খোলা চোখে-অসহিষ্ণুতার বলি by হাসান ফেরদৌস

গত সপ্তাহে দুটি খুনের ঘটনা ঘটেছে, একটা পাকিস্তানে, অন্যটি আমেরিকায়। প্রথম ঘটনায় পাঞ্জাবের গভর্নর সালমান তাসির নিহত হয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর গুলিতে। দ্বিতীয় ঘটনায় অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের টুসন শহরে এক ঘাতকের গুলিতে নিহত হয়েছে ছয়জন নিরীহ নাগরিক, তাদের মধ্যে নয় বছরের একটি কিশোরীও আছে।


আক্রমণের লক্ষ্য ছিল ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য গ্যাবি গিফোর্ডস। তাঁর মাথায় গুলি লেগেছে। জানে বেঁচে গেছেন, কিন্তু সম্পূর্ণ সুস্থ হবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
ভিন্ন ভিন্ন দেশের ঘটনা হলেও উভয় খুনের পেছনেই কারণ একটি—অসহিষ্ণুতা। আমি যা বিশ্বাস করি সেটাই ঠিক, অন্য কারও মত বা বিশ্বাসের সঙ্গে আমার মতের মিল না হলে তাঁকে আক্রমণ করার, এমনকি হত্যা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে—এমন ধারণা থেকেই ঘটনা দুটি ঘটেছে।
সালমান তাসিরের দোষ, তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে অবমাননার জন্য অভিযুক্ত এক খ্রিষ্টান নারীকে ক্ষমার পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছিলেন। আসিয়া বিবি নামের এই নিরক্ষর, নিঃস্ব মহিলা কয়েকজন মুসলমান সহকর্মীর পানির পাত্র থেকে একটু পানি খেয়েছিলেন। সেই নিয়ে ঝগড়া, ঝগড়া থেকে একে অপরের ধর্ম নিয়ে তর্কাতর্কি। অভিযোগ, খ্রিষ্টান নারীটি নাকি বলেছেন, একমাত্র তাঁর ধর্ম সত্যি, মুসলমানদের ধর্ম নয়। ব্যস। তাতেই আসিয়া বিবির অপরাধ নিশ্চিত হয়ে গেল। পাকিস্তানে ইসলাম ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি আইন আছে। ইসলাম ধর্ম অবমাননার জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ওই নারীকে সে দণ্ডই দেওয়া হয়েছে। দেশ-বিদেশে নানা মহল থেকে এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। গভর্নর সালমান তাসিরও সমালোচকদের একজন। ব্লাসফেমি আইনটি অমানবিক, এটি একটি কালা কানুন, কাজেই এমন আইন বাতিল করা উচিত—এমন কথা তিনি বলেছিলেন। আসিয়া বিবির মুক্তির ব্যাপারেও তিনি যুক্তি দেখিয়েছিলেন, তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন। তাসিরের দেহরক্ষী মালিক মুমতাজ কাদরির রাগ সেখান থেকেই। শুধু কাদরি নন, দেশের মৌলবাদী প্রায় সব ধর্মীয় নেতাই ধর্মের অবমাননা করায় আসিয়া বিবির মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। তাঁকে ক্ষমা করার কথা বলে সালমান তাসির তাঁদের সবার চোখেই অপরাধী। ইসলামাবাদে এক রেস্তোরাঁয় এসেছিলেন তাসির। কাদরি তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের একজন। খুব কাছ থেকে, পর পর ২৭টি গুলি ছুড়ে তাঁকে হত্যা করেন। আশপাশে তাঁর দেহরক্ষী দলের অন্য সদস্যরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেন এই ঘটনা। তাঁদের একজনও খুনি কাদরিকে থামাতে এগিয়ে এলেন না। মৃত্যু নিশ্চিত করে যেন মস্ত এক বিজয় হয়েছে এমন একটা ভাব নিয়ে প্রায় প্রশান্ত চিত্তে কাদরি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
অ্যারিজোনার গ্যাবি গিফোর্ডস কী অপরাধে আক্রান্ত হলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে সম্ভবত তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এর জন্য দায়ী। তিনি ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যবিমা আইনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অ্যারিজোনায় বহিরাগতদের লক্ষ্য করে নতুন যে কঠোর আইন হয়েছে, তিনি সে আইনের বিরোধী। উভয় কারণেই তিনি দক্ষিণপন্থীদের কাছে সমালোচিত হয়েছেন। আমেরিকার উগ্র টি-পার্টি আন্দোলনের সমর্থকদের চোখে যাঁরা সবচেয়ে দোষী বলে অভিযুক্ত হয়েছিলেন, তিনি তাঁদের একজন। টি-পার্টি আন্দোলনের অঘোষিত নেত্রী আলাস্কার সাবেক গভর্নর সারাহ পেলিন যেকোনো মূল্যে মোট ২০ জন ডেমোক্র্যাটকে পরাস্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, গিফোর্ডস তাঁদের অন্যতম। নিজের ওয়েবসাইটে একটি মানচিত্রে এই ২০ জনের কে কোথায় থাকে, তা চিহ্নিত করে বন্দুকের ‘টার্গেট’ হিসেবে এঁকে দেখানো হয়। অন্য সবার মতো গিফোর্ডসের নামের ওপরও কাটা চিহ্ন দিয়ে বলা হয়, এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে। কী ব্যবস্থা, তা খোলাসা করে বলেননি তিনি। কিন্তু বন্দুকের টার্গেট প্র্যাকটিসের কায়দায় কাটা চিহ্ন দিয়ে যা বলার তা তিনি ঠিকই জানিয়ে দিয়েছিলেন। এ কথা গিফোর্ডসের অজ্ঞাত ছিল না। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সারাহ পেলিনের আক্রমণের একটি লক্ষ্য।’ গত নভেম্বরের অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনে টি-পার্টির একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে অল্প ভোটের ব্যবধানে তিনি পুনর্নির্বাচিত হন। সেই প্রার্থী, জেসি কেলি নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাঁর সমর্থকদের গ্যাবি গিফোর্ডসকে সরাতে গুলিবোঝাই এম-১৬ রাইফেল নিয়ে আসতে বলেছিলেন।
নতুন বছরের শুরুতে নতুন কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সপ্তাহান্তে নিজ এলাকার নাগরিকদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ-আলোচনার জন্য শনিবার সকালে টুসনে এসেছিলেন গিফোর্ডস। সেখানেই জ্যারেড লোফনার নামের ২২ বছর বয়সের এক কলেজছাত্রের গুলিতে আহত হন তিনি। একটি গুলি তাঁর খুলি এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে বেরিয়ে যায়।
এখনো নিশ্চিত নয়, টি-পার্টির সহিংস প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে লোফনার এই কাজ করেছে কি না। যুবকটি সম্ভবত মানসিকভাবে কিঞ্চিৎ অপ্রকৃতিস্থ, তবে গিফোর্ডসকে হত্যা করতে সে বেশ আগ থেকেই ষড়যন্ত্র আঁটছে, তার প্রমাণ মিলেছে। ইন্টারনেটে তার বিভিন্ন বক্তব্য থেকে এ কথাও মনে হয়েছে, তার রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে টি-পার্টির মিল রয়েছে। দুর্বল বা অপ্রকৃতিস্থ মানুষ এমনিতেই সারা পৃথিবীকে নিজের শত্রু ভাবেন। রেডিও-টিভিতে যখন বারবার সেই একই কথা বলা হয়, হিংসার আগুন তাঁদের মনে তখন আরও তীব্র হয়ে জ্বলে ওঠে। লোফনারের বেলায় এমন ঘটনা ঘটা অসম্ভব নয়। অবৈধ বহিরাগতদের প্রশ্নে অ্যারিজোনায় বছর খানেক ধরে বিদ্বেষের আগুন জ্বলছে। নতুন যে আইন হয়েছে তাতে সন্দেহ হলে পুলিশ যে কাউকে পরিচয়পত্র দেখাতে দাবি করতে পারে, তা দেখাতে না পারলে জেলে ঢোকাতে পারে। টুসনের পিমা কাউন্টির শেরিফ ক্লারেনস ডুপনিক দুঃখ করে বলেছেন, অ্যারিজোনা এখন হিংসা, বিদ্বেষ ও বৈষম্যের রাজধানী হয়ে উঠেছে। এমন অবস্থায় কেউ যদি বল্গাহীন কিছু করে বসে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
এই দুই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দুই দেশে হয়েছে দুই রকম। পাকিস্তানে অনেকেই হাততালি দিয়ে বলেছেন, বেশ করেছেন মালিক কাদরি। ধর্মের অবমাননার বিরুদ্ধে বন্দুক তুলে সাচ্চা মোমিনের মতো কাজই তিনি করেছেন। তাঁকে যেদিন প্রথমবারের মতো আদালতে নিয়ে আসা হয়, অসংখ্য লোক গোল হয়ে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে তাঁকে সংবর্ধনা জানান। কেউ কেউ ফুলের পাপড়িও ছুড়ে মারেন। কয়েক ডজন আইনজীবী নিজ থেকে এগিয়ে এসে ঘোষণা করেন, বিনা পয়সায় তাঁরা কাদরির পক্ষে আইনি লড়াই চালাবেন। অন্য দিকে গভর্নর সালমান তাসিরের সমর্থনে প্রকাশ্যে একটি কথাও শোনা যায়নি। ৫০০ জন ওলামা এক যৌথ ফতোয়া দিয়ে নির্দেশ দেন: খবরদার, কেউ যেন তাসিরের জানাজায় অংশ নিতে না যান। তাঁরা কাদরিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সে একজন অতি সাহসী সাচ্চা মুসলমান। সে ‘গাজী’। যাঁরা তাসিরের মতো কাজ করবেন, মৃত্যুই হবে তাঁদের একমাত্র যোগ্য শাস্তি। দেশের সেরা ওলামাদের এই ফতোয়ার পর রাজনীতিকেরা, যাঁদের কেউ কেউ ব্লাসফেমি আইন বাতিলের কথা বলেছিলেন, তাঁদের সুরও বদলে যায়। অনেকের ইচ্ছা থাকলেও সালমান তাসিরের জানাজায় যাননি। এমনকি দেশের প্রেসিডেন্টও নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে জানাজায় অংশ নেননি, যদিও সালমান তাসির তাঁর ব্যক্তিগত বন্ধু ও পুরোনো রাজনৈতিক সহচর।
অন্যদিকে আমেরিকায় সবাই টুসনের সহিংসতার নিন্দা করেছেন। সারাহ পেলিনও তাঁদের একজন।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির সব কংগ্রেস সদস্য একমত হয়ে বলেছেন, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার ব্যবস্থা নিতে হবে। কংগ্রেসের নতুন স্পিকার রিপাবলিকান দলের জন বেইনার বলেছেন, ‘একজন কংগ্রেস সদস্যের ওপর হামলা মানে আমাদের সবার ওপর হামলা।’ ডান ও বাম উভয় পক্ষে যে রাজনৈতিক উগ্রতা দেখা যাচ্ছে, কেউ কেউ তার রাশ টেনে ধরারও কথা বলেছেন। প্রেসিডেন্ট ওবামার অনুরোধে সোমবার সারা দেশের মানুষ এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
কোনো কারণ ছাড়া, আকস্মিক বা বিচ্ছিন্নভাবে এই ঘটনা দুটি ঘটেনি। এই খুন রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই ফল। পাকিস্তানে ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদেরা অনেকেই প্রকাশ্যে ধর্মের নামে সহিংসতার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, বেপরোয়া কাজ করতে সাধারণ মানুষকে উসকে দিয়েছেন। পাকিস্তানে এমনিতেই ধর্মের নামে খুনোখুনি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিবেশী বাহাই বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়ি, তাঁদের উপাসনালয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে, তাতে বোমা ছুড়লে কোনো অপরাধ তো হয়ই না, বরং তাতে পুণ্য সঞ্চয় হয়, এমন কথাই সেখানে শেখানো হয়। ফলে মালিক কাদরির মতো সাধারণ মানুষ মৌলবাদী নেতাদের কথায় যদি প্রভাবিত হয়ে বন্দুক তুলে নেয়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
আমেরিকাতেও তা-ই। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এ দেশে রাজনীতির ভাষাই বদলে গেছে। ওবামাকে হিটলার ও স্তালিনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি আমেরিকার বৈধ নাগরিক নন। কংগ্রেসের ভেতর ওবামার আনুষ্ঠানিক ভাষণের সময় রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান চেঁচিয়ে বলেছেন, ‘ওবামা মিথ্যাবাদী’। টি-পার্টির কোনো কোনো নেতা ওবামার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবেরও কথা বলেছেন। সারাহ পেলিন তাঁর সমর্থকদের বন্দুক ‘রি-লোড’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। কোনো কোনো সভায় প্রকাশ্য চিৎকার করে বলা হয়েছে ‘কিল হিম, কিল হিম’। এই ‘হিম’ আর কেউ নন, প্রেসিডেন্ট ওবামা। ঘৃণা ও প্রতিহিংসার আগুন সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছেন এ দেশের টক রেডিও ও কেব্ল টিভির বিভিন্ন ভাষ্যকারেরা। শুধু দক্ষিণপন্থীরাই নয়, কোনো কোনো বামপন্থী টিভি হোস্টরাও একই অপরাধে অপরাধী। উভয়ের কাছেই সাদা ও কালো ছাড়া কোনো রং নেই। আমি ঠিক, তুমি ভুল, হয় তুমি আমার পক্ষে, নয় আমার বিপক্ষে—এই সরলীকরণের বাইরে তাঁরা এক পা বাড়াতেও অনাগ্রহী। তাঁদের কাছে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী মানেই ভয়াল কোনো শত্রু, তাঁর সঙ্গে কথা বলা যাবে না, রাজনৈতিক সমঝোতা করা যাবে না। এমন অসহিষ্ণু আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে গণতন্ত্র হটতে বাধ্য হবে, তার জায়গা নেবে ফ্যাসিবাদ।
টুসনের হত্যাকাণ্ডের পর আমেরিকায় অনেকেই চেঁচিয়ে কথা বলা থামাতে অনুরোধ করছেন। ফক্স নিউজ, যে টিভি নেটওয়ার্কের অতিথি বক্তারা সবচেয়ে ক্রুদ্ধ, সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলতে ভালোবাসেন, তার প্রধান নির্বাহী পর্যন্ত স্বীকার করেছেন রাজনৈতিক সংলাপে সহনীয়তা ফিরে আনা জরুরি। প্রেসিডেন্ট ওবামাও সেই একই অনুরোধ করেছেন। এই সংস্কৃতি যেমন একা কেউ গড়েনি, তার পরিবর্তনও একার পক্ষে সম্ভব নয়। টুসনের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ফলে আমেরিকার রাজনৈতিক সংস্কৃতি যদি সামান্য হলেও বদলায়, যে ছয়টি জীবন আমরা হারালাম, তাঁদের স্মৃতির প্রতি তা হবে একমাত্র অর্থপূর্ণ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
আর পাকিস্তানে? আমি নিশ্চিত, সে দেশের সবাই খুনি নয়, সবাই সাম্প্রদায়িকও নয়। যারা ঘৃণার আগুন ছড়ায়, সে দেশে তারা সংখ্যায় সামান্যই। কোনো নির্বাচনেই যে মৌলবাদীরা জিতে ক্ষমতায় আসে না, তা থেকেই এ কথার প্রমাণ মেলে। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষ যখন সেই হাতে গোনা অল্প কিছু মানুষের হিংসার হাতে জিম্মি হয়ে পড়ে, প্রতিবাদের সাহস হারায়, তাদের জন্য আশার কোনো আলোই থাকে না।
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।

No comments

Powered by Blogger.