ঊষা উত্থুপ, শুভমিতা ও সুবীর নন্দীর মন মাতানো পরিবেশনা

ষা উত্থুপ। নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মঞ্চ কাঁপানো এক শিল্পীর মুখ। বিশ্বের যে প্রান্তেই গান করেছেন, সেখানেই শ্রোতারা তাঁকে আপন করে নিয়েছে। গতকাল ক্যালন দেশ টিভি আয়োজিত সংগীত সন্ধ্যায় গান করে তিনি মুগ্ধ করলেন ঢাকার দর্শক-শ্রোতাদের। রবিঠাকুরের গান দিয়ে শুরু করে আধুনিক, হিন্দি, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ধরনের গান করে সবাইকে আপ্লুত করেন তিনি। তাঁর গাওয়া 'দম মারো দম', 'হরে কৃষ্ণ হরে রাম', 'আমি শিল্পী চাই শিল্পীর সম্মান'_এমন সব গানের সঙ্গে শ্রোতারাও সমানতালে গলা মেলায়। মনোমুঙ্কর এ আয়োজনে আরো ছিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী শুভমিতা ও এ দেশের সুবীর নন্দীর পরিবেশনা।


গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হোটেল রূপসী বাংলার উইন্টার গার্ডেনে এ সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করে ইলেকট্রনিঙ্ পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যালন ও দেশ টিভি। ক্যালনের চার বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন ক্যালনের চেয়ারম্যান জি এম খোকন খান। এ ছাড়া আলোচনা করেন দেশ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর ও ক্যালনের ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন জাহান।
সংগীতায়োজনের শুরুতেই মঞ্চে আসেন দেশের বরেণ্য শিল্পী সুবীর নন্দী। তিনি তাঁর বেশ কিছু জনপ্রিয় গান করেন।
এরপর মঞ্চে আসেন শুভমিতা। উচ্চাঙ্গ আর আধুনিক গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেন এ শিল্পী। সবশেষে শিল্পী ঊষা উত্থুপের মনোমুঙ্কর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংগীতের এ নান্দনিক আয়োজন।
হরেন দাস ও চন্দন দাসের ছাপচিত্র
বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টসের আয়োজনে আজ শুক্রবার শুরু হচ্ছে ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী হরেন দাস ও তাঁর ছেলে চন্দন দাসের 'প্রশান্ত প্রকৃতি' শীর্ষক ছাপচিত্র প্রদর্শনী। সন্ধ্যা ৬টায় বেঙ্গল শিল্পালয়ে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন শিল্পী রফিকুন নবী, কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক। ৯ দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে থাকবে হরেন দাসের ৫১টি এবং চন্দন দাসের ২৪টি চিত্রকর্ম। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।
বৈকুণ্ঠের পরিবেশনা 'জননী-যন্ত্রণা'
কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে গতকাল 'জননী-যন্ত্রণা' শীর্ষক আবৃত্তি পরিবেশন করে বৈকুণ্ঠ আবৃত্তি একাডেমী। শুরুতেই সুরেলা পুঁথিপাঠের পর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। এতে রবীন্দ্রনাথ, জসীমউদ্দীন, শামসুর রাহমান, হুমায়ুন আজাদ, রফিক আজাদ, সৈয়দ শামসুল হক, তসলিমা নাসরিন, মুহম্মদ নুরুল হুদা, মহাদেব সাহা, ব্রেখটসহ নবীন-প্রবীণ ১৬ জন কবির মা-কেন্দ্রিক ২১টি কবিতা পাঠ করা হয়। পুরো আয়োজনটির গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা।

No comments

Powered by Blogger.