Tuesday, January 17, 2012
প্রচ্ছদ রচনা : ছাত্রলীগ!-যেন আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা!
প্রচ্ছদ রচনা : ছাত্রলীগ!-যেন আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা!
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, কুয়েটসহ দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ বেপরোয়া আচরণে মেতে উঠেছে। তারা পিটিয়ে মেরে ফেলছে তাদের সংগঠনের ছাত্রকেই। জাবির ছাত্র প্রয়াত জুবায়ের আহমদের মা এখন বুক চাপড়ে প্রশ্ন রাখছেন_'তোমরা কার বুক খালি করেছ।' ছাত্রলীগের এ ধরনের বেপরোয়া আচরণে আশ্চর্যরকম নিস্পৃহ ভূমিকায় আছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
আওয়ামী লীগ নেতারা তিরস্কারের মধ্যেই তাঁদের কর্তব্য শেষ করছেন। সাধারণ মানুষের মনে এখন প্রশ্ন, তাহলে কি আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা ছাত্রলীগের হাতেই বাজবে? ছাত্রলীগের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন
বয়স ১৬ কি ১৭। ঠিকমতো দাড়ি-গোঁফ গজায়নি। তার পরও ক্লিন শেভড। চোখে কালো চশমা। গলায় একটি টাইও ঝোলে। তার মাথার ওপর এক পাশে শোভা পায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। অন্য পাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। পাশে স্থানীয় এমপি বা মেয়রের বড় একটা ছবি। দেশের রাজপথে, আনাচ-কানাচে, অলিগলিতে এখন এ ধরনের পোস্টারের ছড়াছড়ি। পোস্টারের ভাষা হিসেবে লেখা থাকে_'ছাত্রলীগের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অমুক এমপির পক্ষ থেকে ছাত্রলীগ তমুক শাখার কোষাধ্যক্ষ বা দপ্তর সম্পাদকের সালাম নিন।'
১৬-১৭ বছরের একটা ছেলে যে কলেজের প্রথম বর্ষের ক্লাস করতে যাওয়ার জন্য বাবার কাছ থেকে যাতায়াত খরচ নেওয়ার কথা, সে ছাপায় পোস্টার। এক-দুই শ পোস্টার নয়, হাজার হাজার পোস্টার। নিজ এলাকা ছাপিয়ে পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে যায় পুরো জেলা।
পোস্টার ছাপানোর খরচ কোথা থেকে এলো_১৬ বছরের ছাত্রলীগ নেতাকে এ প্রশ্ন করার সাহস কারো নেই। বরং জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষী রেখে স্থানীয় এমপির ঢাউস সাইজের ছবিটি ছাপানোর জন্য ছাত্রলীগ নেতাটি বাহবা পায় এমপির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবার থেকে সে পায় সবচেয়ে বড় বাহবা। বাবা তাকে ডেকে বলেন, 'পোস্টারে শেখ মুজিবের অমুক ছবিটা দিলে ভালো হতো, কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ছবিটা আরেকটু বড় দিলি না কেন?' বোন ডেকে বলে, 'ভাইয়া, তুই ছাত্রলীগ করস বলেই আমি ইভ টিজিংয়ের মুখে পড়ি না।' শুধু মা-ই ছেলের নেতা হয়ে ওঠাকে ভয় পান। মনে মনে বিধাতাকে ডাকেন_'হে সর্বশক্তিমান, আমার নাড়িছেঁড়া ধনটির বয়স কম। তাই একটু বেপরোয়া। তুমি তাকে রক্ষা করো মাবুদ।'
ছাত্র মানেই ছাত্রলীগ
এখন যার বয়স ১৬ সে ছাত্রলীগ, যার বয়স ৪৮ সেও ছাত্রলীগ। একটা রংচটা জিন্সের প্যান্ট আর স্যান্ডো গেঞ্জি শরীরে চাপাতে পারলেই পরিচয় ছাত্রলীগ। ক্লাসরুম ছাড়া সর্বত্র বিরাজমান ছাত্রলীগ। ফুটপাতের যে মুচি, সে যেমন হিসাবে রাখে ছাত্রলীগকে, তেমনি প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারও লাভের একটা অংশ ধরে রাখে ছাত্রলীগের জন্য। মানুষ মেনেই নিয়েছে, ছাত্রলীগকে বখরা না দিয়ে কোনো কাজই হবে না। কিন্তু মানুষ বিভ্রান্ত কত ধরনের ছাত্রলীগকে বখরা দিতে হবে তা নিয়ে। সভাপতি গ্রুপকে বিদায় করতে না করতেই হাজির হয় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। সে গ্রুপকে কিছু একটা দিয়ে বিদায়ের আগে হাজির কলেজের ভিপি গ্রুপ, জিএস গ্রুপ। তারপর থানা ছাত্রলীগ, তারপর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, তারপর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ। সব গ্রুপকেই সবাই খুশি রাখে। আর এই খুশি রাখতে গিয়ে চাপ পড়ে দ্রব্যমূল্যের ওপর। মূল্যস্ফীতি বাড়তেই থাকে। মূল্যস্ফীতির চাপে মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে। সরকারের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে জনগণ।
সমস্যা ছিল না ছাত্রলীগের বেপরোয়া বখরা আদায়ে। সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়িতে মেতে ওঠে। কেন তার এলাকা থেকে বখরা আনতে গেল বা চাঁদা আনার তুই কে_এই ইস্যুতে যখন অস্ত্রের ঝনঝনানি শুরু হয়, লঙ্কাকাণ্ড বাধে, রক্তারক্তি ঘটে, তখন মানুষ শিউরে ওঠে। হু হু করে বিলাপ ওঠে কোনো মায়ের বুকের গহিন থেকে। যেমন করে এখন বিলাপ করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭তম ব্যাচের স্নাতক চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা শেষ করা জুবায়ের আহমেদের মা হাসিনা আহমেদ।
জুবায়েরকে প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল বা ছাত্রশিবির হত্যা করেনি। জুবায়ের সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়ে হত্যার শিকার হননি, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা জুবায়েরকে মারেনি, পুলিশ, র্যাব কিংবা কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপের টার্গেট হয়ে জুবায়ের খুন হননি। জুবায়ের যে ছাত্র সংগঠনের সদস্য ছিলেন, যে সংগঠনের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জুবায়ের মিছিল-মিটিং করতেন, চা-স্টলে বসে চা খেতেন, আড্ডা দিতেন, সেই সংগঠনের সদস্যরাই জুবায়ের আহমেদকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। সংগঠনটির নাম ছাত্রলীগ।
জুবায়েরের মা কান্নায় ভেঙে পড়া কণ্ঠে এখন প্রশ্ন রাখছেন_'তোমরা কার বুক খালি করেছ।' প্রশ্নটি ব্যাপক, উত্তর বিস্তৃত। জুবায়েরের বাবা তোফায়েল আহমেদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রশ্ন রাখছেন, 'আমার ছেলেকে কেন মারল, তার দোষ কী।' এই প্রশ্নটিও ব্যাপক, উত্তর আরো বিস্তৃত।
বুক খালি হওয়া মা-বাবা এর চেয়েও কঠিন প্রশ্ন করতে পারেন। করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর কী সদুত্তর দেবে ছাত্রলীগের মূল সংগঠন আওয়ামী লীগ। অতীতে ও বর্তমানে আওয়ামী লীগ তার ছাত্র সংগঠনের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে যা করেছে, তার নাম 'তিরস্কার'। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কী জানে, ছাত্রলীগ তিরস্কারকে 'পুরস্কার' হিসেবে জ্ঞান করে। পত্রিকায় নাম উঠেছে বলে গর্বে গদগদ হয়। যে কমিটির নামে অভিযোগ ওঠে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ত্বরিত সে কমিটি ভেঙে দেয়। যে ছাত্রলীগ নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, বড়জোর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। আবার কিছুদিন পর কোনো সম্মেলন বা সভা উপলক্ষে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে বহিষ্কার করার আগে যে ছাত্রলীগ থাকে বেপরোয়া, বহিষ্কার করলে সে হয়ে ওঠে শান্ত, আর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলে সে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে হয়ে ওঠে কঠিন বেপরোয়া। এমন বেপরোয়া যে সে নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা করতে পর্যন্ত কসুর করে না। করবেই বা কেন? কারণ সে বছরের পর বছর ধরে দেখে এসেছে, দলীয় কোন্দলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের কোনো কালেই কোনো বিচার হয়নি।
অথচ যদি বিচার হতো, হত্যাকারীরা শাস্তি পেত, তাহলে নব্য হত্যাকারীরা প্রমাদ গুনত। কিন্তু হত্যাকারীরা দেখেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ বছরে যে ৭৪টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তার কোনোটিরই বিচার হয়নি। এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ, ছাত্রদল-ছাত্রদল, ছাত্রলীগ-ছাত্রলীগের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তখন তারা হত্যার নেতৃত্ব গ্রহণ করে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রদল হত্যার হোলিখেলায় মেতে ওঠে, আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রলীগ গ্রহণ করে হত্যার নেতৃত্ব।
টাকার বিনিময়ে ছাত্রলীগের কমিটি
ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে কারা স্থান পায়, কিভাবে পায়, তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে আছে শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির কথা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠনের সময় এই তিনটি মূলমন্ত্রের কয়টি বিবেচনায় রাখে? অভিযোগ উঠেছে, এই তিন মূলমন্ত্রকে ফাইলবন্দি করে কমিটি গঠনের সময় চলে টাকার খেলা। ছাত্র হোক, অছাত্র হোক, ছাত্রত্ব না থাকুক_যে বেশি টাকা দিতে পারে সে-ই স্থান পায় কমিটিতে। কমিটিতে ঢোকার জন্য একজন ছাত্র যত টাকা বিনিয়োগ করে, তার ২০ গুণ তুলে নিতে চায় এক বছরে। ফলে তাকে হতে হয় বেপরোয়া। বিষয়টি ছাত্রলীগের জন্য যেমন প্রযোজ্য, ছাত্রদলের জন্যও তেমনি।
ছাত্রলীগ নামের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নৈতিক অবক্ষয়ের বিষয়টি এখন বেশ আলোচনার বিষয়। সরকারের বাকি আছে দুই বছরেরও কম সময়। বলা হচ্ছে, এই সময় যত কমতে থাকবে, ছাত্রলীগ ততই বেপরোয়া হয়ে উঠবে। কারণ সরকারে আওয়ামী লীগ থাকায় ছাত্রলীগের কথায় এখন ওঠে-বসে প্রশাসন। কোনো একটা ঘটনা ঘটলে প্রশাসন আগে জানতে চায়, ওই ঘটনার নেপথ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ছাত্রলীগ আছে কি না। যদি থাকে তাহলে ঘটনার ট্রিটমেন্ট হয় এক রকম, না থাকলে অন্য রকম। একজন পুলিশ অফিসার একজন মাদকসেবীকে আটকের আগে জানতে চায় সে ছাত্রলীগ করে কি না, কোনো মামলায় আসামির খাতায় নাম ওঠানোর আগে পুলিশ সর্বতোভাবে বিবেচনায় রাখে, ওই আসামি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কি না।
ছাত্রলীগ বিষয়টি বোঝে। সে দিব্যচক্ষু দিয়ে দেখে, থানার ওসি ও এসআই তাকে তোয়াজ করেন। ইউএনও পিঠে চাপড় মেরে হাসি-হাসি মুখে কথা বলেন। ডিসি তাদের নিয়ে আলোচনা সভায় বসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তাদের নিয়ে গর্ববোধ করেন। ফলে সে সুযোগ গ্রহণ করে। কত দ্রুত কত অর্থ কামানো যায়, তা-ই হয়ে ওঠে তার ধ্যান-জ্ঞান। সে এ-ও বোঝে, তার দল ক্ষমতায় না থাকলে যারা আজ তাদের তোয়াজ করছেন, তারাই তাদের ডাণ্ডা মেরে ঠাণ্ডা করবেন। ছাত্রলীগ যেমন বোঝে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে প্রশাসন তার; ছাত্রদলও তেমনি বোঝে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে প্রশাসন তার। কিন্তু ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের কেউই বুঝতে চায় না, প্রশাসন আসলে কারো নয়। যদি বুঝত, তাহলে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দখলে রাখা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজের হল ছেড়ে দিতে হতো না। পাঁচ বছরের জন্য গর্তে লুকিয়ে পড়তে হতো না। যেমনটি এখন লুকিয়েছে ছাত্রদল। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এখনো সুযোগ রয়েছে, সারা দেশের বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটিগুলোকে ঢেলে সাজানোর। শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পথে ছাত্রলীগকে উজ্জীবিত করার। এটা সম্ভব হবে তখনই, যখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নৈতিক অবক্ষয় থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবেন। অবক্ষয়মুক্ত ছাত্র নেতৃত্বই পারে সারা দেশে সুশীল ছাত্রলীগ সমাজ তৈরি করতে। আগামী দুই বছরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি নিজেদের ও অন্যদের শোধরাতে না পারেন, তাহলে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী গর্তে লুকিয়ে পড়তে হবে। চিরায়ত নিয়মের এই অর্গল ভাঙতে হবে ছাত্রলীগকেই। কারণ দেশের সর্বপ্রাচীন সংগঠন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনটিরই একমাত্র সে ধরনের সক্ষমতা আছে।
আওয়ামী লীগের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী ইশতেহার
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছিল, তাতে অনেক ঘোষণার মধ্যে একটি ছিল_নির্বাচনে জয়লাভ করলে দলটি দেশের শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাসমুক্ত রাখবে। তিন বছর পর এখন বিশ্লেষণের দাবি রাখে, আওয়ামী লীগ শিক্ষাঙ্গনকে কতটুকু সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে পেরেছে? গত তিন বছরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, খুনোখুনি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও দলীয় কোন্দল এমন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে যে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখার অঙ্গীকারটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিস্পৃহতা নিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে নিত্য সংঘর্ষ। সেখানে ছাত্রলীগ ভিসির পক্ষে স্লোগান তুলছে, 'ভিসি তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই।' শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করছেন প্রক্টর। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছে ১৯ বার। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের ওপর হামলা চালিয়েছে ১০ বার। ছাত্রলীগের নিজেদের মধ্যে মারামারিতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বাধ্য করে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এক মাস ধরে বন্ধ আছে ছাত্রলীগের পরস্পরের মারামারিতে। সাতক্ষীরা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মেতেছে ধর্ষণ উৎসবে। তারা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে এনে একজন নৃত্যশিল্পীর শ্লীলতাহানি ঘটিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙে দিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার করেছে।
ছাত্রলীগের ৮৭টি জেলা কমিটি রয়েছে। সাতক্ষীরার কমিটি ভেঙে দেওয়ায় এখন এই সংখ্যা ৮৬। সাতক্ষীরায় যা ঘটেছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুধাবন করা দরকার, অন্যান্য জেলা কমিটিতেও একই ঘটনা ঘটছে কি না। পুলিশের তৎপরতায় সাতক্ষীরার ঘটনাটি প্রকাশ হয়েছে এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ভেঙে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ দায়িত্ব শেষ করেছে। সব ঘটনাই সব সময় প্রকাশ হয় না এবং কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ছাত্রলীগ শাসক দলের গরমে দেশের আনাচ-কানাচে এ রকম বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে, যা প্রকাশিত হয় না। কিন্তু মানুষ এসব মনে রাখে। আমজনতার সুযোগ বারবার আসে না। কালেভদ্রে আসে। সেই সুযোগ আমজনতা ভালোভাবেই প্রয়োগ করে সরকারের পরিবর্তন ঘটিয়ে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এখনই বুঝতে হবে, ছাত্রলীগের সর্বগ্রাসী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে না পারলে সামনে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে মহাবিপদ। গত তিন বছরে আওয়ামী লীগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য স্থানে সন্ত্রাসের ডালপালা বিস্তৃত হতে দেয়নি। গত তিন বছরে সারা দেশে একজন গডফাদারও সৃষ্টি হয়নি। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানুষ মেনে নিয়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে। কৃষি উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন থাকার কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিও মানুষ মেনে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, তা আমজনতা মেনে নিলেও ছাত্রলীগের 'বেয়াদবি' মেনে নেয়নি। ছাত্রলীগের আতঙ্কে আতঙ্কিত মানুষ। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্দেশে এখন বলার সময় এসেছে, নির্বাচনী ইশতেহারের অন্তত 'শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাসমুক্ত' রাখার ঘোষণাটি বাস্তবায়ন করুন। নইলে আগামী নির্বাচনে ছাত্রলীগ 'বিষফোড়া' হয়ে আওয়ামী লীগকে দংশন করবে।
আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা যেন না বাজায় ছাত্রলীগ
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বহুবার বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সে বিপর্যয় তারা আবার কাটিয়েও উঠেছে। তবে প্রমাণিত সত্য যে ছাত্রলীগের কারণে আওয়ামী লীগকে কখনো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হয়নি। ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস স্বর্ণোজ্জ্বল। কিছুদিন আগে প্রয়াত আবদুর রাজ্জাক সে প্রমাণ রেখে গেছেন। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবদুর রাজ্জাকের জানাজায় অংশ নিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। শুধু আবদুর রাজ্জাকই নন, তাঁর মতো বহু ছাত্রলীগ নেতাকে মানুষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে তাঁদের নেতৃত্বের গুণাবলির কারণে। কিন্তু হায়, ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে সে গুণাবলি কোথায়?
ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত ছাত্রলীগ এখন যা করছে, তাতে আওয়ামী লীগের নেতারা বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। তাঁরা কিছু বলতেও পারছেন না, সইতেও পারছেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন ছাত্রলীগের ঔদ্ধত্যের কাছে। তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের এই জনবিচ্ছিন্নতায় দলটির মৃত্যুঘণ্টার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
ছাত্রলীগ যাতে আওয়ামী লীগের মৃত্যুঘণ্টা বাজাতে না পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে। উপদেশ, তিরস্কার, বহিষ্কার নয়; আইনি ব্যবস্থাই পারে ছাত্রলীগের লাগাম টেনে ধরতে। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ায় যত কঠোরতা দেখাবেন, ততই লীগের জন্য মঙ্গল।
বয়স ১৬ কি ১৭। ঠিকমতো দাড়ি-গোঁফ গজায়নি। তার পরও ক্লিন শেভড। চোখে কালো চশমা। গলায় একটি টাইও ঝোলে। তার মাথার ওপর এক পাশে শোভা পায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। অন্য পাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। পাশে স্থানীয় এমপি বা মেয়রের বড় একটা ছবি। দেশের রাজপথে, আনাচ-কানাচে, অলিগলিতে এখন এ ধরনের পোস্টারের ছড়াছড়ি। পোস্টারের ভাষা হিসেবে লেখা থাকে_'ছাত্রলীগের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অমুক এমপির পক্ষ থেকে ছাত্রলীগ তমুক শাখার কোষাধ্যক্ষ বা দপ্তর সম্পাদকের সালাম নিন।'
১৬-১৭ বছরের একটা ছেলে যে কলেজের প্রথম বর্ষের ক্লাস করতে যাওয়ার জন্য বাবার কাছ থেকে যাতায়াত খরচ নেওয়ার কথা, সে ছাপায় পোস্টার। এক-দুই শ পোস্টার নয়, হাজার হাজার পোস্টার। নিজ এলাকা ছাপিয়ে পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে যায় পুরো জেলা।
পোস্টার ছাপানোর খরচ কোথা থেকে এলো_১৬ বছরের ছাত্রলীগ নেতাকে এ প্রশ্ন করার সাহস কারো নেই। বরং জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষী রেখে স্থানীয় এমপির ঢাউস সাইজের ছবিটি ছাপানোর জন্য ছাত্রলীগ নেতাটি বাহবা পায় এমপির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিবার থেকে সে পায় সবচেয়ে বড় বাহবা। বাবা তাকে ডেকে বলেন, 'পোস্টারে শেখ মুজিবের অমুক ছবিটা দিলে ভালো হতো, কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ছবিটা আরেকটু বড় দিলি না কেন?' বোন ডেকে বলে, 'ভাইয়া, তুই ছাত্রলীগ করস বলেই আমি ইভ টিজিংয়ের মুখে পড়ি না।' শুধু মা-ই ছেলের নেতা হয়ে ওঠাকে ভয় পান। মনে মনে বিধাতাকে ডাকেন_'হে সর্বশক্তিমান, আমার নাড়িছেঁড়া ধনটির বয়স কম। তাই একটু বেপরোয়া। তুমি তাকে রক্ষা করো মাবুদ।'
ছাত্র মানেই ছাত্রলীগ
এখন যার বয়স ১৬ সে ছাত্রলীগ, যার বয়স ৪৮ সেও ছাত্রলীগ। একটা রংচটা জিন্সের প্যান্ট আর স্যান্ডো গেঞ্জি শরীরে চাপাতে পারলেই পরিচয় ছাত্রলীগ। ক্লাসরুম ছাড়া সর্বত্র বিরাজমান ছাত্রলীগ। ফুটপাতের যে মুচি, সে যেমন হিসাবে রাখে ছাত্রলীগকে, তেমনি প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারও লাভের একটা অংশ ধরে রাখে ছাত্রলীগের জন্য। মানুষ মেনেই নিয়েছে, ছাত্রলীগকে বখরা না দিয়ে কোনো কাজই হবে না। কিন্তু মানুষ বিভ্রান্ত কত ধরনের ছাত্রলীগকে বখরা দিতে হবে তা নিয়ে। সভাপতি গ্রুপকে বিদায় করতে না করতেই হাজির হয় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। সে গ্রুপকে কিছু একটা দিয়ে বিদায়ের আগে হাজির কলেজের ভিপি গ্রুপ, জিএস গ্রুপ। তারপর থানা ছাত্রলীগ, তারপর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, তারপর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ। সব গ্রুপকেই সবাই খুশি রাখে। আর এই খুশি রাখতে গিয়ে চাপ পড়ে দ্রব্যমূল্যের ওপর। মূল্যস্ফীতি বাড়তেই থাকে। মূল্যস্ফীতির চাপে মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে। সরকারের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে জনগণ।
সমস্যা ছিল না ছাত্রলীগের বেপরোয়া বখরা আদায়ে। সমস্যা দেখা দেয় তখনই, যখন ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়িতে মেতে ওঠে। কেন তার এলাকা থেকে বখরা আনতে গেল বা চাঁদা আনার তুই কে_এই ইস্যুতে যখন অস্ত্রের ঝনঝনানি শুরু হয়, লঙ্কাকাণ্ড বাধে, রক্তারক্তি ঘটে, তখন মানুষ শিউরে ওঠে। হু হু করে বিলাপ ওঠে কোনো মায়ের বুকের গহিন থেকে। যেমন করে এখন বিলাপ করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭তম ব্যাচের স্নাতক চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা শেষ করা জুবায়ের আহমেদের মা হাসিনা আহমেদ।
জুবায়েরকে প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল বা ছাত্রশিবির হত্যা করেনি। জুবায়ের সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়ে হত্যার শিকার হননি, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা জুবায়েরকে মারেনি, পুলিশ, র্যাব কিংবা কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপের টার্গেট হয়ে জুবায়ের খুন হননি। জুবায়ের যে ছাত্র সংগঠনের সদস্য ছিলেন, যে সংগঠনের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জুবায়ের মিছিল-মিটিং করতেন, চা-স্টলে বসে চা খেতেন, আড্ডা দিতেন, সেই সংগঠনের সদস্যরাই জুবায়ের আহমেদকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। সংগঠনটির নাম ছাত্রলীগ।
জুবায়েরের মা কান্নায় ভেঙে পড়া কণ্ঠে এখন প্রশ্ন রাখছেন_'তোমরা কার বুক খালি করেছ।' প্রশ্নটি ব্যাপক, উত্তর বিস্তৃত। জুবায়েরের বাবা তোফায়েল আহমেদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রশ্ন রাখছেন, 'আমার ছেলেকে কেন মারল, তার দোষ কী।' এই প্রশ্নটিও ব্যাপক, উত্তর আরো বিস্তৃত।
বুক খালি হওয়া মা-বাবা এর চেয়েও কঠিন প্রশ্ন করতে পারেন। করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর কী সদুত্তর দেবে ছাত্রলীগের মূল সংগঠন আওয়ামী লীগ। অতীতে ও বর্তমানে আওয়ামী লীগ তার ছাত্র সংগঠনের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে যা করেছে, তার নাম 'তিরস্কার'। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কী জানে, ছাত্রলীগ তিরস্কারকে 'পুরস্কার' হিসেবে জ্ঞান করে। পত্রিকায় নাম উঠেছে বলে গর্বে গদগদ হয়। যে কমিটির নামে অভিযোগ ওঠে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ত্বরিত সে কমিটি ভেঙে দেয়। যে ছাত্রলীগ নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, বড়জোর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। আবার কিছুদিন পর কোনো সম্মেলন বা সভা উপলক্ষে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। ফলে বহিষ্কার করার আগে যে ছাত্রলীগ থাকে বেপরোয়া, বহিষ্কার করলে সে হয়ে ওঠে শান্ত, আর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলে সে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে হয়ে ওঠে কঠিন বেপরোয়া। এমন বেপরোয়া যে সে নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা করতে পর্যন্ত কসুর করে না। করবেই বা কেন? কারণ সে বছরের পর বছর ধরে দেখে এসেছে, দলীয় কোন্দলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের কোনো কালেই কোনো বিচার হয়নি।
অথচ যদি বিচার হতো, হত্যাকারীরা শাস্তি পেত, তাহলে নব্য হত্যাকারীরা প্রমাদ গুনত। কিন্তু হত্যাকারীরা দেখেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ বছরে যে ৭৪টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তার কোনোটিরই বিচার হয়নি। এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ, ছাত্রদল-ছাত্রদল, ছাত্রলীগ-ছাত্রলীগের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তখন তারা হত্যার নেতৃত্ব গ্রহণ করে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রদল হত্যার হোলিখেলায় মেতে ওঠে, আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রলীগ গ্রহণ করে হত্যার নেতৃত্ব।
টাকার বিনিময়ে ছাত্রলীগের কমিটি
ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে কারা স্থান পায়, কিভাবে পায়, তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে আছে শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির কথা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠনের সময় এই তিনটি মূলমন্ত্রের কয়টি বিবেচনায় রাখে? অভিযোগ উঠেছে, এই তিন মূলমন্ত্রকে ফাইলবন্দি করে কমিটি গঠনের সময় চলে টাকার খেলা। ছাত্র হোক, অছাত্র হোক, ছাত্রত্ব না থাকুক_যে বেশি টাকা দিতে পারে সে-ই স্থান পায় কমিটিতে। কমিটিতে ঢোকার জন্য একজন ছাত্র যত টাকা বিনিয়োগ করে, তার ২০ গুণ তুলে নিতে চায় এক বছরে। ফলে তাকে হতে হয় বেপরোয়া। বিষয়টি ছাত্রলীগের জন্য যেমন প্রযোজ্য, ছাত্রদলের জন্যও তেমনি।
ছাত্রলীগ নামের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নৈতিক অবক্ষয়ের বিষয়টি এখন বেশ আলোচনার বিষয়। সরকারের বাকি আছে দুই বছরেরও কম সময়। বলা হচ্ছে, এই সময় যত কমতে থাকবে, ছাত্রলীগ ততই বেপরোয়া হয়ে উঠবে। কারণ সরকারে আওয়ামী লীগ থাকায় ছাত্রলীগের কথায় এখন ওঠে-বসে প্রশাসন। কোনো একটা ঘটনা ঘটলে প্রশাসন আগে জানতে চায়, ওই ঘটনার নেপথ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ছাত্রলীগ আছে কি না। যদি থাকে তাহলে ঘটনার ট্রিটমেন্ট হয় এক রকম, না থাকলে অন্য রকম। একজন পুলিশ অফিসার একজন মাদকসেবীকে আটকের আগে জানতে চায় সে ছাত্রলীগ করে কি না, কোনো মামলায় আসামির খাতায় নাম ওঠানোর আগে পুলিশ সর্বতোভাবে বিবেচনায় রাখে, ওই আসামি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কি না।
ছাত্রলীগ বিষয়টি বোঝে। সে দিব্যচক্ষু দিয়ে দেখে, থানার ওসি ও এসআই তাকে তোয়াজ করেন। ইউএনও পিঠে চাপড় মেরে হাসি-হাসি মুখে কথা বলেন। ডিসি তাদের নিয়ে আলোচনা সভায় বসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তাদের নিয়ে গর্ববোধ করেন। ফলে সে সুযোগ গ্রহণ করে। কত দ্রুত কত অর্থ কামানো যায়, তা-ই হয়ে ওঠে তার ধ্যান-জ্ঞান। সে এ-ও বোঝে, তার দল ক্ষমতায় না থাকলে যারা আজ তাদের তোয়াজ করছেন, তারাই তাদের ডাণ্ডা মেরে ঠাণ্ডা করবেন। ছাত্রলীগ যেমন বোঝে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে প্রশাসন তার; ছাত্রদলও তেমনি বোঝে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে প্রশাসন তার। কিন্তু ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের কেউই বুঝতে চায় না, প্রশাসন আসলে কারো নয়। যদি বুঝত, তাহলে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দখলে রাখা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজের হল ছেড়ে দিতে হতো না। পাঁচ বছরের জন্য গর্তে লুকিয়ে পড়তে হতো না। যেমনটি এখন লুকিয়েছে ছাত্রদল। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এখনো সুযোগ রয়েছে, সারা দেশের বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটিগুলোকে ঢেলে সাজানোর। শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পথে ছাত্রলীগকে উজ্জীবিত করার। এটা সম্ভব হবে তখনই, যখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নৈতিক অবক্ষয় থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবেন। অবক্ষয়মুক্ত ছাত্র নেতৃত্বই পারে সারা দেশে সুশীল ছাত্রলীগ সমাজ তৈরি করতে। আগামী দুই বছরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি নিজেদের ও অন্যদের শোধরাতে না পারেন, তাহলে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী গর্তে লুকিয়ে পড়তে হবে। চিরায়ত নিয়মের এই অর্গল ভাঙতে হবে ছাত্রলীগকেই। কারণ দেশের সর্বপ্রাচীন সংগঠন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনটিরই একমাত্র সে ধরনের সক্ষমতা আছে।
আওয়ামী লীগের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী ইশতেহার
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছিল, তাতে অনেক ঘোষণার মধ্যে একটি ছিল_নির্বাচনে জয়লাভ করলে দলটি দেশের শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাসমুক্ত রাখবে। তিন বছর পর এখন বিশ্লেষণের দাবি রাখে, আওয়ামী লীগ শিক্ষাঙ্গনকে কতটুকু সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে পেরেছে? গত তিন বছরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, খুনোখুনি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও দলীয় কোন্দল এমন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে যে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখার অঙ্গীকারটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিস্পৃহতা নিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে নিত্য সংঘর্ষ। সেখানে ছাত্রলীগ ভিসির পক্ষে স্লোগান তুলছে, 'ভিসি তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই।' শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে লাঞ্ছিত করছেন প্রক্টর। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছে ১৯ বার। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের ওপর হামলা চালিয়েছে ১০ বার। ছাত্রলীগের নিজেদের মধ্যে মারামারিতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বাধ্য করে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এক মাস ধরে বন্ধ আছে ছাত্রলীগের পরস্পরের মারামারিতে। সাতক্ষীরা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মেতেছে ধর্ষণ উৎসবে। তারা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে এনে একজন নৃত্যশিল্পীর শ্লীলতাহানি ঘটিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙে দিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার করেছে।
ছাত্রলীগের ৮৭টি জেলা কমিটি রয়েছে। সাতক্ষীরার কমিটি ভেঙে দেওয়ায় এখন এই সংখ্যা ৮৬। সাতক্ষীরায় যা ঘটেছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুধাবন করা দরকার, অন্যান্য জেলা কমিটিতেও একই ঘটনা ঘটছে কি না। পুলিশের তৎপরতায় সাতক্ষীরার ঘটনাটি প্রকাশ হয়েছে এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ভেঙে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ দায়িত্ব শেষ করেছে। সব ঘটনাই সব সময় প্রকাশ হয় না এবং কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ছাত্রলীগ শাসক দলের গরমে দেশের আনাচ-কানাচে এ রকম বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে, যা প্রকাশিত হয় না। কিন্তু মানুষ এসব মনে রাখে। আমজনতার সুযোগ বারবার আসে না। কালেভদ্রে আসে। সেই সুযোগ আমজনতা ভালোভাবেই প্রয়োগ করে সরকারের পরিবর্তন ঘটিয়ে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এখনই বুঝতে হবে, ছাত্রলীগের সর্বগ্রাসী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে না পারলে সামনে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে মহাবিপদ। গত তিন বছরে আওয়ামী লীগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য স্থানে সন্ত্রাসের ডালপালা বিস্তৃত হতে দেয়নি। গত তিন বছরে সারা দেশে একজন গডফাদারও সৃষ্টি হয়নি। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানুষ মেনে নিয়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে। কৃষি উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন থাকার কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিও মানুষ মেনে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, তা আমজনতা মেনে নিলেও ছাত্রলীগের 'বেয়াদবি' মেনে নেয়নি। ছাত্রলীগের আতঙ্কে আতঙ্কিত মানুষ। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্দেশে এখন বলার সময় এসেছে, নির্বাচনী ইশতেহারের অন্তত 'শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাসমুক্ত' রাখার ঘোষণাটি বাস্তবায়ন করুন। নইলে আগামী নির্বাচনে ছাত্রলীগ 'বিষফোড়া' হয়ে আওয়ামী লীগকে দংশন করবে।
আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা যেন না বাজায় ছাত্রলীগ
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বহুবার বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সে বিপর্যয় তারা আবার কাটিয়েও উঠেছে। তবে প্রমাণিত সত্য যে ছাত্রলীগের কারণে আওয়ামী লীগকে কখনো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হয়নি। ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস স্বর্ণোজ্জ্বল। কিছুদিন আগে প্রয়াত আবদুর রাজ্জাক সে প্রমাণ রেখে গেছেন। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবদুর রাজ্জাকের জানাজায় অংশ নিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। শুধু আবদুর রাজ্জাকই নন, তাঁর মতো বহু ছাত্রলীগ নেতাকে মানুষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে তাঁদের নেতৃত্বের গুণাবলির কারণে। কিন্তু হায়, ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে সে গুণাবলি কোথায়?
ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত ছাত্রলীগ এখন যা করছে, তাতে আওয়ামী লীগের নেতারা বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। তাঁরা কিছু বলতেও পারছেন না, সইতেও পারছেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন ছাত্রলীগের ঔদ্ধত্যের কাছে। তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের এই জনবিচ্ছিন্নতায় দলটির মৃত্যুঘণ্টার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
ছাত্রলীগ যাতে আওয়ামী লীগের মৃত্যুঘণ্টা বাজাতে না পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে। উপদেশ, তিরস্কার, বহিষ্কার নয়; আইনি ব্যবস্থাই পারে ছাত্রলীগের লাগাম টেনে ধরতে। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ায় যত কঠোরতা দেখাবেন, ততই লীগের জন্য মঙ্গল।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1267)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 17
(116)
- কার অপেক্ষায় by আল মাহমুদ
- মোটামুটি by ফ্লোরা সরকার
- নির্বাচন কমিশনের দায়মুক্তি কেন? by মোহাম্মদ নুরাল হক্
- 'এক পলকের একটু দেখা/ আরও একটু বেশি হলে ক্ষতি কি?’....
- ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে তাণ্ডব : গণতন্ত্রের স্বা...
- সরকারি ধান-চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ অনিশ্চিতঃ...
- মুবারকের বিচার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু
- ‘ধুম’-এর সিক্যুয়েলে রানী!
- আইভরি কোস্ট সফরে হিলারি
- সিউলকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ
- ‘অ্যাভাটার ২’ গিয়ে ঠেকেছে ২০১৬-তে
- চিকিৎসকদের যেখানে বদলি করা হবে, সেখানেই থাকতে হবে:...
- কলেজ ছাত্রীকে পতিতা আখ্যায় ইউএনওকে হাইকোর্টে তলব
- ধর্মঘটের পর কর্মবিরতিতে বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা
- তিস্তা অভিমুখে জাতীয় পার্টির লংমার্চ শুরু
- তিস্তা চুক্তি হয়নি কেন?
- ইশা শারভানির বিয়ে
- যুব সমাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী-আত্মকর্মসংস্থানে নি...
- নরসিংদী মেয়র উপনির্বাচন-বাদী-আসামি ভোটযুদ্ধ সব কেন...
- গিলানিকে সুপ্রিম কোর্টে তলব-পার্লামেন্টে আস্থা ভোট...
- সড়কে প্রাণহানি-নিরাপত্তা এখনো অনিশ্চিত
- পাসওয়ার্ড চুরি করে পণ্য খালাস!-চট্টগ্রাম কাস্টম হা...
- পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে আয়কর আইন সংশোধন
- আন্দোলন চলবে বাকি দাবি আদায়ে কালো ব্যাজ ধারণ-আন্দো...
- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্...
- রক্তে ভয়ংকর মাত্রায় বিষ-অবিলম্বে সব দূষণ রোধ করতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-দুনিয়ার বিত্ত-বৈভব লাভের ক্ষেত্...
- সড়ক দুর্ঘটনা ও মিডিয়ার ভূমিকা by আরিফুর রহমান খাদেম
- আমায় ক্ষমো হে-ওয়াল স্ট্রিট দখল আন্দোলন ও বাজার অ...
- চরাচর-গুইসাপের অস্তিত্ব হুমকির মুখে by আজিজুর রহমান
- আকাশে শান্তির নীড় by মুহম্মদ জাকীউল ইসলাম
- ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, ড. এ কে এম রিয়াজুল হাস...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-দুই উপদেষ্টার জয়, বাংলাদেশের কূ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-অশ্লীলতা ও পাপ কাজ নিষিদ্ধ করা ...
- উপকূলীয় কৃষি : জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজনকৌশল by ড....
- গাদ্দাফি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তুমুল বিতর্ক by গাজীউল হ...
- ইইউ বাংলাদেশের প্রধান-বিচারবহির্ভূত ও গুম-হত্যার ব...
- বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন-আস্থা ভোটে গিলানির জয়
- কান্নায় ভেঙে পড়েন সাক্ষী-‘সাঈদীসহ রাজাকাররা তিন বো...
- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগপত্র...
- বাঁধ দিয়ে নতুন নতুন অবৈধ স্থাপনা-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ...
- এনামুলের আরেকটি স্বপ্ন পূরণ
- কে সেরা?
- ইমরুলের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জয়
- দুবাই টেস্ট-সামনে তাকানোর সিরিজ!
- মুক্তিযোদ্ধা ১ (৫): ১ (৩) ফরাশগঞ্জ; বিজেএমসি ৩: ১ ...
- সরকারের ঋণগ্রহণ-ব্যাংকের তারল্য সংকট বাড়াবে
- ইমরান খানের উপলব্ধি-শান্তি কি ফিরবে পাকিস্তানে?
- চরাচর-বিলুপ্তির পথে সরাইলের 'গ্রে-হাউন্ড' কুকুর by...
- সহজ-সরল-স্বপ্ন নামের একটা বাড়ি by কনকচাঁপা
- শিক্ষাবাণিজ্য বনাম জনপ্রত্যাশা by সারওয়াত জাহান উর্মি
- কল্পকথার গল্প-সাপ রেখে শাপমোচন হয় না by আলী হাবিব
- বহে কাল নিরবধি-নতুন বছরে সম্ভাবনাহীন সর্বব্যাপী অন...
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা চুক্তি রক্ষা করে চলতে চায় ...
- ব্রায়ান হোয়াইটেকার-আরব দেশগুলোতে এনজিও
- প্রয়োজন ইংরেজি শিক্ষা : সমস্যা ও সম্ভাবনা by শহিদু...
- আন্তর্জাতিক-গণতন্ত্র-স্বৈরতন্ত্রের দোলাচলে পাকিস্ত...
- সাম্প্রতিক-অস্তিত্ব রক্ষার রাজনীতিতে বেপরোয়া জামা...
- অসময়ের স্বপ্ন-বস্ত্র মানুষের মৌলিক অধিকার_রাষ্ট্র...
- প্রতিবেশী-মমতার নাম রাজনীতিতে 'ইন্দিরা' আর 'নজরুল'...
- অনুবাদ-'বাথ পার্টির ড্রইংরুম থেকেই সব ঘটনা ঘটানো হ...
- প্যাক্সেপো’ মেলা শেষে ব্যবসায়ীরা-সরঞ্জাম ও মোড়ক উৎ...
- ঋণমান হ্রাসের প্রভাবে বিশ্ব শেয়ারবাজার-এশিয়ায় পতন,...
- আফ্রিকায় বিশ্বব্যাংকের চেয়ে বড় ঋণদাতা চীন
- আজ ডব্লিউআইপিওর প্রতিনিধিদল আসছে-স্বয়ংক্রিয় হচ্ছে ...
- ডিএসইর মূল্যসূচক আবারও পাঁচ হাজার পয়েন্টের নিচে
- নড়াইলের তেভাগা নেতা by বিমল বিশ্বাস
- অধ্যাপক মামুন আমায় ক্ষমা করবেন-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বব...
- অনুসরণীয় রাজনীতিক by শেখ রফিক
- খাল তো খোলা হলো, বিলের কী হবে?-চিংড়ি চাষ by ফ্রান্...
- ইমরান খানের মতো আরও অনেকেই যে শিক্ষা নিতে পারে-একা...
- নৌপথে রোটেশন প্রথা-যাত্রীদের জিম্মি করে মুনাফা!
- প্রাথমিক শিক্ষক ধর্মঘট-শিক্ষা কার্যক্রম সর্বাগ্রে
- আবুধাবিতে চীনের প্রধানমন্ত্রী-এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ অঞ্...
- প্রতিবেশীরা তেল উত্তোলন বাড়ালে পরিণতি ভালো হবে না
- অ্যান্টার্কটিকায় গভীর বরফের নিচে হ্রদ!
- চেয়ারম্যানের ওপর হামলার প্রতিবাদ-ঢাকা-চট্টগ্রাম মহ...
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- লোহাগড়ায় বয়স্ক ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
- আল-আরাফাহ্ ব্যাংক থেকে নিচে পড়ে কর্মকর্তা নিহত
- বুড়িগঙ্গায় পড়া ১৩৮টি বর্জ্য নির্গমন পথ বন্ধের সুপারিশ
- বিকট শব্দে পাইলিং ধসে ভবনে ফাটল, আতঙ্ক
- রোডমার্চ-রোডমার্চ বিএনপির, শোডাউন জামায়াতের by শামির
- হাসপাতালের ছাড়পত্র পেলেই গোলাম আযমকে কারাগারে আনা হবে
- মহাসংকটের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ: খালেদা
- বিইআইয়ের সম্মেলনে মজিনা-বাংলাদেশকে উদারপন্থী হিসেব...
- জুবায়ের হত্যাকাণ্ড-আন্দোলনের মুখে প্রক্টরের পদত্যাগ
- কনের মেহেদি by রয়া মুনতাসীর
- ফিরে দেখা : বিএনপির তিন বছর-আওয়ামী লীগের ব্যর্থতাই...
- প্রচ্ছদ রচনা : ছাত্রলীগ!-যেন আওয়ামী লীগের পতনঘণ্টা!
- হুবহু-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করলে বর্তমান সরকারকে...
- জায়গা বুঝে ঘর সাজাই by মারুফ ইসলাম
- মৌসুমি সবজিবাহার
- পায়ে পায়ে পাম্প শু by তৌহিদা শিরোপা
- চারদিক-ছোটদের জন্য ছোটদের আয়োজন!
- বৈদেশিক মুদ্রা-লেনদেন-পরিস্থিতিতে বিপৎসংকেত by ফার...
- প্রতিক্রিয়া-টিপাইমুখ বাঁধের ভূমিকম্প ঝুঁকি by মো. ...
- বাঘা তেঁতুল-তুই by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- সাংসদ ও প্রশাসনের যোগসাজশে কত নদী রুদ্ধ হবে?-বাঁধ ...
- বিরোধী দলের সম্পৃক্ততা প্রত্যাশিত-ইসি গঠনে অনুসন্ধ...
- ক্যাম্পাসের জীবন ও মৃত্যু-জুবায়েরের দৃশ্য ও অদৃশ্য...
- অরণ্যে রোদন-কাজী কামালের হাতঘড়ি by আনিসুল হক
- সরকারি কর্মচারীরা বিনিয়োগ করতে পারবে না
- বার্ড ফ্লু-দুই সপ্তাহে ৩৮ হাজার মুরগি নিধন by ইফতে...
- পদ্মা সেতু-ঋণ কার্যকরের সময় বাড়াতে চিঠি by আনোয়ার ...
- পাকিস্তানে ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব
- ভুয়া ছাড়পত্রে পণ্য খালাস-তদন্ত চলছে, ৭ কনটেইনারের ...
- মুজাহিদের বিরুদ্ধে ৩৪ অভিযোগ
- নিমশাখায় সবুজ বাঁশপাতি by আলম শাইন
- পৌরসভার গাড়ি-কর্মী ব্যবহার-লংমার্চ জাতীয় পার্টির স...
- গোলটেবিল বৈঠক-কৈশোর প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে দরকার খোল...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নাচেন ভালো সুন্দরী আর...
- স্তন ক্যান্সার হলেই অপারেশন নয় by আতাউর রহমান কাবুল
- সোনাক্ষির সাধ by অনন্য রেজা করিম
- লেখার ভালোমন্দ by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
-
▼
Jan 17
(116)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment