Wednesday, May 16, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
বিশ্ববিদ্যালয়টি আর কতদিন বন্ধ থাকবে? গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই দিনই হল ত্যাগ করে আমাদের সন্তানেরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। অথচ কিছু দিন পর বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ব্যক্তিগত নামে এই মর্মে পত্র পাঠায়, ‘আপনার সন্তান যদি এখনো হল ত্যাগ না করে থাকে তবে তাকে অবিলম্বে হল ত্যাগ করতে বলুন।’ অর্থাৎ তাদের ভাষায়, হলে অবস্থানকারীদের সঠিক তথ্য না জানা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অভিভাবকদের ব্যক্তিগত নামে পত্র পাঠানো হয়েছে। এই অচলাবস্থা প্রায় তিন মাস ধরে চলতে থাকায় গভীর উত্কণ্ঠায় অভিভাবকেরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রত্যাশায় প্রহর গুনছেন, তখন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অভিভাবকদের ব্যক্তিগত নামে দ্বিতীয় পত্র পাঠানো হয়েছে। সে পত্রে শিক্ষকদের চাকরির বিভিন্ন বিষয়, পদায়ন, জেলা কোটা সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে, যা অভিভাবকদের জানানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।
ওই পত্রে গত ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকায় প্রকাশিত ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে এই বলে যে, ওই সংবাদ সম্মেলনে যিনি লিখিত প্রস্তাব পাঠ করেছেন, তাঁর কোনো সন্তান এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন না। কিন্তু সন্তানের অনিশ্চিত শিক্ষাজীবনের দুশ্চিন্তায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের পাশে দেশের যেকোনো সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিক বলিষ্ঠ ভূমিকা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন। প্রস্তাব পাঠকারীকে ছাত্রছাত্রীদের বাবা হতে হবে, এমন অযৌক্তিক দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের একমাত্র দাবি, আমাদের সন্তানদের নির্বিঘ্ন এবং নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষাজীবন। এই দাবি দেশের যে কেউ করতে পারেন।
পত্রিকান্তরে প্রকাশিত সংবাদে আমরা গভীর উত্কণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ করছি, বর্তমান সরকারদলীয় প্রভাবশালী নেতা এবং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ওই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে অযাচিত হস্তক্ষেপে প্রয়াসী হচ্ছেন। অপর পক্ষে বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী উপাচার্যের পক্ষাবলম্বন করেছেন। এই দুই পক্ষের জেদাজেদিতে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাদের অমূল্য তিন মাস ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রামের সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, শিক্ষার্থীদের আর সময় নষ্ট না করে বিশ্ববিদ্যালয়টি খোলার ব্যবস্থা করুন।
মো. সামসুল হক, নারিন্দা, ঢাকা।
শিকলে বাঁধা জীবন
গত ২৭ মার্চ প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘দুরন্ত রাফিনকে তালিম দিতে পায়ে শেকল’ প্রতিবেদনটি পড়ে ভীষণ মর্মাহত হয়েছি। ফরিদপুরের মিহিউস সুন্নাহ জামেয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা নূরানি মক্তব ও হেফজখানার ছাত্র রাফিন। ছয়-সাত বছরের ছেলেটিকে মাদ্রাসার একটি ছোট ঘরে সাত-আট দিন ধরে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। অপরাধ, সে একটু বেশি দুরন্ত! একটি বাচ্চা ছেলে দুরন্ত বা চঞ্চল প্রকৃতির হতেই পারে, তাই বলে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে চারদেয়ালে বন্দী রাখা অমানবিক, নিষ্ঠুর কাজ। দুরন্ত রাফিন মানুষের এই নিষ্ঠুরতা থেকে কী শিক্ষা নেবে, তা কি ভেবে দেখেছেন ওই মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ? ছোট্ট রাফিনকে ‘শান্ত’ করতে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন একটু ভালোবাসা। শিক্ষক ভালোবাসা দিয়ে একটি ছাত্রকে আলোকিত করতে পারেন। ছোট্ট রাফিনের পায়ের শিকল খুলে দিন। ওকে মুক্ত বাতাসে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে দিন। বিকেলে মাঠে খেলতে দিন। রাফিনের জীবনকে চারদেয়ালে বন্দী করে রাখবেন না। রাফিনের শৈশব আনন্দময় হোক।
আরাফাত
মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা।
দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা বলছি
আমি মোসা. জোবেদা খাতুন, দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা। আমার বয়স এখন ৯৩ বছর, স্বামী প্রয়াত। ১৯৫৩ সাল থেকে দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়ায় নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছি। আমি সাত সন্তানের জননী। দুই ছেলেকে হারিয়েছি মহান মুক্তিযুদ্ধে। তাদের একজন শহীদ বুদ্ধিজীবী মিজানুর রহমান মিজু, অন্যজন শহীদ ওবায়দুর রহমান ওযু। মিজানুর রহমান মিজুকে ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর ঘোড়াশালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গুলি করে হত্যা করে। ২০০০ সালে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী সিরিজ’ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় তার স্মরণে। ওবায়দুর রহমান ওযু ছিল সামরিক কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল সৈয়দপুর সেনানিবাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
মুক্তিযুদ্ধে দুই সন্তান হারানোর আঘাত সইতে না পেরে আমার স্বামী হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। আমার বড় ছেলে জিল্লুর রহমান বাংলা একাডেমীর সাবেক কর্মকর্তা। পাঁচ বছর ধরে সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। বর্তমানে সে দিনাজপুর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের আইসিউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। আমার অন্য সন্তানেরা বিদেশে বসবাস করছে। আমি অনেকটা অসহায় অবস্থায় একমাত্র আশ্রয়স্থল দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে বসবাস করছি। কিন্তু এই বসবাস প্রাণান্তকর হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসী আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আমার বসতবাড়িটি জবরদখল করার চেষ্টা করছে। ৩ মার্চ তারা আমার বাড়ির একটি ঘর জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। নানা উপায়ে তারা আমার স্বাভাবিক জীবন যাপনে সমস্যা সৃষ্টি করছে।
আমার দুই সন্তানের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে এই ৯৩ বছর বয়সে আমাকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে, এমনটা কখনো ভাবিনি। দুজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা হওয়াই কি আমার অপরাধ? নাকি এই দেশে আইন-বিচার বলে কিছু নেই? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার আবেদন, আমার বসতবাড়ির জবরদখল করা ঘরটি সন্ত্রাসীদের অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করে দিন। তারা যাতে আমার বাড়িটি পুরোপুরি গ্রাস করার অপপ্রয়াস বন্ধ করে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিন। সারা দেশে যারা আমার মতো এ ধরনের অন্যায়-অবিচারের শিকার হচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার, নিজের বসতভিটায় নিরাপদে-নিরুপদ্রবে বসবাসের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য আপনার সরকারকে সক্রিয় করুন।
মোসা. জোবেদা খাতুন
মুন্সিপাড়া, দিনাজপুর।
ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ
আগে জানতাম, ব্যাংকে টাকা রাখলে টাকা বাড়ে। এখন দেখছি কমে, এমনকি শূন্যও হয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাংকগুলো সঞ্চয় হিসেবে ৩০০ টাকা করে বছরে দুবারে ৬০০ টাকা এবং চলতি হিসাবে ৫০০ টাকা করে বছরে দুবারে এক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবে।
মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সংসারখরচ মিটিয়ে তেমন একটা সঞ্চয় করতে পারে না। তাদের সঞ্চয় হিসেবে তেমন একটা জমা থাকে না। যাদের সঞ্চয় হিসাবে এক হাজার টাকা আছে, তারা বছর শেষে দেখবে (১০০০-৬০০)= ৪০০ টাকা আছে। অনেক পরিবারের স্কুল-কলেজে পড়ুয়া একাধিক ছেলেমেয়ে রয়েছে, যাদের কলেজের ফি, স্কলারশিপ গ্রহণ ইত্যাদি কাজের জন্য সঞ্চয় হিসাব থাকে। অর্থের প্রয়োজনে এসব হিসাবের বরাতে তারা ডিডি, টিটি ইত্যাদি করে থাকে। এসব হিসাবেও যদি বছরে ৬০০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়, তাহলে একটি পরিবারকে বছরে কয়েকটি হিসাবের বিপরীতে কয়েক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে, যা কাম্য নয়।
আগামী জুন ২০১০ ও ডিসেম্বর ২০১০-এ এভাবে ৩০০ টাকা করে লাখ লাখ সঞ্চয় হিসাবে দুবার সার্ভিস চার্জ কর্তন করে নেওয়া হবে। এদিকে সঞ্চয় হিসাবে সুদের হার খুবই কম এবং তা শর্তসাপেক্ষ। অর্থাৎ শর্ত ভঙ্গ হলেই এসব হিসাবে সুদ দেওয়া হয় না। আবার ন্যূনতম স্থিতি না থাকলে সে জন্য আছে পেনাল্টির ব্যবস্থা। তদুপরি দুই বছর লেনদেন না করলে পুরো টাকার মালিক হয়ে যাবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ডিজিটাল বাংলাদেশের সক্রিয় গভর্নর মহোদয় ব্যাংকিংসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু উল্লিখিত কর্তন, সার্ভিস চার্জ, জরািমানা ইত্যাদির অত্যাচারে অনেক সাধারণ মানুষকেই টিনের কৌটায় টাকা জমানোর চিন্তা করতে হবে। এ দেশের গরিব মধ্যবিত্ত মানুষ দিন দিন নানা যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে, সুযোগ-সুবিধা, সেবা এগুলো পাওয়ার যোগ্যতা যেন তাদের নেই।
গভর্নরের কাছে আমার আকুল আবেদন, বছরে ৬০০ টাকা সার্ভিস চার্জ যাঁরা দিতে পারবেন, তাঁদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য করা হোক, সবার জন্য নয়।
আফরোজা বেগম
আরামবাগ, ঢাকা।
তৃণমূলের অবহেলিত চিকিৎসকরা
ইদানীং তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। প্রথম আলোতে এ নিয়ে একটি সম্পাদকীয়ও ছাপানো হয়েছে। ব্যাপারটা ভিতর থেকে দেখা প্রয়োজন। গ্রামেগঞ্জে কতো প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে ডাক্তারদের কাজ করতে হচ্ছে—তা ভালোভাবেই জানি। সিকি শতাব্দীর চাকরি-জীবনের বেশির ভাগ সময় আমার কেটেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাবসেন্টারে। পাঁচ বছর চাকরি করেছি শুধু ইউনিয়ন সাবসেন্টারেই। ওখানে ভাঙা নড়বড়ে ঘরে অফিস করেছি, বাস করতাম বিদ্যুিবহীন একটা অতিক্ষুদ্র সেন্টার রুমে। ওখানে কোনো টয়লেট পর্যন্ত ছিল না। কিন্তু শত কষ্টের মধ্যেও নিয়মিত কর্মস্থলে থেকেই চাকরি করেছি।
তার প্রতিদান হিসেবে পেয়েছি ঘনঘন বদলি; এমনকি তিন মাসেও আমি বদলির শিকার হয়েছি এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায়। যারা ফাঁকি দিয়েছে তারাই পদোন্নতি পেয়েছে নানা উপায়ে। এ সার্ভিসে জুনিয়র-সিনিয়র কিছুই বিবেচনা করা হয় না। যার খুঁটির জোর বেশি সেই ভালো পোস্টিং ও প্রমোশন পায়। কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নির্বিকার ও নির্মম। কোনো সিস্টেমও নেই। ফলে কর্তব্যপরায়ণরা অন্ধকারেই থেকে যায়, বঞ্চিত, অবহেলিত, পীড়িত হয়। যখন ক্ষমতা আমলাদের হাতে থাকে তখন তাঁরা যা ইচ্ছা তাই করেন। আবার যখন ড্যাব বা স্বাচিপের হাতে ক্ষমতা থাকে, তখন স্বেচ্ছাচার করেন এই দুই সংগঠনের নেতারা।
চাকরিজীবনে আমি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে একটা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিই এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রিও অর্জন করি। ২৪ বছর চাকরি করার পরও আমাকে একটা উপজেলায় পোস্টিং দেওয়া হয় জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে চলতি দায়িত্বে। ১০ বছর চলতি দায়িত্বে কাজ করার পরও আমাকে নিয়মিত করা হয়নি। চলতি দায়িত্ব নিয়েই আমি দুটি জেলা হাসপাতাল ও দুটি উপজেলা হাসপাতালে এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম। এতবছর চাকরি করার পর একটি উচ্চতর স্কেলও আমি পাইনি। অথচ আমার সঙ্গে যারা অন্য ক্যাডার সার্ভিসে ঢুকেছেন তাঁরা আজ জয়েন্ট সেক্রেটারি বা তদুর্ধ্ব পদে কর্মরত। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন কারো কাছে মুখ দেখাতে পারি না। সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিলাম। ছাত্রজীবনে ছিলাম অন্যতম সেরা ছাত্র, সেই আমি পেশাজীবনে অন্যতম ব্যর্থ ব্যক্তি। বেতন না বাড়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
এসবের প্রতিকার কেউ করবে না। এটা শুধু আমার অবস্থা নয়। আমার মতো হাজার হাজার ডাক্তার এ ধরনের অন্যায়ের শিকার। কেউ উদ্যোগী হয়ে একটু সময় নিয়ে জরিপ করলেই সব জানা যাবে। এ দুর্বিসহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে প্রাইভেট সেক্টরে ঢুকেছেন বা বিদেশ চলে গেছেন। প্রসঙ্গত, ডাক্তারদের মধ্যে চাকরি ত্যাগের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। কারণ চাকরি তাঁদের কাছে গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়ায়। আজ যখন দেখি—নবীন চিকিৎসকরা তৃণমূল পর্যায়ে যেতে চায় না—তখন মনে হয় ওরা সবকিছু দেখেশুনে অনেক চালাক ও সতর্ক হয়ে গেছে। আমাদের অবস্থা দেখে ওরা ধরে নিয়েছে, এ সার্ভিস থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়া যাবে না। তাই অহেতুক গ্রামগঞ্জে কষ্ট করে কোনো লাভ নেই। মনে হয় বোকা ছিলাম বলেই আমরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছি। যে সার্ভিসে কারো ন্যূনতম মূল্যায়ন হয় না—সে সার্ভিস ভেঙে পড়বে এবং পড়ছেও। তাই সরকারকে মূল সমস্যার সমাধান করে স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
জনৈক চিকিৎসক।
ভূমি সহকারী কর্মকর্তা
ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি ভূমি অফিসে কর্মরত আছি। ২০০৪ সালে যখন চাকরি হয়, তখন আমরা মোট ৭৬ জন যোগদান করি। চাকরিটা তৃতীয় শ্রেণীর হলেও এখানে যোগদানকারীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ স্নাতক ও এক-তৃতীয়াংশ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।
বর্তমানে সরকারি চাকরির বাজার মন্দা বলেই এইচএসসি লেভেলের একটি চাকরিতে এ রকম উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা যোগ দিয়েছেন। অফিসের কাজকর্ম পরিচালনা করতে এসে দেখা যায়, চাকরি ছোট হলেও কাজ বা দায়িত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ, নামজারি ও জমা ভাগ, জমা খারিজ, খাসজমির রক্ষণাবেক্ষণ, আদালতে প্রতিবেদন, ভূমিসংশ্লিষ্ট ওপর মহলের যেকোনো তথ্য প্রদান ইত্যাদি কাজসহ মহামান্য হাইকোর্টের মামলার দফাওয়ারি প্রতিবেদনও তৈরি করতে হয়।
এসব কাজ এইচএসসি পাস একজন লোকের পক্ষে করা দুরূহ। তাই নিয়োগবিধি সংশোধন করে এই পদে এইচএসসির পরিবর্তে ডিগ্রি পাসের শর্ত একান্ত আবশ্যক। পাশাপাশি পদবি পরিবর্তন করে শুধু ‘ভূমি সহকারী কর্মকর্তা’ করা এবং বেতন স্কেল বাড়িয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা দিলে এসব বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিদের যেমন সামাজিক মর্যাদা বাড়বে, তেমনি তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এতে ভূমি অফিসের দুর্নীতির যে বদনাম, সেটাও অনেকাংশে কমে যাবে।
তা ছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের (পিয়ন) পদোন্নতি দিয়ে ‘ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা’ করা হয়; বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা মানসম্মান বিসর্জন দিয়ে অর্থের পেছনে লেগে থাকেন। এতে সরাসরি নিয়োগ পাওয়ারা (যাঁরা ডিগ্রিধারী) হীনম্মন্যতায় ভোগেন।
এভাবে পদোন্নতি বন্ধ করা হোক এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে ‘ভূমি সহকারী কর্মকর্তা’দের পদোন্নতি দিয়ে ‘কানুনগো’ করার বিধান রাখা হোক। এতে ভূমিসংক্রান্ত সব কাজে গতিশীলতা আসবে এবং কাজের মান বজায় থাকবে।
সোহেল আরমান
চট্টগ্রাম।
‘বঙ্গবন্ধু বনাম শহীদ জিয়া’
সম্প্রতি প্রথম আলোয় প্রকাশিত আসিফ নজরুলের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু বনাম শহীদ জিয়া’ শিরোনামের নিবন্ধটি পড়লাম। সে লেখায় তিনি দুই দলের কিছু অসুস্থ প্রবণতা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার সঙ্গে আমি একমত। তবে দেবতা-দানবের প্রসঙ্গ এনে তিনি প্রকারান্তরে বলতে চাইছেন, শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান দুজনই দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত দুই নেতা। এখানে এই দুই ব্যক্তিকে সমান ঐতিহাসিক মর্যাদা দেওয়ার একটা চেষ্টা আছে। তিনি নিজে তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন, জিয়াউর রহমান ঘটনাচক্রে সুবিধাভোগী। এই ‘ঘটনাচক্রে’ ব্যাপারটিকে আরও স্পষ্ট করা দরকার। আমরা ভুলে যাইনি যে জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১টা পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনুগত হয়ে কাজ করেছেন এবং কোনো রকম রাজনৈতিক পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। আমরা জানি, তিনি পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর বন্দী হয়ে সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঘটনাচক্রেই কর্নেল তাহের তাঁকে মুক্ত করার কারণে পুনরায় সেনাবহিনীতে আসার সুযোগ পান। আমরা এও জানি, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার চেয়েও অনেক উজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে খালেদ মোশাররফ বা কর্নেল তাহেরের, যাঁদের নাম আসিফ নজরুলও তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন। অথচ জিয়ার নামটি বেশি প্রচারিত হয়েছে ঘটনাচক্রে তিনি সে সময় চট্টগ্রামে থাকার কারণে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার সুযোগ পেয়েছিলেন বলে।
পরে তিনি প্রথমে সামরিক উর্দি পরে দেশের ক্ষমতা নিয়ে, তারপর সুবিধামতো সময়ে ইউনিফর্ম খুলে সাধারণ রাজনীতি শুরু করেন। ক্ষমতায় গিয়ে তিনি তাঁর মুক্তিদাতা কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেন, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বহু হত্যাকাণ্ড ঘটান বলেও অভিযোগ রয়েছে। আমরা ভুলে যাইনি যে জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতির সুযোগ দেন এবং শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের প্রত্যক্ষভাবে পুনর্বাসন করেন। আসিফ নজরুল লিখেছেন, বঙ্গবন্ধু জিয়াকে স্নেহ করতেন। কিন্তু তিনি উল্লেখ করেননি, জিয়ার ওপর বঙ্গবন্ধুর পুরোপুরি আস্থা ছিল না বলেই জিয়াউর রহমান সে সময় সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু তাঁকে সেনাপ্রধান করেননি।
মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তাঁর ভূমিকা, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ ইত্যাদি কারণে জিয়াউর রহমান অবশ্যই স্মরণযোগ্য। কিন্তু ঘটনাচক্রে মুক্তিযুদ্ধ এবং রাজনীতিতে চলে আসা একজন পুরোদস্তুর সামরিক কর্মকর্তা, যিনি পরবর্তী সময়ে ক্ষমতা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকেই নানাভাবে মদদ দিয়েছেন, তাঁকে দেবতার আসনে বসানো যায় না। শেখ মুজিবও ত্রুটিহীন দেবতা নন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর সীমাবদ্ধতাও ছিল। কিন্তু তাই বলে ইতিহাসে শেখ মুজিবের বিশাল রাজনৈতিক মাত্রার পাশে ‘শহীদ’ অভিধা দিয়ে জিয়াউর রহমানের জন্য সমান মহত্ত্ব্ব আরোপ গ্রহণযোগ্য নয়।
এনামুল হক, ঢাকা।
৩০তম বিসিএস পরীক্ষা
আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের চতুর্থ বর্ষ বিএসএস (অনার্স) কোর্স ফাইনাল পরীক্ষা আগামী ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ মে। পিএসসির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এ বছর ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের শেষ তারিখ ২০ এপ্রিল।
আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনার্স কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার একটি কোর্সে অংশ নিলে ‘অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট’ পেত ও বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারত।
কিন্তু পিএসসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে একজন প্রার্থীকে অনার্স কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার সবগুলো কোর্সের পরীক্ষাই সম্পন্ন করতে হবে। এ শর্তের কারণে মাত্র ১৫ দিনের জন্য আমরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছি না। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগই নয়, আরও কয়েকটি বিভাগ ও দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী একই কারণে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন।
আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের এভাবে একটি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা মানে জীবনযুদ্ধে অনেকখানি পিছিয়ে পড়া। ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের সময়সীমা আরও ১৫ দিন বাড়ানো হলে অথবা অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট পাওয়ার শর্তটি শিথিল করা হলে আমরা বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাব।
বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য আমরা সরকারি কর্মকমিশন কর্তৃপক্ষকে সবিনয় অনুরোধ করছি।
ফারুক, রিয়াদ, রাফী, মান্না, ফাতেমা, রাইনা, বেলাল ও সাগর
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
জনসংখ্যা বৃদ্ধি কি নিয়ন্ত্রণে আসবে না?
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় প্রকাশের জন্য প্রথম আলোকে ধন্যবাদ। অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের দেশের অনেক সমস্যার মূলে। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে ঢাকা মহানগরের যানজটসহ অনেক সমস্যা দিনকে দিন জটিলতর হচ্ছে। সরকারও এ বিষয়ে যথেষ্ট মনোযোগী নয়। এ কথাটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় থেকে। জনসংখ্যা কার্যক্রমের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে নিশ্চয়ই পরিবার পরিকল্পনাকে ক্যাডার সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কেন তাহলে এ ক্যাডারকে দুর্বল ও গুরুত্বহীন করে রাখা হয়েছে? ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে যোগদান করেও কেন এখনো কেউ পদোন্নতি পায়নি? কেন এতগুলো পদ শূন্য আছে? যোগ্য লোক থাকা সত্ত্বেও ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে কেন এ অধিদপ্তর চালানো হচ্ছে? একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, যদি পদোন্নতি আটকেই রাখা হবে, তবে কেন এই ক্যাডারে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে? এই ক্যাডারকে দুর্বল করে রেখে শুধু জনসংখ্যা কার্যক্রমকে গুরুত্বহীন করা হচ্ছে না, এ ক্যাডারে যোগদানকারী মেধাবী কর্মকর্তাদের জীবন ও ভবিষ্যেক ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো পরিকল্পনাই দেশের জন্য প্রকৃত সুফল বয়ে আনবে না। কাজেই পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ক্যাডার-অফিসারদের অবিলম্বে পদোন্নতি প্রদান, পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন, যুগোপযোগী জনসংখ্যা নীতিমালা প্রণয়নসহ সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে আমাদের সামনে হয়তো আরও ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।
দীপ্তি রহমান
আকুয়া, ময়মনসিংহ।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট): obhimot@prothom-alo.info
ওই পত্রে গত ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকায় প্রকাশিত ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে এই বলে যে, ওই সংবাদ সম্মেলনে যিনি লিখিত প্রস্তাব পাঠ করেছেন, তাঁর কোনো সন্তান এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন না। কিন্তু সন্তানের অনিশ্চিত শিক্ষাজীবনের দুশ্চিন্তায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের পাশে দেশের যেকোনো সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিক বলিষ্ঠ ভূমিকা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন। প্রস্তাব পাঠকারীকে ছাত্রছাত্রীদের বাবা হতে হবে, এমন অযৌক্তিক দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের একমাত্র দাবি, আমাদের সন্তানদের নির্বিঘ্ন এবং নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষাজীবন। এই দাবি দেশের যে কেউ করতে পারেন।
পত্রিকান্তরে প্রকাশিত সংবাদে আমরা গভীর উত্কণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ করছি, বর্তমান সরকারদলীয় প্রভাবশালী নেতা এবং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ওই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে অযাচিত হস্তক্ষেপে প্রয়াসী হচ্ছেন। অপর পক্ষে বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী উপাচার্যের পক্ষাবলম্বন করেছেন। এই দুই পক্ষের জেদাজেদিতে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাদের অমূল্য তিন মাস ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রামের সিটি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, শিক্ষার্থীদের আর সময় নষ্ট না করে বিশ্ববিদ্যালয়টি খোলার ব্যবস্থা করুন।
মো. সামসুল হক, নারিন্দা, ঢাকা।
শিকলে বাঁধা জীবন
গত ২৭ মার্চ প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘দুরন্ত রাফিনকে তালিম দিতে পায়ে শেকল’ প্রতিবেদনটি পড়ে ভীষণ মর্মাহত হয়েছি। ফরিদপুরের মিহিউস সুন্নাহ জামেয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা নূরানি মক্তব ও হেফজখানার ছাত্র রাফিন। ছয়-সাত বছরের ছেলেটিকে মাদ্রাসার একটি ছোট ঘরে সাত-আট দিন ধরে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। অপরাধ, সে একটু বেশি দুরন্ত! একটি বাচ্চা ছেলে দুরন্ত বা চঞ্চল প্রকৃতির হতেই পারে, তাই বলে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে চারদেয়ালে বন্দী রাখা অমানবিক, নিষ্ঠুর কাজ। দুরন্ত রাফিন মানুষের এই নিষ্ঠুরতা থেকে কী শিক্ষা নেবে, তা কি ভেবে দেখেছেন ওই মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ? ছোট্ট রাফিনকে ‘শান্ত’ করতে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন একটু ভালোবাসা। শিক্ষক ভালোবাসা দিয়ে একটি ছাত্রকে আলোকিত করতে পারেন। ছোট্ট রাফিনের পায়ের শিকল খুলে দিন। ওকে মুক্ত বাতাসে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে দিন। বিকেলে মাঠে খেলতে দিন। রাফিনের জীবনকে চারদেয়ালে বন্দী করে রাখবেন না। রাফিনের শৈশব আনন্দময় হোক।
আরাফাত
মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা।
দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা বলছি
আমি মোসা. জোবেদা খাতুন, দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা। আমার বয়স এখন ৯৩ বছর, স্বামী প্রয়াত। ১৯৫৩ সাল থেকে দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়ায় নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছি। আমি সাত সন্তানের জননী। দুই ছেলেকে হারিয়েছি মহান মুক্তিযুদ্ধে। তাদের একজন শহীদ বুদ্ধিজীবী মিজানুর রহমান মিজু, অন্যজন শহীদ ওবায়দুর রহমান ওযু। মিজানুর রহমান মিজুকে ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর ঘোড়াশালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গুলি করে হত্যা করে। ২০০০ সালে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী সিরিজ’ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় তার স্মরণে। ওবায়দুর রহমান ওযু ছিল সামরিক কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল সৈয়দপুর সেনানিবাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
মুক্তিযুদ্ধে দুই সন্তান হারানোর আঘাত সইতে না পেরে আমার স্বামী হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। আমার বড় ছেলে জিল্লুর রহমান বাংলা একাডেমীর সাবেক কর্মকর্তা। পাঁচ বছর ধরে সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। বর্তমানে সে দিনাজপুর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের আইসিউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। আমার অন্য সন্তানেরা বিদেশে বসবাস করছে। আমি অনেকটা অসহায় অবস্থায় একমাত্র আশ্রয়স্থল দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে বসবাস করছি। কিন্তু এই বসবাস প্রাণান্তকর হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসী আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আমার বসতবাড়িটি জবরদখল করার চেষ্টা করছে। ৩ মার্চ তারা আমার বাড়ির একটি ঘর জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। নানা উপায়ে তারা আমার স্বাভাবিক জীবন যাপনে সমস্যা সৃষ্টি করছে।
আমার দুই সন্তানের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে এই ৯৩ বছর বয়সে আমাকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে, এমনটা কখনো ভাবিনি। দুজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা হওয়াই কি আমার অপরাধ? নাকি এই দেশে আইন-বিচার বলে কিছু নেই? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার আবেদন, আমার বসতবাড়ির জবরদখল করা ঘরটি সন্ত্রাসীদের অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করে দিন। তারা যাতে আমার বাড়িটি পুরোপুরি গ্রাস করার অপপ্রয়াস বন্ধ করে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিন। সারা দেশে যারা আমার মতো এ ধরনের অন্যায়-অবিচারের শিকার হচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার, নিজের বসতভিটায় নিরাপদে-নিরুপদ্রবে বসবাসের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য আপনার সরকারকে সক্রিয় করুন।
মোসা. জোবেদা খাতুন
মুন্সিপাড়া, দিনাজপুর।
ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ
আগে জানতাম, ব্যাংকে টাকা রাখলে টাকা বাড়ে। এখন দেখছি কমে, এমনকি শূন্যও হয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাংকগুলো সঞ্চয় হিসেবে ৩০০ টাকা করে বছরে দুবারে ৬০০ টাকা এবং চলতি হিসাবে ৫০০ টাকা করে বছরে দুবারে এক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবে।
মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সংসারখরচ মিটিয়ে তেমন একটা সঞ্চয় করতে পারে না। তাদের সঞ্চয় হিসেবে তেমন একটা জমা থাকে না। যাদের সঞ্চয় হিসাবে এক হাজার টাকা আছে, তারা বছর শেষে দেখবে (১০০০-৬০০)= ৪০০ টাকা আছে। অনেক পরিবারের স্কুল-কলেজে পড়ুয়া একাধিক ছেলেমেয়ে রয়েছে, যাদের কলেজের ফি, স্কলারশিপ গ্রহণ ইত্যাদি কাজের জন্য সঞ্চয় হিসাব থাকে। অর্থের প্রয়োজনে এসব হিসাবের বরাতে তারা ডিডি, টিটি ইত্যাদি করে থাকে। এসব হিসাবেও যদি বছরে ৬০০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়, তাহলে একটি পরিবারকে বছরে কয়েকটি হিসাবের বিপরীতে কয়েক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে, যা কাম্য নয়।
আগামী জুন ২০১০ ও ডিসেম্বর ২০১০-এ এভাবে ৩০০ টাকা করে লাখ লাখ সঞ্চয় হিসাবে দুবার সার্ভিস চার্জ কর্তন করে নেওয়া হবে। এদিকে সঞ্চয় হিসাবে সুদের হার খুবই কম এবং তা শর্তসাপেক্ষ। অর্থাৎ শর্ত ভঙ্গ হলেই এসব হিসাবে সুদ দেওয়া হয় না। আবার ন্যূনতম স্থিতি না থাকলে সে জন্য আছে পেনাল্টির ব্যবস্থা। তদুপরি দুই বছর লেনদেন না করলে পুরো টাকার মালিক হয়ে যাবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ডিজিটাল বাংলাদেশের সক্রিয় গভর্নর মহোদয় ব্যাংকিংসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু উল্লিখিত কর্তন, সার্ভিস চার্জ, জরািমানা ইত্যাদির অত্যাচারে অনেক সাধারণ মানুষকেই টিনের কৌটায় টাকা জমানোর চিন্তা করতে হবে। এ দেশের গরিব মধ্যবিত্ত মানুষ দিন দিন নানা যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে, সুযোগ-সুবিধা, সেবা এগুলো পাওয়ার যোগ্যতা যেন তাদের নেই।
গভর্নরের কাছে আমার আকুল আবেদন, বছরে ৬০০ টাকা সার্ভিস চার্জ যাঁরা দিতে পারবেন, তাঁদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য করা হোক, সবার জন্য নয়।
আফরোজা বেগম
আরামবাগ, ঢাকা।
তৃণমূলের অবহেলিত চিকিৎসকরা
ইদানীং তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। প্রথম আলোতে এ নিয়ে একটি সম্পাদকীয়ও ছাপানো হয়েছে। ব্যাপারটা ভিতর থেকে দেখা প্রয়োজন। গ্রামেগঞ্জে কতো প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে ডাক্তারদের কাজ করতে হচ্ছে—তা ভালোভাবেই জানি। সিকি শতাব্দীর চাকরি-জীবনের বেশির ভাগ সময় আমার কেটেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সাবসেন্টারে। পাঁচ বছর চাকরি করেছি শুধু ইউনিয়ন সাবসেন্টারেই। ওখানে ভাঙা নড়বড়ে ঘরে অফিস করেছি, বাস করতাম বিদ্যুিবহীন একটা অতিক্ষুদ্র সেন্টার রুমে। ওখানে কোনো টয়লেট পর্যন্ত ছিল না। কিন্তু শত কষ্টের মধ্যেও নিয়মিত কর্মস্থলে থেকেই চাকরি করেছি।
তার প্রতিদান হিসেবে পেয়েছি ঘনঘন বদলি; এমনকি তিন মাসেও আমি বদলির শিকার হয়েছি এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায়। যারা ফাঁকি দিয়েছে তারাই পদোন্নতি পেয়েছে নানা উপায়ে। এ সার্ভিসে জুনিয়র-সিনিয়র কিছুই বিবেচনা করা হয় না। যার খুঁটির জোর বেশি সেই ভালো পোস্টিং ও প্রমোশন পায়। কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ নির্বিকার ও নির্মম। কোনো সিস্টেমও নেই। ফলে কর্তব্যপরায়ণরা অন্ধকারেই থেকে যায়, বঞ্চিত, অবহেলিত, পীড়িত হয়। যখন ক্ষমতা আমলাদের হাতে থাকে তখন তাঁরা যা ইচ্ছা তাই করেন। আবার যখন ড্যাব বা স্বাচিপের হাতে ক্ষমতা থাকে, তখন স্বেচ্ছাচার করেন এই দুই সংগঠনের নেতারা।
চাকরিজীবনে আমি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে একটা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিই এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রিও অর্জন করি। ২৪ বছর চাকরি করার পরও আমাকে একটা উপজেলায় পোস্টিং দেওয়া হয় জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে চলতি দায়িত্বে। ১০ বছর চলতি দায়িত্বে কাজ করার পরও আমাকে নিয়মিত করা হয়নি। চলতি দায়িত্ব নিয়েই আমি দুটি জেলা হাসপাতাল ও দুটি উপজেলা হাসপাতালে এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম। এতবছর চাকরি করার পর একটি উচ্চতর স্কেলও আমি পাইনি। অথচ আমার সঙ্গে যারা অন্য ক্যাডার সার্ভিসে ঢুকেছেন তাঁরা আজ জয়েন্ট সেক্রেটারি বা তদুর্ধ্ব পদে কর্মরত। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন কারো কাছে মুখ দেখাতে পারি না। সামাজিকভাবে চরম বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিলাম। ছাত্রজীবনে ছিলাম অন্যতম সেরা ছাত্র, সেই আমি পেশাজীবনে অন্যতম ব্যর্থ ব্যক্তি। বেতন না বাড়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
এসবের প্রতিকার কেউ করবে না। এটা শুধু আমার অবস্থা নয়। আমার মতো হাজার হাজার ডাক্তার এ ধরনের অন্যায়ের শিকার। কেউ উদ্যোগী হয়ে একটু সময় নিয়ে জরিপ করলেই সব জানা যাবে। এ দুর্বিসহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে প্রাইভেট সেক্টরে ঢুকেছেন বা বিদেশ চলে গেছেন। প্রসঙ্গত, ডাক্তারদের মধ্যে চাকরি ত্যাগের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। কারণ চাকরি তাঁদের কাছে গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়ায়। আজ যখন দেখি—নবীন চিকিৎসকরা তৃণমূল পর্যায়ে যেতে চায় না—তখন মনে হয় ওরা সবকিছু দেখেশুনে অনেক চালাক ও সতর্ক হয়ে গেছে। আমাদের অবস্থা দেখে ওরা ধরে নিয়েছে, এ সার্ভিস থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়া যাবে না। তাই অহেতুক গ্রামগঞ্জে কষ্ট করে কোনো লাভ নেই। মনে হয় বোকা ছিলাম বলেই আমরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছি। যে সার্ভিসে কারো ন্যূনতম মূল্যায়ন হয় না—সে সার্ভিস ভেঙে পড়বে এবং পড়ছেও। তাই সরকারকে মূল সমস্যার সমাধান করে স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
জনৈক চিকিৎসক।
ভূমি সহকারী কর্মকর্তা
ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি ভূমি অফিসে কর্মরত আছি। ২০০৪ সালে যখন চাকরি হয়, তখন আমরা মোট ৭৬ জন যোগদান করি। চাকরিটা তৃতীয় শ্রেণীর হলেও এখানে যোগদানকারীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ স্নাতক ও এক-তৃতীয়াংশ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।
বর্তমানে সরকারি চাকরির বাজার মন্দা বলেই এইচএসসি লেভেলের একটি চাকরিতে এ রকম উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা যোগ দিয়েছেন। অফিসের কাজকর্ম পরিচালনা করতে এসে দেখা যায়, চাকরি ছোট হলেও কাজ বা দায়িত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ, নামজারি ও জমা ভাগ, জমা খারিজ, খাসজমির রক্ষণাবেক্ষণ, আদালতে প্রতিবেদন, ভূমিসংশ্লিষ্ট ওপর মহলের যেকোনো তথ্য প্রদান ইত্যাদি কাজসহ মহামান্য হাইকোর্টের মামলার দফাওয়ারি প্রতিবেদনও তৈরি করতে হয়।
এসব কাজ এইচএসসি পাস একজন লোকের পক্ষে করা দুরূহ। তাই নিয়োগবিধি সংশোধন করে এই পদে এইচএসসির পরিবর্তে ডিগ্রি পাসের শর্ত একান্ত আবশ্যক। পাশাপাশি পদবি পরিবর্তন করে শুধু ‘ভূমি সহকারী কর্মকর্তা’ করা এবং বেতন স্কেল বাড়িয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা দিলে এসব বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিদের যেমন সামাজিক মর্যাদা বাড়বে, তেমনি তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এতে ভূমি অফিসের দুর্নীতির যে বদনাম, সেটাও অনেকাংশে কমে যাবে।
তা ছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের (পিয়ন) পদোন্নতি দিয়ে ‘ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা’ করা হয়; বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা মানসম্মান বিসর্জন দিয়ে অর্থের পেছনে লেগে থাকেন। এতে সরাসরি নিয়োগ পাওয়ারা (যাঁরা ডিগ্রিধারী) হীনম্মন্যতায় ভোগেন।
এভাবে পদোন্নতি বন্ধ করা হোক এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে ‘ভূমি সহকারী কর্মকর্তা’দের পদোন্নতি দিয়ে ‘কানুনগো’ করার বিধান রাখা হোক। এতে ভূমিসংক্রান্ত সব কাজে গতিশীলতা আসবে এবং কাজের মান বজায় থাকবে।
সোহেল আরমান
চট্টগ্রাম।
‘বঙ্গবন্ধু বনাম শহীদ জিয়া’
সম্প্রতি প্রথম আলোয় প্রকাশিত আসিফ নজরুলের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু বনাম শহীদ জিয়া’ শিরোনামের নিবন্ধটি পড়লাম। সে লেখায় তিনি দুই দলের কিছু অসুস্থ প্রবণতা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার সঙ্গে আমি একমত। তবে দেবতা-দানবের প্রসঙ্গ এনে তিনি প্রকারান্তরে বলতে চাইছেন, শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান দুজনই দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত দুই নেতা। এখানে এই দুই ব্যক্তিকে সমান ঐতিহাসিক মর্যাদা দেওয়ার একটা চেষ্টা আছে। তিনি নিজে তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন, জিয়াউর রহমান ঘটনাচক্রে সুবিধাভোগী। এই ‘ঘটনাচক্রে’ ব্যাপারটিকে আরও স্পষ্ট করা দরকার। আমরা ভুলে যাইনি যে জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১টা পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনুগত হয়ে কাজ করেছেন এবং কোনো রকম রাজনৈতিক পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। আমরা জানি, তিনি পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর বন্দী হয়ে সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঘটনাচক্রেই কর্নেল তাহের তাঁকে মুক্ত করার কারণে পুনরায় সেনাবহিনীতে আসার সুযোগ পান। আমরা এও জানি, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার চেয়েও অনেক উজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে খালেদ মোশাররফ বা কর্নেল তাহেরের, যাঁদের নাম আসিফ নজরুলও তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন। অথচ জিয়ার নামটি বেশি প্রচারিত হয়েছে ঘটনাচক্রে তিনি সে সময় চট্টগ্রামে থাকার কারণে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার সুযোগ পেয়েছিলেন বলে।
পরে তিনি প্রথমে সামরিক উর্দি পরে দেশের ক্ষমতা নিয়ে, তারপর সুবিধামতো সময়ে ইউনিফর্ম খুলে সাধারণ রাজনীতি শুরু করেন। ক্ষমতায় গিয়ে তিনি তাঁর মুক্তিদাতা কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেন, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বহু হত্যাকাণ্ড ঘটান বলেও অভিযোগ রয়েছে। আমরা ভুলে যাইনি যে জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতির সুযোগ দেন এবং শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের প্রত্যক্ষভাবে পুনর্বাসন করেন। আসিফ নজরুল লিখেছেন, বঙ্গবন্ধু জিয়াকে স্নেহ করতেন। কিন্তু তিনি উল্লেখ করেননি, জিয়ার ওপর বঙ্গবন্ধুর পুরোপুরি আস্থা ছিল না বলেই জিয়াউর রহমান সে সময় সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু তাঁকে সেনাপ্রধান করেননি।
মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তাঁর ভূমিকা, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ ইত্যাদি কারণে জিয়াউর রহমান অবশ্যই স্মরণযোগ্য। কিন্তু ঘটনাচক্রে মুক্তিযুদ্ধ এবং রাজনীতিতে চলে আসা একজন পুরোদস্তুর সামরিক কর্মকর্তা, যিনি পরবর্তী সময়ে ক্ষমতা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকেই নানাভাবে মদদ দিয়েছেন, তাঁকে দেবতার আসনে বসানো যায় না। শেখ মুজিবও ত্রুটিহীন দেবতা নন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর সীমাবদ্ধতাও ছিল। কিন্তু তাই বলে ইতিহাসে শেখ মুজিবের বিশাল রাজনৈতিক মাত্রার পাশে ‘শহীদ’ অভিধা দিয়ে জিয়াউর রহমানের জন্য সমান মহত্ত্ব্ব আরোপ গ্রহণযোগ্য নয়।
এনামুল হক, ঢাকা।
৩০তম বিসিএস পরীক্ষা
আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের চতুর্থ বর্ষ বিএসএস (অনার্স) কোর্স ফাইনাল পরীক্ষা আগামী ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ মে। পিএসসির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এ বছর ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের শেষ তারিখ ২০ এপ্রিল।
আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনার্স কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার একটি কোর্সে অংশ নিলে ‘অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট’ পেত ও বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারত।
কিন্তু পিএসসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে একজন প্রার্থীকে অনার্স কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার সবগুলো কোর্সের পরীক্ষাই সম্পন্ন করতে হবে। এ শর্তের কারণে মাত্র ১৫ দিনের জন্য আমরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছি না। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগই নয়, আরও কয়েকটি বিভাগ ও দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী একই কারণে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন।
আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের এভাবে একটি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা মানে জীবনযুদ্ধে অনেকখানি পিছিয়ে পড়া। ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের সময়সীমা আরও ১৫ দিন বাড়ানো হলে অথবা অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট পাওয়ার শর্তটি শিথিল করা হলে আমরা বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাব।
বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য আমরা সরকারি কর্মকমিশন কর্তৃপক্ষকে সবিনয় অনুরোধ করছি।
ফারুক, রিয়াদ, রাফী, মান্না, ফাতেমা, রাইনা, বেলাল ও সাগর
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
জনসংখ্যা বৃদ্ধি কি নিয়ন্ত্রণে আসবে না?
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় প্রকাশের জন্য প্রথম আলোকে ধন্যবাদ। অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের দেশের অনেক সমস্যার মূলে। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে ঢাকা মহানগরের যানজটসহ অনেক সমস্যা দিনকে দিন জটিলতর হচ্ছে। সরকারও এ বিষয়ে যথেষ্ট মনোযোগী নয়। এ কথাটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় থেকে। জনসংখ্যা কার্যক্রমের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে নিশ্চয়ই পরিবার পরিকল্পনাকে ক্যাডার সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কেন তাহলে এ ক্যাডারকে দুর্বল ও গুরুত্বহীন করে রাখা হয়েছে? ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে যোগদান করেও কেন এখনো কেউ পদোন্নতি পায়নি? কেন এতগুলো পদ শূন্য আছে? যোগ্য লোক থাকা সত্ত্বেও ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে কেন এ অধিদপ্তর চালানো হচ্ছে? একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, যদি পদোন্নতি আটকেই রাখা হবে, তবে কেন এই ক্যাডারে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং এখনো হচ্ছে? এই ক্যাডারকে দুর্বল করে রেখে শুধু জনসংখ্যা কার্যক্রমকে গুরুত্বহীন করা হচ্ছে না, এ ক্যাডারে যোগদানকারী মেধাবী কর্মকর্তাদের জীবন ও ভবিষ্যেক ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো পরিকল্পনাই দেশের জন্য প্রকৃত সুফল বয়ে আনবে না। কাজেই পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ক্যাডার-অফিসারদের অবিলম্বে পদোন্নতি প্রদান, পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন, যুগোপযোগী জনসংখ্যা নীতিমালা প্রণয়নসহ সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে আমাদের সামনে হয়তো আরও ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।
দীপ্তি রহমান
আকুয়া, ময়মনসিংহ।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট): obhimot@prothom-alo.info
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1266)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 16
(102)
- চারদিক-সবুজ মাঠে শিবের মেলা by শান্তনু চৌধুরী
- শেয়ারবাজার-কিছু ঝুঁকি, কিছু কেলেঙ্কারি থাকবেই! by ...
- রক্ত ও তরবারির গান-‘তুমি কি জানো না, তোমার বাবা গু...
- তথ্য অধিকার আইন-এক বছরে কী কাজ হলো? by মশিউল আলম
- থাইল্যান্ড-লাল শার্টের বিদ্রোহীরা by হান্না বিখ
- বিচারপতি নিয়োগ-আগে আইন, পরে নিয়োগ by শাহদীন মালিক
- ব্যক্তির খেয়াল-খুশিমতো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না-নার...
- সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ চাই-মানবাধিকার কমিশন
- মানুষের মুখ-স্বপ্ন ছুঁতে ওদের পথচলা by বিশ্বজ্যোতি...
- মিডিয়া ভাবনা-আলোকচিত্রের স্বাধীনতা by মুহাম্মদ জাহ...
- অর্থকরী খনিজ-কাচবালু হিসেবে চরের বালুর সম্ভাবনা by...
- অর্থকরী খনিজ-কাচবালু হিসেবে চরের বালুর সম্ভাবনা by...
- মাওবাদী সহিংসতা-ভারতে বদল দরকার, সংঘাত নয় by কুলদী...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ভূমিবিরোধের নিষ্পত্তি না হলে ভূমি...
- শিক্ষাঙ্গনকে নারীর জন্য নিরাপদ করার দায়িত্ব প্রশাস...
- এই মূল্যায়নকে সতর্কভাবে কাজে লাগাতে হবে-বৈশ্বিক ঋণ...
- চারদিক-কেউ কি শুনতে পাচ্ছে তাঁদের কান্না? by জাহীদ...
- কালের পুরাণ-ফাতিমা ভুট্টোর চোখে একাত্তর by সোহরাব ...
- দেশহীন মানুষের কথা-তবুও বৈসাবি হোক পাহাড়ে by সঞ্জী...
- বিদ্যুৎ-সংকট-বাংলাদেশ ব্যাংকের সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ...
- রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা-সুশাসন কি নির্বাসনে যাবে? by এ...
- গবেষণার সুযোগ-সুবিধাগুলো কাজে লাগানো উচিত-ঢাকা বিশ...
- দলকে সন্ত্রাসীমুক্ত করা সরকারের স্বার্থেই প্রয়োজন-...
- গন্তব্য ঢাকা-বই তাঁকে রেখেছে ঢাকায় by সিনড্রেলা
- রমণীয় নয়-হেঁশেলের অর্থনীতি থেকে নারীমুক্তি by মালে...
- ধর্ম-জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা by মুহ...
- প্রতিক্রিয়া-সহিংসতার ভয়টি ‘তরল’ নয়, জমাট by ফারুক ...
- চিরকুট-আইখম্যান by শাহাদুজ্জামান
- সময়চিত্র-স্বাধীন দেশ, পরাধীন মন by আসিফ নজরুল
- আইন বাস্তবায়নে সরকারকেই তৎপর হতে হবে-তথ্য অধিকার
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নির্বিঘ্ন হোক-পাকিস্তান...
- চারদিক-ওরা গান করে, নাচ শেখে by ফেরদৌস ফয়সাল
- জ্বালানি-নিরাপত্তা-গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট: সমাধান ...
- সমৃদ্ধি-মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে কেমন অর্থনীতি...
- বখাটের উপদ্রব-আত্মহত্যার বিকল্পের সন্ধান দিতে হবে ...
- মধ্যপ্রাচ্য-ইসরায়েলের হম্বিতম্বি by ইউরি আভনেরি
- সময়ের প্রতিবিম্ব-কত দিন মা গো, আ-র কত দিন! by এবিএ...
- যত দ্রুত হয় ততই মঙ্গল-সিটি করপোরেশন নির্বাচন
- দেশের কল্যাণে একযোগে কাজ করতে হবে-সংসদের চতুর্থ অধ...
- চারদিক-শ্যামের বাঁশরীতে ধামাইল নাচ by আকমল হোসেন নিপু
- সপ্তাহের হালচাল-একটি কার্যকর সমঝোতার সন্ধানে by আব...
- অভিমত ভিন্নমত
- নৃত্যকলা-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্বতন্ত্র বিভাগ প্র...
- স্থায়ী মানবিক সমাধান কাম্য-ফুটপাতের অধিকার
- দুদক চেয়ারম্যানের আবেদন তাৎপর্যপূর্ণ-দুর্নীতির মাম...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সময় নিন, কিন্তু হত...
- প্রতিক্রিয়া-‘বঙ্গবন্ধু’ বনাম ‘শহীদ জিয়া’ by মোজ্জা...
- বাঘা তেঁতুল-চৌর্যোন্মাদনা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-হা বিদ্যুৎ হা পানি হা গ্যাস! by আনিসুল হক
- নির্ধারিত সময়েই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করুন-দখলমুক্ত ...
- রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে-চট্টগ্রাম সমুদ্রব...
- জন্ম যদি তব পানিধারে by রাধাকান্ত রায়
- বই আলোচনা-মুক্তিযুদ্ধের নান্দনিক দলিল by আতিকুল হক...
- উপমহাদেশ-টিভি লাইসেন্সই কাল হলো by পার্থ চট্টোপাধ্যায়
- অনশন-রঙ্গ by জামান সরদার
- পরিবেশ-বন ও প্রকৃতিই দিতে পারে শান্তির নীড় by মোঃ ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-রাজনীতির ডামাডোলে উলুখড়ের প্রাণরক্...
- পপগুরু আজম খান-পথিকৃতের প্রস্থান
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন-রাজনীতিতে স্থিতিশীলতার তাগিদ
- জাহাঙ্গীরনগর : শিক্ষার মর্যাদা সমুন্নত থাকুক by ড....
- সাক্ষাৎকার-মালদ্বীপে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবই by মোহাম...
- আজি হতে ৪২ বর্ষ পরে by জামান সরদার
- রম্য-রাজবাণিজ্য by সাইফুল আলম
- সংঘাতের রাজনীতি-সংলাপের জন্য আর কত অপেক্ষা? by আবু...
- জামালপুরের কাবিখা সিন্ডিকেট-নিরাপত্তা বেষ্টনীর ফাঁ...
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড-ক্ষমাহীন এ ব্যর্থতা
- আমি বাড়ি ফিরছি-খোকা by আসাদ সরকার
- আমারই চেতনার রঙে... by কিশোর রহমান
- কেশবপুরসভার উদ্যোগ
- রবীন্দ্র কুইজ প্রতিযোগিতা by মাসুকুর রহমান
- প্রযুক্তির আসর থেকে by সাইফুল ইসলাম
- স প্তা হে র বা ছা ই চা ক রি
- চাকরি খুঁজছেন?
- একনজরে-টেলিভিশন
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-ইংরেজ...
- ক্যারিয়ার গড়তে পারেন পর্যটনশিল্পে by আবদুল্লাহ আল...
- ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় by খাদিজা ফ...
- দর্শন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-নবীনের মিলনমেলা...
- চুয়েট ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী উৎসব-আবার হবে তো ...
- মেধাবী মুখ-ইতিহাস ও প্রযুক্তির যুগলবন্দী by শর্মি...
- সফলদের স্বপ্নগাথা-ঠিক করো, কীভাবে নিজেকে স্মরণীয় ক...
- স্বাস্থ্যটিপস-কাঁচা আমের গুণ by ফারহানা মোবিন
- স্বল্প পরিচিত রোগবালাই-মাথার ভেতরে ফোড়া প্রতিরোধ স...
- গ্রীষ্মে হূৎস্বাস্থ্য by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- গরমে কী খাবেন by আখতারুন নাহার
- আয়োজন-আছো অন্তরে তুমি...
- যে কথা যায় না বলা-সব অনুভূতি সবাই বোঝে না
- মায়ের জন্য যুদ্ধ by শাকিল আবদুল্লাহ
- দুই চাকায় ইভ টিজিং প্রতিরোধের বার্তা... by সুমন কু...
- অনুপের খবরে পাঠকের সাড়া
- চারদিক-শুধু বিয়ের জন্য... by ফারুখ আহমেদচারদিক-শুধ...
- স্বীকৃতি-মানুষ যা মনে রাখার রাখে by আফজাল হোসেন
- ফ্রান্স-ওলাঁদের নতুন দুনিয়া by নোয়েলে লেনয়
- পাস করতেই শিক্ষার্থীদের চাকরির মেয়াদ পার-জাতীয় বিশ...
- সাংবাদিক সমাজ বিচারের দাবিতে এককাট্টা-সাগর-রুনি হত...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা বাড়ল
- দুই মাসে পাঁচ ঘটনার তদন্তে অগ্রগতি নেই-আলোচিত ঘটনা...
- অনুমতি পেয়েও পাহাড় কাটায় অনিয়ম by ইফতেখার মাহমুদ
- বিদ্যুৎ নেই, তবু ৭ হাজার কিলোমিটার নতুন লাইন by অর...
- স্কুলে তালা ঝোলানোর হুমকি শিক্ষকদের-শিক্ষকদের ওপর ...
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক-গতিহারা চার লেন by আনোয়ার হোসেন
-
▼
May 16
(102)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment