বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবি-নাসাকা পতাকা বৈঠক

মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধে বিজিবি ও নাসাকা বাহিনী একসাথে সমন্বয় করে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সেই সাথে সীমান্তে চোরাচালান দমন ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেয়া হয়। গতকাল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা দোছড়ি ইউনিয়নের বাহিরমাঠ (আমবাগান) এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পতাকা বৈঠকে বিজিবি ও নাসাকার পক্ষে আট সদস্য করে উভয় পক্ষের ১৬ সদস্য অংশ নেন। বিজিবির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন ১৫ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মো: মাহাবুবুর রহমান পিএসসি ও মিয়ানমারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ইউ মিন মিন সান। বৈঠক শেষে লে. কর্নেল মাহাবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, সীমান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসী, দুষ্কৃতকারীদের অপতৎপরতা দমনের জন্য নাসাকা বিজিবির সহায়তা চেয়েছে। এ ব্যাপারে বিজিবির প থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।

অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে নিজ নিজ সীমান্তে তল্লাশি টহল জোরদারের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারী, সন্ত্রাসীদের আটক করতে উভয় পরে তাৎণিক যোগাযোগ, পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উল্লেখ্য, গত নভেম্বর থেকে সীমান্তের দোছড়ি ও চাকঢালা সীমান্তে কালো পোশাকধারী অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের তৎপরতা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ওই গ্রুপের হাতে মিয়ানমারের সড়ক নির্মাণকারী এক ইঞ্জিনিয়ার হত্যা ও দুই সদস্যকে অপহরণ এবং গত ২৪ জানুয়ারি চাকঢালা সীমান্তের ওপারে একটি জিপগাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।

No comments

Powered by Blogger.