যুদ্ধের খেলা by সুমন পাটওয়ারী

আবার যুদ্ধে যেতে হবে—এ কথাটা পুরোপুরি সত্যি বলে প্রমাণিত হবে কম্পিউটারে ব্যাটেলফিল্ড-৩ খেলতে বসলে। কারণ, পুরোপুরি জলে-স্থলে এবং অন্তরিক্ষে ছুটে বেড়াতে হবে গেমারকে। আর সেখানে গেমার সুবিধা পাবে নিজেকে ভিন্ন ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার।


গেমার ইচ্ছা করলে মার্কিন মেরিন ব্ল্যাকবার্ন ও মন্টেজ, ট্যানক অপারেটর মিলার, ফ্লাইট অফিসার হকিন্স, রাশিয়ান স্পাই ডিমা হিসেবে গেমটি খেলতে পারবে। যাদের কল অফ ডিউটি খেলা আছে, তাদের কাছে গেমের কিছু অংশ বোঝা বেশ সহজ হবে। কারণ, কল অফ ডিউটির ব্ল্যাক-অপ্সের মতো এই গেমের কাহিনি ও গেমের মূল চরিত্র ব্ল্যাকবার্নকে ইন্টারোগেশনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। গেমটির শুরু হয়েছে ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া ব্যাটলফিল্ড-২ গেমের ধারাবাহিকতা ধরে। গেমের শুরুটা হয়েছে ২০১৪ সালের ইরান-ইরাক সীমান্তের যুদ্ধ নিয়ে, যে যুদ্ধের রেশ প্যারিস হয়ে নিউইয়র্ক পর্যন্ত গড়াবে। গেমের শুরু হয়েছে সার্জেন্ট ব্ল্যাকবার্নের কাহিনি দিয়ে, যা শেষের দিকে দিমিত্রি মায়াকোভস্কির দিকে যাবে। ফলে গেমারকে খেলতে হবে তেহরান, প্যারিস, সুলাইমানিয়া, নিউইয়র্ক, ওয়েক আইল্যান্ড, ওমান এবং আরও কিছু এলাকায়। ফাইটার জেট, প্রোন পজিশন, ৬৪-প্লেয়ার ব্যাটলের মতো বেশ কিছু ফিচার যোগ করা হয়েছে এই পর্বে। এ ছাড়া ব্যাটলফিল্ড-৩-এ যুক্ত করা হয়েছে ব্যাটললগ নামের একটি বিশেষ ফিচার, যার মাধ্যমে গেমের বিভিন্ন পরিসংখ্যান শেয়ার করা যাবে বন্ধুদের সঙ্গে। গেম খেলতে খেলতে যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীকে দেখতেও গেমারের কাছে কখনো কখনো সুন্দর মনে হবে, যদি উচ্চ রেজল্যুশনে খেলতে পারেন। আর গ্রাফিকসের মান সেরা গেমারগুলোর সঙ্গে ভালোই প্রতিযোগিতা করতে পারবে। সাউন্ড কোয়ালিটি কখনো বাস্তবসম্মত আবার কখনো কখনো ভয়ানকও মনে হবে, যদি ভালো সাউন্ড সিস্টেম থাকে। তাই আর দেরি না করে বসে পড়ুন গেমটি নিয়ে।

যা যা প্রয়োজন
প্রসেসর: ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ২.৪ গিগাহার্টজ/এএমডি অ্যাথলন এক্সটু ৪৮০০+
মেমরি: ২ গিগাবাইট, গ্রাফিকস হার্ডওয়্যার: ৫১২ মেগাবাইট (ন্যূনতম এনভিডিয়া জিফোর্স ৮৮০০ জিটি/এটিআই রাডেওন এইচডি ৩৮৭০) ও হার্ডডিস্ক স্পেস: ২০-২৫ গিগাবাইট।

No comments

Powered by Blogger.