তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্ক by আসিফ নজরুল

বাংলাদেশের গণপরিষদের বিতর্ক প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। ১৯৭২ সালের গণপরিষদের কার্যক্রমের ওপর প্রকাশিত এই বইটি পড়লে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের আইনপ্রণেতাদের সম্পর্কে শ্রদ্ধা আরও বাড়বে আমাদের। সেটি শুধু তাঁদের অনেকের পাণ্ডিত্যের জন্য নয়, তাঁদের বিনয়, সৌজন্যবোধ এবং সর্বোপরি ভিন্নমত প্রকাশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের জন্য। বঙ্গবন্ধু, চার জাতীয় নেতাসহ তাঁদের অনেকে পরলোকগমন করেছেন; বেঁচে আছেন ড. কামাল হোসেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সাজেদা চৌধুরীসহ অল্প কয়েকজন।
১৯৭২ সালে গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনের আলোচনার পরই গৃহীত হয় আমাদের আদি সংবিধান। পরিষদে সবচেয়ে সরব ছিলেন বিরোধী দলের সদস্য ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিন সপ্তাহব্যাপী বিতর্কে তিনি অর্থনৈতিক অধিকারগুলো গুরুত্বহীন করে রাখা, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা, ৭০ অনুচ্ছেদের দুর্বলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি এমনকি শেষে ১৫ ডিসেম্বর সংবিধানে স্বাক্ষর প্রদান করা থেকেও বিরত থাকেন। প্রায় ৪০ বছর পর তিনিই আজ সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিশেষ সংসদীয় কমিটির কো-চেয়ারম্যাান। ৪০ বছর আগে তিনি খসড়া সংবিধানে যেসব পরিবর্তনের কথা বলতেন, তার অনেক কিছুর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সাম্প্রতিককালে আমরা সচেতন হয়েছি। তিনি এই কমিটির নেতৃত্বে আছেন বলে আমরা আশাবাদী হতে পারি যে সংবিধানে ভবিষ্যতে যে পরিবর্তনগুলো আসবে, তা হবে জনস্বার্থমূলক এবং সুশাসনের উপযোগী। তবে এ ক্ষেত্রে কমিটির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সম্পর্কিত সংস্কার। আগের অধিকাংশ সংবিধান সংশোধন হয়েছিল ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে। এবারও তা হলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে দেশ।

২.
গণপরিষদ বিতর্ক নিয়ে এ লেখা শুরু হয়েছিল। শুনলে কেউ কেউ অবাক হতে পারেন, ৩৯ বছর আগে সেখানে আলোচিত হয়েছিল কেয়ারটেকার (তত্ত্বাবধায়ক) সরকার প্রসঙ্গও। তখনকার তরুণ আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছেন, কেয়ারটেকার সরকার আসলে পৃথিবীর বহু দেশেই রয়েছে। মেয়াদ শেষে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর মন্ত্রিসভা নতুন নির্বাচনের আগে কেয়ারটেকার সরকার হিসেবেই কাজ করে। ড. কামাল তখনই ব্যাখ্যা করেছেন, সেই কেয়ারটেকার সরকারের মূল দায়িত্ব সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তা করা, দৈনন্দিন কাজের বাইরে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারে না।
ড. কামালের এই ব্যাখ্যা এখনো প্রাসঙ্গিক। ১৯৯৬ সালে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম বিরল এক কেয়ারটেকার সরকার। দলীয় সরকার সংসদ নির্বাচন চলাকালে তত্ত্বাবধায়কসুলভ নিরপেক্ষতা বজায় রাখে না, বরং বিভিন্নভাবে কারচুপি করে তারা অসৎভাবে নির্বাচিত হতে চায়। তৎকালীন বিএনপি আমলে অতি বিতর্কিত মাগুরা উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের দায়িত্ব তাই আমরা অর্পণ করি নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। বিরোধী দলগুলোর তীব্র দাবির মুখে বিএনপি নিজেই এই সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা-সম্পর্কিত সংশোধনী সংসদে পাস করেছিল।
১৯৯৯ সালে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত বলে এই সরকারব্যবস্থা গণতন্ত্রবিরোধী—মূলত এ অভিযোগে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয় হাইকোর্টে (এম সালিম উল্লাহ্ বনাম বাংলাদেশ)। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট রায় দেন যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বৈধ, এটি প্রতিষ্ঠিত হয় সংবিধানের যে ত্রয়োদশ সংশোধনীবলে, তা সংবিধানবিরোধী নয়। ১৯৭২ সালে ড. কামালের ব্যাখ্যার ছায়া আমরা দেখতে পাই এই রায়ের একটি অংশে। সেখানে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আগে দলীয় সরকারের অধীনে যে নির্বাচন হতো, সেটিও এক ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারই ছিল, সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর সেই দলীয় সরকারও অনির্বাচিত হয়ে পড়ত এক অর্থে।
আদালতের এই পর্যবেক্ষণ সমর্থনযোগ্য। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হলে আগামী সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে নতুন সংসদের নির্বাচন হবে। অথচ সংসদ সদস্যপদ চলে যাওয়ার কারণে তিনি এবং তাঁর মন্ত্রিসভা তখন আর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থাকবেন না। অনির্বাচিত দলীয় ব্যক্তিরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে পারলে অনির্বাচিত নির্দলীয় ব্যক্তিরা তা হতে পারবেন না কেন? হাইকোর্টে শুনানির সময় আওয়ামী লীগের পক্ষে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, রাষ্ট্রপক্ষে বিএনপি সরকারের নিয়োজিত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং তখনকার অ্যামিকাস কিউরিরাও (আদালত নিয়োজিত বিশিষ্ট আইনজীবীরা) তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মতামত দেন।
এই রায়ের বিরুদ্ধে এখন আপিল বিভাগে শুনানি চলছে। এখনকার অ্যামিকাস কিউরিরাও এই সরকারের বৈধতা রয়েছে বলে বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অব্যাহত রাখতে বলছেন। হাইকোর্টের রায় তাই আপিল বিভাগে উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে এই সরকারব্যবস্থা উন্নতকরণের নির্দেশনা আসতে পারে সেখানে। সেটি হতে হবে সংসদে। আর এ জন্য প্রয়োজন সংবিধান সংশোধনী কমিটির সদিচ্ছা এবং সর্বোচ্চ প্রজ্ঞা।

৩.
হাইকোর্টে এবং এখনো আপিল বিভাগে শুনানিকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে কারা থাকবেন, তা নিয়ে নানা সুপারিশ করা হচ্ছে। হাইকোর্টে এই সরকারব্যবস্থা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের সরকারি দায়িত্বে নিয়োগ নিষিদ্ধকরণসংক্রান্ত সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছিল। ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম বিচারপতিদের নিয়োগ না করে অন্যদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন বা রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা সাপেক্ষে নির্বাচনকালে একটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব করেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকও বিচারকদের বাদ দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন। এখন আপিল বিভাগেও কয়েকজন বিশিষ্ট আইনজীবী অনুরূপ পরামর্শ দিচ্ছেন।
সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের বিধানটি অপব্যবহার করার জন্য সরকার তার পছন্দসই কাউকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে বলে একটি ধারণা বিভিন্ন মহলে রয়েছে। দুজন সিনিয়রকে ডিঙিয়ে বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবেও তুলনামূলক জুনিয়র একজনকে ভবিষ্যতে নিয়োগ দেওয়া হলে বর্তমান প্রধান বিচারপতি ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে (সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন—এ ধরনের একটি হিসাব সরকারি মহল থেকে করা হচ্ছে বলে কিছু মহল থেকে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। তিনি বিভিন্নভাবে নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, এ অভিযোগে তাঁকে আগামী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না—এ ঘোষণাও কেউ কেউ ইতিমধ্যে দিয়েছেন।
তাত্ত্বিকভাবে দেখলে এটি ঠিক যে বর্তমান ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে সরকারি দল আরও জোরালোভাবে চেষ্টা করবে তাদের আস্থাভাজন বিচারকদের বিভিন্ন সময়ে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করতে। এতে অবাধ নির্বাচনের সম্ভাবনা বিঘ্নিত হয়, একই সঙ্গে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয় স্বাধীনচেতা ও যোগ্যতম ব্যক্তিদের প্রধান বিচারপতি পদে পাওয়া থেকে।
তবে তাত্ত্বিকতার বাইরে বাস্তবতাও আমাদের বিবেচনা করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প আসলে আমাদের আছে কি? নির্বাচনের সময় জাতীয় সরকার গঠিত হলে শেখ হাসিনা তাঁর প্রধান হবেন, এটি বর্তমান বাস্তবতায় বিরোধী দলগুলো মেনে নেবে কি? অন্য কোনো ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নিতেও মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হবে কি? এই অনিশ্চয়তা আগামী নির্বাচনের জন্য সৃষ্টি করলে তা গণতন্ত্রের জন্য আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করবে না কি?
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে বর্তমান বিধান পরিবর্তন করতে হলে সংসদের দলগুলোর মধ্যে সুস্পষ্ট মতৈক্যের ভিত্তিতে তা করতে হবে। সেটি সম্ভব না হলে মন্দের ভালো হিসেবে বর্তমান বিধান অব্যাহত রাখা সঠিক হবে।

৪.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ সুনির্দিষ্ট করার প্রস্তাব নিয়ে ভাবছে সংসদীয় কমিটি। এটি সঠিক চিন্তা এবং এতে বিরোধী দলগুলোর আপত্তি করার কোনো কারণ নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদকালে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ অনুসারে কাজ করার বাধ্যবাধকতা রাষ্ট্রপতির ওপর আরোপ করার প্রস্তাবটিও সবাই ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করতে পারেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে বলে কেউ কেউ আপত্তি করছেন। রাষ্ট্রপতির ওপর তখন প্রধান উপদেষ্টা বা উপদেষ্টামণ্ডলীর পরামর্শ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করলে এ বিতর্কও অনেকাংশে দূর হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনীর ক্ষেত্রে জটিল দিকগুলো হচ্ছে এই সরকারের ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারণ। সংবিধানে আছে, এই সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠান-সম্পর্কিত বিষয় বাদে কোনো নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। অতীতে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে নিতে হয়েছিল। আবার বিধানটির অস্পষ্টতার কারণে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতি দমনসংক্রান্ত আইনগুলোও সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিল।
আমাদের এটিও মনে রাখতে হবে যে অতীতে তত্ত্বাবধায়ক আমলগুলোতে আমরা এমন অনেক ভালো আইনও পেয়েছি, যা নির্বাচনী আইনকে সমৃদ্ধ করেছে, বিভিন্ন কমিশন (যেমন—মানবাধিকার ও তথ্য কমিশন) প্রতিষ্ঠা করেছে এবং স্থানীয় শাসনকে শক্তিশালী করতে চেয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কার্যাবলি বেশি সীমাবদ্ধ করে দিলে এমন সুযোগ থেকে আমরা বঞ্চিত হব। আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জরুরি অবস্থা জারি করার ক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে মহাবিপর্যয়কালীন (যেমন—যুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ভূমিকম্প বা অন্য কোনো দুর্যোগ) আমরা গভীর সংকটে পড়ব।

৫.
মূল কথা হচ্ছে, আমাদের গভীর চিন্তাভাবনা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী করতে হবে। শুধু গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিলে আমরা ভুল করব। ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা ও প্রাণঘাতী সংঘাতের কারণে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন তখন প্রলম্বিত হয়েছিল শুদ্ধ ভোটার তালিকা প্রণয়নে বিএনপি সরকারের ব্যর্থতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি প্রথমেই আওয়ামী লীগের শর্তহীন সমর্থনের কারণে। কাজেই অন্যকে দোষ না দিয়ে এই দুটি দল যদি আত্মসমালোচনামূলকভাবে সংস্কার ভাবনায় মন দেয়, তাহলেই শ্রেয়তর একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা পেতে পারি ভবিষ্যতে।
সংসদে সব দলকে তাই খোলা মনে আলোচনা করতে হবে, সব অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রাখতে হবে, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো মাথায় রাখতে হবে। পর্যাপ্ত আলোচনা সংসদে করতে হবে, প্রয়োজনে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করতে হবে এবং অবশ্যই মতৈক্যের ভিত্তিতে পরিবর্তন আনতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিরন্তর প্রচেষ্টায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে (এবং নির্বাচন কমিশনকে) আরও নিরপেক্ষ ও কার্যকর করার চিন্তা আমাদের সততার সঙ্গে করতে হবে।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

No comments

Powered by Blogger.