ছাতিম গাছের খোড়লে নিজেকে লুকিয়ে রাখি। দেখি তার ভেতরে বশীকরণ মন্ত্র আর উদাসী এক পরীর মুণ্ডু-রক্ত-ধড়।'
এই দুর্ভাগ্যের দিকে ভাগ্যকে_বেদনায় ফিরাবার মধ্যে কবিতা হয়ে ওঠে। কেননা, আমাদের অনুভূতিগুলি আমাদের ভূখণ্ডের পাহারাদার। আর সেই কার্যত নারীকে, আগুনপাখিকে তিন দশক আগে দেখা জানপহেচানকে দেখিয়া সেদিন থেকে অদ্যাবধি এখনও সে মনে করে_'নারীরা সব হতে পারে_ডুমুরের ফুল, দস্যুমেঘের পালক কিংবা ছাতিমের গাছ।' উহ্যত, তাহার প্রতি আমার মহাকালের এই ভাব যা_'আমি দিনগুলিকেও তোমার মতো বক্ষে কুড়িয়ে রাখি। তোমার বুক দেখার নাম করে দেখি_আমাদের দিনগুলির অন্তর্দাহ।' কার্যত, জীবনের একটা কবিতার পোকা রহিয়াছে মানব অন্তরে, তাহাকে খুঁজিয়া মরি কবিতাকল্পনালতায়। এতোদিন বক্ষের টিপিনবক্সে তা লুকিয়ে রাখিয়াছিলাম। আজ তাহাকে লিখি এইভাবে_'তার থেকে যে শব্দ, যে বাক্যগুলি এতোদিন লিখেছো ভালোবাসার জন্যে, দেখো তার বুকে দীর্ঘশ্বাস আছে কিনা?' এতো কিছুর পরও তিন দশকের ভালোবাসায় তাহাকে (ছবিকে) পায় নাই, তারপরও 'তুমি'কে 'কবিতা'কে এই বক্ষবেদনায় কবিতা করিয়া তুলি_'আমার কষ্টেপোড়া পোশাক, মেঘবজ্রের মুখমণ্ডল আর ফুসফুসির গলাকাটা হাসপাতাল।' উহ্যত, ছবিবিবিকে অথবা কবিতাকল্পনালতাকে আমি যেদিন প্রথম দেখিয়াছিলাম সেই দিন থেকে আমি ছাতিম গাছে_বৃষ্টি ও কান্নার বই হাতে বশিকরণ মন্ত্রপড়িয়া দিন কাটাইতেছি। হয়তো জানপহেচান ছবিও কবিতাকল্পনালতা হইয়া, আমার বক্ষে অনুভূতির দলা হইয়া ধরা দিবে একদিন?
মনের সাথে কল্পনার লুকোচুরি
অ ত নু তি য়া স
কবিতা হয়ে ওঠে। কবিতা নিজেই কবিকে দিয়ে লিখিয়ে নেয়। কবির হূদয়বৃন্ত থেকে ধীরে ধীরে পাপড়ি মেলে ফুল হয়ে ফুটে ওঠে কবিতা। কবিতাকে প্রার্থনা করতে হয়। কল্পনা দেবীর পায়ে সারারাত বসে থাকতে হয় ধ্যানে। কখনো কবিতা ধরা দেয়, কখনো দেয় না। তবুও কবি বসে থাকেন। জীবনের দুঃখ-সুখ-আনন্দ-অভিজ্ঞতা-স্মৃতি দ্রবীভূত হয়ে সৃষ্টি হয় ভাব। সেই ভাবের পরিণত রূপই কবিতা।
একটা কবিতার জন্য আমি কল্পনার সমুদ্রে জাল ফেলে বসে থাকি। সেই সমুদ্র থেকে উঠে আসে রুপালি মাছের ঝাঁকের মতো শব্দগুচ্ছ। আমাকে লিখতে বলে। আমি লিখি। এগুলো কী? কবিতা? কবিতা আসলে কী? কবিতা তো সংজ্ঞার অধিক। এত রূপ অঙ্গে যার, রহস্যময়ী, সুন্দর_সে-ই তো কবিতা। কবিতা তো অধরা, অসীম। কবিতা মনের সাথে কল্পনার লুকোচুরি, প্রেম প্রেম। কবিতা তো অন্তর বাউলের তারে বেজে ওঠা একতারার সুরঃ
একটি কবিতা লেখার পর আমি জীবনের ভার থেকে মুক্তির আনন্দ পাই। এই আনন্দের কোনো সংজ্ঞা নেই; নেই যেমন কবিতার। আবার কখনো মনে হয়, কবিতা একঝাঁক প্রজাপতির দুরন্ত নাচ। যার পাখায় পাখায় বিচিত্র রঙের সম্ভার। আমি সেসব প্রজাপতির পা আঁকড়ে ধরে কোথায় যেন হারিয়ে যাই। কোথায়? নিজেও জানি না। এভাবেই বিভিন্ন এলোমেলো শব্দগুচ্ছ এসে ভর করে আমার উপর। কখনো না চাইতেও ভর করে। কবিতা লিখতে লিখতে আমি অচেনা হয়ে উঠি নিজের কাছেই। নিজেকে প্রশ্ন করি, যে হাত আমাকে দিয়ে একটা কবিতা লিখিয়ে নিলো, সে হাত কি আমার? নিজের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নিজেকেই খুঁজতে থাকি আর খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে যাই অবচেতন মনের সাক্ষাত, হয়তো সেখানেই থাকে এইসব বিক্ষিপ্ত ভাবনাগুচ্ছ, ছোট ছোট জীবনবোধ। আর এসবই আমার খাতায় ঠাঁই করে নেয়। আমি জানি না এগুলোর নাম কবিতা কি-না।
কবিতা কী, কেন, কিংবা কবিতার হয়ে ওঠাঃ
র ণ দী প ম ব সু
কবিতা কেন কবিতা, তা নিয়ে কাব্য-সাহিত্যের নন্দনতত্ত্বে বিস্তর আলোচনা বাদানুবাদ হয়েছে, হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। সাহিত্যের বিচিত্র প্রবাহে নিত্য-নতুন বৈচিত্র্যের জন্যেই এর আবশ্যকতা অনস্বীকার্য। তাহলে কবিতা কী ?
কবিতা কী ? নানা মুনির নানা মতে হাবুডুবু খেতে খেতে শেষ পর্যন্ত কবিতা যে আসলে শিল্পোপলব্ধির এক মায়াবী রসের নাম, তা আর বুঝতে বাকী থাকে না। কাব্যরসে নিমগ্ন রসজ্ঞরা বলেন_'ভাব থেকেই কবিতার জন্ম।' কিন্তু 'ভাব' তো একটা বিমূর্ত ধারণা মাত্র। আর যেহেতু কবিতা হচ্ছে একপ্রকার শব্দশিল্প, তাই আমরা বলতে পারি ভাবযুক্ত শব্দ রচনাই কবিতা। আবার শব্দই যেহেতু ভাবের মাধ্যম এবং অর্থহীন বা ভাবহীন কোন শব্দ বাস্তবে অস্তিত্বহীন, তাই শব্দ মাত্রেই কোন না কোন বস্তু বা ভাবের প্রতীকী প্রকাশ। তবু মালার্মে কথিত 'শব্দই কবিতা' সংজ্ঞাটিকে ভাবগত অর্থে মেনে নিলেও কবিতার পরিপূর্ণ সংজ্ঞা আদতে তৈরি হয় না। এজন্যেই ইংরেজ কবি কোলরিজের 'শ্রেষ্ঠ শব্দের শ্রেষ্ঠ বিন্যাস' সংজ্ঞাটিকে অধিকতর অর্থবহ মনে হয়। কিন্তু এখানেও বিপত্তিটা দেখা দেয় কবিতার সাথে একটা চমৎকার সফল গদ্যের পার্থক্য নিরূপণ করতে গিয়ে। কিন্তু দান্তে যখন বলেন_'সুরে বসানো কথাই হলো কবিতা' তখন কি সংগীত প্রাধান্য কবিতাকে আলাদাভাবে বিশিষ্ট হতে দেয়? এদিকে ছন্দ-অন্তঃপ্রাণ কবি বলেই হয়তো শঙ্খ ঘোষের 'ছন্দে সমর্পিত শব্দেরই নাম কবিতা' কথাটিকে মেনে নিতে গেলেও প্রশ্ন ওঠে_তবে ছড়া বা পদ্য কেন কবিতা নয়? তাই বুঝি শেষ পর্যন্ত আমাদের অগতির গতি রবীন্দ্রনাথেই ফিরে যেতে হয়_'রূপের মধ্যে অরূপের সন্ধানই কবিতা।' এটাকেই যথার্থ সংজ্ঞা বলে মনে হয়। প্রয়োজনীয় শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে যে অপরূপ শব্দচিত্র বা দৃশ্য আঁকা হয় তার মধ্যে অরূপের সন্ধান অর্থাৎ অন্তর্গত অনুভূতির রসে ভিন্ন কোন অর্থের আবহ তৈরি করাকে কবিতা বলা যায়।
কিন্তু আমাদের অর্থময় চেনা জগতের বাস্তব শব্দ দিয়ে তো আসলে অবাস্তব কিছু নয় বরং আমাদের চেনা দৃশ্য বা বাস্তব আদলই তৈরি করা যায়। তাই এ বাস্তবতাকে তীর্যকভাবে দেখার প্রয়োজনেই চলে এলো প্রতীক উপমা রূপক ইত্যাদির আলংকারিক ব্যবহারের মাধ্যমে চিত্রকল্প সৃষ্টির এক শিল্পীত প্রবণতা। সেজন্যেই জীবনানন্দ দাশের কথায় 'উপমাই কবিতা' বলতে মূলত কবিতার চিত্রকল্পতাকেই বুঝানো হয়ে থাকে। এভাবে যথাযোগ্য শ্রেষ্ঠ শব্দগুলোকে শ্রেষ্ঠ বিন্যাসের মাধ্যমে যে অপরূপ শব্দশরীরী চিত্রটা তৈরি হয়ে যায় তাও যখন প্রকাশের বর্ণনাময় আতিশয্যে রহস্যবিহীন, নিরাভরণ ও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে তখন রূপকল্পের দ্যোতনাময় মায়াবী চাদরে জড়িয়ে তাকে করে তোলা হয় চেনা অচেনার মিশেলে গড়া আধা-বাস্তব আধা-কল্পনার এক স্পন্দনশীল মূর্তি। এটাই কবিতা। আক্ষরিক ব্যাখ্যাযোগ্যতার গভীরে ক্রিয়াশীল অন্য এক উপলব্ধির অর্থময় অনুভব। পাঠকমনের সৃজনশীল কল্পনাও এখানে ক্রিয়াশীল হবার বিষয়নিষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায়। সে রচনা তখন আর স্রষ্টা বা কবির একার থাকে না, পাঠকের স্বতঃস্ফূর্ত অন্তভর্ুক্তি একে নিয়ে যায় রসঘন এক ব্যাখ্যাহীন পরিতৃপ্তির অন্তর্গত জগতে। এবং তখনই একটি সার্থক কবিতা প্রকৃতই কবিতা হয়ে ওঠে। এখানে আর বুঝানোর কিছু থাকে না, বুঝে নিতে হয়; ম্যাকলিশের সেই বিখ্যাত পংক্তির মতোই_'কবিতা কিছু বোঝায় না/ কবিতা হয়ে ওঠে।' কেননা বুঝাতে গেলে সে যে আর কবিতাই থাকে না। এই উপলব্ধিজাত বিস্ময় থেকেই বুঝি রবার্ট ফ্রস্টও উচ্চারণ করেন_'সেটুকুই বিশুদ্ধ কবিতা, যার অনুবাদ সম্ভব নয়'।
হূদয়পুরে আগেই জন্ম নেয়
বী রে ন মু খা র্জী
যাপিত জীবনের বহুবিধ প্রপঞ্চ ও দৃশ্যমান ভাবনা থেকে সৃষ্ট এক ধরনের আবেগ আমার অন্তঃপুরে সারাক্ষণ খেলা করে। আবেগ আমার ধ্যানের পৃথিবীকে ওলট পালট করে, আন্দোলিত করে। ক্রমশ চলতে থাকা ওই প্রক্রিয়া থেকে উৎসারিত বোধ আমি প্রকাশ করতে চাই, প্রকাশকামী কাঙ্ক্ষায়। এ অবস্থায় পেঁৗছে ওই বোধের সুনিয়ন্ত্রিত বিন্যাস করি অর্থবোধক নানা শব্দে। তা সুখপাঠ্য করতে যোগ করি ছন্দবৈচিত্র্য। উপমা ও চিত্রকল্প ব্যবহারে সচেষ্ট হই। এভাবে লেখা হতে থাকা পঙ্ক্তিগুচ্ছ। এক সময় এ প্রক্রিয়ায় পরিপূর্ণ আভায় বিকশিত হয় আমার ভাবনা রাশি। হয়ে ওঠে আমার কবিতা। অবশ্য এরও অনেক আগে হূদয়পুরে তৈরি হয় অন্য এক কবিতা। আমি সে কবিতার নাম দিয়েছি প্রকৃত কবিতা। দৃশ্যমান লিপির কবিতা ওই চেতনা-দর্শনের অবয়ব মাত্র। প্রকৃতার্থে কবিতা বলতে আমি যা বুঝি তা প্রকাশ করতে পারি না_অনুভব করি মাত্র। যে কারণে কবিতায় জ্ঞান প্রয়োগে বিরত থাকি। কবিতাকে ব্যঞ্জনাঋদ্ধ করতে সতর্ক থাকি। বাক্য বন্ধনীতে আবেগের লাগাম টেনে ধরি। জীবন চারিয়ে রসমাধুর্যে, উপস্থাপন করি কবিতা শিল্পকে, শিল্পময় জীবনের সারসত্তা হিসেবে। অতীত অভিজ্ঞতা ও সমকালিন বিশ্বলোক থেকে আহরিত নানা বোধগত অর্থ ভেঙে ভেঙে নতুন দ্যোতনায় জারিত করি কবিতার কেন্দ্র। যাপিত অভিজ্ঞতার ধারক হিসেবে দেখি কবিতাকে। তবে, এ ভাবনায় লিখিত আমার সবগুলো কবিতা ঠিক 'কবিতা' পদবাচ্য হয়ে ওঠে কি-না বলা সুকঠিন।
আমি কবিতার সেবাদাস
মা মু ন মু স্তা ফা
'চর্যাপদ'কে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন ধরে বলা যায় আমাদের বাঙালি মন ও মানসিকতায় চর্যাপদই আদি সঙ্গীত। কেননা সুর সৃষ্টির মাধ্যমে কবিতাই হয়ে ওঠে গীতিকবিতা। সুতরাং আমি একে লালন করি নিজস্ব অনুভূতির বলয়ে_যেখানে কেবল নিঃসঙ্গতা নয়, এমনকি প্রেম-সংঘাত, আনন্দ-দুঃখ-কষ্ট নয় বরং ব্যক্তির দর্শনসঞ্জাত দৃষ্টিভঙ্গি বলে দেবে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে তার অবস্থান। যার ভিতর দিয়ে প্রকাশ পায় ব্যক্তির স্বাতন্ত্রিকতা।
সেই সূত্র আবিষ্কারের পথ ধরে জেওফ্রি চসার পত্তন করেছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের। কালক্রমে এলিজাবেথীয়ান যুগ, রোমান্টিক ও ভিক্টোরিয়ান যুগ পেরিয়ে আধুনিক পর্বে এসে টি এস এলিয়ট ও তাঁর সমসাময়িকদের হাত ধরে এর পরিণতি। একজন কবি শুধু একটি কবিতাই রচনা করেন না বরং এর মাধ্যমে তিনি তাঁর সময় ও সমাজকে নির্ণয় করার প্রয়াস পান। পরবর্তীতে সেই আলোকবর্তিকায় পথ চলে আগামী। আমি সেই কবিতার পরিপূর্ণ সেবাদাস।
মানুষ তার মৌলিকতা নিয়ে বেঁচে থাকতে চায়। কবিও তার ব্যতিক্রম নয়। তেমনই আমার কবিতারও পশ্চাতে কাজ করে মৌলিকত্ব। যেখানে প্রচলিত ধর্ম-রীতিনীতি-বিশ্বাসকে অস্বীকার নয় বরং এগুলোর হাজার বছরের ইতিহাসকে সাক্ষী করেই গড়ে ওঠে আমার কবিতা। সুতরাং আবেগ, অনুভূতি ইত্যাদি বোধ থেকে কবিতা জন্ম নিলেও আমার কবিতা মুক্ত মানবতার সপক্ষে চিরকাল কাতর। আমাকেও তাই বলতে হয়েছে কখনো, 'চন্দন বৃক্ষের নিচে শুকিয়ে শুঁঠ হয়ে/শুয়ে আছে কবিঃ/তার পায়ের কাছে লতাশাপ কুট কুট করে কাটে/লোকসংস্কৃতির শিকড়।' অথবা_ 'পথের শেষ এই, যাত্রারও।/বাতিঅলা, এ অাঁধার কেটে কেটে পথ চলো তোঃ'।
কবিতার প্রকাশ-অপ্রকাশ
বি ধা ন রি বে রু
অ_ভাব মানে অভাবের ভাব থেকেই কবিতা মাথায় আসে, ঠিক কবিতা নয়, বিদু্যৎ ঝলকের মতো কয়েকটি লাইন। কখনো শব্দগুলো গুছিয়ে আপসে আপ বসে যেতে থাকে মাথার ভেতর। কখনো বা উলোট-পালোট করে যাওয়া-আসা করতে থাকে চিন্তার বারান্দায়। সেসবের যেগুলো খাতায় নামানো হয় সেগুলোর সবই যে কবিতা হয় তা নয়, আবার কবিতা হয়েছে বলে যেটিকে মনে করছি সেটা যে ভ্রম নয়, সেই সংশয়ও দূর করতে পারি না। শব্দের যে মালা খাতায় নামানো হলোনা কিংবা নামালাম না সেগুলো চেতনের পেছন দরজা দিয়ে অচেতনের দিকে রওনা দেয়।
এখানে দুটি বিষয় হয়. এক, শব্দ মাথায় আসে, এরপর সেগুলোকে কবিতায় রূপ দেই না। দুই, ভুলে যাই। আমার মনে হয় দুইটা বিষয়ই একই কারণে হয়। আমাদের চেতনা বা কনসাস যাকে বলে, সেটি ঐসব শব্দের লিখিত রূপ হতে বাধা দেয়। অতএব কবিতা মারা যায় ভ্রুণ অবস্থাতেই।
আমার মাথায় অধিকাংশ সময়েই যেসব কাব্যময় লাইন আসে, সেগুলো ব্যক্তিগত আবেগ ও উচ্ছ্বাস জারিত। সেসব কথা পাতায় লিখে রাখতে মন সায় দেয় না। আবার যদিও বা চেতনের পাহারাদারকে টপকে লিখে ফেলি, ছাপতে দেই না কোথাও। অতএব ঘটনা একই দাঁড়ালো_ অপ্রকাশিত থাকলো ভাবনাগুলো। খাতায় লিখে ফেলা কবিতা ছাপতে না দেয়ার একটি কারণ যেমন, পংক্তিগুলোকে বড় ব্যক্তিগত মনে হওয়া তেমনি আরেকটি কারণ, আগেই বলেছি, সংশয়।
তবে কখনো কখনো শরতের অভ্রভেদী সূর্যরশ্মির মতো কবিতা ঝলক দিয়ে যায়, সেগুলোকে খাতায় নামানোর পরও ঝলমল করতে থাকে। বলা বাহুল্য নয়, তাঁরাই শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হন।
অহেতুক কবিতা
ফা তে মা আ বে দী ন না জ লা
দাদী কবিতা কি? এই প্রশ্নের উত্তর পেয়েছিলাম "ওরে বোকা, কবিতা কি না কবিতা কে? তোর ফুফু লাগে উত্তর পাড়ায় থাকে। "
যখন স্কুলে যেতে শিখলাম মিস খাতায় লিখে দিলেন ২২নং পাতার কবিতার প্রথম আট লাইন মুখস্থ করবে। বাসায় ফিরে ২২নং পাতা বের করে দেখলাম ছোট একটা গল্প । গল্পটা ছিল মা ভাত খাওয়ানোর সময় চাঁদ মামাকে ডেকে বলছেন চাঁদের কপালে টিপ দিয়ে যেতে। তখন বুঝলাম ছোটগল্পকে সাজিয়ে গুজিয়ে লিখলে কবিতা হয়।
সুফিয়া কামাল লিখেছিলেন_
'বহুদিন পর মনে পড়ে আজি পলস্নীমায়ের কোল
ঝাঊশাখে সেথা বনলতা বাঁধি হরষে খেয়েছি দোল।'
একদম জ্বলজ্বলে ছেলেবেলার গল্প সেটা নাকি আবার কবিতা। কোনোদিন ও কবিতার বিষয়টা বুঝলাম না। আমার কাছে পৃথিবীর তাবৎ কবিতাগুলোকে নির্জলা গল্প বলেই মনে হল। মনে হয় এটা একান্তই আমার মনের ভুল। কিংবা প্রতিটা কবিতার পেছনের একটা গল্প থাকে। আর থাকে চরম অলসতা কিংবা প্রখরতা।
অলসতা শব্দটা কবিতার সাথে তুলে আনার পেছনে একটি অকাট্য যুক্তি আছে। মোটামুটি জনপ্রিয় একজন কবিকে প্রশ্ন করেছিলাম চাচা কবিতা কেনো লিখেন - হা হা হো হো করে যেটা বললেন সেটার সারমর্ম হচ্ছে- আসলে মা গল্প লিখতে বিশাল খাতা কলমের ব্যাপার প্রচুর সময়ের ব্যাপার এত কষ্ট কে করে যদি সেই একি জিনিস ছ'লাইনে কবিতা বলে চালানো যায়। তখন বুঝলাম অলস লোক কবিতা লিখেন। এটা একান্ত আমার ছেলেবেলার ভাবনা।
আর প্রখর শব্দটা আসবেই কবিতার সাথে। পাতার পর পাতা গল্প লিখে যে ভাব প্রকাশ করা যায় না মাত্র দুটি বাক্যে সেই গল্পটা এরচেয়ে বড় প্রখরতা আর কোথায় আছে?
সেদিন টিভি সাক্ষাতকারে নির্মলেন্দু গুণ বললেন সমকালীন সবাই যখন বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত হচ্ছেন ছবি আঁকা ফটোগ্রাফির মত কাজে, তখন তিনি দেখলেন কবিতা লেখা ইনভেস্টমেন্ট সবচেয়ে কম দু টাকার কাগজ কলমে লিখা যায়। তাই তিনি কবি হয়েছেন। খুব জানতে ইচ্ছা হয়েছিল_স্যার আপনার লিখার পেছনে যে গভীর বোধ, যে তীক্ষ্ন অনুভূতি সেগুলো কোন ইনভেস্টমেন্টের ফসল? খুব জানতে ইচ্ছা করে কি করে সৃষ্টি হয়েছিল_
'আমি বলি না আমাকে ভালোবাসতেই হবে
আমি চাই কেউ একজন আমার ঘরের ছিটকিনিটা ভিতর থেকে খুলে দিক
কারণঃ
বাইরে থেকে ছিটকিনি খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত।'
কি অদ্ভুত অনুভূতি ! ভাবনার কি অদ্ভুত সম্মিলন! ছোট ছোট অনুভূতির পেছন তাড়া করতে করতে খুব সাহসের সাথে কলম তুলে নিয়েছিলাম বন্ধুর কথা লিখতে। সেটা নেহায়েত কতগুলো কথার শব্দ সাজানো। অকারণে যদি কারো কাছে সেটা কবিতা বলেই মনে হয় এই দায় শুধুই পাঠকের। আমার কাছে এ শুধু আমার বন্ধুর জন্য অনুভব।
অকবির কবিতার গল্প
রা ফি উ ল রা জী রি ট ন
মানুষ কবিতা সম্পর্কে যত বেশি জানবে, ততই মঙ্গল। আমার মনে হয় যাঁরা কবিতা লিখতে চান, তাঁদের সবারই কবিতা লেখা উচিত, যাঁরা গান করতে চান, তাদের সবারই সঙ্গীত সাধনার দিকে যাওয়া উচিত; কিন্তু অপরিণত অবস্থায় কারোরই নিজের গানবাজনা অন্যকে শোনানো উচিত নয় কিংবা আধা-কবিত্ব নিয়ে উচিত নয় কবিতা প্রকাশ করা।
আমি সেই কাতারের অকবি, যাদের লেখা লোকসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত নয়। তবু ভিখিরির তো ডাকাত হতে ইচ্ছে করে। সেই সব ইচ্ছার জের ধরেই নিজেকে ডাকাত প্রমাণ করার অপচেষ্টা।
হাঁটতে হয়, খাটতে হয়, তারপর হতে হতেই না একদিন কিছু হয়ে ওঠে। যেকোনো কিছুরই হয়ে ওঠার পেছনে পরিক্রমণের একটি গল্প থাকে। কবিতার বেলাতেই বা ভিন্ন কি! তবে হয়ে ওঠারও আবার নানান পর্যায় থাকে, প্রতিটা পর্যায়ের আবার মাত্রাভেদ আছে। আমার এ লেখাটিও মূলত একটি নির্দিষ্ট পর্যায় থেকে; কিন্তু নিজস্ব বিশ্বাস এবং দৃষ্টিভঙ্গি সম্পৃক্ত।
কবিতার প্রতি আমার আগ্রহ এবং যোগাযোগের বয়স এক যুগ।
জীবনানন্দ দাশের 'আট বছর আগের একদিন' কবিতাটিই মূলত আত্মিকতা তৈরি করে। আমি আসক্ত বোধ করি এবং ক্রমশ আত্মঘাতী হয়ে উঠি। প্রচণ্ড মানসিক বিপর্যয় থেকে এক ধরনের রূপান্তর ঘটে আমার, কবিতা রচনা করার চেষ্টা শুরু করি এবং কোনো পূর্ব-প্রচেষ্টা বা আকাঙ্ক্ষা না থাকা সত্ত্বেও নিজেকে প্রবল একজন কবি ভাবতে থাকি। লেখালেখির প্রথম নমুনাগুলো ছিল হাস্যকর; কিন্তু তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ছিল না। পুড়িয়ে ছাই করেছি কবিতার খাতাগুলি। কিন্তু সে সময়ের একটি লেখা আজও আমাকে থমকে দেয়। কবিতাটির নির্মাণ নেহায়েত ফ্যাণ্টাসি থেকে নেয়। নমঃশূদ্র পথিক, দরিদ্র কবি এবং অভিজাত বাহ্মণ এই তিনে প্রাণ প্রচণ্ড চাপে এক হবার চেষ্টা করছে_যন্ত্রণাদায়ক এক মহিমায় হঠাৎ উৎসারিত এই কবিতাটি কি হঠাৎ করেই হয়ে উঠেছিল?
প্রতীক এবং চিত্রকল্প সহজবোধ্য, সাধারণ পাঠকের কাছাকাছি থাকতে পেরেছি এবং এটিই হলো দৃষ্টভঙ্গি। কবিতা বলে সর্বজনগ্রাহ্য হলে সকলেরই লাভ। এই কবিতার মত লেখায় আমি আমার পর্যায়কে আয়ত্তে আনতে পেরেছি। এই বেলা শেষে প্রাপ্তি।
============================
সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠাই কবির তপস্যা পাঁচ গাড়িসহ দুই ছেলের মালপত্র বুঝে নেওয়া হলো আজ বাকিগুলো গল্প- 'কোনো এক গাঁয়ের বিয়ে' গল্প- মৌরস ভৌরস শিল্পি- ড্রয়িং, স্কেচ না পূর্ণাঙ্গ চিত্রকর্ম গল্পসল্প- নারী শিক্ষা মন্দির স্মৃতি ও গল্প- ছিন্নস্মৃতি স্মৃতি ও গল্প- স্কুল জীবনে বাঁকুড়া, জলপাইগুড়ি ও যশোর ফিচার- তাঁহাদের দান ফিচার- ডায়ানার আংটি গল্প- 'অভিমান' গল্প- 'মাটির ব্যাংক' গল্পসল্প- 'সাগরকে যাঁরা পোষ মানালেন' স্মরণ- 'আমাদের সেলিনা আপা' আলোচনা- 'বেতন-ভাতা না নেওয়ার ‘নীতিগত’ সিদ্ধান্ত নয় কেন? ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরীক্ষা করছে নরওয়ে খালেদার মালপত্র আজ বুঝিয়ে দেওয়া হবে আলোচনা- 'পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও অশান্তির মনস্তত্ত্ব' সাক্ষাৎকার- পাহাড়ে পাহাড়িদের সংখ্যালঘু করা হচ্ছে আলোচনা- 'শান্তিচুক্তির ১৩ বছর' রাজনৈতিক আলোচনা- 'উন্মত্ত নৈরাজ্যের শক্তি বনাম সোনালি সম্ভাবনা' আলোচনা- ''ট্রানজিট' না 'করিডোর' না 'কানেকটিভিটি' আলোচনা- 'ওরাও মানুষ আছে ওদের অধিকার' আন্তর্জাতিক- অং সান সু চির মুক্তি ও গণতন্ত্রের পথ শিল্প-অর্থনীতি 'আঞ্চলিক রফতানি বাণিজ্য এবং বাংলাদেশ স্মরণ- 'সিদ্ধার্থকে মনে পড়ে' by খুশবন্ত সিং আলোচনা- প্রসঙ্গ:বেসরকারী চ্যানেলে বিটিভি'র খবর আলোচনা- 'আজও পাহাড় অশান্ত'
দৈনিক ইত্তেফাকে এর সৌজন্যে
এই সাহিত্যালোচনা'টি পড়া হয়েছে...
সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠাই কবির তপস্যা পাঁচ গাড়িসহ দুই ছেলের মালপত্র বুঝে নেওয়া হলো আজ বাকিগুলো গল্প- 'কোনো এক গাঁয়ের বিয়ে' গল্প- মৌরস ভৌরস শিল্পি- ড্রয়িং, স্কেচ না পূর্ণাঙ্গ চিত্রকর্ম গল্পসল্প- নারী শিক্ষা মন্দির স্মৃতি ও গল্প- ছিন্নস্মৃতি স্মৃতি ও গল্প- স্কুল জীবনে বাঁকুড়া, জলপাইগুড়ি ও যশোর ফিচার- তাঁহাদের দান ফিচার- ডায়ানার আংটি গল্প- 'অভিমান' গল্প- 'মাটির ব্যাংক' গল্পসল্প- 'সাগরকে যাঁরা পোষ মানালেন' স্মরণ- 'আমাদের সেলিনা আপা' আলোচনা- 'বেতন-ভাতা না নেওয়ার ‘নীতিগত’ সিদ্ধান্ত নয় কেন? ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরীক্ষা করছে নরওয়ে খালেদার মালপত্র আজ বুঝিয়ে দেওয়া হবে আলোচনা- 'পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও অশান্তির মনস্তত্ত্ব' সাক্ষাৎকার- পাহাড়ে পাহাড়িদের সংখ্যালঘু করা হচ্ছে আলোচনা- 'শান্তিচুক্তির ১৩ বছর' রাজনৈতিক আলোচনা- 'উন্মত্ত নৈরাজ্যের শক্তি বনাম সোনালি সম্ভাবনা' আলোচনা- ''ট্রানজিট' না 'করিডোর' না 'কানেকটিভিটি' আলোচনা- 'ওরাও মানুষ আছে ওদের অধিকার' আন্তর্জাতিক- অং সান সু চির মুক্তি ও গণতন্ত্রের পথ শিল্প-অর্থনীতি 'আঞ্চলিক রফতানি বাণিজ্য এবং বাংলাদেশ স্মরণ- 'সিদ্ধার্থকে মনে পড়ে' by খুশবন্ত সিং আলোচনা- প্রসঙ্গ:বেসরকারী চ্যানেলে বিটিভি'র খবর আলোচনা- 'আজও পাহাড় অশান্ত'
দৈনিক ইত্তেফাকে এর সৌজন্যে
এই সাহিত্যালোচনা'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1280)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
December
(884)
-
▼
Dec 04
(33)
- গল্প- দূর গাঁয়ের গল্প by আজাদুর রহমান
- সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠা
- সাহিত্যালোচনা- কবিতার হয়ে ওঠাই কবির তপস্যা by মোহ...
- খবর, কালের কণ্ঠের- পাঁচ গাড়িসহ দুই ছেলের মালপত্র ব...
- গল্প- 'কোনো এক গাঁয়ের বিয়ে' by রেজাউর রহমান
- হাইতিতে কলেরায় এক হাজার ৭৫১ জনের মৃত্যু
- মার্কিন সেনাবাহিনীতে নতুন অত্যাধুনিক অস্ত্র
- পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্...
- ব্রিটিশ টেলিভিশনে শ্রীলঙ্কান সেনাদের গণহত্যার নতুন...
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন মহড়ার পরিকল্পনা করছে দ. ...
- আরেকটি পরাজয় কিউইদের
- শাস্তি পেলেন মরিনহো
- ‘বিস্ময়কর’ সাকিব
- কোচের রিপোর্ট উড়িয়ে দিলেন খেলোয়াড়েরা!
- জুরিখে জিতবে কারা আজ?
- স্পিন-স্বর্গে পেসার নায়ক
- জ্বালানিসাশ্রয়ী সার কারখানায় বিনিয়োগে আগ্রহী ডেনিশরা
- ইসলাম মানবসেবার কথা বলে by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
- তাদের জানতে-বুঝতে আপনি যা করতে পারেন by জুলিয়ান ফ্...
- কঙ্গোর সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা
- রোলস রয়েসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে...
- উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আ...
- জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নেবে যুক্তরাষ্ট্র
- ইসরায়েলে দাবানলে ৪০ জনের মৃত্যু
- জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাজ্যে
- বর্ষসেরা ক্লাইস্টার্স
- চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ফের মামলা করলেন বাবা
- মাঠে ফেরার অপেক্ষায় কাকা
- আকমল, মালিককে চান আফ্রিদি
- তৃতীয় দিনে বৃষ্টির জয়
- গল্প- মৌরস ভৌরস by রিজিয়া রহমান
- শিল্পি- ড্রয়িং, স্কেচ না পূর্ণাঙ্গ চিত্রকর্ম by সৈ...
- গল্পসল্প- নারী শিক্ষা মন্দির by ফেরদৌসী মজুমদার
-
▼
Dec 04
(33)
-
▼
December
(884)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment