Thursday, January 15, 2015
সার্ক কি কখনও যথার্থ আঞ্চলিক সংস্থা হতে পারবে? by ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী
সার্ক কি কখনও যথার্থ আঞ্চলিক সংস্থা হতে পারবে? by ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী
সম্প্রতি সার্ক নেতাদের আরেকটি
দ্বিবার্ষিক ‘বনভোজন’ সাড়ম্বরে শেষ হয়েছে। এবারের বনভোজনটির স্থানও ছিল
যথাযথ। পর্বতকন্যা নেপাল। রাজকীয় বনভোজনে অংশগ্রহণকারী রাজপুরুষরা ফিরে
এসেছেন এবং ভোজনতৃপ্তির ঢেকুর তুলে পরবর্তী বনভোজনের ‘মেনু’ পর্যালোচনা
করছেন। সার্ক যে এখনও ঠুঁটো জগন্নাথ হয়েই আছে এবং আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে
তার ‘যাত্রাই এখনও শুরু হয়নি’ (Non Starter) সেই বাস্তবতা নতুনভাবে
উপস্থাপন করা হল। এবারে অবশ্য পর্বত দু’-একটি মূষিক প্রসব করেছে। একটি-
ভারত কর্তৃক বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চূড়ান্ত করার আশ্বাস। অপরটি
নেপাল, ভুটান ও ভারতের কিছু বিদ্যুৎ বাংলাদেশের কাছে ‘বিক্রয়ে’র প্রস্তাব। এ
নিয়েই আমাদের সরকারি মহলে আহ্লাদের যেন সীমা নেই। এ বগল-বাদ্য কতটা অর্থবহ সেদিকে দৃষ্টি দেয়া যাক।
ছিটমহল
ছিটমহল হচ্ছে বাংলার বুক চিরে রক্তক্ষরণের ক্ষতচিহ্ন। ১৯৪৭ সালে বাংলা বিভাজনের সময় র্যাডক্লিফ সাহেবের ঝড়ো গতির পেন্সিল চালনায় সীমান্তরেখা অংকনের পর দেখা যায়, কিছু ভারতীয় মালিকানাধীন ভূমি বাংলাদেশের ভেতরে এবং বাংলাদেশী মালিকানাধীন কিছু ভূমি ভারতের ভেতরে পড়ে গেছে। জমিদারি বা জোতদারির সূত্র থেকে এ সমস্যার উদ্ভব ঘটে। সীমান্তের দু’পাশে ছড়িয়ে থাকা এ জমির টুকরোগুলোকেই ‘ছিটমহল’ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯৪৭ সালেই এ ছিটমহলগুলোর বিনিময়ের প্রস্তার ওঠে। কিন্তু গোটা পাকিস্তান আমলে তাতে কোনোই অগ্রগতি হয়নি। ফলে এক দেশের ভেতরে অন্য দেশের ছিটমহলের অধিবাসীরা বহুবিধ সমস্যার মোকাবেলা করে কার্যত বন্দি জীবনযাপন করে আসছেন।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে সম্পাদিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে এ ছিটমহলগুলো পরস্পর বিনিময়ের মাধ্যমে এই বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেই চুক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে ভারতের ভেতরে থাকা সবচেয়ে বড় বাংলাদেশী ছিটমহল বেরুবাড়ী তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রত্যাশা ছিল, অতঃপর অন্যান্য ছিটমহলও অনুরূপভাবে হস্তান্তরিত হবে। হিন্দু অধ্যুষিত বেরুবাড়ীর বিনিময়ে ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের সীমানা সংলগ্ন দুটি মুসলমান অধ্যুষিত ছিটমহল, আঙ্গরপোতা ও দহগ্রাম, বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য এক টুকরা জমি (১৭৮x৮৫ মিটার) বাংলাদেশকে চিরস্থায়ী লিজ দেয়ার সমঝোতা হয়। দুর্ভাগ্যবশত ভারতীয় পক্ষ স্থানীয় জনগণের আপত্তি এবং ভারতীয় সংবিধানের কতিপয় ধারার অজুহাত দেখিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নে গড়িমসি করতে থাকে। ফলে চুক্তিটি গত ৪০ বছর ধরে হিমঘরে পড়ে আছে। ফলে বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল এবং ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অধিবাসীরা এখনও চরম দুর্ভোগে রয়েছেন, এক দেশের নাগরিক অপর দেশের অভ্যন্তরে কার্যত আটকা পড়ে আছেন। তাদের নিজ নিজ দেশের বৃহত্তর জাতীয় জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পদে পদে বাধা পেতে হয়। আবার যে দেশের ভেতরে তারা অবস্থান করছেন, সে দেশের জনজীবনের সঙ্গেও বোধগম্য কারণে তাদের সম্পর্ক সংঘাতময় হয়ে থাকছে। দু’পাশে সর্বমোট ১৬২টি ছিটমহলে দু’দেশের প্রায় ৫২ হাজার মানুষ এ দুর্ভোগে আছেন।
মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে বড় ছিটমহলটি ছিল বেরুবাড়ী। যা ছিল বাংলাদেশী মালিকানাধীন; কিন্তু পড়েছে ভারতে। এটি একটি পুরো ইউনিয়ন, যার আয়তন ১১.২৯ বর্গকিলোমিটার, যা ১৯৭৪ সালে ভারতকে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট ছিটমহলগুলো বিনিময় সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ পাবে তার অভ্যন্তরে থাকা ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল, যেগুলোর মোট আয়তন হবে ১৭ হাজার ২০০ একর। বিনিময়ে ভারত পাবে তার অভ্যন্তরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশী ছিটমহল। যেগুলোর মোট আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর। বেরুবাড়ী, আঙ্গরপোতা ও দহগ্রাম ছাড়া অন্য ছিটমহলগুলোয় জনবসতি খুব সামান্য।
অপদখলীয় ভূমি বিনিময়
ছিটমহলের পাশাপাশি রয়েছে দু’দেশের সীমান্তে কিছু ‘অপদখলীয় ভূমি’। মূলত নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও চর জেগে ওঠার কারণে অথবা বিরান অঞ্চলে সীমান্ত ঠিকভাবে চিহ্নিত না থাকায় এ সমস্যার উদ্ভব। এরকম ভূমি বাংলাদেশের ভেতরে আছে ভারতের ৩ হাজার ১৯৭ একর, ভারতের ভেতরে আছে বাংলাদেশের ২ হাজার ১৬৮ একর। বেরুবাড়ীসহ হিসাব কষলে এ ভূমি বিনিময়ে দু’পক্ষে আদান-প্রদান সমান সমান। অথচ এ ভূমির জন্য গত ৪০ বছর কত বৈঠক, কত বিবাদ-বিসম্বাদ, কত বক্তৃতা-বিবৃতি, কত আলোচনা-পর্যালোচনা, কত লেখালেখি। স্পষ্টত; সমস্যা সমাধানে সদিচ্ছার অভাবেই এটি এতদিন ঝুলে আছে। বাংলাদেশ এ ব্যাপারে বরাবরই এক পা এগিয়ে থেকেছে। আগ্রহের অভাবটা ছিল বরাবরই ভারতের দিক থেকে। যদিও ভারত শুরুতেই লাভবান হয়েছে বেরুবাড়ী পেয়ে এবং অবশিষ্ট বিনিময় সম্পন্ন হলেও ভারতই লাভবান থাকবে।
ভূমি বিনিময়ে সামান্য কমবেশি হওয়ার ব্যাপারটা ধর্তব্য নয়। ৫২ হাজার মানুষের নিত্যদিনের অবরুদ্ধ ও অস্বস্তিকর অবস্থার অবসান ঘটার ব্যাপারটাকেই বড় করে দেখতে হবে। দু’দেশের মধ্যে এ সামান্য ব্যাপার নিয়ে নিত্যদিনের মন কষাকষিও কোনো পক্ষের জন্যই স্বস্তিকর নয়। এবারকার সার্ক সম্মেলনের জের ধরে ভারতীয় পক্ষের সুমতি জাগ্রত হয়েছে, দু’দেশের সম্পর্কের জন্য তা অবশ্যই শুভ সংবাদ। এখন অপেক্ষা এ প্রত্যাশা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। সেটা নির্ভর করবে ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ভারত তার লোকসভায় এ ব্যাপারে প্রস্তাব আনবে, সেজন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে সমঝোতা
এবারের সার্ক সম্মেলনে অপর যে বিষয়টিতে সমঝোতা হয়েছে তা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিনিময়ে সম্মতি। একে ‘বিনিময়’ না বলে ‘বিক্রয়’ বলাই উত্তম। ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প একান্তভাবেই ভারতীয় কর্তৃত্বাধীন, নেপালের অবস্থাও তথৈবচ। ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মণিপুর, মেঘালয়, সিকিম ও আসামে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অনেক উচ্চাভিলাষী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মোটের ওপর সার্ক দেশগুলোতে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ভারতই বিক্রেতা, অন্যরা ক্রেতা। আবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্রেতা একান্তভাবেই বাংলাদেশ। বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আকর্ষণীয় হতে পারে যদি বিদ্যুতের মূল্য, সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং কারিগরি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। দু’দেশের সম্পর্কে নিত্যদিনের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে যা ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্তমান সময়ে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না (কয়েকদিন আগে ভারত থেকে ক্রয় করা বিদ্যুতের সঞ্চালনা থেকে উদ্ভূত সমস্যায় দেশজুড়ে যে অচিন্তনীয় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে সে বিষয়টি সব সময় মাথায় রাখতে হবে)। তাছাড়া অন্য দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির কারণে দেশের জ্বালানি স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রয়াসে ভাটা পড়লে তার পরিণাম হবে মারাত্মক। জ্বালানি খাতে পরনির্ভরশীল থাকা খাদ্যে পরনির্ভরশীল থাকার চেয়েও ভয়ংকর। কারণ, খাদ্য ঘাটতি দু’-চার দিন সহ্য করা যায়, বিকল্প উৎস খোঁজা যায়; কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তার পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা দেখেছি।
কানেকটিভিটি এবারকার সার্ক সম্মেলনে আঞ্চলিক ‘কানেকটিভিটি’ নিয়ে কিছু কথাবার্তা হয়েছে; কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশেষ করে রেল ও সড়ক যোগাযোগ অবারিত করার প্রস্তাবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের পূর্বমুখী রুট বাংলাদেশের ওপর দিয়ে সঠিকভাবে নির্ধারণের বিষয় আলোচিত হয়নি। এ বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সে ব্যাপারে কোনো জোরালো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
পাকিস্তানের ওপর দিয়ে আফগানিস্তান হয়ে মধ্য এশিয়া থেকে তেল-গ্যাস দক্ষিণ এশিয়ায় আনার জন্য পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারত কোনো আগ্রহ দেখায়নি।
এ সম্মেলনে চীনকে সার্কের সদস্যপদ প্রদান করার বিষয়টি ভারতের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছে। অপরদিকে ভূরাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে মিয়ানমার বরাবরই দক্ষিণ এশিয়ার অংশ বিবেচিত হয়ে এসেছে। সার্কের সদস্যপদের ব্যাপারে আফগানিস্তানের চেয়ে মিয়ানমারের দাবি অগ্রগণ্য। কিন্তু আফগানিস্তানকে পূর্ণ সদস্যপদ দেয়া হলেও মিয়ানমারকে পর্যবেক্ষকের পর্যায়ে রাখা হয়েছে। মিয়ানমারকে সার্কের পূর্ণ সদস্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশেরই অগ্রণী ভূমিকায় থাকা প্রয়োজন।
সার্ক কি সত্যই যথার্থ ‘সহযোগিতা’ সংস্থা হয়ে উঠবে?
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে সার্ক পৃথিবীর অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার তুলনায় অনেক পিছিয়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহুদূরে, এমনকি প্রতিবেশী ‘আসিয়ানে’রও ধারেকাছে নয়। এর বড় কারণ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আয়তন ও শক্তিমত্তার বিস্তর পার্থক্য। এর আটটি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে একটির আয়তন ও শক্তিমত্তা অপর সাতটির মিলিত আয়তন ও শক্তিমত্তার চেয়ে বেশি। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। বিশাল ভারত রয়েছে কেন্দ্রীয় অবস্থানে। তার সঙ্গে আছে ছয়টি রাষ্ট্রের সীমান্ত। সবারই ভারতের সঙ্গে রয়েছে কিছু না কিছু সীমান্ত বিরোধ এবং সীমান্ত সম্পর্কিত নানাবিধ সমস্যা। একমাত্র পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ছাড়া আর কারও সঙ্গে কারও সীমান্ত-সম্পৃক্ততা নেই। যা সার্কের ‘ভারতকেন্দ্রিকতা’ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং অপরাপর রাষ্ট্রকে একবারেই প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেয়।
অপরদিকে সার্কের কর্মপরিধিতে দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত নয়। দ্বিপাক্ষিক বিরোধ এ ফোরামে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কোনো সুযোগ নেই। ভারত এতে রাজি নয়। এ সীমাবদ্ধতা ফোরাম হিসেবে সার্কের কার্যকারিতা ও উপযোগিতা প্রায় শূন্যে নামিয়ে রেখেছে।
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে সার্ককে কার্যকর ও অর্থবহ করতে হলে এ মৌলিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে এগোতে হবে। প্রথমত, দ্বিপাক্ষিক বিরোধ সার্ক ফোরামে আলোচনার সুযোগ অবারিত করতে হবে।
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে বর্তমান বিশ্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সবচেয়ে সফল উদ্যোগ বিবেচনা করা যেতে পারে। পঞ্চাশের দশকের ‘ইউরোপীয় কয়লা ইউনিয়ন’ থেকে যাত্রা শুরু করে আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যন্ত আসতে অনেক ধাপ পেরিয়ে আসতে হয়েছে এবং সেজন্য অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। এক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে এগিয়ে আসতে হয়েছে এবং ছাড় দিতে হয়েছে। শক্তিমান সদস্যদের বেশি ছাড় দিতে হয়েছে (যেমন জার্মানি)। তবে একথা মনে রাখতে হবে যে, পৃথিবীর সব অঞ্চলের ভৌগোলিক রাষ্ট্রবিন্যাস, স্থানিক সমস্যাবলী এবং রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিকতার ধরন অভিন্ন নয়। ফলে সব আঞ্চলিক সংস্থা একই মডেলের হবে, তা আশা করা যায় না। সার্কের ক্ষেত্রেও তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিকতার নিরিখে একটি কার্যকর কাঠামো নির্মাণ করতে হবে। ধরিত্রীর প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক আস্থা ও সহমর্মিতার ভিত্তিতে পরস্পর-নির্ভরশীলতার কোনো বিকল্প নেই। অবাধ জনচলাচল, সমন্বিত ও অবিচ্ছেদ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা, অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব-পরিবেশ, সহিংসতামুক্ত জনজীবন, ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সার্বিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমষ্টিগতভাবে এগিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি। ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সেক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে রাখা যেতে পারে।
সেই অর্থে, আবারও বলব, সার্কের যাত্রা এখনও শুরু হয়নি।
ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী : রাজনীতিক, ভূ-রাজনীতি ও উন্নয়ন গবেষক
ছিটমহল
ছিটমহল হচ্ছে বাংলার বুক চিরে রক্তক্ষরণের ক্ষতচিহ্ন। ১৯৪৭ সালে বাংলা বিভাজনের সময় র্যাডক্লিফ সাহেবের ঝড়ো গতির পেন্সিল চালনায় সীমান্তরেখা অংকনের পর দেখা যায়, কিছু ভারতীয় মালিকানাধীন ভূমি বাংলাদেশের ভেতরে এবং বাংলাদেশী মালিকানাধীন কিছু ভূমি ভারতের ভেতরে পড়ে গেছে। জমিদারি বা জোতদারির সূত্র থেকে এ সমস্যার উদ্ভব ঘটে। সীমান্তের দু’পাশে ছড়িয়ে থাকা এ জমির টুকরোগুলোকেই ‘ছিটমহল’ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯৪৭ সালেই এ ছিটমহলগুলোর বিনিময়ের প্রস্তার ওঠে। কিন্তু গোটা পাকিস্তান আমলে তাতে কোনোই অগ্রগতি হয়নি। ফলে এক দেশের ভেতরে অন্য দেশের ছিটমহলের অধিবাসীরা বহুবিধ সমস্যার মোকাবেলা করে কার্যত বন্দি জীবনযাপন করে আসছেন।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে সম্পাদিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে এ ছিটমহলগুলো পরস্পর বিনিময়ের মাধ্যমে এই বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেই চুক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে ভারতের ভেতরে থাকা সবচেয়ে বড় বাংলাদেশী ছিটমহল বেরুবাড়ী তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রত্যাশা ছিল, অতঃপর অন্যান্য ছিটমহলও অনুরূপভাবে হস্তান্তরিত হবে। হিন্দু অধ্যুষিত বেরুবাড়ীর বিনিময়ে ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের সীমানা সংলগ্ন দুটি মুসলমান অধ্যুষিত ছিটমহল, আঙ্গরপোতা ও দহগ্রাম, বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য এক টুকরা জমি (১৭৮x৮৫ মিটার) বাংলাদেশকে চিরস্থায়ী লিজ দেয়ার সমঝোতা হয়। দুর্ভাগ্যবশত ভারতীয় পক্ষ স্থানীয় জনগণের আপত্তি এবং ভারতীয় সংবিধানের কতিপয় ধারার অজুহাত দেখিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নে গড়িমসি করতে থাকে। ফলে চুক্তিটি গত ৪০ বছর ধরে হিমঘরে পড়ে আছে। ফলে বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল এবং ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অধিবাসীরা এখনও চরম দুর্ভোগে রয়েছেন, এক দেশের নাগরিক অপর দেশের অভ্যন্তরে কার্যত আটকা পড়ে আছেন। তাদের নিজ নিজ দেশের বৃহত্তর জাতীয় জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পদে পদে বাধা পেতে হয়। আবার যে দেশের ভেতরে তারা অবস্থান করছেন, সে দেশের জনজীবনের সঙ্গেও বোধগম্য কারণে তাদের সম্পর্ক সংঘাতময় হয়ে থাকছে। দু’পাশে সর্বমোট ১৬২টি ছিটমহলে দু’দেশের প্রায় ৫২ হাজার মানুষ এ দুর্ভোগে আছেন।
মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে বড় ছিটমহলটি ছিল বেরুবাড়ী। যা ছিল বাংলাদেশী মালিকানাধীন; কিন্তু পড়েছে ভারতে। এটি একটি পুরো ইউনিয়ন, যার আয়তন ১১.২৯ বর্গকিলোমিটার, যা ১৯৭৪ সালে ভারতকে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট ছিটমহলগুলো বিনিময় সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ পাবে তার অভ্যন্তরে থাকা ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল, যেগুলোর মোট আয়তন হবে ১৭ হাজার ২০০ একর। বিনিময়ে ভারত পাবে তার অভ্যন্তরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশী ছিটমহল। যেগুলোর মোট আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর। বেরুবাড়ী, আঙ্গরপোতা ও দহগ্রাম ছাড়া অন্য ছিটমহলগুলোয় জনবসতি খুব সামান্য।
অপদখলীয় ভূমি বিনিময়
ছিটমহলের পাশাপাশি রয়েছে দু’দেশের সীমান্তে কিছু ‘অপদখলীয় ভূমি’। মূলত নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও চর জেগে ওঠার কারণে অথবা বিরান অঞ্চলে সীমান্ত ঠিকভাবে চিহ্নিত না থাকায় এ সমস্যার উদ্ভব। এরকম ভূমি বাংলাদেশের ভেতরে আছে ভারতের ৩ হাজার ১৯৭ একর, ভারতের ভেতরে আছে বাংলাদেশের ২ হাজার ১৬৮ একর। বেরুবাড়ীসহ হিসাব কষলে এ ভূমি বিনিময়ে দু’পক্ষে আদান-প্রদান সমান সমান। অথচ এ ভূমির জন্য গত ৪০ বছর কত বৈঠক, কত বিবাদ-বিসম্বাদ, কত বক্তৃতা-বিবৃতি, কত আলোচনা-পর্যালোচনা, কত লেখালেখি। স্পষ্টত; সমস্যা সমাধানে সদিচ্ছার অভাবেই এটি এতদিন ঝুলে আছে। বাংলাদেশ এ ব্যাপারে বরাবরই এক পা এগিয়ে থেকেছে। আগ্রহের অভাবটা ছিল বরাবরই ভারতের দিক থেকে। যদিও ভারত শুরুতেই লাভবান হয়েছে বেরুবাড়ী পেয়ে এবং অবশিষ্ট বিনিময় সম্পন্ন হলেও ভারতই লাভবান থাকবে।
ভূমি বিনিময়ে সামান্য কমবেশি হওয়ার ব্যাপারটা ধর্তব্য নয়। ৫২ হাজার মানুষের নিত্যদিনের অবরুদ্ধ ও অস্বস্তিকর অবস্থার অবসান ঘটার ব্যাপারটাকেই বড় করে দেখতে হবে। দু’দেশের মধ্যে এ সামান্য ব্যাপার নিয়ে নিত্যদিনের মন কষাকষিও কোনো পক্ষের জন্যই স্বস্তিকর নয়। এবারকার সার্ক সম্মেলনের জের ধরে ভারতীয় পক্ষের সুমতি জাগ্রত হয়েছে, দু’দেশের সম্পর্কের জন্য তা অবশ্যই শুভ সংবাদ। এখন অপেক্ষা এ প্রত্যাশা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। সেটা নির্ভর করবে ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ভারত তার লোকসভায় এ ব্যাপারে প্রস্তাব আনবে, সেজন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে সমঝোতা
এবারের সার্ক সম্মেলনে অপর যে বিষয়টিতে সমঝোতা হয়েছে তা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিনিময়ে সম্মতি। একে ‘বিনিময়’ না বলে ‘বিক্রয়’ বলাই উত্তম। ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প একান্তভাবেই ভারতীয় কর্তৃত্বাধীন, নেপালের অবস্থাও তথৈবচ। ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মণিপুর, মেঘালয়, সিকিম ও আসামে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অনেক উচ্চাভিলাষী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মোটের ওপর সার্ক দেশগুলোতে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ভারতই বিক্রেতা, অন্যরা ক্রেতা। আবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্রেতা একান্তভাবেই বাংলাদেশ। বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আকর্ষণীয় হতে পারে যদি বিদ্যুতের মূল্য, সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং কারিগরি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। দু’দেশের সম্পর্কে নিত্যদিনের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে যা ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্তমান সময়ে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা’ একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না (কয়েকদিন আগে ভারত থেকে ক্রয় করা বিদ্যুতের সঞ্চালনা থেকে উদ্ভূত সমস্যায় দেশজুড়ে যে অচিন্তনীয় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে সে বিষয়টি সব সময় মাথায় রাখতে হবে)। তাছাড়া অন্য দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির কারণে দেশের জ্বালানি স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রয়াসে ভাটা পড়লে তার পরিণাম হবে মারাত্মক। জ্বালানি খাতে পরনির্ভরশীল থাকা খাদ্যে পরনির্ভরশীল থাকার চেয়েও ভয়ংকর। কারণ, খাদ্য ঘাটতি দু’-চার দিন সহ্য করা যায়, বিকল্প উৎস খোঁজা যায়; কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তার পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা দেখেছি।
কানেকটিভিটি এবারকার সার্ক সম্মেলনে আঞ্চলিক ‘কানেকটিভিটি’ নিয়ে কিছু কথাবার্তা হয়েছে; কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশেষ করে রেল ও সড়ক যোগাযোগ অবারিত করার প্রস্তাবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের পূর্বমুখী রুট বাংলাদেশের ওপর দিয়ে সঠিকভাবে নির্ধারণের বিষয় আলোচিত হয়নি। এ বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সে ব্যাপারে কোনো জোরালো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
পাকিস্তানের ওপর দিয়ে আফগানিস্তান হয়ে মধ্য এশিয়া থেকে তেল-গ্যাস দক্ষিণ এশিয়ায় আনার জন্য পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারত কোনো আগ্রহ দেখায়নি।
এ সম্মেলনে চীনকে সার্কের সদস্যপদ প্রদান করার বিষয়টি ভারতের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছে। অপরদিকে ভূরাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে মিয়ানমার বরাবরই দক্ষিণ এশিয়ার অংশ বিবেচিত হয়ে এসেছে। সার্কের সদস্যপদের ব্যাপারে আফগানিস্তানের চেয়ে মিয়ানমারের দাবি অগ্রগণ্য। কিন্তু আফগানিস্তানকে পূর্ণ সদস্যপদ দেয়া হলেও মিয়ানমারকে পর্যবেক্ষকের পর্যায়ে রাখা হয়েছে। মিয়ানমারকে সার্কের পূর্ণ সদস্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশেরই অগ্রণী ভূমিকায় থাকা প্রয়োজন।
সার্ক কি সত্যই যথার্থ ‘সহযোগিতা’ সংস্থা হয়ে উঠবে?
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে সার্ক পৃথিবীর অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার তুলনায় অনেক পিছিয়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহুদূরে, এমনকি প্রতিবেশী ‘আসিয়ানে’রও ধারেকাছে নয়। এর বড় কারণ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আয়তন ও শক্তিমত্তার বিস্তর পার্থক্য। এর আটটি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে একটির আয়তন ও শক্তিমত্তা অপর সাতটির মিলিত আয়তন ও শক্তিমত্তার চেয়ে বেশি। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। বিশাল ভারত রয়েছে কেন্দ্রীয় অবস্থানে। তার সঙ্গে আছে ছয়টি রাষ্ট্রের সীমান্ত। সবারই ভারতের সঙ্গে রয়েছে কিছু না কিছু সীমান্ত বিরোধ এবং সীমান্ত সম্পর্কিত নানাবিধ সমস্যা। একমাত্র পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ছাড়া আর কারও সঙ্গে কারও সীমান্ত-সম্পৃক্ততা নেই। যা সার্কের ‘ভারতকেন্দ্রিকতা’ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং অপরাপর রাষ্ট্রকে একবারেই প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেয়।
অপরদিকে সার্কের কর্মপরিধিতে দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত নয়। দ্বিপাক্ষিক বিরোধ এ ফোরামে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কোনো সুযোগ নেই। ভারত এতে রাজি নয়। এ সীমাবদ্ধতা ফোরাম হিসেবে সার্কের কার্যকারিতা ও উপযোগিতা প্রায় শূন্যে নামিয়ে রেখেছে।
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে সার্ককে কার্যকর ও অর্থবহ করতে হলে এ মৌলিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে এগোতে হবে। প্রথমত, দ্বিপাক্ষিক বিরোধ সার্ক ফোরামে আলোচনার সুযোগ অবারিত করতে হবে।
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হিসেবে বর্তমান বিশ্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সবচেয়ে সফল উদ্যোগ বিবেচনা করা যেতে পারে। পঞ্চাশের দশকের ‘ইউরোপীয় কয়লা ইউনিয়ন’ থেকে যাত্রা শুরু করে আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যন্ত আসতে অনেক ধাপ পেরিয়ে আসতে হয়েছে এবং সেজন্য অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। এক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে এগিয়ে আসতে হয়েছে এবং ছাড় দিতে হয়েছে। শক্তিমান সদস্যদের বেশি ছাড় দিতে হয়েছে (যেমন জার্মানি)। তবে একথা মনে রাখতে হবে যে, পৃথিবীর সব অঞ্চলের ভৌগোলিক রাষ্ট্রবিন্যাস, স্থানিক সমস্যাবলী এবং রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিকতার ধরন অভিন্ন নয়। ফলে সব আঞ্চলিক সংস্থা একই মডেলের হবে, তা আশা করা যায় না। সার্কের ক্ষেত্রেও তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিকতার নিরিখে একটি কার্যকর কাঠামো নির্মাণ করতে হবে। ধরিত্রীর প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক আস্থা ও সহমর্মিতার ভিত্তিতে পরস্পর-নির্ভরশীলতার কোনো বিকল্প নেই। অবাধ জনচলাচল, সমন্বিত ও অবিচ্ছেদ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা, অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব-পরিবেশ, সহিংসতামুক্ত জনজীবন, ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সার্বিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমষ্টিগতভাবে এগিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি। ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সেক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে রাখা যেতে পারে।
সেই অর্থে, আবারও বলব, সার্কের যাত্রা এখনও শুরু হয়নি।
ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী : রাজনীতিক, ভূ-রাজনীতি ও উন্নয়ন গবেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 15
(49)
- সরকার সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা চালাচ্ছে -ড্যাব প্র...
- শার্লি এব্দোতে বাংলাদেশ নিয়ে কার্টুন
- খালেদা জিয়া ১২ দিন ধরে অবরুদ্ধ
- তারারা কোথায় যায়?
- সেনাবাহিনী জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ: প্রধানমন্ত্রী by...
- আফসানাকে তাড়া করছে আগুন by ইকবাল হোসেন
- ‘জীবন রক্ষার প্রয়োজনে গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়া হবে’
- রাজনীতিকে কলুষিত না করার আহ্বান টিআইবির
- ‘দুটো পক্ষকেই একটা সমঝোতার দিকে আসতে হবে’
- ‘৪০০ টাকা হাজিরায় মিছিলে আইছি’
- রাজধানীতে হরতাল সমর্থনে শিবিরের মিছিল, মগবাজারে দগ...
- ইরাকের ফেরারি পাখিরা
- জাওয়াহিরির নির্দেশে শার্লি এবদো কার্যালয়ে হামলা
- মুসলিমদের প্রশংসা করলেন জার্মান প্রেসিডেন্ট গাউক
- রাজনৈতিক সমাধান হলেই সহিংসতা বন্ধ হবে by নূরুল হুদা
- তারা কি সত্যিই জনগণের জন্য রাজনীতি করেন! by এ কে এ...
- সম্ভাবনা বিনষ্টকারী রাজনীতির কবলে দেশ by মোহাম্মদ ...
- সার্ক কি কখনও যথার্থ আঞ্চলিক সংস্থা হতে পারবে? by ...
- বিধ্বস্ত বিমানের ভয়েস রেকর্ডার উদ্ধার
- একুশ শতকে চীনের ২১ চমক
- পাক-ভারত সমঝোতা সময়ের সিদ্ধান্ত
- বিশ্বে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় বিল গেটস্
- আমাকে জোর করে হামলায় পাঠানো হয়েছিল
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.২%: বিশ্বব্যাংক
- উদ্বেগ-আতঙ্ক by নুরুজ্জামান লাবু
- চলন্ত বাসে পেট্রলবোমা, নিহত ৫- পুলিশ–বিজিবির পাহার...
- কার্যকর সংলাপ চায় ইইউ, সহিংসতা ও ধরপাকড়ের নিন্দা আ...
- অবরোধের সঙ্গে সারা দেশে হরতাল আজ
- অবরোধের নবম দিনেও সংঘর্ষ-আগুন, নিহত ৭
- ভবিষ্যতের ইশারা by বাহারউদ্দিন
- সরকার থেকেই আলোচনার প্রস্তাব চায় বিএনপি
- যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার চাইলেন গিবসন
- হরতাল সফল করার আহ্বান- ২০ দলের আন্দোলনে বেসামাল সর...
- আইএস কিশোরের রাশিয়ার ২ গোয়েন্দাকে হত্যার ভিডিও
- চীনের জিনজিয়াংয়ে বোরকা নিষিদ্ধ
- চট্টগ্রামে গভীর রাতে রাস্তার ধারে ৩ কোটি টাকার সোন...
- নিখোঁজ বিমানের মূল অংশ খুঁজে পাওয়ার দাবি
- ‘১ লাখ টাকার জন্য অপহরণ করা হয় ইলিছকে’
- হাসপাতালে দগ্ধদের আর্তনাদ by আরিফুল হক
- মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের বিবৃতি জালিয়াতি- খালেদার ...
- সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে লতিফ সিদ্দিকীকে আমন্ত্রণ by...
- রংপুরে পেট্রলবোমায় প্রাণ গেল ৫ যাত্রীর
- রোড নম্বর ৮৬ by কাজী সুমন
- সহিংসতা না থামালে আরও কঠোর হবে সরকার -শেখ হাসিনা
- রিয়াজ রহমানের অবস্থা স্থিতিশীল
- কাপুরুষোচিত হামলায় যুক্তরাষ্ট্র হতাশ ও মর্মাহত
- সরকার সমঝোতায় না এলে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা শত নাগরিকের
- বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করেছে বৃটিশ সরকার
- বিদায়ী প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেবে না আইনজীবী ...
-
▼
Jan 15
(49)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment