জনসংখ্যা বাড়াতে চীনে গর্ভনিরোধক পণ্যের দাম বাড়ছে
চীনা কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, তরুণদের বিয়ে ও সন্তান নিতে উৎসাহ দেওয়া। এর আগে, নব্বইয়ের দশকে কঠোর ‘এক সন্তান নীতি’ চালুর সময় গর্ভনিরোধক পণ্যে কর ছাড় ছিল। প্রায় ৩২ বছর পর সেই সুবিধা তুলে নেওয়া হলো।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা তিন বছর ধরে চীনে জন্মহার কমেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে জন্ম নেয় মাত্র ৯৫ লাখ শিশু, যা এক দশক আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। এতে ভবিষ্যতে কর্মক্ষম মানুষের ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার একদিকে গর্ভনিরোধকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছে, অন্যদিকে শিশু ও বয়স্কদের যত্ন এবং বিয়েসংক্রান্ত সেবায় কর ছাড় দিচ্ছে।
তবে কনডমে কর আরোপ নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, কনডমের দাম বাড়িয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, কনডমের দাম আর সন্তান লালন-পালনের খরচের পার্থক্য সবাই জানে।
বিশেষজ্ঞরাও এই নীতির কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, গর্ভনিরোধকের দাম বাড়লে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে, কিন্তু এতে জন্মহার বাড়বে না।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সন্তান পালনের উচ্চ ব্যয়, কঠিন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার খরচই মূলত তরুণদের সন্তান নেওয়া থেকে বিরত রাখছে—যা শুধু কর নীতির পরিবর্তনে সমাধান করা কঠিন।
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |

No comments