Friday, January 4, 2013
গোলটেবিল বৈঠক- ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক’
গোলটেবিল বৈঠক- ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক’
২২ ডিসেম্বর ২০১২, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে ছাপা হলো।
যাঁরা অংশ নিলেন
মো. ফজলে রাব্বি: চেয়ারম্যান, আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি
গৌর গোপাল সাহা: বিচারপতি
রানা দাশ গুপ্ত: সেক্রেটারি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ
অজয় রায়: অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মালেকা বেগম: অধ্যাপক, সোশ্যালজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
শাহীন আনাম: নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন
শাহনাজ হুদা: চেয়ারম্যান, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বাসুদেব ধর: সভাপতি, মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটি
নিরঞ্জন অধিকারী: অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সদস্য হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট
মেঘনা গুহঠাকুরতা: নির্বাহী পরিচালক, রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ
রবীন্দ্র ঘোষ: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
রাখী দাশ পুরকায়স্থ: সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
অজয় দাশগুপ্ত: সহযোগী সম্পাদক, সমকাল
নিনা গোস্বামী: ঊর্ধ্বতন উপপরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
কানন বালা: তৃণমূল প্রতিনিধি, গাজীপুর
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম, সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন প্রণয়নের দাবি দীর্ঘদিনের। বিশেষভাবে হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষায় এটা দরকার। নাগরিক সমাজ জনমত গড়ে তুলেছে। গত জুলাই ২০১২ জাতীয় সংসদে ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিল’ পাস হয়। কিন্তু বিবাহ নিবন্ধন ঐচ্ছিক হওয়ায় নাগরিক উদ্যোগের সংগঠনগুলো তা মেনে নিতে পারেনি। এ বিষয় প্রথমে আলোচনা শুরু করবেন শাহীন আনাম।
শাহীন আনাম: আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন হোক। মহিলা পরিষদ অনেক দিন ধরে এ দাবি করে আসছে। একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনের প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভব করি। ৫০টিরও বেশি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নাগরিক সংগঠন নিয়ে একটি নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণ করি। নাগরিক উদ্যোগ থেকে দেশের ২০টি জেলায় কাজ করি। মানুষের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা হয়। মানুষ আমাদের এই উদ্যোগকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। তারা এত দিন এ রকম একটি উদ্যোগের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমরা মুসলিম-হিন্দু আলাদা করে বিশেষ কোনো শ্রেণীর নারী অধিকারের কথা বলি না, সবার কথা বলি। হিন্দু নারীরা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘আপনারা কোন নারীর অধিকারের কথা বলছেন? আমাদের তো কোনো অধিকার নেই। আমাদের যে বিয়ে হয়েছে, তার প্রমাণ কী? আমাদের স্বামীরা আমাদের অস্বীকার করেন।’ বিশ্বাস করুন, অনেক হিন্দু নারী হাত ধরে বলেছেন, তাঁদের জন্য যেন কিছু একটা করা হয়। তাঁরা আর পারছেন না। অনেকে অনেক রকমের শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার। প্রচলিত ব্যবস্থায় পারিবারিক আইনসহ কোনো আইনের সুবিধা হিন্দু নারীরা পান না। আমরা কেন একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন চাইছি? আদৌ এর প্রয়োজন আছে কি না, এ জন্য একটি গবেষণা করেছি। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে হিন্দু নারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের গবেষণা, সবকিছু থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন অবশ্যই করা দরকার এবং তা এখনই। একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু আইনের জন্য ৯০ হাজার নারীর সই নিয়ে, ৫০টির বেশি সংগঠন আলোচনা-পর্যালোচনা করে আইনমন্ত্রীর কাছে আইনের খসড়া জমা দিয়েছি।
মেঘনা গুহঠাকুরতা: সমাজে নারীরা বিভিন্নভাবে সহিংসতার শিকার হন। গবেষণায় মূলত দেখতে চেয়েছি, নিবন্ধনের অভাবে হিন্দু নারীরা কী কী সমস্যায় পড়ছেন। কীভাবে তাঁরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি করার জন্য চারটি পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। এর মধ্যে একটি হলো জাতীয় জরিপ। এখানে ৭৭০ জন নারী এবং ১৯৩ জন পুরুষের সঙ্গে কথা বলি। নারীদের বয়স ১৮ থেকে ২৬ বছর। পুরুষের বয়স ৫০-এর ঊর্ধ্বে। তাঁদের মধ্যে বিবাহিত ৮৫ শতাংশের বেশি। ৯ শতাংশ বিধবা। ৩ শতাংশ অবিবাহিত। সন্তান ছিল ৯১ শতাংশের বেশি। ৩৬ শতাংশ মা-বাবা, ভাইবোন নিয়ে থাকেন। ৯ দশমিক ৮ শতাংশ যৌথ পরিবার। অধিকংশ নারী শুধু সই করতে পারেন। অধিকংশ পুরুষ পঞ্চম শ্রেণী পাস। ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে অধিকংশ হিন্দু নারীর বিবাহ হচ্ছে। স্বামীর বয়স ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে। উত্তরদাতাদের ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ যৌতুকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৯১ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন অবশ্যই বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত এবং জরিপে অংশ নেওয়া অধিকংশ পুরুষই নিবন্ধনের পক্ষে জোরালো মত দিয়েছেন। গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছি, নিবন্ধন ছাড়া হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব নয়।
কানন বালা: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু ঐচ্ছিকভাবে আইনটি পাস হওয়ায় খুব দুঃখ পেয়েছি। কারণ, ঐচ্ছিক হওয়ায় কেউ এটাকে মানবে না। আমরা কতটা শারীরিক, কতটা মানসিক নির্যাতনের শিকার হই, সমাজের কাছে কতটা অসম্মানিত হই, তা কেউ বুঝবে না।
আমার স্বামী ছিল লোভী। বড় রকমের যৌতুক না পেয়ে আমাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় বিয়ে করে। একপর্যায়ে আদালতে দাঁড়িয়ে বলে, আমাকে বিয়ে করেনি! চেনে না! ইত্যাদি বলে আমাকে ও সন্তানদের অস্বীকার করে। একমাত্র নিবন্ধন না থাকার কারণে সে এতটা প্রতারণা করতে পেরেছে। এখন আমি ভাসমান। কোথাও কোনো জায়গা নেই। উত্তরাধিকার আইন না থাকার কারণে বাপের বাড়িতে জায়গা নেই, স্বামীর প্রতারণার শিকার। মনে হয়, আমরা দেশের অবাঞ্ছিত জনগণ, যাদের ন্যূনতম অধিকারের কথা রাষ্ট্র ভাবে না।
রবীন্দ্র ঘোষ: কিছু বিষয় নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। চাই আইনটি হোক। আইনের বিরোধিতা করছি না। তবে কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। হিন্দু বিবাহ ধর্ম পালনের একটি অংশ। হিন্দু আইনে বিবাহ হলো আত্মার সঙ্গে আত্মার, মাংসের সঙ্গে মাংসের এবং অস্থিতে অস্থিতে মিলন। (কলকাতা হাইকোর্ট)। হিন্দু বিবাহ বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। সমগ্র জীবন একসঙ্গে ধর্মাচরণ করার অঙ্গীকারই হলো হিন্দু বিবাহ। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাস জন্মে, তারা এক দেহ, এক মন, এক আত্মা। স্বামীর পরিবার যথাযোগ্য মর্যাদাসহকারে নববধূকে বরণ করে। স্বামীর অবর্তমানেও তার স্ত্রীর ব্যয়ভার স্বামীর পরিবার বহন করে। কিন্তু নিবন্ধন চালু হলে হিন্দু বিবাহের ভিত্তি নষ্ট হবে। ফলে স্ত্রী স্বামীর বাড়ির অস্থায়ী সদস্য হয়ে পড়বে। আচার-অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে নিবন্ধনের দিকে ঝুঁকবে। ফলে আত্মিক বিয়ে না হয়ে কাগুজে বিয়ে হবে। সব সময় ঝামেলা লেগেই থাকবে। নিবন্ধন হলেই তা বাতিলের প্রশ্ন উঠবে। আর দুষ্ট উচ্ছৃঙ্খল স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে চলে যাবে। মূল কথা হচ্ছে, আইন পরিবর্তন হোক। কিন্তু বাধ্যতামূলক করাটা যুক্তিযুক্ত মনে করি না। হিন্দুদের হাজারও সমস্য রয়েছে। সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এর সঙ্গে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের বিষয়টি আসতে পারে। ২০১২ সালে দেশের ৬৪টি জেলায় ঘুরেছি। এই জেলাগুলোতে ৬৫০ জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণ ও গণধর্ষণ করা হয়েছে ২১২ জনকে। জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত (ফোর্সফুল কনভারশন) করা হয়েছে ২৬৩ জনকে। জোরপূর্বক ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা (ফোর্সফুল অকুপেশন অব ল্যান্ড) হয়েছে দুই হাজার ৬৯৩ জনকে। সাড়ে তিন হাজারেরও অধিক মন্দির ভাঙা হয়েছে। জোর করে অপহরণ করা হয়েছে ৯৩০টি। ২০০২ সালেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনে কোনো আপত্তি নেই। হিন্দুদের নির্যাতনের এসব বিষয়েরও সমাধান করতে হবে।
অজয় দাশগুপ্ত: হিন্দু বিবাহ আইন ঐচ্ছিক হওয়ায় সমস্যার সমাধান হয়নি। কারণ, বিবাহের এক পক্ষ নিবন্ধনে রাজি, অপর পক্ষ রাজি না। এই অবস্থায় কী হবে, তার কোনো নির্দেশনা নেই। জন্মনিবন্ধন, ভোটার আইডি মেনে নিয়েছি। তাহলে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন বাধ্যতামূলক হওয়ায় বাধা কোথায়? অনেক মানুষ ধর্মচর্চা করে না। কিন্তু তারা আচার-অনুষ্ঠান করে। একসময় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ হিন্দু এ দেশে ছিল। এখন ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এ কথা স্বীকার করি, হিন্দুদের হাজারও সমস্যা রয়েছে। কিন্তু অন্য সমস্যার সমাধান না হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা যাবে না—এ যুক্তিও সঠিক মনে করি না। নিবন্ধন না হওয়া প্রতিদিন জীবন যাপনের একটি গুরুতর সমস্যা। তাই হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না করার পক্ষে কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন করা হোক। এর সঙ্গে অর্পিত সম্পত্তিসহ সব সমস্যার সমাধান করা হোক।
রানা দাশ গুপ্ত: ১৯৪৭ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার। সে সময় দেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল ২৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এখন ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। কেন বছরের পর বছর জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে? ২০১২ সালের সহিংসতার ঘটনা সবই সত্য। দিনের পর দিন সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আজ পর্যন্ত কারও শাস্তি হয়েছে, এমন উদাহরণ নেই। রবীন্দ্র ঘোষ বিবাহ নিবন্ধনের বিরুদ্ধে নন। তিনি হয়তো বলতে চেয়েছেন, এত সমস্যা থাকতে এই আলোচনা আগে কেন? কিন্তু এখনকার বাস্তবতায় নিজের ভেতরের সমস্যাগুলো, ঘরের সমস্যাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চোখ বন্ধ থাকলেও প্রলয় বন্ধ থাকছে না। বর্তমান হিন্দু আইন পড়েছি। আইনে হিন্দু বিবাহের রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান—সবকিছু আগের মতো আছে। নিবন্ধন হলো বিবাহের দালিলিক প্রমাণ। ৪০ বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একজন প্রতারক স্বামী যখন আদালতে দাঁড়িয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অস্বীকার করে, তখন খেই হারিয়ে ফেলি। দালিলিক প্রমাণের অভাবে কিছুই করতে পারি না। ১৯৬১ সালে মুসলিম অধ্যাদেশ (অর্ডিন্যান্স) হওয়ায় মুসলিম পরিবার ও নারী সুরক্ষিত হয়েছে। হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষা করতে হলে নিবন্ধনকে বাধ্যতামূলক করতেই হবে। তা না হলে হিন্দু পরিবারগুলোর অধিকার সুরক্ষিত হবে না।
নিনা গোস্বামী: নাগরিক সমাজ এত দিন একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে। বর্তমান হিন্দু আইনে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। আইনটি ঐচ্ছিক হয়েছে। তাই কানন বালাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না হলে কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এতে আইনটি হবে গুরুত্বহীন। আইনের প্রজ্ঞাপনের জন্য ফজলে রাব্বি সাহেব তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা খুশি হয়েছি। আশা করব, তিনি দ্রুত বিধিমালা করারও ব্যবস্থা করবেন। নাগরিক উদ্যোগ থেকে হিন্দু বিবাহের পূর্ণাঙ্গ আইনের খসড়া দেওয়া হয়েছিল। আইনের মধ্যে বহুবিবাহের জন্য শাস্তি ও বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। কিন্তু হিন্দু সমাজের জন্য একটি অপূর্ণ আইন তৈরি হয়েছে। মাননীয় সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সাহেব, আমরা লক্ষ করেছি, আপনি অনেক বিষয়ে আন্তরিক। আপনি বলেছেন, আমরা যদি কখনো দাবি তুলি, তাহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। আজকে রবীন্দ্র বাবুসহ সবাই আপনার কাছে দাবি করছি, হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করার জন্য যা যা করা দরকার, তার উদ্যোগ গ্রহণ করুন।
অজয় রায়: আজকের আলোচনার বিষয় হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করা হোক। এখানে অন্য কোনো আলোচনা আসা উচিত নয়। হিন্দু বিবাহ আইন ঐচ্ছিক করা হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত এর প্রজ্ঞাপন হয়নি। এটা খুব দুঃখজনক। আইনটি ঐচ্ছিক হয়েছে। এখন সরকারের কাছে দাবি, কারও ওপর নির্ভর না করে একে বাধ্যতামূলক করা হোক। নিবন্ধনের বিষয়টি সবাই বুঝেছি। নিবন্ধন হলে হিন্দুদের কোনো আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ হবে না। নিবন্ধনের ফলে সাত পাকে ঘোরাও বন্ধ হবে না। তবু কিছু মানুষ নিছক বিরোধিতা করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ফজলে রাব্বির মাধ্যমে সরকারের কাছে অনুরোধ করব, এক সপ্তাহের মধ্যে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়ার হোক।
মো. ফজলে রাব্বি: আপনাদের আইনের বিষয়গুলো নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা একভাবে ভাবি, আমলারা অন্যভাবে ভাবেন। বাস্তব সত্য হলো, সচিবালয়কে এখনো মন্ত্রণালয় করতে পারিনি। রানাদা একটি কমিশনের কথা বলেছেন। আজকের আলোচনায় অনেক সম্মানিত ব্যক্তি আছেন। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন গঠন করতে পারেন। প্রয়োজনে আপনাদের সহযোগিতা করব। এই কমিশন অর্পিত সম্পত্তিসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারে। কানন বালার কথা শুনে আঘাত পেয়েছি। অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। কোনো পিতা তাঁর সন্তানকে অস্বীকার করলে সেই মায়ের কী অবস্থা হয়, তা বুঝতে পারি। আজকে হিন্দু জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আপনারা একটা কমিশন করুন। এখান থেকে এসব বিষয়ের প্রতিবাদ করুন। আপনারা আইনটি বাধ্যতামূলক চাইছেন। যদি বলি, আপনারাই চান না। না চাওয়ার সংখ্যা হয়তো খুব কম, কিন্তু আছে তো। আমরা যখন আইনটি করি, তখনো বিরোধিতা ছিল। জীবনের একটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করি। বন্ধুর মেয়ের বিয়ের ১১ বছর পর সম্পর্কের টানাপোড়েনে মীমাংসায় বসলাম। প্রতারক ছেলে বিয়ে করেনি বলে অস্বীকার করল। আশ্চর্য হলাম। বলে কী! আমি নিজে ওই বিয়েতে উপস্থিত ছিলাম। চোখের সামনে সাত পাকে ঘোরাসহ সব আচার-অনুষ্ঠান হয়েছে। তখন থেকে অনুভব করেছি, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ থাকা উচিত। সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে কথা দিচ্ছি, বিধি করার সময় আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব। আমি সব সময় আপনাদের পাশে আছি।
নিরঞ্জন অধিকারী: বৈদিক দ্রব্যযোগ্যকে মানসযোগ্যে পরিণত করলেন আরণ্যকের ঋষিরা। তাঁরা বললেন, নিষ্কাম কর্মই যোগ্য। অনেকে বেদের কথা বলেন। সমাজ কীভাবে চলবে, চারটি বেদে পৃথকভাবে তার উল্লেখ নেই। বেদ, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ—এগুলো শ্রুতি। বিবাহপ্রথাসহ যাবতীয় আইনকে বলে স্মৃতি। স্মৃতির আরেক নাম ধর্মশাস্ত্র। ধর্ম মানে কেবল ধর্মীয় কৃত্য নয়। ধর্ম মানে বৈশিষ্ট্য, সংস্কৃতি, বিশ্বাস, আইন ইত্যাদি। স্মৃতিশাস্ত্র মানবধর্মশাস্ত্র। দায়ভাগ প্রবন্ধগ্রন্থ। দায়ভাগ মিতাক্ষরা মূল বই না। মনুসংহিতা থেকে দায়ভাগ। যাজ্ঞাবল্ক্যস্মৃতি থেকে মিতাক্ষরা। মুনু সংহিতা, পরাশর সংহিতা, হারিৎ সংহিতা, বৃহস্পতি সংহিতা, শুক্র সংহিতা—এর একটার সঙ্গে অন্যটির মতপার্থক্য রয়েছে। তাহলে আপনারা যে শাস্ত্রের কথা বলেন, সেটা কোন শাস্ত্র? আবার, শ্রীহট্ট স্মৃতিগ্রন্থ বলে আলাদা স্মৃতিশাস্ত্র আছে। সিলেট অঞ্চলের মানুষ সেই স্মৃতিশাস্ত্র মেনে চলে। তাহলে সংহিতাগুলো, স্মৃতিশাস্ত্র—কোনো কিছুরই চিরন্তনতা নেই। আগে ব্রাহ্মণদের প্রাধান্য ছিল। সেখান থেকে সরে এসেছি। কাজেই শ্রুতি আর স্মৃতিকে এক করে দেখার দরকার নেই। বিয়ের সময় স্বামী ‘সারা জীবন ভাত-কাপড় দিতে বাধ্য থাকিব’ বলে অঙ্গীকার করেন। এই অঙ্গীকারের বাধ্যবাধকতা থাকতে অসুবিধা কোথায়? বিবাহ শ্রাদ্ধশান্তিসহ বিভিন্ন সংকট থেকে পরিত্রাণের জন্য তিনটি কমিশন (নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ) গঠনের সুপারিশ করছি—হিন্দুদের শাস্ত্রীয় যাবতীয় বিধিবিধান দেখার জন্য হিন্দুধর্মীয় নেতা, চিন্তাবিদ, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিশন; হিন্দু আইনবিদদের নিয়ে একটি আইন কমিশন; সরকারের একটি আইন কমিশন—এই তিনটি কমিশন থেকে হিন্দু সমাজের বিভিন্ন সংকটের সমাধানগুলো বের করতে হবে।
রাখী দাশ পুরকায়স্থ: পূর্ণাঙ্গ-অপূর্ণাঙ্গ যা-ই হোক, আইনটি হয়েছে। এটি হাতে নিয়ে কথা বলার এবং অগ্রসর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আশির দশকে প্রয়াত বিচারপতি দেবেশ ভট্টাচার্যের মাধ্যমে হিন্দু আইন সংস্কারের আন্দোলন শুরু করেছিলাম। তখন মালেকা আপা সাধারণ সম্পাদক, সুফিয়া কামাল সভাপতি। একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। সেদিনের আন্দোলন বৃথা যায়নি। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আমরা ঐচ্ছিক নিবন্ধনের বিধান পেয়েছি। কিন্তু আইনের বাধ্যবাধকতা না থাকলে কেউ এর সুফল নিতে পারবে না। আজকে আমাদের দাবি হলো, আইনের বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। আইন না মানলে কী হবে, তার নির্দেশনা থাকতে হবে। একান্ত ব্যক্তি উদ্যোগে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিকার পাওয়া গেছে। একটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থাকতে হবে, যাতে সবাই প্রতিকার পায়। যেকোনো দুর্ঘটনার প্রথম শিকার হচ্ছে নারী। সেই নারী যখন বলছে, ‘আমি প্রতিকার চাই’, সেখানে আর কোনো কথা থাকতে পারে না। এখন হিন্দু নারীদের ঘরে প্রলয়ের ঝড় বইছে। বাইরে থেকে সেটা কেউ দেখতে পাচ্ছে না। সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের আলোকেও বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত। তাহলে নারীর বিবাহবিচ্ছেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
শাহনাজ হুদা: মুসলিম-হিন্দু উভয় আইনে নিবন্ধন না হলে বিবাহ অবৈধ হবে না। কিন্তু মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন না হওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিন্দুরা পারিবারিক আদালতে যেতে পারে। সেখানে তাদের ভরণপোষণ, সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি বিষয়ের প্রতিকার চাইতে পারে। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রে বিবাহের প্রমাণ জরুরি। হিন্দু আইনের ওপর গবেষণা করেছি। সেখানে দেখেছি, কিছু বিষয় নিয়ে দ্বিমত আছে। হিন্দু বিবাহের নিবন্ধন নিয়ে দ্বিমত নেই। গবেষণায় কিছু বাস্তব সমস্যা দেখেছি। যেমন: বিবাহের কোনো প্রমাণ না থাকায় স্ত্রী-স্বামী এক জায়গায় বদলি হতে পারছেন না। একইভাবে বিবাহের প্রমাণ না থাকায় স্বামী মারা যাওয়ার পর স্ত্রী পেনশন পাচ্ছেন না। বিদেশভ্রমণের জন্য ভিসার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে হিন্দু নারীরা স্বামীর দ্বারা নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। যেমন: একজন স্বামীর ঘটনা জানি, স্ত্রী পানি চেয়েছেন। স্বামী এক গ্লাস অ্যাসিড দিয়েছেন। এই নারী শত চেষ্টায়ও তাঁকে ছাড়তে পারছেন না। এই প্রতারক স্বামীরা নারীদের স্বামী থেকে যাচ্ছেন। তাই হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূক করা একান্ত জরুরি।
বাসুদেব ধর: সবাই ধর্মের কথা বলি। একসময় ব্রাহ্মণ ছাড়া পূজা হতো না। ভারতের হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন, ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্যরাও পূজা করতে পারবেন। এমনকি নারীরাও পূজা করতে পারবেন। তাহলে সেই চিরকালীন বিশ্বাস কোথায় গিয়ে ঠেকে? উত্তরাধিকার আইনে নারীরা সম্পত্তি পান না। এখানে ভয় থাকে, কনভারশন (ধর্মান্তরিত) হলে সম্পত্তি বেহাত হয়ে যায়। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভীতি কাজ করে। তাই নতুন কোনো কিছুর মধ্যে যেতে তাঁরা ভয় পান। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বিষয়টি হিন্দুদের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি পদক্ষেপ। মনে হয়, তাদের মধ্য থেকেই জোরাল দাবি উঠবে, কেন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার চাইছি, অথচ নিজের পরিবারে একজন পুরুষ ও নারী সমান নয়। তাহলে কীভাবে মানুষের সমানাধিকার আন্দোলনে শরিক হব? সেই আন্দোলনে সফল হব? দিনে দিনে সবাই বুঝতে পেরেছি যে হিন্দু বিবাহের নিবন্ধন কতটা প্রয়োজন। পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের গালমন্দ করবে। কারণ, এ রকম একটি বিষয় নিয়েও আমাদের আলোচনা সভা করতে হচ্ছে। আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অতএব, আর এক মুহূর্ত কালক্ষেপণ না করে, যত দ্রুত সম্ভব নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক।
মালেকা বেগম: ছেলেটির কোনো সমস্যা নেই। যত সমস্যা মেয়েটির। মেয়েটির ক্ষেত্রে যত বিধিনিষেধ। বিভিন্নভাবে তাকে চাপের মধ্যে রাখা হয়। মেয়েটিও ধীরে ধীরে ভাবতে থাকে, সে অন্যদের থেকে আলাদা। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েদের প্রগতিশীল চিন্তাভাবনায় উজ্জীবিত করতে হবে। তা না হলে মেয়েরা নির্যাতিত হতে থাকবে।
কোনো বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিতে গেলেই বলা হয়, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত।’ সব সম্প্রদায়ের মানুষ একই কথা বলে। ব্যক্তিগত বলে কিছু নেই। প্রত্যেকের ব্যক্তিগত সমস্যা মানে, সেটি একটি বড় ধরনের জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। বর্তমান হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইনের বিষয় বলতে চাই, কোনো আইন ‘ঐচ্ছিক’ হতে পারে না। ঐচ্ছিক মানে ইচ্ছা। ইচ্ছা হলে মানব, ইচ্ছা না হলে মানব না। আইন কখনো এমন হতে পারে না। সরকার কি বলতে পারবে, ‘ইচ্ছা হলে জনগণ ট্রাফিক আইন, অপরাধ আইন মানবে, ইচ্ছা না হলে মানবে না?’ তাই কোনো আইন ঐচ্ছিক হতে পারে না। ঐচ্ছিক শব্দটি উঠিয়ে দিলেই আইনটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে যায়। এবং একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনই এখন জরুরি প্রয়োজন।
খোরপোশ নিয়ে কথা হয়েছে। খোরপোশকে সমর্থন করি না। কিসের খোরপোশ? একজন বিত্তবান মানুষও খোরপোশের জন্য হাত পাতেন। তখন নিশ্চয়ই তাঁর আত্মসম্মানে বাধে। আসল কথা হলো, নারীকে মুক্তি দিতে হবে। বেগম রোকেয়ার সেই কথা মনে নেই? তিনি বলেছিলেন, ‘নারীকে শিক্ষিত করিয়া কর্মক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, তাহাদের নিজেদের অন্নসংস্থান নিজেরা করুক।’
মুসলিম নারীরা আন্দোলন-সংগ্রাম ছাড়া কিছু পায়নি। হিন্দু নারীদের একটা সংগঠন করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। হিন্দুদের উত্তরাধিকার আইন, অর্পিত সম্পত্তি, পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন—সব সমস্যার সমাধান হোক। অনেকে নারীদের আজকের এই সমস্যা থেকে অন্য সমস্যা বড় করে দেখেন। কিন্তু এটি অন্য যেকোনো সমস্যা থেকে অনেক বড় সমস্যা। তাই মনে করি, ঐচ্ছিক শব্দটিকে কেটে দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনের ব্যবস্থা করা হোক।
গৌর গোপাল সাহা: আজকের আলোচনায় সবাই মূল্যবান বক্তব্য দিয়েছেন। আলোচ্য বিষয়ের বাইরেও অনেক কথা এসেছে। তবে হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে কারও দ্বিমত নেই। আমি নিজেও এর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি। এখন সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করি। সাধারণত সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। এ জন্য ব্যক্তিগত কোনো আইনের ব্যাপারে তারা সংবেদনশীল থাকে। ১৯৬১ সালে মুসলমানদের জন্য একটি যুগান্তকারী আইন হয়েছিল। মুসলমানরা এই আইনের সুফল ভোগ করছে। ভারতবর্ষ অনেক এগিয়ে গেছে। সেখানে সব বিষয়ে মুক্ত আলোচনা হয়। সেখানেও ধর্মভীরু ও ধর্মহীন লোকের সংখ্যা কম নয়। ২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গায় এক হাজার ১০০ মুসলিম এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৫০ জন মারা যায়। কিন্তু আজও তার বিচার হচ্ছে। শাস্তি হচ্ছে। এ ঘটনার জন্য এখনো নরেন্দ্র মোদি নিন্দিত, ঘৃণিত। হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন জীবনের একটি অংশ। পূর্ণ জীবন কিন্তু নয়, পূর্ণ জীবনের কথা ভাবতে হবে। তা না হলে কোনো অধিকার কার্যকর হবে না। ১৯৪৭ সলে বাংলাদেশে ৩০ শতাংশ হিন্দু ছিল। এখন ৯ শতাংশ। আগামী ৬৫ বছর পর বাংলাদেশ হিন্দুশূন্য হতে পারে। এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ নেই। ১৫-১৬ বছর আগে হিন্দুদের নির্যাতনের কোনো খবর প্রচার হতো না। হিন্দু চিন্তাবিদ, হিন্দুধর্মীয় নেতা, সাধারণ মানুষ—সবার সঙ্গে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন নিয়ে আলোচনা করেছি। তাঁরা সবাই চান, হিন্দু নিবন্ধন আইন হোক। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই আইনের সম্পূর্ণ পক্ষে। তবে আরও মনে করি, শুধু হিন্দুদের জন্য নয়, সব নাগরিকের জন্য জন্ম, মৃত্যু ও বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত।
আব্দুল কাইয়ুম: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে একটি সফল আলোচনা হলো। সবাই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। অনেক মতামত এসেছে। এগুলো সরকার বিবেচনায় নেবে বলে আশা করি।
সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
মো. ফজলে রাব্বি: চেয়ারম্যান, আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি
গৌর গোপাল সাহা: বিচারপতি
রানা দাশ গুপ্ত: সেক্রেটারি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ
অজয় রায়: অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মালেকা বেগম: অধ্যাপক, সোশ্যালজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
শাহীন আনাম: নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন
শাহনাজ হুদা: চেয়ারম্যান, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বাসুদেব ধর: সভাপতি, মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটি
নিরঞ্জন অধিকারী: অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সদস্য হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট
মেঘনা গুহঠাকুরতা: নির্বাহী পরিচালক, রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ
রবীন্দ্র ঘোষ: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
রাখী দাশ পুরকায়স্থ: সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
অজয় দাশগুপ্ত: সহযোগী সম্পাদক, সমকাল
নিনা গোস্বামী: ঊর্ধ্বতন উপপরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
কানন বালা: তৃণমূল প্রতিনিধি, গাজীপুর
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম, সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন প্রণয়নের দাবি দীর্ঘদিনের। বিশেষভাবে হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষায় এটা দরকার। নাগরিক সমাজ জনমত গড়ে তুলেছে। গত জুলাই ২০১২ জাতীয় সংসদে ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিল’ পাস হয়। কিন্তু বিবাহ নিবন্ধন ঐচ্ছিক হওয়ায় নাগরিক উদ্যোগের সংগঠনগুলো তা মেনে নিতে পারেনি। এ বিষয় প্রথমে আলোচনা শুরু করবেন শাহীন আনাম।
শাহীন আনাম: আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন হোক। মহিলা পরিষদ অনেক দিন ধরে এ দাবি করে আসছে। একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনের প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভব করি। ৫০টিরও বেশি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নাগরিক সংগঠন নিয়ে একটি নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণ করি। নাগরিক উদ্যোগ থেকে দেশের ২০টি জেলায় কাজ করি। মানুষের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা হয়। মানুষ আমাদের এই উদ্যোগকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। তারা এত দিন এ রকম একটি উদ্যোগের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমরা মুসলিম-হিন্দু আলাদা করে বিশেষ কোনো শ্রেণীর নারী অধিকারের কথা বলি না, সবার কথা বলি। হিন্দু নারীরা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘আপনারা কোন নারীর অধিকারের কথা বলছেন? আমাদের তো কোনো অধিকার নেই। আমাদের যে বিয়ে হয়েছে, তার প্রমাণ কী? আমাদের স্বামীরা আমাদের অস্বীকার করেন।’ বিশ্বাস করুন, অনেক হিন্দু নারী হাত ধরে বলেছেন, তাঁদের জন্য যেন কিছু একটা করা হয়। তাঁরা আর পারছেন না। অনেকে অনেক রকমের শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার। প্রচলিত ব্যবস্থায় পারিবারিক আইনসহ কোনো আইনের সুবিধা হিন্দু নারীরা পান না। আমরা কেন একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন চাইছি? আদৌ এর প্রয়োজন আছে কি না, এ জন্য একটি গবেষণা করেছি। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে হিন্দু নারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের গবেষণা, সবকিছু থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন অবশ্যই করা দরকার এবং তা এখনই। একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু আইনের জন্য ৯০ হাজার নারীর সই নিয়ে, ৫০টির বেশি সংগঠন আলোচনা-পর্যালোচনা করে আইনমন্ত্রীর কাছে আইনের খসড়া জমা দিয়েছি।
মেঘনা গুহঠাকুরতা: সমাজে নারীরা বিভিন্নভাবে সহিংসতার শিকার হন। গবেষণায় মূলত দেখতে চেয়েছি, নিবন্ধনের অভাবে হিন্দু নারীরা কী কী সমস্যায় পড়ছেন। কীভাবে তাঁরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি করার জন্য চারটি পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। এর মধ্যে একটি হলো জাতীয় জরিপ। এখানে ৭৭০ জন নারী এবং ১৯৩ জন পুরুষের সঙ্গে কথা বলি। নারীদের বয়স ১৮ থেকে ২৬ বছর। পুরুষের বয়স ৫০-এর ঊর্ধ্বে। তাঁদের মধ্যে বিবাহিত ৮৫ শতাংশের বেশি। ৯ শতাংশ বিধবা। ৩ শতাংশ অবিবাহিত। সন্তান ছিল ৯১ শতাংশের বেশি। ৩৬ শতাংশ মা-বাবা, ভাইবোন নিয়ে থাকেন। ৯ দশমিক ৮ শতাংশ যৌথ পরিবার। অধিকংশ নারী শুধু সই করতে পারেন। অধিকংশ পুরুষ পঞ্চম শ্রেণী পাস। ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে অধিকংশ হিন্দু নারীর বিবাহ হচ্ছে। স্বামীর বয়স ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে। উত্তরদাতাদের ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ যৌতুকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৯১ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন অবশ্যই বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত এবং জরিপে অংশ নেওয়া অধিকংশ পুরুষই নিবন্ধনের পক্ষে জোরালো মত দিয়েছেন। গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছি, নিবন্ধন ছাড়া হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব নয়।
কানন বালা: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু ঐচ্ছিকভাবে আইনটি পাস হওয়ায় খুব দুঃখ পেয়েছি। কারণ, ঐচ্ছিক হওয়ায় কেউ এটাকে মানবে না। আমরা কতটা শারীরিক, কতটা মানসিক নির্যাতনের শিকার হই, সমাজের কাছে কতটা অসম্মানিত হই, তা কেউ বুঝবে না।
আমার স্বামী ছিল লোভী। বড় রকমের যৌতুক না পেয়ে আমাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় বিয়ে করে। একপর্যায়ে আদালতে দাঁড়িয়ে বলে, আমাকে বিয়ে করেনি! চেনে না! ইত্যাদি বলে আমাকে ও সন্তানদের অস্বীকার করে। একমাত্র নিবন্ধন না থাকার কারণে সে এতটা প্রতারণা করতে পেরেছে। এখন আমি ভাসমান। কোথাও কোনো জায়গা নেই। উত্তরাধিকার আইন না থাকার কারণে বাপের বাড়িতে জায়গা নেই, স্বামীর প্রতারণার শিকার। মনে হয়, আমরা দেশের অবাঞ্ছিত জনগণ, যাদের ন্যূনতম অধিকারের কথা রাষ্ট্র ভাবে না।
রবীন্দ্র ঘোষ: কিছু বিষয় নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। চাই আইনটি হোক। আইনের বিরোধিতা করছি না। তবে কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। হিন্দু বিবাহ ধর্ম পালনের একটি অংশ। হিন্দু আইনে বিবাহ হলো আত্মার সঙ্গে আত্মার, মাংসের সঙ্গে মাংসের এবং অস্থিতে অস্থিতে মিলন। (কলকাতা হাইকোর্ট)। হিন্দু বিবাহ বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। সমগ্র জীবন একসঙ্গে ধর্মাচরণ করার অঙ্গীকারই হলো হিন্দু বিবাহ। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাস জন্মে, তারা এক দেহ, এক মন, এক আত্মা। স্বামীর পরিবার যথাযোগ্য মর্যাদাসহকারে নববধূকে বরণ করে। স্বামীর অবর্তমানেও তার স্ত্রীর ব্যয়ভার স্বামীর পরিবার বহন করে। কিন্তু নিবন্ধন চালু হলে হিন্দু বিবাহের ভিত্তি নষ্ট হবে। ফলে স্ত্রী স্বামীর বাড়ির অস্থায়ী সদস্য হয়ে পড়বে। আচার-অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে নিবন্ধনের দিকে ঝুঁকবে। ফলে আত্মিক বিয়ে না হয়ে কাগুজে বিয়ে হবে। সব সময় ঝামেলা লেগেই থাকবে। নিবন্ধন হলেই তা বাতিলের প্রশ্ন উঠবে। আর দুষ্ট উচ্ছৃঙ্খল স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে চলে যাবে। মূল কথা হচ্ছে, আইন পরিবর্তন হোক। কিন্তু বাধ্যতামূলক করাটা যুক্তিযুক্ত মনে করি না। হিন্দুদের হাজারও সমস্য রয়েছে। সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এর সঙ্গে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের বিষয়টি আসতে পারে। ২০১২ সালে দেশের ৬৪টি জেলায় ঘুরেছি। এই জেলাগুলোতে ৬৫০ জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণ ও গণধর্ষণ করা হয়েছে ২১২ জনকে। জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত (ফোর্সফুল কনভারশন) করা হয়েছে ২৬৩ জনকে। জোরপূর্বক ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা (ফোর্সফুল অকুপেশন অব ল্যান্ড) হয়েছে দুই হাজার ৬৯৩ জনকে। সাড়ে তিন হাজারেরও অধিক মন্দির ভাঙা হয়েছে। জোর করে অপহরণ করা হয়েছে ৯৩০টি। ২০০২ সালেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনে কোনো আপত্তি নেই। হিন্দুদের নির্যাতনের এসব বিষয়েরও সমাধান করতে হবে।
অজয় দাশগুপ্ত: হিন্দু বিবাহ আইন ঐচ্ছিক হওয়ায় সমস্যার সমাধান হয়নি। কারণ, বিবাহের এক পক্ষ নিবন্ধনে রাজি, অপর পক্ষ রাজি না। এই অবস্থায় কী হবে, তার কোনো নির্দেশনা নেই। জন্মনিবন্ধন, ভোটার আইডি মেনে নিয়েছি। তাহলে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন বাধ্যতামূলক হওয়ায় বাধা কোথায়? অনেক মানুষ ধর্মচর্চা করে না। কিন্তু তারা আচার-অনুষ্ঠান করে। একসময় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ হিন্দু এ দেশে ছিল। এখন ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এ কথা স্বীকার করি, হিন্দুদের হাজারও সমস্যা রয়েছে। কিন্তু অন্য সমস্যার সমাধান না হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা যাবে না—এ যুক্তিও সঠিক মনে করি না। নিবন্ধন না হওয়া প্রতিদিন জীবন যাপনের একটি গুরুতর সমস্যা। তাই হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না করার পক্ষে কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন করা হোক। এর সঙ্গে অর্পিত সম্পত্তিসহ সব সমস্যার সমাধান করা হোক।
রানা দাশ গুপ্ত: ১৯৪৭ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার। সে সময় দেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল ২৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এখন ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। কেন বছরের পর বছর জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে? ২০১২ সালের সহিংসতার ঘটনা সবই সত্য। দিনের পর দিন সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আজ পর্যন্ত কারও শাস্তি হয়েছে, এমন উদাহরণ নেই। রবীন্দ্র ঘোষ বিবাহ নিবন্ধনের বিরুদ্ধে নন। তিনি হয়তো বলতে চেয়েছেন, এত সমস্যা থাকতে এই আলোচনা আগে কেন? কিন্তু এখনকার বাস্তবতায় নিজের ভেতরের সমস্যাগুলো, ঘরের সমস্যাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চোখ বন্ধ থাকলেও প্রলয় বন্ধ থাকছে না। বর্তমান হিন্দু আইন পড়েছি। আইনে হিন্দু বিবাহের রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান—সবকিছু আগের মতো আছে। নিবন্ধন হলো বিবাহের দালিলিক প্রমাণ। ৪০ বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একজন প্রতারক স্বামী যখন আদালতে দাঁড়িয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অস্বীকার করে, তখন খেই হারিয়ে ফেলি। দালিলিক প্রমাণের অভাবে কিছুই করতে পারি না। ১৯৬১ সালে মুসলিম অধ্যাদেশ (অর্ডিন্যান্স) হওয়ায় মুসলিম পরিবার ও নারী সুরক্ষিত হয়েছে। হিন্দু নারীদের অধিকার রক্ষা করতে হলে নিবন্ধনকে বাধ্যতামূলক করতেই হবে। তা না হলে হিন্দু পরিবারগুলোর অধিকার সুরক্ষিত হবে না।
নিনা গোস্বামী: নাগরিক সমাজ এত দিন একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে। বর্তমান হিন্দু আইনে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। আইনটি ঐচ্ছিক হয়েছে। তাই কানন বালাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না হলে কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এতে আইনটি হবে গুরুত্বহীন। আইনের প্রজ্ঞাপনের জন্য ফজলে রাব্বি সাহেব তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা খুশি হয়েছি। আশা করব, তিনি দ্রুত বিধিমালা করারও ব্যবস্থা করবেন। নাগরিক উদ্যোগ থেকে হিন্দু বিবাহের পূর্ণাঙ্গ আইনের খসড়া দেওয়া হয়েছিল। আইনের মধ্যে বহুবিবাহের জন্য শাস্তি ও বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থার কথা বলেছিলাম। কিন্তু হিন্দু সমাজের জন্য একটি অপূর্ণ আইন তৈরি হয়েছে। মাননীয় সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সাহেব, আমরা লক্ষ করেছি, আপনি অনেক বিষয়ে আন্তরিক। আপনি বলেছেন, আমরা যদি কখনো দাবি তুলি, তাহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। আজকে রবীন্দ্র বাবুসহ সবাই আপনার কাছে দাবি করছি, হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করার জন্য যা যা করা দরকার, তার উদ্যোগ গ্রহণ করুন।
অজয় রায়: আজকের আলোচনার বিষয় হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করা হোক। এখানে অন্য কোনো আলোচনা আসা উচিত নয়। হিন্দু বিবাহ আইন ঐচ্ছিক করা হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত এর প্রজ্ঞাপন হয়নি। এটা খুব দুঃখজনক। আইনটি ঐচ্ছিক হয়েছে। এখন সরকারের কাছে দাবি, কারও ওপর নির্ভর না করে একে বাধ্যতামূলক করা হোক। নিবন্ধনের বিষয়টি সবাই বুঝেছি। নিবন্ধন হলে হিন্দুদের কোনো আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ হবে না। নিবন্ধনের ফলে সাত পাকে ঘোরাও বন্ধ হবে না। তবু কিছু মানুষ নিছক বিরোধিতা করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ফজলে রাব্বির মাধ্যমে সরকারের কাছে অনুরোধ করব, এক সপ্তাহের মধ্যে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়ার হোক।
মো. ফজলে রাব্বি: আপনাদের আইনের বিষয়গুলো নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা একভাবে ভাবি, আমলারা অন্যভাবে ভাবেন। বাস্তব সত্য হলো, সচিবালয়কে এখনো মন্ত্রণালয় করতে পারিনি। রানাদা একটি কমিশনের কথা বলেছেন। আজকের আলোচনায় অনেক সম্মানিত ব্যক্তি আছেন। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন গঠন করতে পারেন। প্রয়োজনে আপনাদের সহযোগিতা করব। এই কমিশন অর্পিত সম্পত্তিসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারে। কানন বালার কথা শুনে আঘাত পেয়েছি। অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। কোনো পিতা তাঁর সন্তানকে অস্বীকার করলে সেই মায়ের কী অবস্থা হয়, তা বুঝতে পারি। আজকে হিন্দু জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আপনারা একটা কমিশন করুন। এখান থেকে এসব বিষয়ের প্রতিবাদ করুন। আপনারা আইনটি বাধ্যতামূলক চাইছেন। যদি বলি, আপনারাই চান না। না চাওয়ার সংখ্যা হয়তো খুব কম, কিন্তু আছে তো। আমরা যখন আইনটি করি, তখনো বিরোধিতা ছিল। জীবনের একটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করি। বন্ধুর মেয়ের বিয়ের ১১ বছর পর সম্পর্কের টানাপোড়েনে মীমাংসায় বসলাম। প্রতারক ছেলে বিয়ে করেনি বলে অস্বীকার করল। আশ্চর্য হলাম। বলে কী! আমি নিজে ওই বিয়েতে উপস্থিত ছিলাম। চোখের সামনে সাত পাকে ঘোরাসহ সব আচার-অনুষ্ঠান হয়েছে। তখন থেকে অনুভব করেছি, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ থাকা উচিত। সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে কথা দিচ্ছি, বিধি করার সময় আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব। আমি সব সময় আপনাদের পাশে আছি।
নিরঞ্জন অধিকারী: বৈদিক দ্রব্যযোগ্যকে মানসযোগ্যে পরিণত করলেন আরণ্যকের ঋষিরা। তাঁরা বললেন, নিষ্কাম কর্মই যোগ্য। অনেকে বেদের কথা বলেন। সমাজ কীভাবে চলবে, চারটি বেদে পৃথকভাবে তার উল্লেখ নেই। বেদ, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ—এগুলো শ্রুতি। বিবাহপ্রথাসহ যাবতীয় আইনকে বলে স্মৃতি। স্মৃতির আরেক নাম ধর্মশাস্ত্র। ধর্ম মানে কেবল ধর্মীয় কৃত্য নয়। ধর্ম মানে বৈশিষ্ট্য, সংস্কৃতি, বিশ্বাস, আইন ইত্যাদি। স্মৃতিশাস্ত্র মানবধর্মশাস্ত্র। দায়ভাগ প্রবন্ধগ্রন্থ। দায়ভাগ মিতাক্ষরা মূল বই না। মনুসংহিতা থেকে দায়ভাগ। যাজ্ঞাবল্ক্যস্মৃতি থেকে মিতাক্ষরা। মুনু সংহিতা, পরাশর সংহিতা, হারিৎ সংহিতা, বৃহস্পতি সংহিতা, শুক্র সংহিতা—এর একটার সঙ্গে অন্যটির মতপার্থক্য রয়েছে। তাহলে আপনারা যে শাস্ত্রের কথা বলেন, সেটা কোন শাস্ত্র? আবার, শ্রীহট্ট স্মৃতিগ্রন্থ বলে আলাদা স্মৃতিশাস্ত্র আছে। সিলেট অঞ্চলের মানুষ সেই স্মৃতিশাস্ত্র মেনে চলে। তাহলে সংহিতাগুলো, স্মৃতিশাস্ত্র—কোনো কিছুরই চিরন্তনতা নেই। আগে ব্রাহ্মণদের প্রাধান্য ছিল। সেখান থেকে সরে এসেছি। কাজেই শ্রুতি আর স্মৃতিকে এক করে দেখার দরকার নেই। বিয়ের সময় স্বামী ‘সারা জীবন ভাত-কাপড় দিতে বাধ্য থাকিব’ বলে অঙ্গীকার করেন। এই অঙ্গীকারের বাধ্যবাধকতা থাকতে অসুবিধা কোথায়? বিবাহ শ্রাদ্ধশান্তিসহ বিভিন্ন সংকট থেকে পরিত্রাণের জন্য তিনটি কমিশন (নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ) গঠনের সুপারিশ করছি—হিন্দুদের শাস্ত্রীয় যাবতীয় বিধিবিধান দেখার জন্য হিন্দুধর্মীয় নেতা, চিন্তাবিদ, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিশন; হিন্দু আইনবিদদের নিয়ে একটি আইন কমিশন; সরকারের একটি আইন কমিশন—এই তিনটি কমিশন থেকে হিন্দু সমাজের বিভিন্ন সংকটের সমাধানগুলো বের করতে হবে।
রাখী দাশ পুরকায়স্থ: পূর্ণাঙ্গ-অপূর্ণাঙ্গ যা-ই হোক, আইনটি হয়েছে। এটি হাতে নিয়ে কথা বলার এবং অগ্রসর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আশির দশকে প্রয়াত বিচারপতি দেবেশ ভট্টাচার্যের মাধ্যমে হিন্দু আইন সংস্কারের আন্দোলন শুরু করেছিলাম। তখন মালেকা আপা সাধারণ সম্পাদক, সুফিয়া কামাল সভাপতি। একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। সেদিনের আন্দোলন বৃথা যায়নি। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আমরা ঐচ্ছিক নিবন্ধনের বিধান পেয়েছি। কিন্তু আইনের বাধ্যবাধকতা না থাকলে কেউ এর সুফল নিতে পারবে না। আজকে আমাদের দাবি হলো, আইনের বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। আইন না মানলে কী হবে, তার নির্দেশনা থাকতে হবে। একান্ত ব্যক্তি উদ্যোগে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিকার পাওয়া গেছে। একটি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থাকতে হবে, যাতে সবাই প্রতিকার পায়। যেকোনো দুর্ঘটনার প্রথম শিকার হচ্ছে নারী। সেই নারী যখন বলছে, ‘আমি প্রতিকার চাই’, সেখানে আর কোনো কথা থাকতে পারে না। এখন হিন্দু নারীদের ঘরে প্রলয়ের ঝড় বইছে। বাইরে থেকে সেটা কেউ দেখতে পাচ্ছে না। সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের আলোকেও বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত। তাহলে নারীর বিবাহবিচ্ছেদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
শাহনাজ হুদা: মুসলিম-হিন্দু উভয় আইনে নিবন্ধন না হলে বিবাহ অবৈধ হবে না। কিন্তু মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন না হওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিন্দুরা পারিবারিক আদালতে যেতে পারে। সেখানে তাদের ভরণপোষণ, সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি বিষয়ের প্রতিকার চাইতে পারে। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রে বিবাহের প্রমাণ জরুরি। হিন্দু আইনের ওপর গবেষণা করেছি। সেখানে দেখেছি, কিছু বিষয় নিয়ে দ্বিমত আছে। হিন্দু বিবাহের নিবন্ধন নিয়ে দ্বিমত নেই। গবেষণায় কিছু বাস্তব সমস্যা দেখেছি। যেমন: বিবাহের কোনো প্রমাণ না থাকায় স্ত্রী-স্বামী এক জায়গায় বদলি হতে পারছেন না। একইভাবে বিবাহের প্রমাণ না থাকায় স্বামী মারা যাওয়ার পর স্ত্রী পেনশন পাচ্ছেন না। বিদেশভ্রমণের জন্য ভিসার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে হিন্দু নারীরা স্বামীর দ্বারা নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। যেমন: একজন স্বামীর ঘটনা জানি, স্ত্রী পানি চেয়েছেন। স্বামী এক গ্লাস অ্যাসিড দিয়েছেন। এই নারী শত চেষ্টায়ও তাঁকে ছাড়তে পারছেন না। এই প্রতারক স্বামীরা নারীদের স্বামী থেকে যাচ্ছেন। তাই হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূক করা একান্ত জরুরি।
বাসুদেব ধর: সবাই ধর্মের কথা বলি। একসময় ব্রাহ্মণ ছাড়া পূজা হতো না। ভারতের হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন, ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্যরাও পূজা করতে পারবেন। এমনকি নারীরাও পূজা করতে পারবেন। তাহলে সেই চিরকালীন বিশ্বাস কোথায় গিয়ে ঠেকে? উত্তরাধিকার আইনে নারীরা সম্পত্তি পান না। এখানে ভয় থাকে, কনভারশন (ধর্মান্তরিত) হলে সম্পত্তি বেহাত হয়ে যায়। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভীতি কাজ করে। তাই নতুন কোনো কিছুর মধ্যে যেতে তাঁরা ভয় পান। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বিষয়টি হিন্দুদের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি পদক্ষেপ। মনে হয়, তাদের মধ্য থেকেই জোরাল দাবি উঠবে, কেন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার চাইছি, অথচ নিজের পরিবারে একজন পুরুষ ও নারী সমান নয়। তাহলে কীভাবে মানুষের সমানাধিকার আন্দোলনে শরিক হব? সেই আন্দোলনে সফল হব? দিনে দিনে সবাই বুঝতে পেরেছি যে হিন্দু বিবাহের নিবন্ধন কতটা প্রয়োজন। পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের গালমন্দ করবে। কারণ, এ রকম একটি বিষয় নিয়েও আমাদের আলোচনা সভা করতে হচ্ছে। আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অতএব, আর এক মুহূর্ত কালক্ষেপণ না করে, যত দ্রুত সম্ভব নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক।
মালেকা বেগম: ছেলেটির কোনো সমস্যা নেই। যত সমস্যা মেয়েটির। মেয়েটির ক্ষেত্রে যত বিধিনিষেধ। বিভিন্নভাবে তাকে চাপের মধ্যে রাখা হয়। মেয়েটিও ধীরে ধীরে ভাবতে থাকে, সে অন্যদের থেকে আলাদা। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েদের প্রগতিশীল চিন্তাভাবনায় উজ্জীবিত করতে হবে। তা না হলে মেয়েরা নির্যাতিত হতে থাকবে।
কোনো বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিতে গেলেই বলা হয়, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত।’ সব সম্প্রদায়ের মানুষ একই কথা বলে। ব্যক্তিগত বলে কিছু নেই। প্রত্যেকের ব্যক্তিগত সমস্যা মানে, সেটি একটি বড় ধরনের জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। বর্তমান হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইনের বিষয় বলতে চাই, কোনো আইন ‘ঐচ্ছিক’ হতে পারে না। ঐচ্ছিক মানে ইচ্ছা। ইচ্ছা হলে মানব, ইচ্ছা না হলে মানব না। আইন কখনো এমন হতে পারে না। সরকার কি বলতে পারবে, ‘ইচ্ছা হলে জনগণ ট্রাফিক আইন, অপরাধ আইন মানবে, ইচ্ছা না হলে মানবে না?’ তাই কোনো আইন ঐচ্ছিক হতে পারে না। ঐচ্ছিক শব্দটি উঠিয়ে দিলেই আইনটি পূর্ণাঙ্গ হয়ে যায়। এবং একটি পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনই এখন জরুরি প্রয়োজন।
খোরপোশ নিয়ে কথা হয়েছে। খোরপোশকে সমর্থন করি না। কিসের খোরপোশ? একজন বিত্তবান মানুষও খোরপোশের জন্য হাত পাতেন। তখন নিশ্চয়ই তাঁর আত্মসম্মানে বাধে। আসল কথা হলো, নারীকে মুক্তি দিতে হবে। বেগম রোকেয়ার সেই কথা মনে নেই? তিনি বলেছিলেন, ‘নারীকে শিক্ষিত করিয়া কর্মক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, তাহাদের নিজেদের অন্নসংস্থান নিজেরা করুক।’
মুসলিম নারীরা আন্দোলন-সংগ্রাম ছাড়া কিছু পায়নি। হিন্দু নারীদের একটা সংগঠন করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। হিন্দুদের উত্তরাধিকার আইন, অর্পিত সম্পত্তি, পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইন—সব সমস্যার সমাধান হোক। অনেকে নারীদের আজকের এই সমস্যা থেকে অন্য সমস্যা বড় করে দেখেন। কিন্তু এটি অন্য যেকোনো সমস্যা থেকে অনেক বড় সমস্যা। তাই মনে করি, ঐচ্ছিক শব্দটিকে কেটে দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ হিন্দু বিবাহ আইনের ব্যবস্থা করা হোক।
গৌর গোপাল সাহা: আজকের আলোচনায় সবাই মূল্যবান বক্তব্য দিয়েছেন। আলোচ্য বিষয়ের বাইরেও অনেক কথা এসেছে। তবে হিন্দু বিবাহ বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে কারও দ্বিমত নেই। আমি নিজেও এর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি। এখন সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করি। সাধারণত সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। এ জন্য ব্যক্তিগত কোনো আইনের ব্যাপারে তারা সংবেদনশীল থাকে। ১৯৬১ সালে মুসলমানদের জন্য একটি যুগান্তকারী আইন হয়েছিল। মুসলমানরা এই আইনের সুফল ভোগ করছে। ভারতবর্ষ অনেক এগিয়ে গেছে। সেখানে সব বিষয়ে মুক্ত আলোচনা হয়। সেখানেও ধর্মভীরু ও ধর্মহীন লোকের সংখ্যা কম নয়। ২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গায় এক হাজার ১০০ মুসলিম এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৫০ জন মারা যায়। কিন্তু আজও তার বিচার হচ্ছে। শাস্তি হচ্ছে। এ ঘটনার জন্য এখনো নরেন্দ্র মোদি নিন্দিত, ঘৃণিত। হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন জীবনের একটি অংশ। পূর্ণ জীবন কিন্তু নয়, পূর্ণ জীবনের কথা ভাবতে হবে। তা না হলে কোনো অধিকার কার্যকর হবে না। ১৯৪৭ সলে বাংলাদেশে ৩০ শতাংশ হিন্দু ছিল। এখন ৯ শতাংশ। আগামী ৬৫ বছর পর বাংলাদেশ হিন্দুশূন্য হতে পারে। এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ নেই। ১৫-১৬ বছর আগে হিন্দুদের নির্যাতনের কোনো খবর প্রচার হতো না। হিন্দু চিন্তাবিদ, হিন্দুধর্মীয় নেতা, সাধারণ মানুষ—সবার সঙ্গে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন নিয়ে আলোচনা করেছি। তাঁরা সবাই চান, হিন্দু নিবন্ধন আইন হোক। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই আইনের সম্পূর্ণ পক্ষে। তবে আরও মনে করি, শুধু হিন্দুদের জন্য নয়, সব নাগরিকের জন্য জন্ম, মৃত্যু ও বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা উচিত।
আব্দুল কাইয়ুম: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে একটি সফল আলোচনা হলো। সবাই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। অনেক মতামত এসেছে। এগুলো সরকার বিবেচনায় নেবে বলে আশা করি।
সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 04
(177)
- ‘উড়ে আসা’ নায়কে উদ্ধার শ্রীলঙ্কা
- নাফিস-মমিনুল বনাম সোহাগ-রাজ্জাক
- এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয়- উড়ছে পাকিস্তান
- অস্ট্রেলিয়া ৪৮ রানে এগিয়ে
- মিয়াঁদাদের ভারত সফর বাতিল
- মঙ্গলের চাঁদে যাবে ‘শজারু’
- গভীর সমুদ্রে প্রবাল
- স্থূলতা গবেষণা নিয়ে বিতর্ক
- নতুন গ্রহের প্রথম ছবি
- নতুন বছরে বিজ্ঞান
- নৈতিকতা দিবস পালিত
- বিপ্লবের স্ত্রীকে দুই লাখ টাকার চেক হস্তান্তর
- পানিসম্পদ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আজ শুরু
- উদ্বোধনের পরও গাড়ি চলাচলে নিয়ন্ত্রণ- দর্শনার্থীদের...
- বাড়ি থেকে উচ্ছেদ লিন্ডসে!
- ভুলে ভরা চলচ্চিত্র!
- চলচ্চিত্রের গানে ইমরানের সংগীত পরিচালনায় কনা
- ‘এই তো জীবন’-এ শর্মিলী আহমেদ
- বিয়ে করছেন নার্গিস-উদয়! (ভিডিও)
- মানসিক অসুস্থতা থেকে বংশগত বিকলাঙ্গতা
- পরিবেশবান্ধব ॥ পরিবেশে বসবাস by ইব্রাহিম নোমান
- পৃথিবী আগে যে অবস্থায় ছিল
- পরিবেশ দূষণের কারিগর ॥ কয়লার ব্যবহার বাড়ছে
- রামানুজন ঠিক ছিলেন ১০০ বছর আগেই
- ফ্যাশন সংবাদ
- বছরজুড়ে ফ্যাশন ভাবনা
- অর্থনৈতিক কল্যাণে নারী উদ্যোক্তারা
- ‘ইয়োলো সিøপ’ ও সৌদি নারীরা
- বদলে যাক দৃষ্টিভঙ্গি by সাবিনা ইয়াসমিন
- কবিতা- ভ্রমণ-০৪ by মতিন বৈরাগী
- রক্ত ও রূপান্তরের গল্প by মনি হায়দার
- মানবতার জয়গান by দীপিকা ঘোষ
- স্বপ্নের শালিমার by মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক
- মরুঝড় by মোহিত কামাল
- আধুনিক কবিতার প্রবাদপুরুষ টিএস এলিয়ট by নাজিব ওয়াদুদ
- স্মরণীয়
- আহরণ
- সম্পাদক সমীপে
- ইসলামে উদারতা ও মধ্যপন্থা অধ্যাপক by হাসান আবদুল ...
- ২০১২ সাল অর্থনৈতিকভাবে কেমন গেল? by ড. আর এম দেবনাথ
- সহপাঠীদের হাতে খুন!- স্বভাবতই প্রশ্ন জাগতে পারে মন...
- বই উৎসব ॥ সফলতার নজির
- ফিরে দেখা
- বঙ্গবন্ধুর ॥ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ by ড. শামস্ রহমান
- বেগম জিয়ার বিরূপ বক্তব্যে সারাদেশে তোলপাড় by শাহজ...
- জামায়াত নেতা তাহেরের মুক্তি দাবিতে রবিবার কুমিল্লা...
- রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত শিবিরের সংঘর্ষ ॥ আ...
- ফখরুল আরও দুই মামলায় গ্রেফতার- মুক্তি দাবি বিএনপির
- অক্টোবর থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হবে
- বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি by মোরসালিন মিজান
- বেনাপোলে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষ, ভাংচুর আহত ১০- মাদক বি...
- শুধু প্রকাশকদের নিয়েই এবার একুশে বইমেলা- বাংলা একা...
- গৃহবধূর সম্ভ্রমহানি ভয়ে লজ্জায় দেশ ছেড়ে গেল কমলেশ ...
- মধুপুরে ধর্ষিত স্কুলছাত্রীর চিকিৎসায় ৭ সদস্যের মেড...
- পদ্মা সেতুতে যারা দুর্নীতি করেছে তাদের আসামি করা হ...
- মন্ত্রী আফছারুলকে ক্ষমা চাইতে বললেন কিছু শিক্ষক নেতা
- আওয়ামী লীগ কোন গোপন আলোচনায় বিশ্বাস করে না ॥ by ন...
- জ্বালানি তেলের দাম ফের বাড়ল
- এবার কোকোর ঘুষের মুনাফার ১৫ লাখ টাকা আনা হলো
- জিহাদের রিজার্ভ ফোর্স মাঠে নামানোর কথা রিমান্ডে স্...
- মহাখালী ও মতিঝিলে জামায়াত শিবিরের ফের ঝটিকা মিছিল-...
- পুরো ময়মনসিংহ শহর একটি জনসমুদ্র- শেখ হাসিনা চাইলেন...
- চোখের দৃষ্টি দিয়ে
- প্রান্তিক কৃষক ফারুক মিয়ার কিডনি প্রতিস্থাপনে সহায়...
- পাঠ্যবই নিয়ে নানা কৌশলে বাণিজ্যে মেতেছে নোট গাইড ব...
- গোয়েন্দাদের ধাঁধায় ফেলে গুপ্তচরবৃত্তি করে গেছে তুর...
- মেরামত কাজ শুরু আজ মেঘনা ও গোমতী সেতু ৪ দিন বন্ধ থ...
- আদালত অবমাননায় জিয়াউদ্দিনকে শোকজ
- পাইপলাইন সমাচার ॥ দাতারা অর্থ ছাড় করে না- জমে পাহা...
- আবেদন খারিজ ॥ গো. আযম, নিজামী, সাঈদী ও কামারুজ্জাম...
- আশ্রয়প্রার্থী ৭৩ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাল থাইল্যান্ড
- পাকিস্তানে ড্রোন হামলায় জঙ্গি নেতা নাজির নিহত
- মোটরসাইকেলে দুই পাশে পা দিয়ে বসা যাবে না
- ফিসক্যাল ক্লিফ’- নতুন আইনে ওবামার স্বাক্ষর, ধাক্কা...
- নয়াদিল্লিতে গণধর্ষণ- পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
- শ্বশুরবাড়িতে হামলা সংঘর্ষে নিহত ১
- চিকিৎসক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন, হাসপাতাল নেই
- অর্থাভাবে গাইবান্ধার পাঁচটি সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু হুমকির মুখে
- সীমান্ত হত্যায় বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দা- সীমান্তে আগ...
- ‘আল্লায় আমার কান্দন হোনছে’
- ‘বেসরকারি টিভি চ্যানেলের জন্য নীতিমালা হচ্ছে’
- ভীতি কাটিয়ে গণিতকে ভালোবাসতে হবে
- নারীর প্রতি সহিংসতা- জ্বলুক প্রতিবাদের অগ্নিশিখা b...
- অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করুন- বিক্ষোভকারীর ওপর পুল...
- ছাত্রলীগ নেতারা এখন কী বলবেন?- ছাত্রাবাসে মাস্তানি
- ধর্ম- যুবসমাজের নৈতিক চরিত্র গঠন by মুহাম্মদ আবদ...
- দিনবদলের সনদ- জনপ্রশাসনে স্বপ্নভঙ্গের ইতিবৃত্ত by ...
- গোলটেবিল বৈঠক- ‘হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক ক...
- আ. লীগের নতুন কমিটি-তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষাও উপেক্ষিত b...
- কংক্রিটের রাস্তা বেশি টেকসই
- জিয়াউদ্দিনকে ট্রাইব্যুনালের কারণ দর্শানোর নোটিশ
- কোকোর পাচার করা টাকার সুদ এলো দেশে
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-পুনর্বিচারের চার আবেদন ...
- আরো দুই মামলায় ফখরুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে-সরকা...
- নারীর অধিকার-সরকার কথা রাখেনি by শরীফা বুলবুল
- টাঙ্গাইলের নির্যাতিত ছাত্রীর চিকিৎসায় বোর্ড গঠন-বি...
- ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী-খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের...
- ঋণ কেলেঙ্কারি-ব্যাংকের ৬০৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ম...
- ডিজেল কেরোসিনে ৭, পেট্রল অকটেনে ৫ টাকা দাম বাড়ল-বি...
- কঠোর আইন শুধুই পরিহাস-ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের ঘটনা...
- বার্মিংহামে পাকিস্তান কনস্যুলেটে চাকরি পেলেন মালাল...
- 'ছেলে দোষী হলে ফাঁসি দিন'
- ফেসবুকে অন্য তরুণীর ছবি ছড়িয়েছে
- 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সেরা পাঁচে থাকবে ভারত'
- বিমাপ্রতিষ্ঠান মিউনিখ রের প্রতিবেদন-২০১২ সালে প্রা...
- করুণানিধি বললেন-আমার পর স্টালিন হবে দলের প্রধান
- হাসপাতালের স্বপ্ন ছিল তাঁর
- জাতিসংঘের দাবি-সিরিয়ায় সংঘাতে মারা গেছে ৬০ হাজার ম...
- তেলেঙ্গানা রাজ্য কত দূর?
- ইরাক- প্রধানমন্ত্রী মালিকির নতুন সংকট
- ২০১৩ খবরে যা থাকবে, যাঁরা থাকবেন
- বিলাওয়ালের পথ সহজ হবে না by হারুন-অর-রশীদ
- অদল-বদল
- বিদায় এম এন ইসলাম by ভূঁইয়া ইনাম লেনিন
- অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর দৃষ্টিতে- তথ্যপ্রযুক্...
- যা কিছু প্রথম
- বাজারে নতুন
- বিচিত্রিতা- সময়ের আয়নায় নিউজউইক
- যা নিয়ে আছি- আশা নিয়ে বেঁচে থাকি
- দিল্লিতে বাসে গণধর্ষণ-আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছ...
- শাভেজের আসল খবর জানতে চায় বিরোধীরা
- নতুন পতাকায় ইউনিয়ন জ্যাক বাদ দেবে ফিজি
- হাসপাতাল ছাড়লেন হিলারি
- ড্রোন হামলায় পাকিস্তানে শীর্ষ তালেবান নেতাসহ নিহত ১০
- ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনকে সংলাপে বসার আহ্বান
- ভারত সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট-ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত পরীক...
- ফের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে মুবারককে
-
▼
Jan 04
(177)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment