শিল্প-অর্থনীতি- বিজয়ের অর্থনীতি ও সম্ভাবনা by মামুন রশীদ

বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সত্ত্বেও বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ বছর প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩ শতাংশের মতো হবে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ১০ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। বিদেশি বিনিয়োগ বেশ কিছুটা কমে গেলেও রপ্তানি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে।
জাপান, চীন, ভারতে রপ্তানি সম্ভাবনা বেশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স গত পাঁচ মাসে ৩ শতাংশ কমলেও বছর শেষে ঠিক হয়ে আসবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ আরও ভালো হতে পারত বলে নীতিনির্ধারকেরাও মনে করছেন।
বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা বিশ্বজুড়ে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। তবে একটি বড় সত্য হচ্ছে, এই সাফল্য আমাদের অমিত সম্ভাবনার তুলনায় যথেষ্ট কম। সম্পদ সৃষ্টির প্রচেষ্টায় আমরা অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ধীরে ধীরে বিভিন্ন বাজারশক্তি বা উপকরণ প্রবর্তনের পদ্ধতি গ্রহণ করেছি, যা আবার আমাদের সাময়িক ভুলের জন্য থেমেও গেছে। এর মধ্যে প্রতিটি ভুলই আমাদের সম্পদ সৃষ্টির প্রয়াসকে শুধু বিঘ্নিতই করেনি, বরং এর পাশাপাশি পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ গ্রহণেও বাধ্য করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভাবনার প্রতি যেভাবে বিশ্বের মনোযোগ বাড়ছে, তা কাজে লাগানো উচিত। উন্নয়ন সম্ভাবনার তুল্যমূল্য বিচার এবং সেটি কাজে লাগাতে হলে আমাদের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার নতুন মডেল বা নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তবে সরকার, নিয়ন্ত্রক বা তদারকি সংস্থাগুলো ও বেসরকারি খাতসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অংশীদারির ভিত্তিতেই চালু করতে হবে এই নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে স্বচ্ছতা ও সুশাসনই প্রধান বিবেচ্য হবে।
নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সম্পদ সৃষ্টি ও বণ্টন-প্রক্রিয়ার মধ্যে দৃশ্যমান দ্বন্দ্বকে কীভাবে দেখা ও সামলানো হবে, সেটির একটি পরিষ্কার ব্যাখ্যাও থাকতে হবে। আমরা এরই মধ্যে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে প্রতিযোগিতামূলক বাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক মডেল গ্রহণ করেছি। এ অবস্থান থেকে আমাদের যেন পশ্চাৎমুখী হতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিবারই আমরা দেখেছি, বাজারের আচরণে অকার্যকারিতার লক্ষণ থাকলে বা এতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আমাদের সামনে যেন উন্নয়ন-প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার মতো আর কোনো ভালো বিকল্প নেই। সুতরাং কোনোভাবেই যাতে সম্পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাহত না হয়, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, দারিদ্র্য বিতরণ করা যায় না, উচিতও নয়। বিতরণ সম্ভব বর্ধিত সম্পদ। একই সঙ্গে আমাদের এটাও বোঝা দরকার, সম্পদ সৃষ্টির ধারা তখনই টেকসই হবে, যখন বিতরণ-প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা জোরালো থাকবে। আমাদের বুঝতে হবে, সুশাসন শুধু একটি নৈতিক মূল্যবোধই নয়, বরং এটি দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে একটি পুঁজিও বটে। সুশাসনের অনুপস্থিতি বা এর প্রায়োগিক মাত্রা কম হলে তাতে কতিপয় ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীর জন্য স্বল্পমেয়াদে কিছু ফায়দা লোটার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সুফল পাওয়া থেকে বঞ্চিত করবে।
অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতই হবে দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি। এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে অবশ্য বেসরকারি খাতের কাঁধে বড় ধরনের দায়িত্বও রয়েছে। তখন বেসরকারি খাতকে স্বপ্রণোদিত হয়ে সৃজনশীল ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রূপকল্প অনুযায়ী এগোতে হবে। একই সঙ্গে তারা মুক্তবাজারব্যবস্থা থেকে সুবিধা পাওয়া আর নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের কাছে যখন-তখন সহায়তার দাবি তুলতে পারবে না। মুক্তবাজারের সুবিধা নিতে হলে তাদের নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো ও সুশাসনের বিষয়ে জোর দিতে হবে, যাতে বিশ্বের যে কারও সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করা যায়। সরকার কেবল তাদের আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ কৌশলগত বা নীতিসহায়তা দিতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি অর্জনের রূপকল্পটি বেসরকারি খাতকেই এগিয়ে নিতে হবে। তারা যদি সরকারকে অবকাঠামো উন্নয়নসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সহায়তা বাবদ অর্থ ব্যয় করার ভূমিকায় দেখতে চায়, তাহলে বেসরকারি খাতকে এ কথাও মনে রাখতে হবে, এ জন্য তহবিলের প্রয়োজন আছে। বেসরকারি খাত সার্বিকভাবে তাদের অভ্যন্তরীণ সুশাসন জোরদার ও যথাযথভাবে কর পরিশোধ না করলে সরকারের পক্ষে এসব প্রকল্পে অর্থায়ন করা অসম্ভব। শুধু এ জন্যই কিন্তু করপোরেট সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা সীমাবদ্ধ নয়। বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতাশীলতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর জন্যও কিন্তু করপোরেট সুশাসন জোরদার করা জরুরি।
এ ক্ষেত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। ভর্তুকি, বেসরকারীকরণ ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সম্পৃক্ততার কারণে বিষয়গুলো নিয়ে একযোগে কাজ করা অপরিহার্য। তবে যেখানে সম্পদ বা অর্থ বিনিয়োগ অথবা ব্যয় করলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে, সেখানেই অধিকতর গুরুত্ব দিতে হবে। এ ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত উত্তরণ-প্রক্রিয়ায় উৎপাদনশীল খাতের সঙ্গে অদক্ষ খাতগুলোকে হয়তো সম্পৃক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যেতে পারে। কিন্তু করদাতাদের অর্থ অদক্ষ খাতের পেছনে ব্যয় করাটাও যে গ্রহণযোগ্য নয়, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তখনই মেনে নেওয়া যেতে পারে, যখন সরকারের দেওয়া ভর্তুকিটা হবে যৌক্তিক এবং দরিদ্র বা পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সম্পদ বিতরণের সুবাদে সুফল পাওয়া যাবে। এমন ক্ষেত্রেও যেন ভর্তুকির অর্থ বাজারব্যবস্থায় কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না করে, সে নিশ্চয়তা নিয়েই এগোতে হবে। সরকারের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকাটাই উত্তম। যদি সরকার তা করেও, সে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ব্যয়ের বদৌলতে যেন সমাজের উপকারই মুখ্য হয়ে ওঠে। এ ছাড়া সুসমন্বিত নীতিমালার ভিত্তিতে বেসরকারীকরণ-প্রক্রিয়াকে জোরগতিতে এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে ‘শ্বেতহস্তী’খ্যাত রাষ্ট্রায়ত্ত (ব্যাংকসহ) প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমও কঠোরভাবে তদারক করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, করদাতাদের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সার্বিকভাবে দেশের আর্থিক বাজারের গভীরতা বাড়াতে হবে। নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যাংক খাতের মাধ্যমে অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি জোর বিবেচনায় রাখা দরকার। এ ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংক থেকে সামগ্রিক ঋণ গ্রহণের সীমা তাদের মোট মূলধনের সঙ্গে সম্পর্কিত করে দেওয়া যেতে পারে। পুঁজিবাজারে উপকরণের জোগান বাড়ানোও জরুরি। পুঁজিবাজারে শুধু মূলধনের পর্যাপ্ততাই নয়, বরং সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের প্রচলনও দাবি করে। আবার পুঁজিবাজারে সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমে সরকারি সিকিউরিটিজ ও বিভিন্ন ধরনের ঋণ উপকরণও বাড়াতে হবে। তবে সবকিছুই কার্যকরভাবে পরিচালনা করাটা নির্ভর করে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার ওপর। এ ছাড়া আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্রেডিট রেটিং বা ঋণমান নির্ণয়ের প্রক্রিয়াও আরও জোরালো এবং স্বাধীন হওয়া বাঞ্ছনীয়।
নয়া আর্থিক ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রকগোষ্ঠী এবং জনপ্রশাসনকেও অধিকতর সক্রিয় হতে হবে; যাতে বেসরকারি খাতকে দ্রুততার সঙ্গে সর্বোচ্চ সেবা-সহায়তা দেওয়া যায়। অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার এই প্রক্রিয়ায় অবশ্য জনপ্রশাসন ও নিয়ন্ত্রকদের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতার নিরিখেই ‘লাইসেন্স’ ও ‘অনুমোদন’ দিতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা যদি কোনো কিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চান, তাহলে তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপই হতে হবে যৌক্তিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর। আমাদের দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন রূপকল্প তৈরি করার মতো পরিকল্পনাকারী, নিয়ন্ত্রক ও জনপ্রশাসন তৈরি করতে হবে। তবে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সঠিকভাবে গড়ে না তুলতে না পারলে তারা কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবণতা ও বিভিন্ন ইস্যু ভালো করে বুঝতে পারবে না। আর যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা হলে তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়বে। বদৌলতে তারা কৃষি, উৎপাদন, সেবাসহ বিভিন্ন খাতসংক্রান্ত নীতি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে পারদর্শিতা দেখাতে পারবে। উপরন্তু তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিপক্ষ বা প্রতিযোগী পক্ষগুলোর সঙ্গে সমঝোতা বা দর-কষাকষি করে দেশের সার্বিক স্বার্থ সমুন্বত রাখতেও সক্ষম হবে। এ ছাড়া তারা অর্থনীতির আরও দুটি স্তম্ভ বহিঃ খাত ও রেমিট্যান্স বা অন্তর্মুখী প্রবাসী-আয়ের প্রবাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। বেসরকারি খাতকেও তাদের অভ্যন্তরীণ মানবসম্পদ উন্নয়নে গভীর মনোযোগ দিতে হবে। সেই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা সর্বতোভাবে কাজে লাগাতে হলে বহুল আলোচিত ‘বাজার প্রবেশাধিকার’ পাওয়ার চেয়েও সংকল্পবদ্ধভাবে দেশের অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতে প্রচুর প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে।
এখন শুধু সুন্দর চিন্তা বা ভালো স্বপ্নের ওপর ভর করে থাকলে হবে না। জোর দিতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নে। দ্রুত বাস্তবায়নে ‘সামান্য ভুলভ্রান্তি’ থাকতেই পারে, কিন্তু তার চেয়েও ভয়াবহ হবে ‘সামান্য ভুলের ভয়ে’ বাস্তবায়নে পিছপা হলে। পিছিয়ে যাবে জাতি, সক্ষমতা বৃদ্ধি হবে বাধাগ্রস্ত। প্রয়োজন প্রকল্প বাস্তবায়নেরও স্বাধীনতা, ভবিষ্যৎমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার স্বাধীনতা। তা হলেই হবে আমাদের অর্থনীতির প্রকৃত বিজয়।
============================
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়লক্ষ্মীর মুখোমুখি  একেই কি বলে আমলাতন্ত্র?  আত্মসমর্পণের সেই বিকেল  আমরা তাঁদের ভুলতে পারি না  সংবিধানের অনেক বক্তব্য পারস্পরিক সংঘাতমূলক  পরাশক্তির বিরুদ্ধে এক ‘ভবঘুরের’ স্পর্ধা  আবু সাঈদ চৌধুরীর ভাষণ দেওয়া হলো না  শুভ নববর্ষ ২০১১- দিনে দিনে বর্ষ হলো গত  এরশাদের বিচারে দুই দলেরই আগ্রহ কম  কিশোরদের সাদামাটা ফল  জিপিএ-৫ পেয়েছে আট হাজার ৫২ জন  এরশাদের বিচার হওয়া উচিত  ছোটদের বড় সাফল্য  প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাঃ পাস ৯২%, প্রথম বিভাগ বেশি  বাংলাদেশের বন্ধুঃ জুলিয়ান ফ্রান্সিস  নিষ্ফল উদ্ধার অভিযানঃ দখলচক্রে ২৭ খাল  জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ভ টিজিং : জরুরি ভিত্তিতে যা করণীয়  প্রতিশ্রুতির দিন  শোকের মাস, বিজয়ের মাস  চীনা প্রধানমন্ত্রীর পাক-ভারত সফর  দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীন মন্তব্য  নতুন প্রজন্ম ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা  খিলক্ষেতে আগুনঃ কয়েলের গুদামে রাতে কাজ হতো ঝুঁকিপূর্ণভাবে  ভারতে বিহার রাজ্যের নির্বাচন  স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে  আমাদের আকাশ থেকে নক্ষত্র কেড়ে নিয়েছিল যারা...  মুক্তির মন্দির সোপান তলে  আবেগ ছেড়ে বুদ্ধির পথই ধরতে হবে  বছর শেষে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ  দুই কোরিয়ার একত্রিকরণ কি সম্ভব  গ্যাসের ওপর বিপজ্জনক বসবাস  উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ  সময়ের দাবি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি  জনসংখ্যা বনাম জনশক্তি  ব্যাংকের টাকা নয়ছয় হওয়া উচিত নয়  একটি পুরনো সম্পর্কের স্মৃতিচিত্র  পাটশিল্প ঘুরিয়ে দিতে পারে অর্থনীতির চাকা  ড. ইউনূসকে বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে  সুশিক্ষার পথে এখনও বাধা অনেক


দৈনিক প্রথম আলো এর সৌজন্যে
লেখকঃ মামুন রশীদ
ব্যাংকার ও অর্থনীতি বিশ্লেষক। নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব।


এই আলোচনা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.