যুক্তি তর্ক গল্পালোচনা- বাঙালের জলবায়ু দর্শন: ইঁদুরই কি শ্রেষ্ঠ জীব by ফারুক ওয়াসিফ

গাছের প্রাণ বাঁচাব, না কাঠ বাঁচাব—সে এক জটিল প্রশ্ন বটে। প্রাণ গেলেও ধন বাড়ে, গাছ মেরে কাঠ বিক্রিতে বিশেষ লাভ হয়। কানকুনে বিশ্ব বাঁচানোর নামে যে সভা বসেছে, তার দশাও হয়েছে তেমন। পৃথিবীর জান না বাঁচুক, ক্ষতিপূরণ মিললে মরতে রাজি—কানকুন সম্মেলনের প্রধান সুর এখন এটাই। সেখানে বিচারক ছাড়াই আসামি আর ফরিয়াদি মীমাংসায় বসেছে। প্রকৃতি-বিনাশী আচরণ ধনিক দুনিয়া খুব একটা কমাবে না—এমন সমঝোতা তো গত বছরের ডিসেম্বরে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনেই হয়ে আছে।
তাহলে সেই ভাঙা হাট আবার বসানোর মাজেজাটা কী? মজা ও মাজেজা এটাই যে ধনী দেশগুলো কোপেনহেগেনে স্বল্পমেয়াদি ৩০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কানকুনে তার বিলি-বন্দোবস্ত পাকা হবে। দীর্ঘ মেয়াদে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলারের কথাবার্তাও সেখানে হচ্ছে। কানকুন নিয়ে দরিদ্র ও জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হওয়া দেশগুলোর মন্ত্রী-আমলা-বিশেষজ্ঞদের উৎসাহের রহস্য এটাই। টাকায় সব কেনা যায়, দেশ ও দশের ভাগ্যবিধাতারাও টাকার দেবতার কাছে হাঁটু গেড়ে বসেন।
অভিযোগের প্রমাণ পাবেন বিশ্বরাজনীতির যাবতীয় শয়তানি ফাঁস করার বিশ্বকোষ উইকিলিকসে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ধনী রাষ্ট্রগুলোর দুই নম্বরির কিছু গোমরও তারা ফাঁস করছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত উইকিলিকসে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন হুমকি ও ঘুষের লোভ দেখিয়ে কোপেনহেগেনের ফাঁপা দলিল মেনে নিতে বাধ্য করেছে ১৪০টি গরিব দেশকে। ফাঁস হওয়া গোপন বার্তার ভাষা অনুযায়ী, এই দলিল মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করেছে। মূলত জলবায়ু তহবিলের টাকার লোভ দেখিয়ে এসব রাষ্ট্রকে পক্ষে টানা হয়েছিল। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মতো দেশ এই অস্ত্রেই পটে গিয়েছিল। দ্রুতই তারা শিল্পোন্নত দেশের কার্বন নিঃসরণ কমানোর বাধ্যবাধকতার দাবি বিসর্জন দিয়েছিল।
ব্রিটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকা গত বছরই ডেনমার্ক, ব্রিটেন আর আমেরিকার তৈরি ওই গোপন দলিল ফাঁস করে। সংবাদ পাওয়ামাত্র শূন্য সভাকক্ষে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন তাহিতি দ্বীপের প্রতিনিধি। কিন্তু আমাদের প্রতিনিধিরা দুই হাত তুলে উঠে দাঁড়ান। পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গবেষক ও এনজিও প্রতিনিধিরা মিলে সারা বছর ধরে কীভাবে জলবায়ু তহবিলের ঝোল কোলে টানা যায়, তার জন্য ব্যতিব্যস্ত থাকেন।
এই ডলার দিয়ে আসলে কইয়ের তেলে কই ভাজা হবে। বলা হচ্ছে, ৭০০ বিলিয়ন ডলার খরচে নাকি দুনিয়াকে সাফসুতরো করে ফেলা যায়। এই ৭০০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে আমরা কী কী কিনব? গ্যাটে চুক্তিতে আগাপাশতলা বাঁধা কোনো উচ্চমার্গীয় যন্ত্রপাতি? করপোরেট তেল ও গ্যাস কোম্পানির বিপুল স্বার্থের নতুন জ্বালানি? নতুন সৌর প্যানেল? ১০০ বিলিয়ন ডলার তারা ক্ষতিপূরণের খয়রাত দিতে চায়। কিন্তু এই টাকা তাদেরই নতুন যন্ত্রপাতি, তাদেরই পাঠানো বিশেষজ্ঞের বেতন দিতে খরচ হবে। তাহলে কার টাকায় কে কী কিনল? এরপর ওই ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তির হাত ধরে আরও ১০০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ও ক্লিন (?) জ্বালানির নতুন ব্যবসার লাইন হাজির হবে। এসব নতুন ব্যবসার লাইনে মজে যাবে আমাদের আরও কিছু সুবিধাভোগী। উইকিলিকসে এই খবরও দেওয়া হয়েছে যে ইতিমধ্যে তার এন্তেজাম শুরু হয়েছে। কানাডীয় অধ্যাপক নাওমি ক্লেইন একেই বলছেন ‘ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম’। পুঁজিবাদের সেরের ওপর তাই এখন সোয়া সের হয়েছে এই দুর্যোগ ব্যবসা।
এদিকে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোসহ ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর দিক থেকে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে পৃথিবীকে বাঁচানোর বদলে বাংলাদেশ কেবল অর্থপ্রাপ্তিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। জলবায়ুর প্রশ্নে একটা পাতানো খেলা চলেছে ইউরো-মার্কিন শক্তির সঙ্গে চীন-ভারত-ব্রাজিল জোটের। ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো এরই বিরুদ্ধে। বাকিরা ছাগলের তৃতীয় সন্তান হয়ে এদিক-ওদিক ছুটছে। অথচ এই তৃতীয় পক্ষের স্বার্থই প্রকৃতির স্বার্থ। বাংলাদেশের মতো সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত দেশগুলো বাঁচলেই তো বিশ্ব বাঁচে। কিন্তু যা হওয়া উচিত, তা করার নিয়ত দুনিয়ার নেতাদের নেই। উইকিলিকসের পাতায় পাতায় তারই আকসার প্রমাণ। যাদের অন্তরাত্মায় জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার প্রবণতা, যাদের গোপন কার্যক্রম গণতন্ত্রবিরোধী, তাদের দ্বারা যে প্রকৃতিকে রক্ষা অসম্ভব, তা আবারও প্রমাণিত হলো।
কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের হুজুগ যখনো জাগেনি, বিশ্বের তাপমাত্রা দ্রুতগতিতে বাড়ার খবর যখনো আমাদের পাড়া-গাঁ-শহরে রটে যায়নি, তখন আমরা কী করছিলাম? হ্যাঁ, তখন আমরা ব্যস্ত ছিলাম আমাদের নদীগুলোকে হত্যার কাজে, কৃষিকে রাসায়নিক সার আর বিষের নেশায় আসক্ত করতে, বন উজাড় করতে, ভুল বাঁধ দিয়ে নদী ও মানুষ উভয়কেই বিপন্ন করে তুলতে, সবুজবিপ্লব ও টিউবওয়েল-বিপ্লবের নামে দেশের আশি ভাগ মানুষকে আর্সেনিকের বিষের সামনে ঠেলে দিতে।
আশির দশকে খুলনা-যশোর অঞ্চলে কেজেবিআরপি নামে বিরাট প্রকল্প নেওয়া হয়। এতে করে সে অঞ্চলের জলাবদ্ধতা আরও দুর্বিষহ হয়ে যায়। কিছুদিন আগে এর প্রধান ইন্ধনদাতা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) স্বীকার করে যে প্রকল্পটি ভুল ছিল। বিপুল ব্যয়ে বিশ্বব্যাংকের বন্যানিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ফ্লাড অ্যাকশন প্ল্যানের (ফ্যাপ) বেলায়ও তাই হয়। বিশ্বব্যাংক এটি প্রত্যাহার করে, কিন্তু তত দিনে মানুষ ও প্রকৃতির ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে যায়। এর পরেই আসবে দক্ষিণাঞ্চলে চিংড়িঘের-বিপ্লবের কথা। এর সুবাদে এখন কয়েকটি জেলা লবণপানির মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। গাছহীন, ধানহীন, পশু-পাখি ও মিঠাপানির মাছহীন এক ভাগাড় যেন। এ রকম অনেক প্রকল্পের কথাই বলা যায়, যা বাংলাদেশের পরিবেশ, জলবায়ুসহ সামগ্রিক প্রকৃতিকেই দিনকে দিন নির্জীব করে ফেলছে। এগুলোর বেশির ভাগের সঙ্গেই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জড়িত। এসব প্রকল্পের সুবাদেই দেশের একশ্রেণীর আমলা-বিশেষজ্ঞ-রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদারেরা ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন। সুতরাং ক্ষতি যখন আমাদের কর্তা-কর্ত্রীদের হাত দিয়েই হয়েছে, তখন কেবল ধনী দেশগুলোকে দোষ দিয়ে কী লাভ?
জলবায়ু রাজনীতির আসল ফাঁকি হলো, জলবায়ু ও পরিবেশকে অর্থনীতি ও রাজনীতি তথা একটি দেশের কৃষি-শিল্প-নগরায়ণ ইত্যাদি নীতি থেকে আলাদা করে দেখানো। জলবায়ু আরশে বিরাজ করে না। বাস্তবের শিল্পনীতি, কৃষিনীতি, পরিবেশনীতি তথা সামগ্রিক রাজনীতিটি যদি ঠিক না থাকে, আলাদা করে জলবায়ু ও প্রকৃতিকে ঠিক করা যাবে না। সবকিছু আগের মতোই চলবে আর কিছু টাকা এনে কিছু সেমিনার আর কিছু প্রকল্প করলেই প্রকৃতি বশ মানবে? টাকা দরকার, কিন্তু তার আগে দরকার নীতিটা ঠিক করা। দুর্নীতির থেকে ভুল নীতি আরও বেশি ক্ষতিকর—এই সত্য করাল কেটে স্বীকার করতে হবে।
ভুল উন্নয়ন ও অন্ধ মুনাফার কবলে পড়ে প্রকৃতির যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের দোহাই দিয়ে তার দায় ঢাকা যাবে না। ফারাক্কা বাঁধসহ ভারতের বৈরী পানিনীতির কারণে আমাদের বেশির ভাগ নদ-নদীর পানি যে দিনকে দিন কমে যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গ যে মরুকরণের ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তার সঙ্গে তো জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্ক অতি সামান্য। কেবল তা-ই নয়, সরকার ও এনজিওরা এক দিকে পরিবেশপ্রেমে মাতোয়ারা হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের জন্য সর্বনাশা অনেক প্রকল্প হাতে নিচ্ছে, যা এক কথায় আত্মঘাতী। জেএমবির আত্মঘাত চেনা যায়, থামানো যায়, কিন্তু পরিবেশ-বিনাশী আত্মঘাতী কাজ থামাতে তো কানকুনে গিয়ে হম্বিতম্বি করে লাভ নেই। নিজেদের খাসলত বদলালেই তা হয়। এ রকম ক্ষতিকর প্রকল্পগুলোর একটি হলো ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লাখনি করার ব্যাপারে সরকারি তোড়জোড়। এটা হলে কেবল দিনাজপুরসহ কয়েকটি জেলার পরিবেশই বিনষ্ট হবে না, সেখানকার মাটির তলার সমস্ত পানি শূন্য করা হবে, খনি থেকে তোলা সেই দূষিত পানি ছড়িয়ে পড়বে আরও বিরাট এলাকাজুড়ে। অনেক জনপদ ও আবাদি জমি তো যাবেই, সঙ্গে যাবে বনজঙ্গল-পশুপাখিসহ প্রাণ ও প্রতিবেশ। পরিবেশ ও খাদ্যনিরাপত্তার এত বড় শত্রুতা কি আমরা নিজেরাই করছি না?
এখানেই শেষ নয়, সম্প্রতি পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম প্রাণসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ লাউয়াছড়ার জাতীয় উদ্যানে গ্যাসের খনি করার জন্য অনুমতি পেয়েছে খনি-মাফিয়া শেভরন। তা করা হলে বনের বড় অংশই ধ্বংস হবে এবং হচ্ছে। ওদিকে সুন্দরবনেও গ্যাস অনুসন্ধানের চেষ্টা হচ্ছে এবং তা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু আছে। সুন্দরবনের কাছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বসানোর চিন্তা হচ্ছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের এমন প্রকল্পও নেওয়া হয়েছিল, যাতে বন রক্ষা না পেলেও লাভবান হতেন দেশি-বিদেশি ভাড়াটে বিশেষজ্ঞরা। এই সুন্দরবন দেখিয়েই অনৈতিক কার্বন-বাণিজ্যের পথে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। সুন্দরবন যতটা প্রকৃতির কার্বন শোষণ করবে, ততটা কার্বন পোড়ানোর অধিকার আমেরিকা আমাদের কাছ থেকে কিনে নেবে। এটা প্রকৃতিকে বেশ্যাবৃত্তিতে নামানোর শামিল। যে সুন্দরবন আইলা-সিডরসহ ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক দেয়াল হয়ে লাখ লাখ মানুষ ও বিপুল সম্পদ বাঁচিয়েছে, তা কি আর রক্ষা পাবে? রক্ষা না পেলে তখন কি আমরা বলব যে সবই প্রকৃতির দোষ?
দোষ প্রকৃতির নয়, বরং দোষ অতিপ্রাকৃত শক্তির। হ্যাঁ, এই শক্তি কল্পনার ভূত-প্রেত নয়, বাস্তবের এই অতিপ্রাকৃত শক্তি হলো মানুষ। মানুষের এখন অনেক ক্ষমতা ও তাকদ হয়েছে। সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি বদলানোর তার এই ক্ষমতার নামই সভ্যতা। মানুষের হাতে এমন প্রাযুক্তিক ক্ষমতা জন্মেছে যে সে পৃথিবীর গঠন, প্রকৃতির নিয়ম—সবই বদলে দিতে পারে। গত ৩০ থেকে ৫০ বছরে প্রকট হয়েছে এই ক্ষমতা। কিন্তু সব মানুষকে এর দায় দেওয়া যাবে না। অল্প কিছু মানুষ, যাদের হাতে রাষ্ট্র আছে, কোম্পানি আছে, পুঁজি আছে, প্রযুক্তি আছে; আর যাদের আছে সীমাহীন মুনাফার বাসনা। তাদের পাপের খেসারতই আজ প্রকৃতি দিচ্ছে, আর দিচ্ছে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল সমগ্র মানবজাতি। এই ক্ষমতাকে সংযত না করা গেলে, জ্বালানিনির্ভর বর্তমান অর্থনৈতিক মডেল না বদলালে, সবই গরল ভেল হবে। পাঠক, বাস্তবতা এমনই করুণ ও কঠোর। আয়নায় নিজেদের মুখ কুৎসিত দেখালে রাগে আয়না ভেঙে ফেলা আহাম্মকি। বরং নিজেদের যাতে ভালো দেখায়, তার চেষ্টা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রকৃতিই হলো সেই আয়না।
দুর্যোগের আলামতে ইঁদুর গর্ত ছেড়ে বেরোয়, এক কাকের বিপদে জড়ো হয় হাজারো কাক। তারাই হয়তো আমাদের থেকে শ্রেষ্ঠ জীব, তারা পারে—আমরা পারি না।
===========================
প্রকৃতি- পাহাড়টির সঙ্গে ধ্বংস হবে ঐতিহ্যও  স্মরণ- আজও প্রাসঙ্গিক বেগম রোকেয়া  আলোচনা- উইকিলিকসঃ জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ত্রিমুখী সংগ্রাম  মুক্তিযুদ্ধ- মুজিব বললেনঃ তোমাদের এখনই ঢাকা ত্যাগ করা উচিত  আলোচনা- ডিজিটাল-প্র্রযুক্তিই মানুষকে আরও বেশি মানবিক করে!  খবর- সংরক্ষিত বনে শুঁটকিপল্লি  ট্রেনের ওপর ট্রেন  সংকেত অমান্য, দুই ট্রেনের সংঘর্ষ  আলোচনা- রবীন্দ্রনাথের কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন ভাবনা  আলোচনা- 'ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ঠাঁয় নেই দরিদ্রর উচ্চ শিক্ষা  বিশেষ আলোচনা- ফিরে দেখা গঙ্গা চুক্তি  আলোচনা- 'সংসদ বর্জনের অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক'  আলোচনা- 'উইকিলিকসে বাংলাদেশ, তারপর?  আলোচনা- 'ওয়াংগালাঃ গারোদের জাতীয় উৎসব'  স্মরণ- 'বাঘা যতীনঃ অগ্নিযুগের মহানায়ক'  খবর, কালের কণ্ঠের- আগেই ধ্বংস মহাস্থানগঃ হাইকোর্টের নির্দেশে কাজ বন্ধ  কেয়ার্নের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চুক্তির পেছনেও জ্বালানি উপদেষ্টা  উইকিলিকস জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের আত্মসমর্পণ  সবুজ মাঠ পেরিয়ে  আলোচনা- 'আরো অনুদানের টাকা সরিয়েছিলেন ইউনূস'  আলোচনা- 'একটি 'উজ্জ্বল ভাবমূর্তির' এভারেস্ট থেকে পতন  গল্পালোচনা- 'আসি আসি করে আশিতে আসবে!'  রাষ্ট্র ও রাজনীতিঃ সবুজ মাঠ পেরিয়ে  স্মরণ- 'রবীন্দ্রনাথ—সার্ধশত জন্মবার্ষিকীতে'  স্মরণ- 'জননেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী'  আলোচনা- 'প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন পর্যায়'  আলোচনা- 'কর্মপরিবেশঃ স্বর্গে তৈরি'  গল্পালোচনা- ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া...’  আন্তর্জাতিক- উইকিলিকসঃ হাটে হাঁড়ি ভাঙা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ  গল্পসল্প- ওরা ধান কুড়ানির দল  শিক্ষা- আদিবাসী পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চাই  জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের অর্থের মূল উৎস সৌদি আরব  রাজনৈতিক আলোচনা- এমন বন্ধু থাকলে...  শিল্প-অর্থনীতি শেয়ারবাজারের সুন্দরী প্রতিযোগিতা-তত্ত্ব


দৈনিক প্রথম আলো এর সৌজন্যে
লেখকঃ ফারুক ওয়াসিফ
সাংবাদিক


এই আলোচনা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.