শুভ জন্মদিন-স্বপ্নের বীজ বুনে চলা দেশ-দেশান্তরে by হোসেন জিল্লুর রহমান

ড. ইউনূস স্থানীয় পর্যায়ে কাজ শুরু করেছিলেন এবং দ্রুতই তা জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত হয়। বিশ্বের সর্বত্র সেটা ছড়িয়ে পড়তেও বেশি সময় দরকার পড়েনি। দারিদ্র্যের যে বহুমাত্রিক রূপ, সেটা বদলাতে তার দৃষ্টিভঙ্গিও স্বীকৃৃত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। তিনি এক বৃহত্তর কর্মক্ষেত্রে দারিদ্র্যজয়ের সংগ্রামে ব্যাপৃত।


এ জন্য কষ্ট আছে, চ্যালেঞ্জ আছে এবং তার মাত্রা বহুমাত্রিক। সফলতার ক্ষেত্র একদিনে তৈরি হয় না, ধারাবাহিক সৃজনশীল কর্মপ্রয়াসের মাধ্যমে তা অর্জন করে নিতে হয়। তিনি সাফল্য পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই। অন্যরা তার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পায়


আজকের এই বাংলাদেশে, একবিংশ শতকের প্রথম দশক অতিক্রম করে আসা বাংলাদেশে আমরা অনেকেই বিশেষ ধরনের লোকের প্রয়োজনীয় অনুভব করছি। এর কারণ আমাদের প্রিয় স্বদেশভূমি প্রচণ্ড বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করেও বিশ্বব্যাপী সম্মান ও মর্যাদার একটি আসন করে নিয়েছে। তাদের কাছে দেশটি বিবেচিত হচ্ছে সম্ভাবনাময় হিসেবে। এটা যেন সম্ভাবনার পর্যায়ে না থাকে, আপামর জনগণের স্বপ্ন যেন পূরণ হয়, দরিদ্ররা নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা পোষণ করছে তা যেন বিলীন হয়ে না যায় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে চাই যোগ্য লোক। তিনি অবশ্যই হবেন কর্মবীর, একই সঙ্গে থাকতে হবে সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য দায়িত্ববোধ এবং সুউচ্চ নৈতিকতা। এ দৃষ্টিতে দেখলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা বিশ্বেই একজন রোল মডেল। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং তাদের মধ্যেও বিশেষ করে নারী সমাজের ক্ষমতায়নের জন্য তার নিরলস কর্মপ্রয়াস বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। তিনি এখানে থেমে থাকেননি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, ব্যবসাসহ নানা ক্ষেত্রে একের পর এক সৃজনশীল উদ্যোগ তাকে নতুন উচ্চতায় আসীন করছে। এ ধরনের চেষ্টা কেবল তিনিই করছেন, এমন নয়। কিন্তু অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এসব উপাদান নিজের মধ্যে একযোগে ধারণ করেন। তিনি কথায় সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং করে দেখান এবং সেভাবেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এভাবেই হয়ে ওঠেন পথিকৃৎ এবং সেটা স্বদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায় বারবার। যারা কেবলই কথার মালা গাঁথেন, তিনি তাদের দলে কখনোই পড়েননি। হঠাৎ আলোর ঝলকানিও তিনি নন। যা ভাবেন, যা নিয়ে উদ্যাগী হয়ে ওঠেন সেটা যেন টেকসই হয় সে বিষয়ে সচেতন থাকেন। কেবল আশার চিত্র তুলে ধরেন না, এটা যে বাস্তবসম্মত ও অর্জনযোগ্য, সে বিষয়েও মানুষের মনে আস্থার সৃষ্টি করেন। তিনি নিজের জন্য শুধু কাজ করেন না, তার ভাবনায় সদা সক্রিয় সমাজের কল্যাণ ও বিকাশ। আমরা অনেক কর্মবীরের কথা জানি, যারা নিজের ও ঘনিষ্ঠজনদের জন্য নিবেদিত। তাদের সাফল্য ঈর্ষা জাগাতে পারে। কিন্তু অধ্যাপক ইউনূসের ধ্যান-জ্ঞান-উদ্যোগে থাকে সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ। সবার যেন মঙ্গল হয়, এ জন্যই তার জীবন।
আরেকটি উপাদানও আমরা লক্ষ্য করি_ নৈতিকতা। সামাজিক দায়বদ্ধতা তো থাকবেই, কিন্তু লক্ষ্য অর্জনে যে কর্মকৌশল অনুসরণ করা হবে তাতে রোল মডেল হওয়া চাই, সততা ও নিষ্ঠায় কোনো ঘাটতি যেন না থাকে। নীতিবোধ থেকে যেন সামান্যও দূরে সরে না যাই। জীবনাচারেও থাকা চাই এর প্রতিফলন।
তিনি ১৯৭৬ সালে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু করেন। তারপর একে একে যুক্ত হয়ে পড়েন নতুন নতুন উদ্যোগে। এর ধারাবাহিকতায় সামাজিক ব্যবসাসহ আসে একের পর এক ধারণা। কিন্তু সবকিছুরই মূলে রয়েছে মূল লক্ষ্য_ দারিদ্র্য বিমোচন। তিনি যে দারিদ্র্যকে জাদুঘরে স্থান করে দিতে চান_ সে মিশন কখনও বিস্মৃত হন না। কখনও কখনও এ বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়। অর্থনীতিবিদ কিংবা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ যখন বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে সামাজিক ব্যবসা কেন যুক্ত হবে অথবা স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক কেন যুক্ত হবে তখন বিস্মিত যেমন হই, তেমনি দুঃখবোধও আক্রান্ত করে। অধ্যাপক ইউনূসের উপলব্ধি স্পষ্ট_ দারিদ্র্য হচ্ছে বহুমাত্রিক সমস্যা। যে দরিদ্র সে সন্তানকে শিক্ষা দিতে পারে না। দরিদ্র বলেই তার স্বাস্থ্য সমস্যা প্রকট এবং যদি কোনোভাবে সামান্য কিছু সঞ্চয় করতে পারে মুহূর্তে তা নিঃশেষ হয়ে যায়। দরিদ্র বলেই উন্নত প্রযুক্তি তার আয়ত্তে আসে না। আর এ কারণেই যখন আমরা দারিদ্র্য বিমোচনের কথা বলি, একটি থেকে আরেকটিকে বিচ্ছিন্ন করতে পারি না। তাদের ক্ষমতায়নের সঙ্গেও বিষয়টি প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। হতদরিদ্রদের কথায় কে-ইবা গুরুত্ব দেয়। অনেক বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ধ্যান-ধারণার সঙ্গে এখানেই তার পার্থক্য। দারিদ্র্যকে কেবল ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে মোকাবেলা করা যাবে না_ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসাসহ আরও নানা বিষয় যেহেতু এর সঙ্গে যুক্ত, সে কারণেই বহুমুখী কর্মযজ্ঞ। অধ্যাপক ইউনূসের রয়েছে দূরের পানে তাকানোর অপরিসীম ক্ষমতা এবং অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অখণ্ড মনোযোগ।
তিনি স্থানীয় পর্যায়ে কাজ শুরু করেছিলেন এবং দ্রুতই তা জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত হয়। বিশ্বের সর্বত্র সেটা ছড়িয়ে পড়তেও বেশি সময় দরকার পড়েনি। দারিদ্র্যের যে বহুমাত্রিক রূপ, সেটা বদলাতে তার দৃষ্টিভঙ্গিও স্বীকৃৃত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। তিনি এক বৃহত্তর কর্মক্ষেত্রে দারিদ্র্যজয়ের সংগ্রামে ব্যাপৃত। এ জন্য কষ্ট আছে, চ্যালেঞ্জ আছে এবং তার মাত্রা বহুমাত্রিক। সফলতার ক্ষেত্র একদিনে তৈরি হয় না, ধারাবাহিক সৃজনশীল কর্মপ্রয়াসের মাধ্যমে তা অর্জন করে নিতে হয়। তিনি সাফল্য পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই। অন্যরা তার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পায়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্র এ ক্ষেত্রে একাকার হয়ে পড়েছে। সবার জন্যই তিনি দীক্ষাগুরু হয়ে উঠতে পারেন। তিনি কেবল একার নন, অনেকের। কেবল এক দেশের নন, এক সঙ্গেই অনেক দেশের। আরও বিস্ময়ের যে, ধনী, অপেক্ষাকৃত দরিদ্র ও দরিদ্র, সব ধরনের দেশের জন্যই তিনি মডেল হয়ে উঠতে পেরেছেন।
১৯৪০ সালের ২৮ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এ দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কখনও তিনি পালন করেছেন বলে জানা নেই। দিবসটি এখন সামাজিক ব্যবসা দিবস হিসেবে পালিত হয়। আর সব দিনের মতো এদিনেও তিনি নিজেকে যুক্ত রাখেন বৃহত্তর সমাজের কল্যাণ কামনায়। একটি কাজে সফলতা এসেছে জেনে তিনি বসে থাকার মানুষ নন। সামাজিক দায়িত্ববোধ তাকে পরিচালিত করতে থাকে। সঙ্গে থাকে উচ্চ নৈতিকতার আদর্শ। দারিদ্র্যজয়ের মহান মিশনে এক একটা সাফল্যের পালক তার উষ্ণীষে যুক্ত হতে না হতেই তিনি অনুভব করেন_ সামনে যে পড়ে রয়েছে অনেক কাজ। আমার যা সাধ্য তা করিব আমি_ এ মনোভাব তাকে নিরন্তর ব্যস্ত রাখে। এভাবে তাকে যদি আমরা দেখতে পারি, তাহলে গ্রামীণ ব্যাংকের ধারাবাহিকতায় তার নানা উদ্যোগ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ থাকবে না। বরং মনে হতে থাকবে এসব তো ধারাবাহিকতার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ২০০৬ সালের অক্টোবরে। এর তিন দিনের মধ্যে আমরা কয়েকজন উদ্যোগী হয়ে তাকে সংবর্ধনা দেই। এ বিরল সম্মান অর্জনের পর তিনি প্রশাসনিক পর্যায়ে মৌলিক পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে উপস্থাপন করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় হওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু দ্রুতই নিজের কাজের গণ্ডি সম্পর্কে স্পষ্ট উপলব্ধিতে আসেন তিনি এবং তখন থেকে সে পথেই চলছেন। গত কয়েক বছরে দেখছি, তিনি শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলোর মোকাবেলায় কর্মপন্থা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে অধিকতর মনোযোগী হয়েছেন। তার কাজে ক্ষুদ্রঋণের ধারাবাহিকতায় আরও বেশি গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে সামাজিক ব্যবসা। নোবেল পুরস্কার তার যে খ্যাতি ও পরিচিতি এনে দিয়েছে তা কাজে লাগাচ্ছেন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে। কিন্তু মূল ইস্যু থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি_ দারিদ্র্যের স্থান হবে জাদুঘরে। তিনি নতুন নতুন ফোরামে গাছ রোপণ করে চলেছেন। এ গাছ চেতনার, এ গাছ উদ্যোগের। এর কোনটা কতটা ফলদায়ী হবে সেটা এখনই বলার সময় আসেনি। কিন্তু এসব যে অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে চলেছে, তা নিয়ে দ্বিমত নেই। তিনি স্বপ্নের বীজ বপন করে চলেছেন দেশ থেকে দেশান্তরে। একদিনে তা থেকে ফল মিলবে না। কিন্তু আমাদের সবার কাজ হবে তাতে উৎসাহ দেওয়া। কারণ এর সুফল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়, ভোগ করবে সবাই। শুধু এক দেশের মানুষ নয়, গোটা মানবজাতিই তার ভাবনায়।
আমরা তার কাজের ধারায় দেখছি যৌক্তিক উল্লম্ফন। প্রথমে তিনি নিজের স্বপ্ন তুলে ধরেছেন এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই করে দেখিয়েছেন_ এটা অর্জনযোগ্য। প্রথমে টেস্ট প্লটে সফল হয়েছেন এবং দ্রুতই বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তার সফল প্রয়োগ করেছেন। এভাবে সবার আস্থা অর্জন করে তিনি নিজেই নতুন চ্যালেঞ্জ নির্ধারণ করেছেন এবং সেটাও অর্জন করেছেন।
বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার চার দশকেরও বেশি সময় অতিক্রম করে এসেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত এ দেশের যাত্রালগ্নে অনেকে সন্দেহ পোষণ করেছেন_ দেশটি টিকবে তো। কিন্তু দেশটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। একাত্তরে আমাদের অর্জন ছিল সাধারণ মানুষের ব্যক্তিত্বের বিপ্লব। এই সাধারণ মানুষই গ্রামীণ ব্যাংকের চালিকাশক্তি। আমার মনে হয়, ব্যাংকিং জগতে তারা যে বিপ্লব ঘটিয়েছে সে বিষয়টি এখনও গবেষকদের দৃষ্টির আড়ালে রয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার বীজ রোপিত হয়েছে। তাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে। যে গ্রামীণ নারী স্বামী বা বয়স্কদের প্রতি চোখে চোখ রেখে তাকাতেন না, তাদের চিন্তার যুগ যুগের শৃঙ্খলা ভেঙে দিল '১৬ সিদ্ধান্ত'। এ নারী শুধুু ব্যাংকিং জগতে নিজের অবস্থান করে নেয়নি, তাদের ব্যক্তিত্বেরও বিকাশ ঘটতে দেখছি আমরা। তারা সমাজের দরিদ্রতম অংশ। কিন্তু স্বপ্ন দেখার সাহস অর্জন করেছে। এ সাহস স্বাবলম্বী হওয়ার, এগিয়ে যাওয়ার। এখন লড়াই নতুন পর্যায়ে উত্তরণের, সামাজিক দায়িত্ববোধের। উচ্চতর নৈতিক আদর্শ অর্জন এর শর্ত। যেনতেন উৎকর্ষতা নয়, কাজ করতে হবে বিশ্বমানের। সত্তর ও আশির দশকের চ্যালেঞ্জ থেকে যা স্বভাবতই ভিন্ন। আমরা যে সংকল্প গ্রহণ করব এবং তা যে পথে বাস্তবায়ন করব সেটা হতে হবে বিশ্বমানের। আমাদের সবার মধ্যে এ সংকল্প ধারণ করতে হবে। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বারবার বলছেন, তিনি কোনো মহামানব নন। তবে আমরা নিশ্চিতই জানি যে, তিনি একজন কর্মবীর এবং সদা পরিচালিত হন সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে। ২০০৬ সালের অক্টোবরে নোবেল পুরস্কার লাভ এ স্বপ্ন বোনায় অবশ্যই বড় উৎসাহ-অনুপ্রেরণা ছিল।
আজ তার জন্মদিন। আশা করি এবং ভরসা রাখি যে আগামীতে তিনি বাংলাদেশ ও বিশ্বসমাজকে আরও অনেক কিছু দিতে পারবেন। আমি এটাও প্রত্যাশা করব, তার যেসব শুভ কর্মপ্রয়াস সে বিষয়ে সব সংশয় ও ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়ে যাবে। তাকে হেয় করার চেষ্টা হলে আমাদের মাথাই কিন্তু হেঁট হয়ে পড়বে। আমাদের সম্মিলিত অগ্রগতির জন্য তার আরও অনেক কিছু করার রয়েছে। তিনি নতুন নতুন ভাবনা উপস্থাপন করবেন, আলোকিত পথ দেখাবেন এবং আমরা নির্ভাবনায় এগিয়ে যাব সমৃদ্ধির নতুন সোপানে।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান : অর্থনীতিবিদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
 

No comments

Powered by Blogger.