আজ জেলা হত্যা দিবস-পঁচাত্তরের তেসরা নভেম্বর by মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

আজ থেকে ৩৭ বছর আগের কথা। সেদিন দেশের বুকে ঘটেছিল মর্মান্তিক ও বর্বর এক ট্র্যাজিক ঘটনা। ১৯৭৫ সালে ৮০ দিনের ব্যবধানে দেশে পর পর দুটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। প্রথমটি ছিল ১৫ আগস্ট ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসভবনে ও আরো দুটি স্থানে প্রায় একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রায় সবাইকে হত্যা করার ঘটনা।


পরেরটি ছিল ৩ নভেম্বর ঢাকা জেলের অভ্যন্তরে দেশের শীর্ষস্থানীয় চার জাতীয় নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন (অব.) মনসুর আলী ও কামরুজ্জামানের হত্যাকাণ্ড। এলএমজি, স্টেনগান, রাইফেলের তপ্ত বুলেটে একেকজনকে ঝাঁঝরা করে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। অধিকন্তু মনসুর আলীকে জেলখানায় উপর্যুপরি বেয়নেট চার্জ করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল। এর আগে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শিশুপুত্র, নবপরিণীতা পুত্রবধূ, অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ, খোঁজখবর নিতে আসা ঊর্ধ্বতন সামরিক অফিসার- কেউই ঘাতকদের হাত থেকে নিস্তার পায়নি।
১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডগুলো কেবল ফৌজদারি বিধি মোতাবেক পরিকল্পিত নরহত্যাই ছিল না। এগুলো ছিল একটি গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। প্রথম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে এক প্রতিক্রিয়াশীল প্রতিবিপ্লবী পটপরিবর্তন সাধন করা হয়েছিল। দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ডের দ্বারা সেই পটপরিবর্তনকে যেন কোনোভাবে সহসা উল্টিয়ে দেওয়া না যায়, তা নিশ্চিত করা হয়। দুটি হত্যাকাণ্ড ছিল একই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ এবং সে ষড়যন্ত্রের সূচনা, মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় অর্জিত হওয়ার দিন থেকেই।
যুদ্ধ-পরিকল্পনার একটি অন্যতম উপাদান হলো, আপৎকালীন পরিকল্পনা বা কন্টিনজেন্সি প্ল্যান। যুদ্ধ পরিচালকরা সব সময়ই মূল পরিকল্পনার পাশাপাশি এমন একটি পরিকল্পনা রচনা করে রাখে। মূল পরিকল্পনা রচিত হয়ে থাকে যুদ্ধে বিজয় লাভের দৃশ্যপট লক্ষ্যে রেখে। আর কন্টিনজেন্সি প্ল্যান তৈরি করে রাখা হয় যুদ্ধে পরাজয় ঘটার দৃশ্যপট অবলম্বন করে। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের আগে পাকিস্তানও সেরূপ একটি কন্টিনজেন্সি প্ল্যান তৈরি করে রেখেছিল। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের পরাজয়ের পর থেকেই পাকিস্তান এবং তার মার্কিন-সৌদিসহ বিদেশি প্রভু ও দেশীয় রাজাকার-দালালরা সেই প্ল্যান অনুযায়ী তাদের কাজ শুরু করে। চারদিক থেকে সব কিছু প্রস্তুত করে নিতে তাদের ৫৬ মাস সময় লেগে যায়। স্বাধীনতা-উত্তর আওয়ামী শাসনের দুর্বলতাগুলো তারা সুচতুরভাবে কাজে লাগায়। এরপর তারা চরম আঘাত হানে। সংগঠিত হয় পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড।
১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে আমি আরো কয়েকজন সহকর্মী ছাত্রনেতাকে নিয়ে গোপনে এক বাসায় আশ্রয় নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। আমরা বেশির ভাগই ছিলাম ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী। ছাত্রলীগেরও কয়েকজন আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু দুপুরের আগেই হাতেগোনা চার-পাঁচজন বাদে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী মন্ত্রীরা সবাই খুনি মোশতাকের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে তাঁর প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। তিন বাহিনীর প্রধানরাও আনুগত্য প্রকাশ করে রেডিওতে ভাষণ দেন। ফলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের পরিকল্পনা থেকে আমাদের সরে আসতে হয়েছিল। কিন্তু আমরা ঠিক করেছিলাম, আরেকটু প্রস্তুতি নিয়ে তারপর বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নামব।
আমরা প্রথমে হাতে নিয়েছিলাম কর্মীদের সংগঠিত করা ও তাদের মধ্যে একটি যোগসূত্র স্থাপন করার কাজ। কঠিন অবস্থার মধ্যেও আমরা হাজার হাজার লিফলেট ছাপিয়ে বিলি করেছিলাম। কর্মীরা গ্রেপ্তার হতে শুরু করেছিল। অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে ঝটিকা মিছিল ও ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে বক্তৃতা করা হয়েছিল।
অক্টোবরের শুরুতেই আমরা পরিকল্পনা নিয়েছিলাম, ভালো করে প্রস্তুতি নিয়ে দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী, ছাত্র, সাধারণ নাগরিকসহ আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি অভিমুখে মৌন মিছিল করব। এটাই তখন আমাদের একটা প্রধান কাজের বিষয় হয়ে উঠেছিল। এ লক্ষ্যে নানাভাবে প্রস্তুতি চালানো হয়েছিল। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনসহ অনেক বরেণ্য ব্যক্তির সঙ্গে আমি নিজে গিয়ে দেখা করেছিলাম এবং এই মৌন মিছিলে শামিল থাকার জন্য তাঁদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম। তাঁরা প্রায় সবাই আমাদের উৎসাহিত করেছিলেন। এই মৌন মিছিলের তারিখ অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছিল। পরে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আরো সময়ের কথা ভেবে তা ৪ নভেম্বর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। দু-তিন সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে ৪ নভেম্বর 'মৌনমিছিল'-এর প্রস্তুতি।
ইতিমধ্যে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামরুজ্জামান, আবদুস সামাদ আজাদ প্রমুখ আওয়ামী লীগ নেতা কারারুদ্ধ হন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি চলছিল। একটি অংশ সক্রিয়ভাবে মোশতাকের পক্ষে দলকে টেনে আনতে সচেষ্ট ছিল। কেউ কেউ তাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে হাত মিলিয়ে বলা শুরু করল যে 'বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আমেরিকাকে চটিয়ে, ইসলামপন্থীদের খেপিয়ে, সমাজতন্ত্র-ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করতে গিয়ে তিনি নিজেই নিজের মৃত্যু ঘটিয়েছেন।' আরেক অংশ (তারা সংখ্যায় খুব কম নয়) বলা শুরু করল যে 'বঙ্গবন্ধুর প্রগতিশীল নীতিগুলোর কারণেই তাঁকে জীবন দিতে হলো। এ ধরনের নীতি আসলে তাঁর গ্রহণ করা উচিত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ভুলের পরিণতিই হলো এই হত্যাকাণ্ড। তাই এখন আওয়ামী লীগের নীতিকে দক্ষিণপন্থী নীতির দিকে ঢেলে সাজাতে হবে।' তারা ব্যস্ত ছিল এসব নিয়ে। আরেকটি অংশ অবশ্য বঙ্গবন্ধুর নীতির দৃঢ় সমর্থক ছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই যদিও প্রাথমিক ভয়ভীতির কারণে শুরু থেকে সাহস করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজে এগিয়ে আসতে পারেনি; কিন্তু ক্রমেই তারা সক্রিয় হতে শুরু করে।
অক্টোবরে খুনি মোশতাক আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সদস্যদের নিয়ে সভার ব্যবস্থা করেছিলেন। সংসদ সদস্যদের সমর্থন আদায় করাই এ সভার উদ্দেশ্য বলে আমরা জানতে পারি। এ অপচেষ্টা ব্যর্থ করার জন্য কিছু করা দরকার বলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। খুব দ্রুত প্রস্তুতি নিয়ে কঠোর ও হুমকিমূলক ভাষায় একটি ইশতেহার ছাপিয়ে (সাইক্লোস্টাইলে) আমরা মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কাছে সেটি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য সেদিন মোশতাকের এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে খুব দৃঢ় ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
যা-ই হোক, ৪ নভেম্বর মৌন মিছিলের প্রস্তুতি যখন সব দিক থেকে শেষ পর্যায়ে, তখন ২ নভেম্বর রাতে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। আমাদের কাছে এ ঘটনা ছিল আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত। আমরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিই যে এ অবস্থার মধ্যেও আমরা আমাদের মৌন মিছিলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কালো পতাকা হাতে দুই লাইনে মৌন মিছিল শুরু হওয়ার আগে সমাবেশের উদ্দেশে আমি বক্তৃতা করি। তারপর শুরু হয় মৌন মিছিল। নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির কাছে আসতেই পুলিশ আমাদের পথ আটকায় এবং বেশ কিছুক্ষণ পুলিশের সঙ্গে আমার তর্ক-বিতর্ক হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ সরে দাঁড়াতে বাধ্য হলে মিছিল এগিয়ে যেতে থাকে। ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধুর বাসায় মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় স্থানে স্থানে সেনাবাহিনীকে পজিশন নেওয়া অবস্থায় আমরা দেখতে পাই। নীরব মিছিল নিয়ে ৩২ নম্বরের বাড়ির বন্ধ গেটে এসে গেটের সামনে মিছিলের অগ্রভাগ পৌঁছার পর সবার পক্ষ থেকে আমি প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। ক্রমেই মিছিলে সমবেত অন্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। একজন মাওলানা সাহেব মোনাজাত করেন। সবাই দুই হাত তুলে মোনাজাতে শরিক হন। আবেগ-আপ্লুত এই অনুষ্ঠান শেষ করে আমরা মিছিলের মুখ ঘুরিয়ে দিই। মৌন মিছিল তখন সরব হয়ে ওঠে। 'মুজিব হত্যার বিচার চাই'- স্লোগান দিতে দিতে সরব মিছিলসহ আমরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসি।
এদিকে সকাল থেকেই গুজব শুনছিলাম যে জেলখানায় নাকি কিছু একটা ঘটেছে। সরেজমিনে খবর নেওয়ার জন্য ক্যাম্পাসে থাকাকালেই কয়েকজন কর্মীকে জেলগেটে পাঠিয়েছিলাম। মৌন মিছিলে থাকা অবস্থায়ই তাঁরা এসে জেলহত্যাকাণ্ডের সত্যতা জানালেন। তীব্র বেদনা ও ক্ষোভের সঙ্গে জানতে পারলাম- নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মনসুর আলী ও কামরুজ্জামান- এই চার জাতীয় নেতাকে ৩ নভেম্বর (২ নভেম্বর মধ্যরাতের পর) জেলখানায় ওয়ার্ডে তালাবন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সবাই বুঝতে পারল যে এই হত্যাকাণ্ড খন্দকার মোশতাক ও খুনি মেজরদের কাজ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এখন তারা চার শীর্ষ জাতীয় নেতাকে হত্যা করেছে। প্রতিবাদে গর্জে উঠল সমবেত হাজারো মানুষ। আমি সঙ্গে সঙ্গে বিকেলে শহীদ মিনারে সব কর্মীকে সমবেত হওয়ার কর্মসূচির ঘোষণা দিই। ক্যাম্পাসে ফিরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করে জেলহত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পরদিন হরতালের প্রস্তুতি শুরু করে দিই। আমাদের মধ্যে তিনজন বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণের দাবি জানান। শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর আমাদের দাবি অনুযায়ী সিনেট সভা মুলতবি হয়ে যায়।
বিকেলে শহীদ মিনারে নির্ধারিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেই সমাবেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলহত্যার প্রতিবাদে পরদিন সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত হরতাল আহ্বান করি। মাইকসহ কর্মীরা হরতালের প্রচারে নেমে পড়ে। ঘাতক চক্রের সৃষ্ট বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মধ্যেও ৫ নভেম্বর ঢাকায় আংশিকভাবে হরতাল পালিত হয়। মানুষ সাহসী হয়ে উঠতে শুরু করে।
চার নেতার লাশ দাফনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিই। বায়তুল মোকাররম চত্বরে জানাজা হবে বলে ঘোষণা দিই। লাশ দাফনের জন্য রমনা মাঠের কোণে শেরেবাংলার মাজার চত্বরে কবর খোঁড়া হয়। আমরা লাশ আনতে যাই। কিন্তু ততক্ষণে সামরিক কর্তৃপক্ষ লাশগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। তারা আমাদের হাতে লাশ দেয়নি। তাদের নিয়ন্ত্রণে তারা দাফনকাজ সম্পন্ন করে। আমরা বায়তুল মোকাররম চত্বরে গায়েবানা জানাজার ব্যবস্থা করি। হাজার হাজার মানুষে সেই চত্বর ভরে ওঠে। গায়েবানা জানাজা পড়া হয়। বাতাস আবার ঘুরতে শুরু করে। ঘাতকদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যেতে থাকে। কিন্তু সেই পথে ঘটনা আর বেশিদূর আগানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। ৪৮ ঘণ্টার মাথায় ৭ নভেম্বরের ঘটনাবলি নিয়ে আসে আরেক নতুন মাত্রিকতা। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও চার নেতা হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তোলার পথে উপস্থিত হয় প্রতিবন্ধক এক নতুন পরিস্থিতি।
সামরিক শাসনের দীর্ঘকালীন সেই নতুন পটভূমিতে সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়ার জন্য গ্রহণ করতে হয় নতুন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ। কিন্তু সেটি ভিন্ন আরেকটি বড় কাহিনী।
লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
selimcpb@yahoo.com

No comments

Powered by Blogger.