খবর, কালের কণ্ঠের- আমলাদের যাচ্ছেতাই বিদেশ সফর

রকারি নির্দেশ অমান্য করেই সরকারের দাপুটে আমলারা ঘন ঘন বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। সরকারি কাজে তাঁদের এই বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্টতার চেয়ে দাপট ও প্রভাবকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এতে সরকারের যেমন আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি কর্মঘণ্টারও অপচয় হচ্ছে, আর সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাহত। আমলাদের বিদেশ সফরের জন্য সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই এবং এ কারণেই এসব অনিয়ম ও ক্ষতির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বছর দেড়েক আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা বছরে সর্বাধিক কতবার বিদেশ সফরে যেতে পারবেন, তা নির্ধারণ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাও বাস্তবায়ন করতে পারেনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আমলাদের বিদেশ সফরের অনিয়ম এতটাই বেসামাল হয়ে উঠেছে যে, মো. শাহাব উদ্দিন নামের একজন আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাও বিদেশে বড় রকমের সফর সেরে এসেছেন। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার বহু চেষ্টা করেও তা মেলেনি।
সংস্থাপন সচিব ইকবাল মাহমুদ গত সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ীই হচ্ছে। কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে তিনিও এর চেয়ে বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১৩ অক্টোবর এ কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ প্রসঙ্গে চার দফা নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করেন। পরিপত্রে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, যুগ্ম সচিব ও সংস্থা প্রধানের একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। পাশাপাশি সচিবকে বছরে চারবারের বেশি বিদেশ ভ্রমণে যেতে নিষেধ করা হয়। বিদেশের সেমিনার বা ওয়ার্কশপে অন্য দেশের কোন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন, তা জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের ওয়ার্কশপ বা সেমিনারে সচিবদের অংশগ্রহণ পরিহার করার কথা বলা হয়েছে।
কিন্তু তার আগে ২০০৯ সালের ১৫ জুন সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনিয়ম দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেন। একজন কর্মকর্তা বছরে সর্বোচ্চ কতবার বিদেশ সফরে যেতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ ধরনের নির্দেশনার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব জরুরি ভিত্তিতে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করেন। বৈঠকে ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কারণে কারা বিদেশে যেতে পারবেন তা নির্ধারণ করা হয়। সংস্থাপন সচিবকে একই বছরের ২১ জুলাই পরিপত্র জারির উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তাঁর এ নির্দেশনা পাওয়ার পর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নেয়, একাধিক বৈঠকও করে। কিন্তু কোনো পরিপত্র জারি করতে পারেনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা বছরে কতবার বিদেশ সফরে যেতে পারবেন, প্রথম তা নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বা সংস্থাপন মন্ত্রণালয়কে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গণহারে বিদেশ সফর বন্ধ করার জন্য মুখ্যসচিব পরিপত্র জারি করেন। সেই পরিপত্রে শুধু সচিব বা ভারপ্রাপ্ত সচিবকে বছরে চারবারের বেশি বিদেশ সফর না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো, শুধু সচিবরাই বিদেশে যান না। সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিদেশে যান। তাঁদের সফরের বিষয়ে পরিপত্র জারি করবে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার দেড় বছর পরও জারি করা হয়নি।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের পরিপত্র জারির পরও কর্মকর্তাদের গণহারে বিদেশ সফর বন্ধ হয়নি। বেশির ভাগ সচিবই বছরে ৮-১০ বার করে বিদেশে যান। আর মন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় সচিবদের সফরও বন্ধ হয়নি। একজন মন্ত্রী সম্প্রতি বিদেশ সফরের সময় শুধু তাঁর মন্ত্রণালয়ের সচিবকেই সঙ্গে নেননি, মন্ত্রীর পিএসও সঙ্গে ছিলেন। এ ছাড়া একজন প্রভাবশালী সচিব বিদেশে গিয়ে নির্ধারিত সেমিনারে অংশ না নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা আছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। ১৯৯২ সালের ‘বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তাগণের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ/উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত নীতি ও পদ্ধতি’-এর আওতায় কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হয়। এ নীতি ও পদ্ধতি মূলত বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত হলেও কর্মকর্তারা এর আওতায় বিদেশের বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। ১৮ বছরের পুরনো বিদেশ পাঠানোর এ নীতি-পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ ও অপূর্ণাঙ্গ বলে জানিয়েছেন একাধিক কর্মকর্তা।
২০০৯ সালের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দাপ্তরিক কারণে একজন কর্মকর্তাকে বছরে ছয়বারের বেশি বিদেশে না পাঠানো যাবে না। কাউকে এর বেশি যেতে হলে তাঁর নিকটবর্তী কনিষ্ঠ অথবা কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সচিব, ভারপ্রাপ্ত সচিব সমপর্যায়ের বেতন স্কেলের (এনপিএস)-১ নম্বর স্কেলভুক্ত কর্মকর্তাদের বিদেশ যাত্রার অনুমোদন দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এনপিএস-২ স্কেলভুক্ত কর্মকর্তা বা সংস্থার প্রধানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী অনুমোদন দেবেন। অতিরিক্ত সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের অনুমোদন দেবেন সংশ্লিষ্ট সচিব। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের বেলায় অনুমোদন দেবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। আর পুলিশের উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারের বিদেশ যাত্রার অনুমোদন দেবেন স্বরাষ্ট্রসচিব।
একই বৈঠকে চারটি ব্যক্তিগত কারণে বিদেশ ভ্রমণের অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়- চিকিৎসা, পারিবারিক আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, ধর্মীয় কারণ বা তীর্থস্থান পরিদর্শন। কর্মকর্তারা প্রতি তিন বছরে একবার সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন। তবে হজের জন্য প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৪৫ দিন থাকতে পারবেন। চিকিৎসার কারণে থাকা যাবে মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী।
কিন্তু কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব বিধান অমান্যের বহু নজির। দেখা গেছে, বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে দাপুটে ও দলবাজ কর্মকর্তারাই অগ্রাধিকার পান। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমন্ত্রণ অনুযায়ী যাঁর যাওয়ার কথা, তাঁর সুযোগ হয় না। বিশেষ করে ঈদ বা পূজার আগে এ ধরনের অনিয়ম বেশি ঘটে। পদস্থ কর্মকর্তার কাছের লোক না হলেও সফর হাতছাড়া হয়ে যায়। এমনকি বড় কর্মকর্তাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য উড়োজাহাজের টিকিটের শ্রেণী পর্যন্ত বদল করার নজির রয়েছে। কিন্তু এসব অনিয়মের ব্যাপারে কেউ মুখ ফুটে কিছু বলতে রাজি হননি।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহাব উদ্দিন গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ট্রুথ কমিশনে একজন আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ। মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সভায় তাঁর দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গত দুই বছরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে পাঁচটি বিভাগীয় মামলা হয়েছে। কিন্তু তাঁকে সব মামলা থেকেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর এই শাহাব উদ্দিনের অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই ৩০ অক্টোবর তাঁকে পাঠানো হয় অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন ও মালয়েশিয়া সফরে। তিনি এখনো মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের বয়স বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে কর্মরত। কিন্তু তাঁর মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েও প্রশ্ন আছে।
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গোলাম মাওলা রনি এমপি কালের কণ্ঠকে বলেন, শাহাব উদ্দিনের দুর্নীতি ও তাঁকে বিদেশে পাঠানো নিয়ে কমিটির সভায় কঠোর সমালোচনা হয়েছে। পাশাপাশি কমিটি তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে।
এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেখিয়ে পদোন্নতির জন্য সচেষ্ট শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছেন বাহার উদ্দিন রেজা বীরপ্রতীক। তিনি বলেন, ‘আমি ২৫ বছর ধরে শাহাব উদ্দিনকে চিনি। আমার জানা মতে, তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন।’
এ বিষয়ে শাহাব উদ্দিনের সওজের কার্যালয়ে কালের কণ্ঠ থেকে গত ৫ ডিসেম্বর দুপুরে ল্যান্ডফোনে ছয়বার ফোন করা হয়। প্রথম দুইবার বলা হয়, তিনি মিটিংয়ে আছেন। পরে বলা হয়, তিনি মন্ত্রণালয়ে। এর আগেও দুুই দিন একইভাবে তাঁকে ফোন করা হলে ওই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আজিজুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও কথা বলতে রাজি হননি।
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা বেগম প্রশাসনের বিষয় তদারকি করেন। কিন্তু গত ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক এক প্রশিক্ষণে তিনি অংশ নেন। মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ডের মতো সংস্থাগুলো। বিআরটিএর কর্মকর্তারা বলেন, সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের এই সফরে পাঠালে তা কাজে লাগানোর সুযোগ থাকত। কিন্তু পাঠানো হয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রওশন আরা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কবে গিয়েছিলাম, সেমিনার না অন্য কোনো অনুষ্ঠান ছিল, তা এখন বলতে পারছি না। তবে বিষয়টি ছিল রোড সেফটি নিয়ে।’
এদিকে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠেয় আরবান ট্রাফিক অ্যান্ড কনজেশন ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক জি এম জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়াকে মনোনয়ন দিয়েছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট হওয়ার পরও বিআরটিএর কোনো কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, দেওয়া হয়েছে ওই নামসর্বস্ব সংস্থাকে। বিআরটিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয়ের একজন পদস্থ কর্মকর্তার কারণেই এ অবিচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জি এম জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়া বলেন, এ সংস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে।
==============================
সরকারের ব্যর্থতায় হতাশাঃ বিরোধী দলের ব্যর্থতায় বিকল্পের অনুপস্থিতি  ক্ষমতা ও গণতন্ত্র  পানি সংকট পানি বাণিজ্য  ২০১০ সালের অর্থনীতি কেমন গেল  গণতান্ত্রিক বিকাশের পথে বাধা অনেক  কপাটে তালা দিয়ে কেন এই মৃতু্যর আয়োজন  বিজয়ের অর্থনীতি ও সম্ভাবনা  মুক্তিযুদ্ধের বিজয়লক্ষ্মীর মুখোমুখি  একেই কি বলে আমলাতন্ত্র?  আত্মসমর্পণের সেই বিকেল  আমরা তাঁদের ভুলতে পারি না  সংবিধানের অনেক বক্তব্য পারস্পরিক সংঘাতমূলক  পরাশক্তির বিরুদ্ধে এক ‘ভবঘুরের’ স্পর্ধা  আবু সাঈদ চৌধুরীর ভাষণ দেওয়া হলো না  শুভ নববর্ষ ২০১১- দিনে দিনে বর্ষ হলো গত  এরশাদের বিচারে দুই দলেরই আগ্রহ কম  কিশোরদের সাদামাটা ফল  জিপিএ-৫ পেয়েছে আট হাজার ৫২ জন  এরশাদের বিচার হওয়া উচিত  ছোটদের বড় সাফল্য  প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাঃ পাস ৯২%, প্রথম বিভাগ বেশি  বাংলাদেশের বন্ধুঃ জুলিয়ান ফ্রান্সিস  নিষ্ফল উদ্ধার অভিযানঃ দখলচক্রে ২৭ খাল  জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ভ টিজিং : জরুরি ভিত্তিতে যা করণীয়  প্রতিশ্রুতির দিন  শোকের মাস, বিজয়ের মাস  চীনা প্রধানমন্ত্রীর পাক-ভারত সফর  দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীন মন্তব্য  নতুন প্রজন্ম ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা  খিলক্ষেতে আগুনঃ কয়েলের গুদামে রাতে কাজ হতো ঝুঁকিপূর্ণভাবে  ভারতে বিহার রাজ্যের নির্বাচন  স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে  আমাদের আকাশ থেকে নক্ষত্র কেড়ে নিয়েছিল যারা...  মুক্তির মন্দির সোপান তলে  আবেগ ছেড়ে বুদ্ধির পথই ধরতে হবে  বছর শেষে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ  দুই কোরিয়ার একত্রিকরণ কি সম্ভব  গ্যাসের ওপর বিপজ্জনক বসবাস  উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ


দৈনিক কালের কন্ঠ এর সৌজন্যে
লেখকঃ আশরাফুল হক রাজীব ও পার্থ সারথি দাস


এই আলোচনা'টি পড়া হয়েছে...
free counters

No comments

Powered by Blogger.