প্রকৃতি- পাহাড়টির সঙ্গে ধ্বংস হবে ঐতিহ্যও by বিশ্বজিৎ চৌধুরী

পাহাড়, অরণ্য, নদী, হ্রদ ও সমুদ্রের দুর্লভ সহাবস্থান চট্টগ্রামকে যে সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য দিয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বরং প্রকৃতির এই অসাধারণ বিন্যাস কীভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে, তা নিয়েই এখন যাবতীয় উদ্বেগ। এই নগরের প্রতিটি অঞ্চলে আজ কান পাতলে শোনা যাবে বুলডোজারের শব্দ, চোখের সামনে ধুলায় মিশে যাচ্ছে পাহাড়ের উদ্ধত মহিমা, বৃক্ষের নিবিড় আশ্রয়। উন্নয়নের নামে নগরে (ইট-কংক্রিটের জঙ্গল বানানোর নাম উন্নয়ন!) চলছে পাহাড় ও বৃক্ষনিধনের এই মহোৎসব।
সম্প্রতি এই প্রতিযোগিতায় শামিল হয়েছে ‘প্রবর্তক সংঘ’ নামের একটি মহতী প্রতিষ্ঠান। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, তাতে অনুমোদন রয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের। নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় প্রবর্তক সংঘের পাহাড় ও আরণ্যক নিসর্গঘেরা ১৫০ কাঠা ভূমির ওপর বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি ভূখণ্ডের বিরাট অংশ সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলেছে প্রবর্তক সংঘ নিযুক্ত একটি নির্মাণপ্রতিষ্ঠান। প্রশ্ন উঠছে, প্রবর্তক সংঘের মতো দীর্ঘ ঐতিহ্য ও আদর্শলালিত একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি এ রকম একটি কাজ করতে পারে কি না। এ নিয়ে সাবেক কমিটির কিছু সদস্যসহ নাগরিক সমাজের একটি অংশের সঙ্গে তাঁদের চরম বৈরিতার সৃষ্টি হয়েছে, প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদি। এতে এই সেবা ও কল্যাণধর্মী প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তিই আজ সংকটের মুখে। সে প্রসঙ্গে পরে আসছি।
সিডিএর তৈরি ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানে (ড্যাপ) প্রবর্তক সংঘের পাহাড়কে ‘ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি’ হিসেবে মর্যাদা দিয়ে বলা হয়েছে, সরকার এই পাহাড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। এই পাহাড় ও সংলগ্ন মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্মুক্ত পরিসর ও প্রাকৃতিক পরিবেশের রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করবে সিডিএ। এতে বিপণিকেন্দ্র বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
আরবান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে আরও সুনির্দিষ্ট করে নগরের তিনটি প্রকৃতিবেষ্টিত অঞ্চলকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাটালি পাহাড়, সার্সন সড়ক ও প্রবর্তক পাহাড় এলাকাকে কৌশলগত উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রক্ষা করার সুপারিশ রয়েছে এই পরিকল্পনায়।
দেখা যাচ্ছে, সিডিএর দীর্ঘমেয়াদি (কাঠামোগত) ও মধ্যমেয়াদি (উন্নয়ন) পরিকল্পনা সরকার অনুমোদন দিয়েছে ১৯৯৯ সালে। স্বল্পমেয়াদি (বিস্তৃত অঞ্চলভিত্তিক) পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয় ২০০৫ সালে। কিন্তু ২০০৮ সালে সিডিএর ইমারত নির্মাণ কমিটির এক সভায় ১২ তলা বাণিজ্যিক ভবনটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় প্রবর্তক সংঘকে। এই স্ববিরোধী সিদ্ধান্তের কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
পাঁচলাইশের এই এলাকাটি ইতিমধ্যেই নগরের প্রধান জলাবদ্ধ এলাকায় পরিণত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বিপণিকেন্দ্র ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন তৈরি হওয়ার কারণে কয়েক বছর ধরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে এখানকার বড় একটি অঞ্চল। এর ওপর প্রবর্তকের পাহাড়ের ঢাল ও বৃক্ষরাজি উজাড় করে বহুতল ভবন নির্মিত হলে অবস্থা কী রকম ভয়াবহ হয়ে উঠবে, তা সহজেই অনুমেয়।
এ ছাড়া পাহাড়ের চারপাশের সড়কগুলোয় এখনই যানজট যে রকম সমস্যা হয়ে আছে, ১২ তলা ভবনটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম যে সেই সমস্যাকে আরও তীব্র করে তুলবে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ফলে এ এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসার জন্য আসা মুমূর্ষু রোগীদের জন্য তৈরি হবে বিরাট প্রতিবন্ধকতা। এমনকি এসব প্রাকৃতিক ও নাগরিক বিপর্যয়ের কথা বাদ দিলেও প্রবর্তক সংঘের মতো একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্যসমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি জেরিনা হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘প্রবর্তক সংঘের রয়েছে একটি স্বাবলম্বী ও জাতীয়তাবাদী চেতনার ইতিহাস। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করার দায়িত্ব সরকারসহ সব সচেতন মহলের। আমরা প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহ্য রক্ষা ও বিকাশের ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারিনি, সেটা নিঃসন্দেহে আমাদের বড় ব্যর্থতা। কিন্তু এখানে দেশি-বিদেশি পণ্যসম্ভারে সজ্জিত একটি শপিং মল নির্মাণ শুধু পরিবেশবিরোধীই নয়, এই প্রতিষ্ঠানের আদর্শ ও ঐতিহ্যেরও পরিপন্থী।’
মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু ব্যক্তির উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয় প্রবর্তক সংঘ। স্বদেশি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব মতিলাল রায় পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগরে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রবর্তক সংঘ। তাঁরই অনুসারী বঙ্কিম সেন চট্টগ্রামে এসে সতীর্থ ও সমাজের দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তায় এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ১৯২১ সালে পাঁচলাইশের গোলপাহাড়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯২১-৪১ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ২৮ একর জমি ক্রয় করে কাজ শুরু করেন উদ্যোক্তারা। শিক্ষা ও স্বদেশচেতনার উন্মেষ ঘটানোই ছিল এর প্রধান আদর্শ। তাই শুরু থেকেই এ প্রতিষ্ঠানে ছিল অনাথ আশ্রম, বিদ্যালয়, শরীরচর্চাকেন্দ্র ইত্যাদি। বিদেশি পণ্য বর্জনের আদর্শে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে এখানে দেশীয় তাঁতবস্ত্র উৎপাদনের জন্য বসানো হয় চরকা। গো-পালনের মাধ্যমে দুধ ও ঘি তৈরি করার প্রকল্পও নেওয়া হয়েছিল।
বহুতল ভবন ও বিপণিকেন্দ্র গড়ে তোলার পেছনে প্রবর্তকের বর্তমান কমিটির সদস্যরা যে যুক্তি দেখান, তা হচ্ছে, বছরের পর বছর আর্থিকভাবে পরমুখাপেক্ষী হয়ে একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। একটি স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার স্বার্থেই এ ধরনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, মূল আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে অর্থের সংস্থান করতে হলে এ প্রতিষ্ঠানের কোনো মর্যাদা বা সামাজিক ভূমিকা আদৌ থাকবে কি না। জমি বেদখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাটিও বলছেন তাঁরা। এ রকম কিছু তৎপরতা আগেও ঘটেছে। কিন্তু আইনি-প্রক্রিয়ায় সেই অপতৎপরতা আগে যদি ঠেকানো সম্ভব হয়, ভবিষ্যতে হবে না কেন?
প্রবর্তক সংঘের বর্তমান কমিটিতে আছেন সমাজের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিরা। মনে পড়ে, সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী যখন অপর্ণাচরণ স্কুল প্রাঙ্গণে একটি বহুতল ভবন ও বিপণিকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন এঁদেরই কেউ কেউ সোচ্চার হয়েছিলেন এবং প্রতিবাদ জানাতে শামিল হয়েছিলেন মানববন্ধনে। আজ একই যুক্তিতে একই ধরনের উদ্যোগ নিয়ে কী প্রমাণ করলেন তাঁরা?
প্রবর্তক সংঘের মূল কর্মকাণ্ড এখন সাধারণ বিদ্যালয় ও একটি অনাথ আশ্রম পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। একসময় স্বাজাত্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে যেসব সামাজিক-আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো এবং এতে এর যে গৌরবময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গড়ে উঠেছিল, এর কিছুই এখন প্রায় নেই।
এ কথা ঠিক, এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিয়মিত অর্থের প্রয়োজন। বার্ষিক অনুদান হিসেবে (নরওয়ের সাহায্য সংস্থা নোরাড আট লাখ টাকা, সরকারের সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর সাত লাখ টাকা, বেসরকারি সাহায্য সংস্থা কেয়ার তিন লাখ টাকা) যা তাঁরা পান, তা এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অপ্রতুল। প্রতিবছর আড়াই লাখ টাকা জমির খাজনা ও ৮০০ অনাথ শিশুর থাকা-খাওয়ার সংস্থান করার জন্যই এ অর্থ ব্যয় হয়।
অর্থের সংস্থান করতে কয়েক বছর আগেও নিজস্ব জায়গায় বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করেছে প্রবর্তক সংঘ। বেসরকারি একটি ক্লিনিক ও ব্যাংককে এসব ভবন ভাড়া দিয়ে যা পাওয়া যায়, তাতে আয়-ব্যয়ের একটি ভারসাম্য তৈরি হয়েছে বলেই আমরা জানি। আসলে একটি স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হলে যে সৃজনশীলতার প্রয়োজন, তা আমরা দেখতে পাই না পরিচালনা পরিষদের কর্মকাণ্ডে। যেমন—নগরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক চাহিদার এ সময়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হলে তা যেমন একদিকে প্রবর্তকের শিক্ষা সম্প্রসারণের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তেমনই তা অর্থনৈতিক বিবেচনায়ও সফল হতে পারে। পরিবেশের ক্ষতি না করে এ ধরনের ক্যাম্পাস গড়ে তোলা যে সম্ভব, প্রবর্তকের বিদ্যালয় ভবন ও অনাথ আশ্রমই তার প্রমাণ। পাশাপাশি বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও এটিকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত উন্নীত করা গেলেও আর্থিক-সংকট কাটবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আমরা চাই, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ হোক, বন্ধ হোক বহুতল ভবন ও বিপণিকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ। পত্রিকান্তরে সিডিএর চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম এখানে বহুতল ভবনের অনুমোদন দেওয়া বিধিসম্মত হয়নি বলে স্বীকার করে বলেছেন, এভাবে বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বহুতল ভবনের অনুমোদন দিয়েছে সিডিএ। এখনই তা বন্ধ করা না হলে পাহাড় ও পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। শিগগির এ প্রকল্পের অনুমোদন বাতিল করা হবে। তাঁর এ বক্তব্যের কার্যকারিতা দেখতে চায় সচেতন নগরবাসী।
প্রবর্তকের পাহাড়ে বহুতল ভবন হলে পরিবেশ বিপর্যয় যেমন হবে, তেমনই ধ্বংস হবে এই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও চেতনা। যাঁরা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাঁরা যত দ্রুত এটি অনুধাবন করবেন ততই মঙ্গল।
=======================
স্মরণ- আজও প্রাসঙ্গিক বেগম রোকেয়া  আলোচনা- উইকিলিকসঃ জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ত্রিমুখী সংগ্রাম  মুক্তিযুদ্ধ- মুজিব বললেনঃ তোমাদের এখনই ঢাকা ত্যাগ করা উচিত  আলোচনা- ডিজিটাল-প্র্রযুক্তিই মানুষকে আরও বেশি মানবিক করে!  খবর- সংরক্ষিত বনে শুঁটকিপল্লি  ট্রেনের ওপর ট্রেন  সংকেত অমান্য, দুই ট্রেনের সংঘর্ষ  আলোচনা- রবীন্দ্রনাথের কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন ভাবনা  আলোচনা- 'ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ঠাঁয় নেই দরিদ্রর উচ্চ শিক্ষা  বিশেষ আলোচনা- ফিরে দেখা গঙ্গা চুক্তি  আলোচনা- 'সংসদ বর্জনের অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক'  আলোচনা- 'উইকিলিকসে বাংলাদেশ, তারপর?  আলোচনা- 'ওয়াংগালাঃ গারোদের জাতীয় উৎসব'  স্মরণ- 'বাঘা যতীনঃ অগ্নিযুগের মহানায়ক'  খবর, কালের কণ্ঠের- আগেই ধ্বংস মহাস্থানগঃ হাইকোর্টের নির্দেশে কাজ বন্ধ  কেয়ার্নের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চুক্তির পেছনেও জ্বালানি উপদেষ্টা  উইকিলিকস জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের আত্মসমর্পণ  সবুজ মাঠ পেরিয়ে  আলোচনা- 'আরো অনুদানের টাকা সরিয়েছিলেন ইউনূস'  আলোচনা- 'একটি 'উজ্জ্বল ভাবমূর্তির' এভারেস্ট থেকে পতন  গল্পালোচনা- 'আসি আসি করে আশিতে আসবে!'  রাষ্ট্র ও রাজনীতিঃ সবুজ মাঠ পেরিয়ে  স্মরণ- 'রবীন্দ্রনাথ—সার্ধশত জন্মবার্ষিকীতে'  স্মরণ- 'জননেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী'  আলোচনা- 'প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন পর্যায়'  আলোচনা- 'কর্মপরিবেশঃ স্বর্গে তৈরি'  গল্পালোচনা- ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া...’  আন্তর্জাতিক- উইকিলিকসঃ হাটে হাঁড়ি ভাঙা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ  গল্পসল্প- ওরা ধান কুড়ানির দল  শিক্ষা- আদিবাসী পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চাই  জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের অর্থের মূল উৎস সৌদি আরব  রাজনৈতিক আলোচনা- এমন বন্ধু থাকলে...  শিল্প-অর্থনীতি শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব  সাক্ষাৎকার- খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজতা হবে


দৈনিক প্রথম আলো এর সৌজন্যে
লেখকঃ বিশ্বজিৎ চৌধুরী
কবি, লেখক ও সাংবাদিক।


এই আলোচনা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.