রাজনীতি এবার খুব ভোগায়নি by জসিম উদ্দিন

বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন রাস্তাঘাট একেবারে ফাঁকা ছিল। রাস্তায় ব্যক্তিগত পরিবহন ছিল না। গণপরিবহনও সংখ্যায় ছিল হাতেগোনা। আর রাস্তায় বের হননি সাধারণ মানুষ। জরুরি কাজ ছাড়া মানুষ ঘরেই ছিল। মানুষের ধারণা ছিল, বড় ধরনের প্রতিবাদ বিক্ষোভ হবে। তাতে পুলিশি অ্যাকশনে রক্তপাতের ঘটনা ঘটবে। প্রতিটি প্রতিবাদ বিক্ষোভের ঘটনায় পুলিশ যেভাবে কড়া অ্যাকশন দেখিয়েছে। বিগত বছরগুলোতে আন্দোলনের উল্টো ফল হয়েছে। প্রতিটি ঘটনার পর বিরোধীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানোর এক মহাসুযোগ সৃষ্টি হয়। সেটাকে সরকার কাজে লাগিয়েছে বিরোধীদের উচ্ছেদ করতে। পুলিশ কাজে লাগিয়েছে গণহারে তাদের বাণিজ্য বাড়িয়ে নিতে। সম্ভাবত এবার বিরোধীরা অনেক বেশি সাবধান ছিল। কয়েক কোটি টাকার মামলায় তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছে। এই মামলার রায় এমন এক সময় হলো; যখন দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অনেক ঘটনা রয়েছে। ওইসব লুটপাটের কিছু ঘটনার বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বটে; সেটি অত্যন্ত ধীরগতির। সেখানে সুবিচারের সম্ভাবনা ক্ষীণ। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ আরো ডজন ডজন মামলা বিদ্যুৎ গতিতে বিচারপ্রক্রিয়ায় খালেদার জিয়ার বিরুদ্ধে অগ্রসর হচ্ছে। এই গতি দেখে এটাই মনে হতে পারে, একটি নির্দিষ্ট সময়কে টার্গেট করে এগুলো গতি পেয়েছে। সেই হিসেবে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বড় ফলাফল বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ লাভ করার কথা ছিল। সেটা না হওয়ায় অনেকে আশ্চর্যজনকভাবে হতাশ হয়েছেন। সরকারও বিস্মিত হয়েছে। ধরপাকড় ও দলনের কাক্সিক্ষত পথে সেভাবে অগ্রসর হওয়া যায়নি। তবে প্রতিবাদ বিক্ষোভ কিছু হয়েছে। সেটা ছিল সতর্ক ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বিক্ষোভ। প্রতিবাদকারীদের হাতে বোমা ছিল না। রিভলবার, পিস্তল ও বন্দুক ছিল না।
তাদের আচরণ মারমুখী ছিল না। এর বিপরীতে সরকারি দলের সমর্থক ও পুলিশের যথাযথ প্রস্তুতি ছিল। অনেক জায়গায় লাঠিসোটা হাতে সরকারি সমর্থকদের দেখা গেছে। পিস্তল-রিভলবার নিয়ে তারা প্রকাশ্যে নেমেছে। রায় নিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে তারা। নিজেরা মিষ্টি খেয়েছে, বিতরণও করেছে। বিরোধীদের ওপর চড়াও হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের মানুষ প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে মিষ্টি খেতে দেখেছে। লাশের কোনো অপরাধ থাকে না। সেই লাশের ওপর ঘৃণা প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। সমাজে এ ধরনের পতন বাড়াবাড়ি, হিংসা ও উসকানির নজির হয়ে রয়ে গেল বাংলাদেশের ইতিহাসে। এবার বিরোধীরা এমন কোনো বিক্ষোভ করেনি, যাতে করে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও জঙ্গিপনার আভিযোগ আনতে পারে। এর আগে বিরোধীদের প্রতিটি আন্দোলন সহিংসতা ও নাশকতার সাজানো অভিযোগ এনে দমিয়ে দিতে সরকার দারুণভাবে সফল হয়েছে। খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের পর খালি মাঠে আওয়ামী লীগ নিজেও হতাশ হয়ে গেছে। তাই অনেক জায়গায় নিজেরা দু’ভাগে ভাগ হয়ে রক্তপাত ঘটিয়েছে। তৃতীয় পক্ষ হিসেবে খালি মাঠে পুলিশও তাদের সাথে যোগ দিয়েছে। বিএনপির সম্ভাব্য বিক্ষোভ দমনে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নামে আওয়ামী লীগ। প্রতিপক্ষকে না পেয়ে পরে নিজেরা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এর একপর্যায়ে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে পুলিশ এতে অংশ নেয়। বিএনপি ছাড়াই ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়ে যায়। এর মধ্যে গুলি খেয়ে প্রাণ হারান যুবলীগের এক কর্মী।মামলার রায় উপলক্ষে সিলেটে চলেছে অস্ত্র প্রদর্শনী। সেখানে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মহড়া দেন। রিভলবার, পিস্তলÑ এগুলো মামুলি অস্ত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে। প্রকাশ্যে মিছিলের অগ্রভাগে থেকে রাজকীয় বন্দুকের প্রদর্শনীর ছবি মিডিয়ায় এসেছে। মাথায় হেলমেট পরা এই ‘রাজপুত্ররা’ দারুণ অ্যাকশন দেখিয়েছে। ওই সময় মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরাও ছিলেন। পুলিশ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে, এমনটি ঘটেনি। অস্ত্রধারী পুলিশ ও সরকারদলীয় অস্ত্রধারী নেতাকর্মী উভয়ের লক্ষ্য ছিল একটাই- তারা বিক্ষুব্ধ নিরস্ত্র বিরোধী নেতাকর্মীদের আক্রমণ করেছে। যদিও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শন অবৈধ নয়। কিন্তু কাউকে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো অবৈধ। ভয়ভীতি দেখানোর জন্য ফাঁকা গুলিও বর্ষণ করেছে। পুলিশ এ উপলক্ষে আগের মতো সাধারণ মানুষকে ভুগিয়েছে। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ব্যাপকতা সেভাবে না থাকায় এই ভোগান্তির মাত্রাও ব্যাপক হতে পারেনি। খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করার পর পুলিশ রাস্তা ও ফুটপাথ থেকে এলোপাতাড়ি আটক করে। তাদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক কর্মচারীও ছিলেন। তিনি বারবার পরিচয়পত্র দেখিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য আকুতি করেন। সেই আকুতির দৃশ্য একটি দৈনিকে ১১ ফেব্রুয়ারি ছাপা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেল তিনি সামনে ধরে আছেন তার পরিচয়পত্রটি। ছবিতে সেই পরিচয়পত্রে তার নামধাম স্পষ্ট দেখা গেছে। তার চোখেমুখে করুণ আকুতি। পাশে মেঝেতে রাইফেল দাঁড় করিয়ে বসে আছেন পুুলিশ সদস্য।
তার নির্লিপ্ত চাহনিটি কোনো ধরনের অপরাধের চিহ্নটিও নেই। অন্য একটি ঘটনায় পত্রিকা লিখেছে, শাহবাগ থানার বারান্দায় শুক্রবার সকালে বসেছিলেন ৭২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। ঢাকার একটি বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে তার স্ত্রীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে দুপুর পর্যন্ত তিনিও থানায় রয়ে গেছেন। এই বৃদ্ধ ওই পত্রিকাকে বলেছে, তার স্ত্রীর বয়স ৬৭ বছর। খালেদা জিয়ার রায়ের পর ভাঙচুর হতে পারে, এমন আশঙ্কায় তিনি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হননি। একটি সিএনজিতে করে চালককে সাথে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। সিএনজি থেকে নামার সাথে সাথে চালকসহ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। প্রায় ২৮ ঘণ্টা থানায় আটক থাকার পর দুপুরে জুমার নামাজের আগে আগে মুক্তি মেলে ওই বৃদ্ধ ও তার চালকের। পত্রিকাটি আরো লিখেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় শাহবাগ থানায় আটক ব্যক্তিদের প্রায় ৫০ জন স্বজনের জটলা দেখা যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে ওই বৃদ্ধের মতো আরো কিছু স্বজনকে পাওয়া যায়, যাদের ভাষ্য ছিল তাদের আটক স্বজনেরা নিরপরাধ। কেউ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, কেউ অসুস্থ স্বজনকে দেখতে এসেছিলেন। কেউ জরুরি ব্যবসায়িক কাজে বেরিয়েছিলেন। তাদের কারো বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শুধু ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। অন্য আরেকটি পত্রিকায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেল ফুটপাথে ফেরিওয়ালাদের পেটাচ্ছে সাদা পোশাকে পুলিশ। কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়া সাদা পোশাকে এভাবে সাধারণ নাগরিকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া বাংলাদেশ পুলিশের নির্লজ্জ কাজটি কখন শেষ হবে কেউ জানে না। বিশেষ করে রাজনৈতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এমনটি ঘটে থাকে। ওইসব ফুটপাথে চলাচল পুলিশ নিষিদ্ধ করেনি কিংবা ওই এলাকায় ফুটপাথে ফেরি করে নিয়মিত ক্ষুদ্র ব্যবসা বন্ধ করার ঘোষণা দেয়া হয়নি। সাদা পোশাক পুলিশের জন্য একটি বাড়তি সুযোগ এনে দিয়েছে। এতে করে তাদের কোনো দায়দায়িত্ব থাকে না। যা খুশি তা করে সটকে পড়তে পারে। দেশে গুম-অপহরণের প্রায় সব ঘটনাই সাদা পোশাকে পুলিশ পরিচয়ে ঘটে থাকে। রাজনীতি হিংসাত্মক হওয়ার সুযোগ থাকার পরও কেন এমনটি হলো না। মানুষকে এ উপলক্ষে আবার বিপদে পড়তে হলো না। এটা দারুণ এক আলোচনার বিষয় হয়েছে। রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশে আর কখনো যদি কাউকে ভোগান্তিতে পড়তে না হতো, কতই না ভালো হতো! বিএনপি কি সে ধরনের একটি শুভ ও উন্নত সংস্কৃতির চর্চা শুরু করল। বরাবরের মতো এবারো মানুষ ধরে নিয়েছিলেন একটা বড় ধরনের রক্তপাত হবে। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে। পুলিশের উৎপাত হবে উপর্যুপরি। ভাবনার বিপরীত শান্তিপূর্ণ পরিস্তিতি হওয়ার জন্য ক্রেডিটটি কারা পেতে পারেন? বাংলাদেশের মিডিয়া আগে থেকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আছে। সাধারণত তারা আওয়ামী লীগ ও বাম দলগুলোর পৃষ্ঠপোষক। আওয়ামী লীগকে সমালোচনা করার জায়গাগুলোকে বরং উল্টো পালিশ লাগিয়ে ধবধবে পরিষ্কার করে দেয়। অন্য দিকে অস্তিত্বহীন বামদের তারা প্রায় বাঘ-সিংহ বানিয়ে রাখে। এদেরই কিছু ব্যক্তিত্বকে তারা সব সময় বাড়তি প্রচারণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রাখে। সেই তুলনায় ইসলামি ঘরানার লোকেরা কোনোভাবেই মিডিয়ার দৃষ্টিতে বিবেচ্য হিসেবে স্থান পান না। তাদের খুঁত ধরার জন্য মিডিয়া তলোয়ার নিয়ে বসে থাকে। কখন তাদের দোষত্রুটি পাওয়া যাবে।
শান্তিপূর্ণ অহিংস বিক্ষোভ কর্মসূচির একটি ইতিবাচক ফল হয়েছে। এবার রাজনৈতিক নেতারা গ্রেফতার হয়েছেন। তারা সংখ্যায় হাজার হাজার গ্রেফতার হননি। নগদ মারধর ও নির্যাতনের শিকার সেভাবে তাদের হতে হয়নি। ক্রসফায়ার এনকাউন্টার এ উপলক্ষে দেখা যায়নি। তবে বিএনপি একজন কার্যকর নেতা ঢাকা মহানগর থেকে গুম হয়েছেন। গত কয়েক বছরে যে হারে গুম হয়েছেন, সে তুলনায় এটি নগণ্য। পুলিশ সাধারণ মানুষের ব্যাপারে কোনো ধরনের দায়দায়িত্ব অনুভব করে না। বিরোধী নেত্রীর মামলার রায় ঘোষণার ডামাডোলের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে, এক শিশুকে চাপা দিয়ে পুলিশ দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে সটকে পড়ে। রাজধানীর সায়েদাবাদে ৯ বছরের শিশুর ওপর যখন গাড়িটি চাপা দেয় অনেকে সেটা দেখেছে। তারা অবাক হয়েছে কেন শিশুটিকে তারা তাৎক্ষণিক উদ্ধার করল না। পরে শিশুটি প্রাণ হারায়। ওই শিশু রাস্তার পাশে সমবয়সী অন্যদের সাথে খেলছিল। আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা দূরের কথা, গাড়িটি দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা একপর্যায়ে গাড়িটিকে আটক করে। কিন্তু ওই গাড়িটিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশ বলছে, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হচ্ছে না। তারা বলছে, কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। ছেলে তো চলেই গেছে। স্থানীয় দায়িত্বশীল পুলিশ বলছে, পরিবার কোনো অভিযোগ না করলে তারাও কোনো তদন্ত করবে না।ভুক্তভোগীরা কেন আইনের আশ্রয় নিতে চায় না, সেটা প্রায় সবার জানা। বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়ে একটি পরিবার মুষড়ে পড়ে। ওই পরিবারের জন্য তখন সান্ত্বনা দরকার হয়। বাংলাদেশের পুলিশ মানে মানুষের মনে একটি নেতিবাচক ধারণা থাকে। তাদের কাছে গেলে নির্দয় আচরণের শিকার হতে হয়। প্রতিকার পাওয়ার পরিবর্তে নতুন করে আরো ভোগান্তি নেমে আসা স্বাভাবিক।শিশুটিকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি পুলিশের জন্য স্পর্শকাতর। অন্য দিকে শিশুটির বাবা ভীতসন্ত্রস্ত এ কারণে যে, তাকে পুলিশের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তার ঢাল নেই তলোয়ার নেই। তিনি সরকারি দলের রাজনীতির সাথে জড়িত নন। নেই তার বেশি অর্থকড়ি। এ অবস্থায় যদি তার কাছে থাকা গাড়ির নাম্বার ধরে বিচারের পথে অগ্রসর হতে চান, প্রথমে হুমকি আসবে পুলিশের পক্ষ থেকে। এ হুমকির ওজন কতটুকু হতে পারে সাধারণ মানুষ তা জানে। পুলিশ যেভাবে এই মামলার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তাতে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত না হলেও অভিযুক্ত হয়ে থাকবেন। ওই গাড়িটি যদি পুলিশের না হয়ে থাকে, এর চালক যদি পুলিশ না হয়ে থাকেন। তাহলেও তদন্ত না হলে পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষের মনে সন্দেহ বদ্ধমূল হবে। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের স্বার্থে এ দুর্ঘটনায় শিশুমৃত্যুর যথাযথ তদন্ত করা উচিত পুলিশের।
jjshim146@yahoo.com

No comments

Powered by Blogger.