সমকালীন প্রসঙ্গ-নারীনীতি, হরতাল, সরকার এবং আমরা by কাবেরী গায়েন

সম্পত্তিতে সমান অধিকারেরই শুধু নয়, নারীর পক্ষে যায় এমন যে কোনো কাজেরই বিরোধী এই ধর্মীয় গোষ্ঠী। তারা তাদের কাজটি করেছেন। কিন্তু বিরোধিতাকারী কি কেবল এই ধর্মীয় গোষ্ঠী? একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতি আপাদমস্তক সম্পত্তিতে


সমান অধিকারের বিরোধী গত ৮ মার্চ সরকার 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১' ঘোষণা করেছে। নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এ নীতিমালার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত ২৫(২) অনুচ্ছেদে উপার্জন, উত্তরাধিকার, ঋণ, ভূমি ও বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ক্ষেত্রে নারীর 'পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের অধিকারের' বিধান রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ১৯৯৭ সালের নারীনীতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছিল, যার ৭.২ অনুচ্ছেদে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে 'উত্তরাধিকার এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদসহ ভূমির ওপর নারীর পূর্ণ ও সমান সুযোগ এবং নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়া এবং সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নতুন আইন প্রণয়ন করার বিধান' রাখা হয়েছিল। সেদিক থেকে নারীনীতি-২০১১তে সরকার পরিষ্কার পিছু হটেছে। নারীনীতি-২০১১ অনুযায়ী, ধর্মীয় এবং প্রচলিত আইনে নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে যতটুকু পান শুধু সেটুকুর ওপর নারীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে এবং সেক্ষেত্রেও কোনো আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়নি, ফয়সালা করা হয়নি ভূমির ওপর অধিকারের বিষয়টি।
অথচ ধর্মভিত্তিক দলগুলো সম্পত্তির উত্তরাধিকারে নারী-পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে, যা কোরআনবিরোধী_ এমন দাবি করে নারীনীতিটি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে এবং সরকার পতনেরও হুমকি দিয়েছে। ৮ মার্চ ২০১১'র বিকেলেই রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে কমিটির আমির ও ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি আমিনী ৪ এপ্রিল হরতালের ডাক দেন এবং সে হরতাল বুকে কোরআন বেঁধে মিছিলকারী ও পুলিশের মধ্যকার সংঘর্ষের ভেতর দিয়ে শেষ হয়েছে। সরকারবিরোধী ধর্মভিত্তিক দলগুলোর পাশাপাশি সরকার সমর্থক ধর্মভিত্তিক দলগুলোও এই নারীনীতির বিরোধিতা করেছে। মহাজোটের শরিক দাবিদার মিসবাহুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোটও এ নীতির বিরোধী।
এসব হুমকির প্রতিক্রিয়া খুব দ্রুতই দিয়েছে সরকার। নারীনীতি ঘোষণার দিনই আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ গণমাধ্যমে বলেন, 'সরকার মুসলিম সম্পত্তি বণ্টন আইনে কোনো পরিবর্তন আনেনি। ইসলাম যেভাবে নারী-পুরুষের সম্পত্তির উত্তরাধিকার দিয়েছে, সরকার শুধু তা নিশ্চিত করতে সম্পত্তিতে নারীর অধিকারের কথা বলেছে।' (সমকাল, ৯ মার্চ)। এরপর মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং সবশেষে প্রধানমন্ত্রী কোরআনবিরোধী কোনো আইন করা হবে না মর্মে 'আশ্বস্ত' করেছেন।
সম্পত্তিতে সমান অধিকারেরই শুধু নয়, নারীর পক্ষে যায় এমন যে কোনো কাজেরই বিরোধী এই ধর্মীয় গোষ্ঠী। তারা তাদের কাজটি করেছেন। কিন্তু বিরোধিতাকারী কি কেবল এই ধর্মীয় গোষ্ঠী? একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতি আপাদমস্তক সম্পত্তিতে সমান অধিকারের বিরোধী। ধর্মীয় দলগুলোকে সঠিক সময়ে দৃশ্যপটে দেখতে পাই বলে অন্যদের অবস্থানটি আর খোলাসা করার দরকার হয় না। নারী সমাজের দাবির মুখে ১৯৯৭ সালের নীতিমালায় সম্পত্তিতে নারীর অধিকার এবং উত্তরাধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে যথেষ্ট সময় থাকা সত্ত্বেও এবং ধর্মীয় গোষ্ঠীর দৃশ্যমান কোনো আস্ফালন না থাকা সত্ত্বেও নীতিমালা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। বিএনপি এবং জামায়াত জোটের ২০০৪ সালের নীতিমালায় উত্তরাধিকার ও ভূমিতে অধিকারের পুরো বিষয়টিই লোপাট করে দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের নারীনীতিতে ৯.১৩ ধারায় উত্তরাধিকার এবং ভূমির ওপর অধিকারের বিষয়টি বাদ দিয়ে কেবল বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারীর সমান সুযোগ ও নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও ধর্মীয় দলগুলোর বিক্ষোভের মুখে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। এবার উত্তরাধিকারে সমান অধিকার প্রস্তাব থেকে সরে আসার পরও স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, ধর্মীয় আইনের পরিপন্থী কোনো আইন করা হবে না। ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ক্ষেত্রে আমরা তাদের অবস্থানটি পরিষ্কার দেখতে পাই মাঠে। কিন্তু ধর্মভিত্তিক নয় এমন কোনো রাজনৈতিক দলকে কিন্তু এই এজেন্ডায় ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মুখোমুখি দাঁড়াতে আমরা দেখিনি। তাহলে কি ধরে নেব কোনো রাজনৈতিক দলই আসলে সম্পত্তিতে সমান অধিকারের বিষয়টি মানে না? না হলে তারা মাঠে নেই কেন? ঠিকই, নারীকে সম্পত্তিতে সমঅধিকার কেন পুরুষতন্ত্র দিতে চাইবে যদি ধর্মের নামে বা আইনের নামে হাজার বছর ধরে চলে আসা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা দিয়ে সম্পদের ওপর অধিকার নিরঙ্কুশ করা যায়?
যারা এ আইনকে ধর্মবিরোধী আখ্যা দিচ্ছেন বা যারা বলছেন ধর্মবিরোধী কোনো আইন তারা করছেন না, বিনীতভাবে তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, ধর্মীয় বিধানের অনেক কিছুই কিন্তু পরিবর্তিত হয়েছে যুগের দাবিতে। এই ভূখণ্ডেই। নারী রাষ্ট্র প্রশাসকের বিধান ধর্মে স্বীকৃত না হলেও নারী নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় যাচ্ছে ধর্মভিত্তিক দলগুলো। নারী রাষ্ট্রপ্রশাসকের অধীনে মন্ত্রী হচ্ছেন প্রধান ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা। ১৯৩৭ সালে প্রণীত 'মুসলিম ব্যক্তিগত (শরিয়ত প্রয়োগ) আইন' দিয়ে মুসলিমদের বিয়ে, তালাক, দেনমোহর, উত্তরাধিকার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আইনের প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী কোনো নাবালক তার দাদা বা নানার সম্পত্তি পাবে না যদি তার দাদা-নানার আগেই তার বাবা-মা মারা যায়। কিন্তু ১৯৬১ সালে প্রণীত মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪নং ধারা অনুযায়ী নাবালক সন্তান তার দাদা-নানার সম্পত্তির ততটুকু পাবে যতটুকু তার বাবা-মা পেত। ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী একজন মুসলিম পুরুষ সর্বোচ্চ চার নারীকে বিয়ে করতে পারলেও ১৯৬১ সালের আইনের ৬নং ধারা অনুযায়ী সালিশ পরিষদের সম্মতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী মৌখিকভাবে তালাক দেওয়ার সুযোগ থাকলেও এ আইনে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী হিল্লা বিয়েকে বাতিল না করলেও এ আইনের ৭(৬)নং ধারায় কমপক্ষে তিনবার অনুরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলে হিল্লা বিয়েকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রেশনের কোনো বিধান মুসলিম শরিয়া আইনে না থাকলেও 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন ১৯৭৪' অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বামী দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকলে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী নারী স্বামীকে তালাক দিয়ে ফের বিয়ে করতে না পারলেও ১৯৩৯ সালের 'মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন'-এর ২নং ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি চার বছর নিখোঁজ থাকলে স্ত্রী স্বামীকে আদালতের মাধ্যমে তালাক দিতে পারেন।
জমিজমা সংক্রান্ত দানের ক্ষেত্রে, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টননামার ক্ষেত্রে বিগত জোট সরকারের আমলে রেজিস্ট্রেশনই শুধু বাধ্যতামূলক করা হয়নি, দাতা ও গ্রহীতার ছবি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে_ যেখানে ছবি তোলা ধর্মীয় দৃষ্টিতে হারাম। মুসলিম আইনের অগ্র ক্রয়াধিকার বা শুফা আইনেরও পরিবর্তন করা হয়েছে ১৯৫০ সালের 'স্টেট অ্যাকুইজিশন ও টেনান্সি অ্যাক্টে'র মাধ্যমে। ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী চুরি করলে হাত কেটে দেওয়া বা একজন পুরুষ সাক্ষীর সমকক্ষ হিসেবে দু'জন নারীর সাক্ষ্য নেওয়া হয় না আমাদের ফৌজদারি আইনে। এভাবে অসংখ্য উদাহরণ দিয়ে দেখান যাবে যে ধর্মীয় আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এমনকি সাংঘর্ষিক অনেক আইন প্রচলিত আছে বা নতুন করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব পরিবর্তনের ফলে এমনকি ধর্ম পালন করতে হলেও ধর্মের বিধান লঙ্ঘন করতে হচ্ছে। যেমন, ছবি তোলাকে হারাম ও কুফরি ফতোয়া দিচ্ছেন যে ওলামা-মাশায়েখরা তারাই পাসপোর্ট আইনের বিধান মেনে হজ করতে যাচ্ছেন। জনসংখ্যা কার্যক্রমে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, 'ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট', এমনকি ইদানীং একটি সন্তানের ব্যাপারেও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ছেলে-মেয়ের সমমর্যাদা মেনে নিলে সম্পত্তির উত্তরাধিকারে ছেলে ও মেয়েসন্তানের মধ্যে বৈষম্য বিলোপ না করার কী কারণ থাকতে পারে? মুসলিমপ্রধান দেশ মরক্কো, সেনেগাল, তুরস্ক, তিউনিসিয়াসহ কয়েকটি দেশে সম্পত্তির উত্তরাধিকারে নারী-পুরুষের সমঅধিকার রয়েছে।
আরেকটি বিষয়। যদিও খ্রিস্টান উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের অধিকার প্রায় সমান, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে নারী নিজস্ব অর্জিত সম্পত্তি বা উপহার সামগ্রী ছাড়া অর্থাৎ স্ত্রীধন ব্যতীত আর কোনো সম্পত্তির পূর্ণ স্বত্ব পায় না। অথচ হিন্দুপ্রধান দেশ ভারতে, হিন্দুরাষ্ট্র নেপালে এখন ধর্মীয় আইন সংস্কারের মাধ্যমে সম্পত্তিতে ছেলে-মেয়ের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়টিও নিরসন করা দরকার। যে হিন্দু নারী কোনো সম্পদেই অধিকারী নন, এই নীতিমালা তার কোন সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ অধিকার দিল?
বাংলাদেশ কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্র নয় বলেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আইনের মূল ভিত্তি এখনও গণতান্ত্রিক নীতিমালার ওপরেই প্রতিষ্ঠিত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে এমন নব্বই ভাগ আইন-ই ধর্মনিরপেক্ষ এবং সর্বজনীন। আমাদের সংবিধানের ১০, ১৯(১, ২), ২৭, ২৮ (১, ২, ৩, ৪), ২৯(১,২,৩-ক) ধারায় নারী-পুরুষের সবক্ষেত্রে সমাধিকারের বিষয়ে রাষ্ট্র অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে যেমন ধর্মীয় কোনো পার্থক্য নেই, তেমনি পারিবারিক আইনগুলোকেও দেওয়ানি আইন ও আদালতের আওতায় এনে ইউনিফর্ম সিভিল কোড প্রবর্তন করে পারিবারিক আইনের পার্থক্য দূর করা সম্ভব। সরকার যদি নারী প্রশ্নে সত্যিই আন্তরিক হয় তবে সিডও সনদ, সংবিধান ও নারী সমাজের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখিয়ে ১৯৯৭ সালের নারীনীতিকেই আইনে পরিণত করতে উদ্যোগী হবেন, যেটি তাদের নির্বাচনী ওয়াদাও ছিল। আর আমরা যারা সম্পত্তির প্রশ্নে নারী-পুরুষের সমতার ব্যাপারে আন্তরিক বলে দাবি করি তাদেরও প্রয়োজন দৃশ্যমান হওয়া। প্রয়োজন মুফতি আমিনী এবং বিএনপিসহ তাদের সমর্থনকারী গোষ্ঠীর মুখোমুখি নিজেদের অবস্থানটি পরিষ্কার করা। ১৯৯৭ থেকে ২০১১, সময় কেটেছে ১৪ বছর। মানুষকে প্রস্তুত করেনি আমাদের রাজনীতি আর তাই যে অধিকারের কথা বলা হয়েছিল ১৪ বছর আগে, সেখান থেকে এবারও পিছু হটতে হয়েছে খোদ নারীনীতিতেই। সরকারের এই দোদুল্যমানতা কাম্য নয়, এগিয়ে যাওয়ার কালে এগিয়েই যেতে হয়। গুটিকয়েক ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠনের দাবির কাছে (যেহেতু তাদেরই দৃশ্যপটে দেখা যায়) গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারগুলো বারবার নতিস্বীকার করবে না কি মানুষকে প্রস্তুত করে, সঙ্গে নিয়ে মানুষের অধিকারের প্রশ্নে সংবিধানকেই সমুন্নত রাখবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উৎকৃষ্ট সময় এই বয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক ও ছাত্রসমাজ যে প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১০ এপ্রিল অপরাজেয় বাংলায়, তেমন প্রতিরোধ গড়ে উঠুক সব জেলায়। মানুষ রাস্তায় অবস্থান নিলে নারীকে ঠকানোর শক্তি রাস্তা ছাড়তে বাধ্য হবে। নিরপেক্ষ থাকার কোনো সুযোগ সত্যিই আর নেই।

ড. কাবেরী গায়েন : সহযোগী অধ্যাপক গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

No comments

Powered by Blogger.