রোজা পালন ও তারাবির নামাজ আদায় by মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার

রমজানের চাঁদ দেখলে সে রাত থেকেই তারাবির নামাজ শুরু করতে হয় এবং ঈদের চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতেই তা বন্ধ করতে হয়। প্রত্যহ এশার নামাজের পর বেতের নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে মোট ২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে হয়। এটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। এটি মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করাই উত্তম।


তবে বিশেষ ওজরে বা জামাত না হলে একাকী পড়তে হবে। মহিলারা ঘরে একাকী তারাবির নামাজ পড়বে।
ইমাম হাফেজ হলে তারাবির নামাজে রমজান মাসে এক খতম কোরআন পাঠ করতে পারেন। এতে বিশেষ সওয়াব হাসিল হয়। এ ছাড়া যারা সুরা দ্বারা তারাবি আদায় করবে তারা সুরা ফিল থেকে নাস পর্যন্ত ১০ সুরার এক একটি প্রথম রাকাতে এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ইখলাস পাঠ করলে ২০ রাকাত আদায় হয়। রমজান মাসে তারাবি শেষ করে বেতের নামাজও জামাতে আদায় করবে।
তারাবির নিয়ত ও দোয়া দুই রাকাতের নিয়ত করবে এবং ছালাতিত্তারাবীহে সুন্নাত রাসূলিল্লাহি তায়ালা ... আল্লাহু আকবর বলবে।
প্রতি চার রাকাতের পর একটু বিশ্রাম করবে এবং নিচের দোয়া পাঠ করবে।
'সুবহানা যিল-মুলকি অল মালাকুতে সুবহানা যিল ইয্যতে ওয়াল্ আযমাতে ওয়াল্ হাইবাতে ওয়াল্ কুদরাতে ওয়াল্ কিবরিয়াই ওয়াল্ জাবারুতি সুবহানাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাযী লা-ইয়ানামু অলা- ইয়ামুতু আবাদান আবাদ-সুব্বুহুন ক্কদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল-মালাইকাতি ওয়াররুহ।'

তারাবির নামাজের মুনাজাত
প্রতি চার রাকাত পর বা সম্পূর্ণ নামাজ শেষে নিচের মুনাজাত করতে হয়।
'আল্লাহুম্মা ইন্না নাস আলুকাল জান্নাতা অনাউযুবিকা মিনান্নারি ইয়া খালেক্কাল জান্নাতি অন্নারি বি রাহমাতিকা ইয়া আযীযু ইয়া গাফফারু, ইয়া কারীমু, ইয়া সাত্তারু, ইয়া রাহীমু, ইয়া জাব্বারু, ইয়া খালেকু, ইয়া বাররু, আল্লাহুম্মা আজিরনা মিনান্নারি ইয়া মুজীরু, ইয়া মুজীরু, ইয়া মুজীরু, বি-রাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহেমীন।'
লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ সিরাত মিশন।

No comments

Powered by Blogger.