সুপার ফ্লু’র প্রকোপে নাজেহাল বৃটেনের হাসপাতালগুলো, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা
এতে বলা হয়, ক্ষেত্র বিশেষে বারতি সতর্কতা জারি করেছে বৃটেন সরকার। গণপরিবহনে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিছু হাসপাতাল ইতিমধ্যেই মাস্ক বাধ্যতামূলক করেছে। আর ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের মধ্যে বেশি সংখ্যক মানুষকে ফ্লু টিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এনএইচএস ইংল্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে গড়ে ২৬৬০ জন রোগী ফ্লু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। যা বছরের এ সময়ে সর্বোচ্চ। মাত্র এক সপ্তাহেই অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সংস্থাটি একে ‘অপ্রত্যাশিত সুপার ফ্লু ঢেউ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
এনএইচএস-এর ন্যাশনাল মেডিকেল ডিরেক্টর প্রফেসর মেঘনা পণ্ডিত বলেন, এই সময়ের তুলনায় হাসপাতালে ফ্লু রোগীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। আরও উদ্বেগজনক হলো- সংক্রমণ এখনো বাড়ছে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহ স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে।
বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ইউরোপজুড়ে আগাম ও তীব্র ফ্লু মৌসুম দেখা দিয়েছে। মহাদেশজুড়ে সংক্রমণ বাড়ছে একটি মিউটেটেড স্ট্রেইনের কারণে। ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল গত মাসেই জানায়, সংক্রমণ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক আগেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে বৃটেনে আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রেসিডেন্ট ডাক্তারা। ফলে স্বাস্থ্যসেবা খাতে চাপ আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির মোট চিকিৎসকদের প্রায় অর্ধেকই এ ধরনের রেসিডেন্ট ডাক্তার। ধর্মঘট ঠেকাতে বৃটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বুধবার নতুন কর্মপরিবেশ সংক্রান্ত প্রস্তাব দিয়েছেন। যা বর্তমানে বিবেচনা করছে ডাক্তারদের ইউনিয়ন।

No comments