আলোচনা- 'তুর্গিয়েনেফ প্রসাদাৎ' by হায়াৎ মামুদ

প্রায় অর্ধ শতাব্দী পূর্বে একটি আখ্যান পাঠ করেছিলাম। যতদূর স্মরণ হয়ে, সৈয়দ মুজতবা আলীর বয়ানে। রচনার শিরোনাম মনে নেই, তবে তুর্গিয়েনেফ্ মূল উপজীব্য।

জমিদার বাড়ির ছেলে হীনস্বাস্থ্য তরুণটিকে স্বাস্থ্যোদ্ধারের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল জমিদারি এলাকারই এক গ্রামে। সেটি জেলেপাড়া। সকলে জলদাস, মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের। সপ্তাহান্তে একবার তো গির্জায় যেতেই হয়। সকলেই যায়। জমিদারনন্দনও বাদ পড়েন না। প্রভুস্থানীয় এই বিত্তবা তরুণটির কারণেই তরুণীরা সকলেই যে যার সর্বোত্তম পোশাকটি বের করে পরে সেদিন।
মনে ক্ষীণ আশা জেগে থাকে, এমন হওয়া কি একেবারেই অসম্ভব যে আমার পানে তাঁর চোখ পড়বে না? যে-মেয়েটির মনে হেন দুরাশা এবোরেই উঁকি দেয়নি, কী আশ্চর্য, চোখ যায় কিন্তু তারই দিকে। অতঃপরঃ। সবই প্রত্যাশিতভাবে চমৎকার ঘটে যাচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎ আচমকা বিনা মেঘে শিরে বজ াঘাত। ছেলেটিকে চলে যেতে হবে। কেবল ঐ গ্রাম ছেড়ে নয়, একেবারে দেশের বাইরে, এবং পিতৃভূমি গ্রামীণ 'রস্মিয়া' ছেড়ে ইউরোপের রানীশহর ফ্রান্সের পারী-তে। বিদায় তো সাময়িক, ভয়ের কী আছে। তথাপি কেঁদে বুক ভাসায় মেয়েটি। ছেলেটি বারংবার ভরসা দেয় আর জিজ্ঞেস করে- বল-না, কী আনব তোমার জন্যে? 'না-না, কিছু চাই না। কেবল চাই, তুমি ফিরে এসো।" "আশ্চর্য! ফিরে তো আসবই কিন্তু তোমার জন্যে আনব কী, কোন উপহার, তা তো বলবে।" ঐ একই জবাব- কিছুই চাই না, শুধু তুমি ফিরে আস। অনেক পীড়াপীড়ি কাকুতিমিনতির পর অবশেষে শ্রীমতী বলেন, "আমার জন্যে সাবান এনো একটা। শুনেছি ওখানকার সাবানে নাকি ভারি সুগন্ধ।" এমন হাস্যকর পাগলামি উত্তর শুনে হেসে কূল পায় না ছেলেটি। কী অদ্ভুত আর তুচ্ছ আবদার! "সে তো এমনিই আনব, বলতে হয় নাকি!" হেসে উড়িয়ে দিলেও সে কিন্তু চেপে ধরে কেন অমন উদ্ভট ইচ্ছে হল মেয়েটির। অনেক সাধ্যসাধনায় শেষাবধি বুকের কথা মুখে আনে অবলা কুমারী: "আমার দু-হাতে এত চুমু খাও তুমি, অথচ কী বিচ্ছিরি আঁশটে গন্ধ লেগে থাকে, ফরাশি সুগন্ধীর তো দুনিয়াজোড়া নাম, হাতে মাখলে তুমি তখন আর আঁশটে গন্ধ পাবে না।" কিন্তু ফরাশি খুশবু আর কপালে জোটেনি মেয়েটির। কারণ, তুর্গিয়েনেফ্ আর কখনোই ফিরতে পারেননি ঐ গাঁয়ে, জীবনে আর কখনোই দেখা হয়নি মেয়েটির সঙ্গে। ভাগ্যের পরিহাস কী নির্মম!
তুর্গিয়েনেফের রচনা আমি প্রথম পড়ি বঙ্গানুবাদে, ইশকুলে থাকতে। কলকাতার নওরোজ লাইব্রেরী (পরে ঢাকায় এসে যা হয়ে যায় নওরোজ কিতাবিস্তান) আবুল কালাম শামসুদ্দীনের অনুবাদে ঠরৎমরৎ ঝড়রষ প্রকাশ করে 'অনাবাদী জমি' নামে। একটি দ্বিতীয় সংস্করণের শিরোনাম। প্রকাশিকা মোসাম্মাৎ ফাতেমা খানম সেখানে জানিয়েছেন: "'পোড়োজমি' নামে-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল বহুদিন আগে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ নানা কারণে এর দ্বিতীয় সংস্করণ এতোদিন প্রকাশ করা সম্ভবপর হয়নি।" দ্বিতীয় সংস্করণ বেরিয়েছিল ১৩৬১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে, অর্থাৎ ১৯৫৪ সালে। চুয়ান্নতে আমি নবম শ্রেণীর ছাত্র। বইটি আমি সে-বছরে যদি না-ও পড়ে থাকি, তো পরের বছর নিশ্চয়ই; কারণ, কলেজে ঢুকে নয়, ইশকুলে থাকতেই যে পড়েছিলাম তা বিলক্ষণ স্মরণ করতে পারি। তুর্গিয়েনেফের আত্মজৈবনিক ঐ মর্মান্তিক ঘটনা অবশ্য পরে জেনেছি।
বুড়ো বয়সে এদ্মঁ দ্য গঁফুর-কে তিনি বলছেন দেখতে পাই: "আমি তখন একেবারেই বাচ্চা, বুঝলে, যাকে বলে আপাপবিদ্ধ কুমার। কিন্তু পরের বছর বয়সী ছেলের মনে কত উথালপাথাল স্বপ্ন কল্পনা ইচ্ছেই-না জাগে, বোঝাই তো। আমাদের বাড়িতে আমার মা-র খাশ চাকরানি ছিল একজন, কেমন যেন বোকা-বোকা চেহারার এক মেয়ে। কিন্তু বুদ্ধির ছাপ নেই এমন মুখও হঠাৎ-হঠাৎ স্বাতন্ত্র্য পেতে পারে, আকর্ষণীয় হয়ে যায়। দিনটা ছিল সঁ্যাতসেঁতে, বাদলা দিন, [আল্ফোঁস্] দোদে যাকে দিবস কামমোহিতম্ বলে সেদিন এক লেখায় উলেস্নখ করলেন, সেরকম দিন আর-কি! সন্ধে নামছে। আমি বাগানে পায়চারি করচি। মেয়েটি হঠাৎ দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল- বোঝ একবার, আমি তার মনিব আর সে তো একটা দাসী মাত্র- আমার মাথার পিছনে ঘাড়ের চুল ধরে বলে উঠল, 'এসো-না'। সেই শিহরণ বর্ণনা করা সম্ভব নয়, আমি আনন্দে ভেসে গিয়েছিলাম। এখনও যেন সেরকম মাঝেমধ্যে টের পাই, আর এখনও তা আগের মতোই পাগল করে আমাকে।"
গু্যস্তাড্ ফ্লোবের-এর বাড়িতে এক সান্ধ্যভোজে তাঁকে বলতে শুনি: 'আমার সারা জীবনভরই মেয়ে মানুষের দিকে টান। আমার জীবনে নারী চিন্তার বাইরে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই; কোনো বইপত্তর নিয়ে কি অন্য কোনোকিছু বিষয়ে আমি কখনও চিন্তাভাবনা করি না। ঠিক কীভাবে বললে বুঝবে, জানি না। আমার কাছে প্রেমই একমাত্র ঘটনা যাতে অস্তিত্বের ব্যাপ্তি ঘটে, আত্মসত্তার পরিপূর্ণতা-এর চেয়ে বেশি আর কোনো কিছুতেই আসে না। কী, কথাটা মনে ধরছে না? তাহলে বলি, শোন।
আমি তখন সদ্য যুবক, তখন একজনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়েছিল। মহিলাটি একজনের স্ত্রী। সাংফ্ৎ পিতেবর্ুর্গের শহরতলিতে থাকত। আমি শিকারে বেরুলে তার সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ হত। খুবই সুশ্রী ছিল দেখতে, ভোরবেলার মতো সি্নগ্ধ কোমল ফ্যাকাশে। আমার কাছে সে কখনও কিছু চায়নি। কিন্তু হঠাৎ একদিন সে বলে বসল, "আমায় একটা জিনিস দেবে তুমি? দিতেই হবে কিন্তু।" তার কণ্ঠের আবদারে মুগ্ধ হই। বলি, "কী বল তো!" "আমার জন্যে গোটাকতক সাবান আনতে যদি।" সাবান এনে দিয়েছিলাম। হাতে দিতেই সে নিয়ে দৌড়ে চলে যায়। খানিকক্ষণ পরে ফিরে আসে, লজ্জায় আরক্তিম মুখ। হাত দুটি আমার সামনে তুলে ধরে, সুবাসিত করপলস্নব বাড়িয়ে দিয়ে বলে ওঠে: "একটু খাও-না গো। পিতেবর্ুর্গের কত সব দহ্লিজে মেমসাহেবদের হাতে যেমন চুমু খাও, ঠিক তেমনি করে।" বিশ্বাস কর, আমি তার পায়ের ওপর আছড়ে পড়েছিলাম। সত্যিই বলছি, 'আমার জীবনে অমন দুর্লভ মুহূর্ত আর কখনোই আসেনি।'
তুর্গিয়েনেফের জীবনের মুখোমুখি হলে মনুষ্যস্বভাবের অব্যাখ্যেয় বৈচিত্র্য ও বহুকৌণিকতা দেখে দিশেহারা হই। দূর অতীতে, ষোড়শ শতকে, কোন এক পূর্বপুরুষ ছিলেন তাতার মুসলিম- তুর্গা খান। সেখানে থেকেই বংশগতিধারার শোণিতপ্রবাহ বয়ে আসে: তুর্গা থেকেই তুর্গিয়েনেফ্। মাঝখানে কোনো এক পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছিল ধর্মান্তরীকরণের প্রক্রিয়া- ইসলাম থেকে খ্রিস্টধর্ম। বংশ যে কত বনেদি আর অভিজাত সে তো বংশলতিকার ঠিকুজিই প্রমাণ করে। মা শ্রীমতী ভার্ভারা পেত্রোভ্না অদ্ভুত স্বভাবের মহিলা: ছিট গ্রস্তা, জেদী, বদরাগী, কখনও আবার ভারি মায়াবতী। চাকরবাকরদের তো অবশ্যই, এমনকি নিজের সন্তানদেরকেও বেদম মারধর করতেন। অত্যাচারী মহিলা ছিলেন, সন্দেহ নেই। স্পাস্কোয় গ্রামটি ছিল আমাদের দেশের সেকেলে গাঁয়ের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বয়ম্ভর; গ্রামবাসীকে অন্য কোথাও যেতে হত না, গ্রামের ভিতরেই তাঁতি, তেলি, কামার, কুমোর, ছুতোর, ওস্তাগর, জোগালে সব মিলত। গ্রামের সম্রাজ্ঞী, বলা চলে, তুর্গিয়েনেফ্-জননী ভার্ভারাই ছিলেন। অন্তত আচারব্যাভার প্রায় সেরকমই ছিল। যেমন ভদ্রমহিলা তার চাকববাকরদের সর্দারকে ডাকতেন উজির সাহেব, ব্যক্তিগত পত্রবাহকেরও কী-একটা নাম দিয়েছিলেন। নিয়ম ছিল- তার এই ব্যক্তিগত ডাকহরকরা নিজে প্রথমে হুজুরাইনের চিঠি খুলে নিজে পাঠ করবে, অতঃপর পত্রের মর্মার্থ অনুযায়ী- খবরটি দুঃখশোকের নাকি আনন্দ-আহ্লাদের তা অনুধাবন করে- প্রভুঠাকুরানীর মেজাজমর্জি বুঝে তাকে অবগত করাবে। ভার্ভারা পেত্রোভ্নার নিজস্ব একটা অফিসঘর ছিল, সেখানে উঁচু পাটাতনের ওপরে সিংহাসনের আদলে তৈরি মজবুত ভারী বিশাল একটা কেদারা রাখা হয়েছিল তাঁর বসবার জন্য। সেটাতেই তিনি বসতেন আর তাঁর 'সভাসদ' বৃন্দ সবাই ঘিরে থাকত তাঁকে; তটস্থ থাকত সকলেই, পান থেকে চুন খসলে তো আর রক্ষে নেই। তুর্গিয়েনেফ্ লিখছেন, 'প্রায় রোজই আমায় মার খেতে হত, নামমাত্র বেতাল কোনো কাজ করে ফেললেও।' ছেলে নিজের কাজের ন্যায্য যুক্তি তুলে ধরলে কি কোনো সাফাই গাইলে শুনতে হত, 'বাছা, কেন যে, তোকে পিটছি সে তো তুই ভালোই জানিস', অর্থাৎ তোরই ভালোর জন্যে তোকে চাবকাচ্ছি।
বনেদি ঘরের চালচলনের এই এক ভারি মজার দিক। আমাদের আটপৌরে ছাপোষা পরিবারের সঙ্গে কোনো জায়গাতেই যেন মেলে না। আমরাও ছোটবেলায় গুরুজনদের হাতে কিঞ্চিৎ মারধর যে খাইনি তা নয়, কিন্তু সে-সব প্রধানত পড়াশুনোর কাজে ফাঁকি দেয়ার জন্যে/, পরীক্ষার খাতায়- প্রধানত অঙ্কে-লাড্ডু পাওয়ার কারণে। শিষ্টাচারের ব্যত্যয়জনিত শাস্তিভোগ মধ্যবিত্ত সমাজে ঘটে বলে মনে হয় না। দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধের এই ফারাক থেকেই বোঝা যায় দু'টো সমাজ যে আলাদা। তুর্গিয়েনেফ্কে পড়াশোনায় অমনোযোগের কারণে কখনও তিরস্কৃত হতে হয়েছে এমন ভাবা মুশকিল। মাতৃভাষা রুশ ছাড়াও তিনি ফরাশি, জর্মন, ইংরেজি, ইতালিয়ান ও হিস্পানি ভাষা জানতেন। নিজের অন্তর্গত পিপাসা ও প্রবণতা ব্যতিরেকে এমন হওয়া সম্ভব নয়। ফরাশি তো তাঁর দ্বিতীয় মাতৃভাষা ছিল বলা চলে। ইউরোপে রুশ সাম্রাজ্যের দুর্নাম ছিল অত্যাচারী সমাজব্যবস্থা, ভূমিদাস প্রথা ইত্যাদির কারণে। ও-রকম একটা সমাজে উন্নত মানের সাহিত্য রচিত হওয়া সম্ভব বলে কেউ ভাবতেন না। সংযোগও ক্ষীণ ছিল, কারণ রুশ ভাষার অক্ষর লাতিনীয় নয়, সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র; ইউরোপেও ভাষাপরিবারে যেমন নানান আত্মীয়তা আছে, তেমন সম্পর্ক স্থাপন ইংরেজি-ফরাশি-জর্মন-হিস্পানি-ইতালীয় প্রভৃতির সঙ্গে ঘটানো রুশীর পক্ষে সম্ভব নয়। তুর্গিয়েনেফই প্রথম যিনি রুশ সাহিত্যকে ইউরোপে পরিচিত করালেন। রুশের আত্মগরিমা প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর অবদান তর্কাতীত।
কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে টানাপড়েনে ভীষণ ভুগেছেন। প্রায় সারাটা জীবনই ফ্রান্সে কাটল, অথচ মন পড়ে থাকত সর্বদাই দেশের মাটিতে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অত্যন্ত মনোযোগী পর্যবেক্ষক ও সর্বদাই অনুসন্ধিৎসু এই মানুষটি সর্বদাই যেন উন্মুখ হয়ে থাকতেন কে কখন আসছে সাংক্ৎ পিতেবর্ুর্গ্ কি মস্ক্বা থেকে। আমৃতু্য প্রেমে মজুমান থাকলেন পিল্ ভিয়ার্দো নাম্নী এক বিবাহিতা অপেরা-গায়িকার। পলিনের স্বামী তা জানতেন, কিন্তু লুই ভিয়ার্দো মেনে নিয়েছিলেন তাঁর পত্নীর এই প্রেমিককে এতখানিই যে দু'জনেই দু'জনের ওপর নির্ভর করেছেন বহু ক্ষেত্রে।
তুর্গিয়েনেফের প্রয়াণের পর তল্স্তোয় তাঁর বন্ধু স্ত্রাখফ্কে লিখলেন: 'তুর্গিয়েনেফের মৃতু্য আসন্ন, বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু তাঁর কথা এত বারবার মনে পড়ে। সব সময় তাঁর কথাই ভাবছি। কী ভালোই-না তাঁকে বেসেছি, তাঁর জন্যে মায়া হয়, আমি তাঁকে আবার পড়ছি। আমি সবসময়ে তাঁর সঙ্গেই রয়েছি।'
১৮৮৩-র সেপ্টেম্বর মাসে তিনি চলে গিয়েছিলেন। তাঁর সবযাত্রায় অকল্পনীয় জনসমাগম হয়েছিল। রাস্তার দু-পাশের বাড়িঘরের জানলা খুলে মানুষ সে-মিছিল দেখেছে।
=========================
গল্প- 'একটাই জীবন' by হাজেরা নজরুল  ফিচার- 'এটি একটি সংখ্যামাত্র' by রণজিৎ বিশ্বাস  গল্প- 'সোনালি চিল' by সৈয়দ মোফাজ্জেল হোসেন  গল্প- 'বোবা ইশারা' by মণীশ রায়  গল্প- 'চিরদিনের' by মঈনুল আহসান সাবের  স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ সাহিত্যের এক সর্বসত্তা  আলোচনা- 'বাংলা চর্চা পরিচর্যা ও ইংরেজি শেখা'  আলোচনা- 'আমার ছেলেবেলার ঈদ আর বুড়োবেলার ঈদ'  আলোচনা- 'নৈতিক চেতনা : ধর্ম ও মতাদর্শ' by আবুল কাসেম ফজলুল হক খবর- গণতান্ত্রিক সব শক্তির সঙ্গে কাজ করতে চাই: সু চি  ফিচার- ‘নিজের কথা : বেঁচে আছি' by হুমায়ূন আহমেদ  কবিতা- সাম্প্রতিক সময়ের কিছু কবিতা  আলোচনা- 'মোস্লেম ভারত' পত্রিকায় চর্চিত মুসলিম ধর্ম- দর্শনের স্বরূপ  ইতিহাস- 'চারশ' বছরের ঢাকা লোক ঐতিহ্যের দশ-দিগন্ত' by আনিস আহমেদ  গল্পালোচনা- 'মৃত্যুর মুশায়রা' by সেলিনা হোসেন  গল্প- 'বৃষ্টি নেমেছিল' by ইমদাদুল হক মিলন  গল্প- 'সড়ক নভেল' by হাসনাত আবদুল হাই  গল্প- 'জানালার বাইরে' by অরহ্যান পামুক  স্মৃতি ও গল্প- 'কবির অভিষেক' by মহাদেব সাহা  ইতিহাস- 'ভাওয়ালগড়ের ষড়যন্ত্র' by তারিক হাসান 


দৈনিক ইত্তেফাক এর সৌজন্য
লেখকঃ হায়াৎ মামুদ


এই লেখা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.