কিন্ডারগার্টেনে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা: প্রয়োজন ব্যাপক সংস্কার by সমীর রঞ্জন নাথ ও গৌতম রায়

কিন্ডারগার্টেন কথাটির আক্ষরিক অর্থ শিশুদের বাগান। এটি একটি জার্মান শব্দ। বিশিষ্ট জার্মান শিক্ষাবিদ ফ্রেডরিক ফ্রোয়েবেল, যার প্রাকশৈশব শিক্ষাপ্রণালী সারাবিশ্বকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত ও প্রভাবিত করেছে, তিনি ১৮৪০ সালে এ নামটি দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন- বাগানে গাছকে যেমন পরিচর্যা করতে হয়, শিশুদেরও সেভাবে পরিচর্যা দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করতে হয়। কিন্ডারগার্টেন আসলে তারই প্রতিষ্ঠিত এক স্কুলের নাম, যার পূর্ব নাম ছিল প্লে অ্যান্ড অ্যাক্টিভিটি ইন্সটিটিউট। খেলাধুলা, গান-বাজনা ও ছবি আঁকার মতো বিভিন্ন ধরনের প্রায়োগিক কর্মকাণ্ড এবং বাড়ি ও স্কুলের মধ্যে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ ইত্যাদির মাধ্যমে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটিয়ে বেড়ে ওঠায় সাহায্য করাই ছিল এ স্কুলের কাজ। স্কুলটি শুরু হয়েছিল মূলত কর্মজীবী মা-বাবার সন্তানদের সেবা দেয়ার মানসিকতা থেকে, যারা দিনের বেলায় সন্তানদের দেখাশোনা করতে পারতেন না। আজকের দিনে এটি বিবিধ শিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রাকশৈশব শিক্ষা দেয়ার এক জনপ্রিয় ও কার্যকর ধারা হয়ে উঠেছে।
কিন্ডারগার্টেন শিক্ষাপদ্ধতি পর্যায়ক্রমে পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়েছে। উনিশ শতকেই ইউরোপের দেশে দেশে ও আমেরিকায় পদ্ধতিটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্ডারগার্টেন স্কুল খোলা হতে থাকে এখানে-ওখানে। শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টি মাথায় রেখে ১৮৮৫ সালে টরন্টো নরমাল স্কুলে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষণ বিভাগ খোলা হয়। পরবর্তী বছরই কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের উচ্চমান ধরে রাখার লক্ষ্যে শিকাগোতে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়, যা পরবর্তীকালে ন্যাশনাল কলেজ অব এডুকেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
আমাদের দেশে কিন্ডারগার্টেন স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ শতকের কোনো একসময়। প্রথমদিকে এটি তেমন জনপ্রিয় না হলেও পর্যায়ক্রমে ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের স্কুল কেবল প্রাকশৈশব শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রাথমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক অবধি বিস্তৃত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সাম্প্রতিক কিছু প্রকাশনা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে দেশে কিন্ডারগার্টেন নামধারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮১, যা ২০১২ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪৮৬-এ এবং ২০১৩ সালে ১৪ হাজার ১শতে। আট বছরে (২০০৫-২০১৩) যেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ, সেখানে কিন্ডারগার্টেন বেড়েছে এর ছয় গুণেরও বেশি। শিক্ষার্থী ভর্তির দিক থেকেও এর জনপ্রিয়তা বোঝা যাবে। আট বছরে সারা দেশে যেখানে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী বেড়েছে ২০ দশমিক ৭ শতাংশ, সেখানে কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষার্থী বেড়েছে এর সাত গুণেরও বেশি। বর্তমানে সারা দেশে ১৪ হাজার ১শ কিন্ডারগার্টেনে প্রায় ১৮ লাখ শিশু প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করছে।
গণসাক্ষরতা অভিযান পরিচালিত এডুকেশন ওয়াচের সর্বশেষ গবেষণায় জানা যায়, দেশের সব কিন্ডারগার্টেনেই প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, যদিও বাদবাকি অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশে এ ব্যবস্থা রয়েছে। সারা দেশে যত শিক্ষার্থী প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীতে পড়ে- তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পড়ে কিন্ডারগার্টেনে, এরা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ২৮ শতাংশ। গ্রামের চেয়ে শহরে এর লভ্যতা ও চাহিদা উভয়ই বেশি। গ্রামের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের এক-পঞ্চমাংশ কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হলেও শহরে এ হার ৬৪ শতাংশেরও বেশি। এ পরিসংখ্যানগুলো থেকে বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেনের উত্তরোত্তর জনপ্রিয়তা ও অপরিহার্যতা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, বিশেষ করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে। এটা বিবেচনায় নিয়েই কিন্ডারগার্টেনগুলোর দিকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার নজর দেয়ার সময় এসেছে; মুখ ফিরিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই।
প্রশ্ন হল, কিন্ডারগার্টেনগুলোর ওপর প্রাকশৈশব শিক্ষার এই যে ক্রমবর্ধমান দায়িত্ব, তা পালনে প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা কতটুকু? এডুকেশন ওয়াচের গবেষণা থেকে জানা যায়, এদের অধিকাংশেরই নিজস্ব কোনো ভবন নেই; ভাড়া করা ভবনেই চলে শিক্ষা কার্যক্রম। খেলাধুলার জায়গার তো প্রশ্নই ওঠে না। বেশিরভাগই কোলাহলময় পরিবেশে অবস্থিত। এগুলোতে পানীয় জলের সুব্যবস্থা থাকলেও টয়লেটের অপর্যাপ্ততা রয়েছে। অধিকাংশেই জরুরি চিকিৎসার জন্য ফার্স্ট এইড বক্স নেই। শ্রেণীকক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীর তুলনায় জায়গা অপ্রতুল, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়। অন্য বিদ্যালয়ের তুলনায় কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষক সংখ্যা বেশি। কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তুলনায় কম। ভালো একটি দিক হল, কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের ৭০ শতাংশই নারী। শিক্ষক প্রশিক্ষণের অবস্থা অবশ্য খুবই খারাপ। প্রাক-প্রাথমিকে যারা পড়ান, তাদের মাত্র ১৫ শতাংশের কোনো না কোনো রকমের একটি প্রশিক্ষণ রয়েছে, আর মাত্র ৬ দশমিক ৫ শতাংশের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ওপর প্রশিক্ষণ রয়েছে। ৮৬ শতাংশ শিক্ষকই প্রশিক্ষণবিহীন। প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের হাতে লাখো শিক্ষার্থীর দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া যায় না। বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতিতে শিক্ষা দিতে পারার মতো জনবল তৈরির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি।
কিন্ডারগার্টেনগুলোতে নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাক্রম নেই। এরা নিজেদের ইচ্ছামতো স্থানীয় বাজার থেকে বই নির্বাচন করে। বইগুলোর মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। এডুকেশন ওয়াচের গবেষণায় ৩০০টি কিন্ডারগার্টেনে জরিপ চালিয়ে ৭৩৮টি শিরোনামের বই ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে। বইগুলো প্রকাশ করেছে ৩৮৯টি স্থানীয় ও জাতীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। দেশে এতগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য বই প্রকাশের সক্ষমতা রয়েছে মনে করার কারণ নেই। লেখকদের প্রায় সবাই অপরিচিত এবং নিশ্চিতভাবেই এদেরও এ সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ নেই। কিন্ডারগার্টেন প্রধানদের সঙ্গে আলাপ করেও জানা গেল, তারা স্থানীয় বাজারে পাওয়া যায় এমন বই থেকে যেগুলোকে ভালো মনে করেন তা পাঠ্য করেন। আবার ভালো মনে করার বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও নেই। থাকবে কী করে; শিক্ষাক্রম সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণবিহীন ব্যক্তিদের দ্বারা যেনতেন প্রকারে রচিত এবং একই ধরনের শিক্ষকদের দ্বারা নির্বাচিত বই যে মানসম্পন্ন হতে পারে না সে বিষয়ে আর সন্দেহ কী? প্রাক-প্রাথমিকে ৬-৭টি করে বই পাঠ্য, যার মধ্যে স্কুলভেদে ৩-৪টি ইংরেজিতে রচিত। এত বইয়ের চাপ শিশুরা কীভাবে সহ্য করে তা এক বিস্ময়।
শ্রেণীকক্ষ কার্যক্রমের অবস্থাও অত্যন্ত শোচনীয়। কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষা হওয়ার কথা খেলাধুলানির্ভর ও প্রায়োগিক কর্মকাণ্ডভিত্তিক। এডুকেশন ওয়াচের গবেষণায় দেখা গেছে, ৫২ শতাংশ কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষামূলক বা খেলাধুলার কোনো উপকরণই নেই। যেসব কিন্ডারগার্টেনে কিছু উপকরণ আছে তাও অপ্রতুল। অভাব রয়েছে চার্ট, খেলনা, ছবি আঁকা ও গান-বাজনার সরঞ্জামের। শ্রেণীকক্ষের শিক্ষণ-শিখন প্রণালীতে কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতির লেশমাত্র নেই। প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষণ পদ্ধতির সঙ্গে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষণ পদ্ধতির কোনো তফাৎ পাওয়া যায়নি। পার্থক্যের বিষয়টি যে শিক্ষকরা জানেন না, তা তাদের সঙ্গে আলাপ করেই বোঝা গেল। গবেষণাভুক্ত সব কিন্ডারগার্টেনেই নিয়মিত বাড়ির কাজ দেয়া হয়। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের যদিও কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার কথা নয়, তিন-চতুর্থাংশ কিন্ডারগার্টেনে এদের জন্য বছরে তিনটি করে পরীক্ষা নেয়া হয় এবং এক-পঞ্চমাংশে নেয়া হয় চার বা ততধিক আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা।
পাঠ্যপুস্তক, বাড়ির কাজ, পরীক্ষা ইত্যাদি মিলিয়ে পড়ালেখার এই যে চাপ, তার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাইভেট টিউশন বা কোচিং নেয়ার মারাত্মক প্রবণতা। গবেষণায় দেখা গেছে, কিন্ডারগার্টেনের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ে বা কোচিং সেন্টারে যায়। প্রাইভেট টিউটর বা কোচিং সেন্টার নিশ্চয়ই খেলাধুলার মাধ্যমে কিছু শেখায় না। অভিভাবকরাও খেলাধুলা করার জন্য বাড়তি টাকা খরচ করেন না। স্কুলের পরীক্ষাভিত্তিক এবং মুখস্থভিত্তিক পড়ালেখাকে আরও পাকাপোক্ত করার জন্য এ ব্যবস্থা।
এরপর আসে খরচের প্রসঙ্গ। কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের জন্য অভিভাবকদের যে খরচ হয়, তা অন্য যে কোনো ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি। এদের ভর্তি ফি, বেতন ইত্যাদি যেমন বেশি, প্রাইভেট পড়ার পেছনেও খরচ হয় অন্যদের তুলনায় বেশি। সার্বিকভাবে কিন্ডারগার্টেনে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ খুবই ব্যয়বহুল- সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় নয় গুণ। অন্যদিকে পড়ালেখার পদ্ধতিগত দিকের নিরিখে কিন্ডারগার্টেনকে অন্যদের থেকে আলাদা করা যায় না। আরেকটি বিষয় প্রায়ই আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। তা হল, এই প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত না হয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত। শিক্ষার্থীদের দেয়া বেতন ইত্যাদির ওপর ভ্যাট নেয়ারও নির্দেশনা রয়েছে। তাহলে কি সরকার মনে করছে, কিন্ডারগার্টেনগুলো শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করছে এবং তা সরকারি লাইসেন্স নিয়েই?
কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা পদ্ধতির যে চিত্র শুরুতে আঁকা হয়েছে, তার সঙ্গে দেশে প্রচলিত কিন্ডারগার্টেনের কোনো মিল নেই। বর্তমান অবস্থায় অভিভাবকরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে মানসম্মত পড়ালেখা থেকে। দুঃখের বিষয়, অভিভাবকদের মধ্যে এসব ব্যাপারে সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এগিয়ে আসতে হবে সরকারকেই। কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতির মৌলিক বিষয়গুলো নিশ্চিত করে এর ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।
সংস্কারের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্ডারগার্টেনগুলোর দুই বা ততোধিক সমিতি রয়েছে। এই শিক্ষা পদ্ধতির মূল চেতনা ধারণ করে বর্তমান সময়ের নিরিখে মানসম্মত শিক্ষার যে চাহিদা, তা সমিতিগুলোর দৃঢ় সমর্থনে এগিয়ে যেতে পারে। তারা একটা মানদণ্ড তৈরি করে সব কিন্ডারগার্টেনকে তা মানতে বাধ্য করতে পারেন। শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কিন্ডারগার্টেন সমিতিগুলোর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে গঠিত কোনো কমিটিও মানদণ্ড তৈরির দায়িত্ব নিতে পারে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন মনিটরিং করতে হবে শিক্ষাসংক্রান্ত দুই মন্ত্রণালয়ের একটিকেই, বিশেষত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্বও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে এদের ওপর ন্যস্ত করা যেতে পারে। আমাদের শিক্ষানীতি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেনি। এখন আর নিশ্চুপ থাকার সময় নেই। সময় দ্রুত এগিয়ে চলেছে।
সমীর রঞ্জন নাথ ও গৌতম রায় : এডুকেশন ওয়াচ গবেষণা ২০১৩-এর প্রধান ও সহ-গবেষক
nath.sr@brac.net

No comments

Powered by Blogger.