বিরোধীদের দমন রাজনীতিতে সংঘাত বাড়াবে-টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য

হরতালের সময় গাড়ি পোড়ানো ও ককটেল বিস্ফোরণের জন্য দায়ের করা মামলায় বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে টেলিফোনে অভিমত জানিয়েছেন পাঠকরা। গ্রন্থনা_ একরামুল হক শামীম ও মাহফুজুর রহমান মানিক


মোঃ তারিকুল ইসলাম
চাকরিজীবী, কুমিল্লা
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
লতিফুর রহমান
ব্যবসায়ী, চট্টগ্রাম
সরকার বিএনপি, এলডিপিসহ ১৮ দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে শুধু ভুল করেনি, আমার মনে হয় জনসমর্থন হারিয়েছে।
আবুল হাসান
কাজী, শরীয়তপুর
বিশৃঙ্খলা, ভাংচুরের কারণেই বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোহেল খান
প্রবাসী, ফেন্সীগঞ্জ, সিলেট
গ্রেফতারের বিষয়টি একদিকে ঠিক আছে, অন্যদিকে খারাপ হয়েছে। হরতালের কারণে সাধারণ মানুষের সমস্যা হয়েছে।
মোঃ আবদুর রহিম
শিক্ষার্থী, নোয়াখালী
হরতালের মাধ্যমে মানুষ মারা হয়েছে। তাই আমি গ্রেফতার সমর্থন করি।
হারুনুর রশিদ
চাকরিজীবী, রাঙামাটি
এভাবে চলতে থাকলে জনগণ ভোগান্তিতে পড়বে। পাশাপাশি সংঘাত বাড়বে। তাহলে আমরা আমাদের উত্তরসূরিদের জন্য কী পরিস্থিতি রেখে যাব?
শাকিল
ব্যবসায়ী, কক্সবাজার
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি একমত। জনগণ ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়া পছন্দ করে না।
আবদুর রহিম
চাকরিজীবী, সিলেট
বিরোধী দল কি প্রতিবাদও করতে পারবে না? কথা বলার সুযোগ থাকতে হবে।
মোঃ মিজানুর রহমান
চাকরিজীবী, লোহাগড়া, নড়াইল
বিভিন্ন অজুহাতে বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এভাবে গ্রেফতার করা ঠিক হচ্ছে না।
শহিদুল ইসলাম
শিক্ষক, বুড়িচং, কুমিল্লা
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারও বাকশাল কায়েম করতে চায়।
আশ্রাফ উদ্দিন
শিক্ষক, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ
তারা সম্মানিত মানুষ, এভাবে তাদের অপমান করা ঠিক হয়নি।
শামীম আহমেদ
চাকরিজীবী, সিলেট
নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে প্রতিবাদ করায়। যেখানে ইলিয়াস আলীর মতো মানুষের নিরাপত্তা নেই, সেখানে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়?
মোঃ আলী
চাকরিজীবী, হাজারীবাগ রোড, ঢাকা
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি দেওয়ার জন্য এ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।
মোঃ সেলিম
ব্যবসায়ী, পিরোজপুর
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায় না। মিয়ানমারেও সু চিকে দমিয়ে রাখা যায়নি। এমপিকে নিয়ে প্রতিবেদন করায় সমকাল প্রতিনিধির বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে। এটা সরকারের অসহনশীলতার পরিচায়ক।
মনিরুল ইসলাম
ব্যবসায়ী, শ্রীপুর, মাগুরা
দ্রুত বিচার আইনে যারাই গ্রেফতার হবে তাদের আইনানুগ বিচার হওয়া উচিত।
ইলিয়াস হায়দার
চাকরিজীবী, সফরিয়া, শিবপুর, নরসিংদী
রাজনৈতিক নেতাদের গণগ্রেফতার ক্ষমতাসীন দলের প্রতিহিংসামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। রাজনীতিবিদদের সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে দেশের কল্যাণ ও জনসাধারণের স্বার্থে।
আবদুল ওয়াহাব মোল্লা
ব্যবসায়ী, রাজবাড়ী
এভাবে গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি।
মোঃ ইয়ামিন
নির্মাণ শ্রমিক, হবিগঞ্জ, সিলেট
বিরোধী দলের নেতাদের যে মামলায় জড়ানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বাস পোড়ানোর জন্য, আমার প্রশ্ন, তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের নিরাপত্তাকর্মীরা কোথায় ছিল?
আবুল হোসেন
ব্যবসায়ী, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী
সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য বিরোধীদলীয় নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
রাসেল মাহমুদ
ব্যবসায়ী, বগুড়া
বিরোধী দলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। হরতালের দিন একজন রোগীকে নিয়ে আমি বগুড়া থেকে ঢাকা যাচ্ছিলাম অ্যাম্বুলেন্সে করে। পিকেটাররা অ্যাম্বুলেন্সে হামলা করেছিল।
শেখ মিলন
শিক্ষার্থী, ঝালকাঠি
যারাই দেশের আইন-শৃঙ্খলার ক্ষতি করবে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘি্নত করবে তারা সরকারদলীয় হোক বা বিরোধীদলীয় হোক তাদের গ্রেফতার করা আইনানুগ ব্যাপার।
মিজান আহমেদ
শিক্ষার্থী, ধামরাই, ঢাকা
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে সরকার বিরোধী দলকে দমন-পীড়ন করবে। সরকার আগের চেয়ে বেশি বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করছে।
হারুনুর রশিদ শাহীন
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
গাড়ি পোড়ানোর মামলায় ১৮ দলীয় জোটের ৩৩ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিরোধীদের হয়রানির জন্যই মনে হয় এমনটি করা। এতে সরকারের কোনো লাভ হয় না বরং জনগণের দুঃখ-দুর্দশা আরও বাড়ে। সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যায়। আর বিরোধী দলেরও মনে করা উচিত জেল-জুলুম, নির্যাতন এগুলো রাজনীতিরই অংশ। তাই এ রকম লাগাতার নানা কর্মসূচি দেওয়া মনে হয় ঠিক নয়।
শামসুদ্দিন
পল্লী চিকিৎসক, লক্ষ্মীপুর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে ৭৭% জনপ্রিয়তা রয়েছে তা বাড়ানো নাকি কমানোর জন্য বিরোধী দলের নেতাদের প্রতি এ রকম আগ্রাসী মনোভাব দেখানো হচ্ছে?
রফিক বিন সিকান্দার
সাংগঠনিক সম্পাদক, ইসলামী ঐক্যজোট, সিলেট
রাজনীতিবিদদের যেভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে তা মানবতাবিরোধী। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান কাম্য।
শাহ ইমাম হোসাইন পিন্টু
ব্যবসায়ী, গুরুদাসপুর, নাটোর
দেশের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হয় সরকার বিরোধী দল নিধনের মহোৎসবে মেতে উঠেছে। জাতির কল্যাণে সব দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা উচিত।
এমজেকে শাহজাহান
শিক্ষার্থী, সুনামগঞ্জ
বিরোধীদলীয় নেতাদের গ্রেফতার, গুম, হত্যা, নির্যাতন করে দেশকে সংঘাতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
ডা. রমিজ
চিকিৎসক, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
উচ্ছৃঙ্খলাকারীদের এ রকম শাস্তি হওয়া উচিত। হাতেগোনা কয়েকজন বিরোধী নেতা মনে করেন, দেশে মানুষ আছে দু'জন_ খালেদা জিয়া ও ইলিয়াস আলী।
মোঃ জহিরুল ইসলাম
ব্যবসায়ী, ফেনী
বিরোধী দল বলে এভাবে কোনো নাগরিক বা নেতাকে অত্যাচার অবশ্যই কাম্য নয়।
তাজুল ইসলাম
অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম
সরকার জোট নেতাদের গ্রেফতার করে ঠিক করেনি, এতে সংঘাত আরও বাড়বে। সরকারের আরও নমনীয় হওয়া উচিত।
ওয়াহিদ মুরাদ
কবি, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর
একটি অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আন্দোলন দমনের জন্য ধরপাকড় প্রত্যাশিত নয়। আশা করছি, সরকার রাজনৈতিকভাবে রাজনীতি মোকাবেলা করবে।
মিজানুর রহমান
ব্যবসায়ী, বড়াইগ্রাম, নাটোর
পুলিশ ১০ দিনের মধ্যে নেতাদের মামলায় চার্জশিট দিয়েছে। দেশে কত বড় বড় অপরাধ ঘটে। তাতে কি এত দ্রুত চার্জশিট হয়? আইন-শৃঙ্খলার এত অবনতি, অথচ পুলিশ কিছু করছে না।
ডা. মোর্শেদ আলম
চিকিৎসক, লোহাগড়া, চট্টগাম
বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার কি একদলীয় বাকশাল গঠনের সূচনা?
ইলিয়াস আহমদ
কর্মী, গোলাপগঞ্জ, সিলেট
সিনিয়র বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার গণতন্ত্রের জন্য লজ্জাজনক। দুই পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুক।
মোঃ রবিউল ইসলাম
শিক্ষার্থী, গোপালগঞ্জ
গ্রেফতারের ফলে ব্যাপারটা জটিল হলো।
মোঃ শামীম
কৃষক, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
বিএনপি নেতাদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
মাসুদ রানা
শিক্ষক, সিরাজগঞ্জ
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতারের মাধ্যমে হয়রানি করা হয়েছে।
মোঃ আনোয়ার হোসেন
ব্যবসায়ী, সিলেট
আমি মনে করি আইন সবার জন্য সমান, সরকারদলীয় হোক আর বিরোধীদলীয় হোক, অপরাধ করলে তার শাস্তি ভোগ করতে হবে।
ফাতেমা তুজ জোহরা
শিক্ষার্থী, নাজিরবাড়ী, চট্টগ্রাম
বর্তমানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যেভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে তাতে সরকার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।
কুমারেশ চন্দ্র বিশ্বাস
শ্রমিক, ঝিনাইদহ
হরতালে গাড়ি বন্ধ থাকলে যে শ্রমিকদের কী কষ্ট হয় তা আমরাই বুঝি। আমরা চাই হরতাল বন্ধ হোক।
সিরাজুল ইসলাম
চাকরিজীবী, হবিগঞ্জ, সিলেট
এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে।
মোঃ সোহরাব হোসেন ভঁূইয়া
চাকরিজীবী, নারায়ণগঞ্জ
এটা অবশ্যই নিন্দনীয় কাজ।
মোঃ আমির হোসেন
ব্যবসায়ী, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
আমাদের দেশে দুটি দলের কোনোটিই জনগণের কথা চিন্তা করে না। তাদের বলব জনগণের কথা চিন্তা করে রাজনীতি করতে।
আবদুর রশিদ তালুকদার
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, জামালপুর
বিরোধী দলের নেতাদের যে এভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে তাতে কি দেশে শান্তি ফিরে আসবে?
মমতাজ বেগম
গৃহিণী, সোনারগাঁ
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করা মোটেও ঠিক হয়নি।
গাজী মোঃ অহিদুল ইসলাম
ব্যবসায়ী, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
বিরোধী দলকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি নিন্দনীয় কাজ।
মোঃ আকবর হোসেন
শিক্ষার্থী, রাজশাহী
সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করেছে।
খায়রুল ইসলাম
পল্লী চিকিৎসক, নাটোর
গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দল তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে হরতাল, মিছিল, অবরোধ, বিক্ষোভ, সমাবেশ করতেই পারে। এটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।
সোহেল
শিক্ষক, রংপুর
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতারের বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। তাদের মুক্তি প্রত্যাশা করি।
নাজমুল হাসান
পলাশ, নরসিংদী
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গাড়ি পোড়ানোর ওই মামলায় যে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না তা বিএনপির উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীরা না জানতে পারেন, তাদের আইনজীবীরাও কি জানতেন না? এরপরও তারা ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে তেড়ে গেলেন এবং আদালতে ভাংচুর চালালেন। এরা আবার ক্ষমতায় এলে কী যে হবে!
সবুজ
ব্যবসায়ী, ভালুকা, ময়মনসিংহ
রাজনীতিতে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে সমাধান হবে না বরং উভয় দলের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত।
কিবরিয়া হোসেন বাপ্পী
চাকরিজীবী, রহিমআফরোজ
আমরা তো আসলে একটা দিনবদল চেয়েছিলাম। এভাবে মামলা দিয়ে বিরোধী দলের নেতাদের জেলে না ভরলেও পারত।
আসাদুজ্জামান আসাদ
শিক্ষক, কাপাসিয়া, গাজীপুর
দলমত নির্বিশেষে যারাই দেশকে অস্থিতিশীল করে দেশকে সংকটে ফেলতে চায় তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। বিরোধী দলের উচিত এভাবে কর্মসূচি না দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা এবং পরবর্র্তী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
আলমগীর
ব্যবসায়ী, নারায়ণগঞ্জ
যেভাবে বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করা হলো আমি এর বিপক্ষে।
তোফাজ্জল হোসেন
ব্যবসায়ী, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা
দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে বিরোধী দল যা করছে তা ঠিক নয়। গাড়ি পোড়ানো কীভাবে মেনে নেওয়া যায়?
মোঃ শাহজাহান
ব্যবসায়ী, লাকসাম, কুমিল্লা
বিরোধী দল যে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করছে এর বিরোধিতা করছি। তবে তারা যদি সুস্থ ধারার রাজনীতি করে আমরা স্বাগত জানাব।
শাহীন মোল্লা
ব্যবসায়ী, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি বিরোধী দলের প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া সমাধান নয়।
মোঃ জহিরুল ইসলাম রায়হান
লেখক, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
নেতাদের একসঙ্গে গ্রেফতার করা দুঃখজনক। তবে হরতাল দেওয়াও ঠিক হয়নি।
ফরিদ ভঁূইয়া
কবি, পল্টন, ঢাকা
আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি তা ভাবার বিষয়। আমাদের দেশ নিয়ে সবাই চিন্তিত। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের এভাবে একসঙ্গে জেলে ভরা ঠিক হয়নি।
মোঃ শফিকুল ইসলাম
চাকরিজীবী, লালপুর, নাটোর
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যেভাবে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হলো তা কোন গণতন্ত্র। এ অপরাজনীতি থেকে দেশ রক্ষা পাবে বলে তো মনে হয় না।
শান্তা হক মিলা
সাংবাদিক, নির্ভীক সংবাদ, ঢাকা
সমকালের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আজ একজন সাংসদ যেভাবে মামলা দিলেন তাতে দেখা যাচ্ছে সাংবাদিকরাও নিরাপদ নয়। তাহলে সাংবাদিকরা কি নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে পারবেন না? এভাবে সরকার বিরোধী দলের প্রতি চড়াও হলে দেশ কীভাবে চলবে?
মিজানুর রহমান সোহেল
শিক্ষার্থী, অতীশপাড়া, মহেশখালী
বর্তমান সরকার বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে যেভাবে লেগেছে তা কোনো গণতান্ত্রিক দেশে কাম্য নয়।
ফারুক আহমেদ
সাংবাদিক, রাজশাহী
যারা দেশের আইন অমান্য করছে তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করতেই পারে। তারা যাতে জনভোগান্তিমূলক কার্যক্রম না করে সেজন্য সরকারকে সচেতন থাকতে হবে।
ইকবাল খন্দকার
চাকরিজীবী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এটা সরকারের স্পষ্ট স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ। তারা মুখে গণতন্ত্রের বলে আসলে বাস্তবে করছে উল্টা।
আল আমিন বাদল
ব্যবসায়ী, রায়পুরা, নরসিংদী
বিরোধী দল তো জনগণের জন্য হরতাল বা কোনো কর্মসূচি দেয় না। তারা নেতাকর্মীদের বাঁচানোর জন্যই দেয়। সুতরাং তাদের গ্রেফতার করা ঠিকই আছে।
শাহ আলম আমিনুল
শিক্ষক, সুনামগঞ্জ
বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের পরিচায়ক।
মোঃ রফিকুল ইসলাম শ্যামল
রাজনীতিবিদ, যশোর
মামলার ধারা অনুযায়ী প্রথমে তারা জামিন না পেলেও উচ্চ আদালতে তারা জামিন পাওয়ার যোগ্য। পরে সঠিক তদন্ত এবং সাক্ষী নিয়ে কোর্টে তাদের মোকাবেলা করা উচিত।
মামুন
ব্যবসায়ী, বরিশাল
গ্রেফতার প্রক্রিয়ার সঙ্গে একমত নই।
 

No comments

Powered by Blogger.