Wednesday, May 23, 2012
আবার অগ্নিকাণ্ড, আবারও মৃত্যু
আবার অগ্নিকাণ্ড, আবারও মৃত্যু
আবারও ঢাকার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আট শ্রমিক পুড়ে মারা গেছেন। রাজধানী ঢাকা মহানগরীতে আমাদের যেন জতুগৃহে বসবাস। আগুন থেকে কোনোভাবেই মুক্তি মিলছে না। একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এ অগ্নিকাণ্ডে সম্পদের ক্ষতি যেমন হচ্ছে, তেমনি ঘটছে জীবনহানির ঘটনা।
এর আগে ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ঢাকার বাঁশবাড়ীতে। যাত্রাবাড়ীতে কারখানায় আগুন লেগে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল গত বছর। ঢাকা ইপিজেড, হা-মীম গ্রুপের কারখানায় আগুন লেগে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে গত বছর। আগুন লেগে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও কারো বোধোদয় হচ্ছে বলে মনে হয় না।
বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার কদমতলী থানার শ্যামপুর শিল্প এলাকার একটি প্রিন্টিং অ্যান্ড ডাইং কারখানায় আগুন লেগে আট শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিসের পোস্তগোলা স্টেশন ও ফুলবাড়িয়া সদর দপ্তরের মোট আটটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার চারতলার ওপর ছাদে টিনশেড ঘরের একটি কক্ষের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। কারখানাটির ছাদে ৮০ ফুট দীর্ঘ ও ২০ ফুট প্রশস্ত একটি টিনশেড ঘর তৈরি করা হয়েছিল। কারখানার ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক সেখানে থাকতেন। কারখানার মালিক শ্রমিকদের থাকার জন্য টিনশেড ঘর তৈরি করেন। ছাদের ওপর অবৈধভাবে গড়ে তোলা ছাউনির ভেতরে নানা ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ড্রাম দেখা গেছে। রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে মুহূর্তেই আগুন ব্যাপক আকার ধারণ করে বলে অনুমান করা যেতে পারে। এসব পদার্থের ড্রামের ফাঁকফোকরেই বিছানা করে শ্রমিকরা ঘুমিয়ে ছিল। শ্রমিকদের ঘরে ছিল গ্যাসের চুলা। এ ছাড়া মশার কয়েল কিংবা সিগারেট থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন নেভানোর পর ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এরপর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দাফনের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, নিহত শ্রমিকরা যেখানে থাকতেন সেখানেই রাসায়নিকের ড্রাম রাখা ছিল। এর আগে নিমতলীতে এক রাসায়নিকের কারখানায় আগুন লেগেই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এর পরও আমাদের এতটুকু সাবধানতা নেই। কদমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা সামান্য অসাবধানতা থেকেই ঘটেছে। একদিকে এসব কারখানায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন নন। অন্যদিকে কারখানার মালিকও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করেননি। সাবধানতা অবলম্বন করলে শ্রমিকদের রাত্রিবাসের শেডে রাসায়নিকের ড্রাম রাখা হতো না। একই সঙ্গে এটাও ঠিক যে আমাদের দেশে শ্রমিকদের অনেকটাই মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। যেখানে রাসায়নিকের ড্রাম রাখা হবে, সেখানে কেন শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে?
কদমতলীতে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা দুঃখজনক। নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ভবিষ্যতে কোনো কারখানায় যেন এমন ঘটনা না ঘটে সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে রক্ষা পাবে অনেক জীবন। নিরীহ শ্রমিকদের জীবনকে কেন ঠেলে দেওয়া হবে ঝুঁকির মুখে?
বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার কদমতলী থানার শ্যামপুর শিল্প এলাকার একটি প্রিন্টিং অ্যান্ড ডাইং কারখানায় আগুন লেগে আট শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিসের পোস্তগোলা স্টেশন ও ফুলবাড়িয়া সদর দপ্তরের মোট আটটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার চারতলার ওপর ছাদে টিনশেড ঘরের একটি কক্ষের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। কারখানাটির ছাদে ৮০ ফুট দীর্ঘ ও ২০ ফুট প্রশস্ত একটি টিনশেড ঘর তৈরি করা হয়েছিল। কারখানার ৩০ থেকে ৪০ জন শ্রমিক সেখানে থাকতেন। কারখানার মালিক শ্রমিকদের থাকার জন্য টিনশেড ঘর তৈরি করেন। ছাদের ওপর অবৈধভাবে গড়ে তোলা ছাউনির ভেতরে নানা ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ড্রাম দেখা গেছে। রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে মুহূর্তেই আগুন ব্যাপক আকার ধারণ করে বলে অনুমান করা যেতে পারে। এসব পদার্থের ড্রামের ফাঁকফোকরেই বিছানা করে শ্রমিকরা ঘুমিয়ে ছিল। শ্রমিকদের ঘরে ছিল গ্যাসের চুলা। এ ছাড়া মশার কয়েল কিংবা সিগারেট থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন নেভানোর পর ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এরপর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দাফনের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহতের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, নিহত শ্রমিকরা যেখানে থাকতেন সেখানেই রাসায়নিকের ড্রাম রাখা ছিল। এর আগে নিমতলীতে এক রাসায়নিকের কারখানায় আগুন লেগেই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এর পরও আমাদের এতটুকু সাবধানতা নেই। কদমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা সামান্য অসাবধানতা থেকেই ঘটেছে। একদিকে এসব কারখানায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন নন। অন্যদিকে কারখানার মালিকও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করেননি। সাবধানতা অবলম্বন করলে শ্রমিকদের রাত্রিবাসের শেডে রাসায়নিকের ড্রাম রাখা হতো না। একই সঙ্গে এটাও ঠিক যে আমাদের দেশে শ্রমিকদের অনেকটাই মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। যেখানে রাসায়নিকের ড্রাম রাখা হবে, সেখানে কেন শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে?
কদমতলীতে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা দুঃখজনক। নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ভবিষ্যতে কোনো কারখানায় যেন এমন ঘটনা না ঘটে সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি দিতে হবে। একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে রক্ষা পাবে অনেক জীবন। নিরীহ শ্রমিকদের জীবনকে কেন ঠেলে দেওয়া হবে ঝুঁকির মুখে?
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
ডিডাব্লিউ
3/ডিডাব্লিউ/post-grid
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment