Tuesday, October 1, 2019
যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে by মিনাম শাহ
যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে by মিনাম শাহ

যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির বেশির ভাগ সময়ই দক্ষিণ এশিয়া,
এ বছরের শুরু পর্যন্ত, শান্ত ছিল। এ সময়ে এ অঞ্চলের দুই প্রধান যুদ্ধংদেহী
প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান তো পারমাণবিক যুদ্ধের ভিতর প্রায় প্রবেশ
করেছিল। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আধা সামরিক বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে
আত্মঘাতী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে আকাশপথে ‘ডগফাইট’ হয়। এর ফল হিসেবে
ভারতীয় একজন পাইলটকে আটক করে পাকিস্তান। পরে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
সীমান্তের ওপাড় থেকে কিভাবে সন্ত্রাসীদের হামলায় মদত দেয়া হচ্ছে, তার জবাবে
ভারত কি অবস্থান নেবে, এই এপিসোডটি তারই একটি বড় বার্তা বহন করে। ১৯৭১
সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে সংঘর্ষ
হয়েছিল সে সময়ের পর এবারই প্রথম সীমান্ত অতিক্রম করেছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান।
আর তা বোমা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডে।
স্বভাবতই, এটা প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, এ অঞ্চলে বিরোধ নিস্পত্তিকারী যুক্তরাষ্ট্র এই উত্তেজনা প্রশমনে সহায়তা করবে। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকের শুরুর পর থেকে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র এই সঙ্কট সমাধানে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখে নি।
এর আগে ১৯৯০ সালে যখন কাশ্মীরে সবেমাত্র বিদ্রোহ এবং একটি সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দক্ষিণ এশিয়ায় তার সিআইএ পরিচালককে পাঠিয়েছিলেন আঞ্চলিক নেতাদের মাথা ঠান্ডা করতে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর এক বছর পর ১৯৯৯ সালে কারগিল যুদ্ধ বন্ধে এককভাবে বিশাল প্রভাব বিস্তার করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। একইভাবে ২০০১-২০০২ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। ওই সময় ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলার পর দুই দেশই তাদের সেনাদের মোতায়েন করতে থাকে। তখন ১০ মাস স্থায়ী সেই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার ইতি ঘটাতে মধ্যস্থতা করে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন।
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে (বাফার) আমেরিকার ভূমিকা দৃশ্যত স্থায়ী হয়ে ওঠে যখন তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিসা রাইস পরিমড়ি করে এ অঞ্চলে ছুটে আসেন ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর একটি সম্ভাব্য সামরিক যুদ্ধ প্রতিরোধে। যুক্তরাষ্ট্র শুধু যুদ্ধ থামানোর ভূমিকা নিয়েছে এমন নয়। তারা বিভিন্ন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার বৈরি এই দেশ দুটিকে শান্তি আলোচনায় বসতে উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের সেই ভূমিকা তেমন কার্যকর হয় নি। কারণ, যেমন ভারত, তেমন পাকিস্তান- তারা কেউই চায় নি তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে বাইরের কেউ প্রভাব বিস্তার করুক। তারা এক্ষেত্রে একপক্ষ অন্যপক্ষের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। তবুও সর্বোপরি শান্তি ও যুদ্ধÑ উভয় ক্ষেত্রেই ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রীয় অবস্থানে চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু সাম্প্রতিক সঙ্কট থেকে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে, তার অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছে তারা। পূর্বেকার মতো ঘটে নি এবার। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সিনিয়র কর্মকর্তাকে ফুলেফেঁপে ওঠা সঙ্কট নিয়ন্ত্রণে পাঠানো হয় নি। সর্বোচ্চ যা ঘটেছে তা হলো, হামলার সময়ে দু’বার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তিনি ‘আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় ভারতের’ অধিকার আছে বলে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। এমনকি এর মধ্য দিয়ে এই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, এটা হলো ভারতের সামরিক হামলার একটি কৌশলগত অনুমোদন। বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে হামলা চালাতে ভারতকে বিরত রাখতে যথেষ্ট উপায় অবলম্বন করে নি। এমন প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে দেখা যেতে পারে সঙ্কট থেকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে নিজেদের সরিয়ে নেয়া হিসেবে। খারাপ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র কম শক্তিসম্পন্ন একটি দেশ পাকিস্তানকে ভারতের বিমান হামলার প্রতিশোধমূলক জবাব দেয়া থেকে প্রতিরোধ করতে পারে না। দৃশ্যত, যুক্তরাষ্ট্র শুধু তখনই হস্তক্ষেপ করেছে যখন পাকিস্তান হামলার জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার পূর্ব পর্যন্ত তারা ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি অনুসরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতির সমর্থকরা বিষয়টিকে প্রধানত চারটি যুক্তির সঙ্গে দেখেন। অতি সাম্প্রতিক একটি দৃষ্টিভঙ্গি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হলো অতিমাত্রায় বিস্তৃত ও অতিমাত্রায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। এটা সত্য যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে অতিমাত্রায় জড়িত বা সংশ্লিষ্ট। তিনি মনে করেন, বিশ্বের এসব প্রতিশ্রুতি থেকে তার সরে যাওয়া উচিত। কিন্তু এই অবস্থান এমন অনুভূতি সৃষ্টি করে যে, এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণের রিসোর্স নষ্ট হচ্ছে। যাহোক, দক্ষিণ এশিয়া, প্রতিশ্রুতির সমস্যার চেয়ে নীতিগত দিক দিয়ে প্যারালাইসিস হয়ে আছে বলেই নিজেকে তুলে ধরে। ভারত বা পাকিস্তান কোথাও যুক্তরাষ্ট্র তার উল্লেখযোগ্য ‘ফিজিক্যাল’ উপস্থিতি প্রদর্শন করে নি। এক্ষেত্রে বড় যা করা হয়েছে তা হলো, গত বছরে পাকিস্তানকে দেয়া আর্থিক সহায়তার বড় কর্তন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তিনি ক্ষমতায় এসে যে ‘ক্র্যাক ডাউন’ করেছেন তাতে এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরিবর্তে সমস্যা যেটা তা হলো, এ অঞ্চলটি ট্রাম্পের অগ্রাধিকার তালিকার নি¤েœ অবস্থান করছে। সর্বশেষ সঙ্কটের বিষয়টিই জোরালোভাবে তুলে ধরা যাক। এ সময়ে একজন নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত তো পরের কথা, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের একজন স্থায়ী রাষ্ট্রদূতই নেই, যিনি সঙ্কটকালে পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে রয়েছে ক্রমবর্ধমান অসংলগ্নতা। ইরানের অশোধিত তেল আমদানি করে ভারত। তাই ভারতের মতো দেশগুলো আর ‘ওয়েভার’ সুবিধা পাবে না বলে গত মাসে ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন। একইভাবে, ২০১৭ সালের পর ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আর কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয় নি। সহসাই হবার সম্ভাবনাও কম।
দ্বিতীয় ও অধিক বিশ্বাসযোগ্য যুক্তিটি হলো, চীনকে দমিয়ে রাখতে ভারতকে প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের। এক্ষেত্রে, ভারতের পক্ষ নেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। যেখানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের রয়েছে জেনুইন ক্ষোভ। উভয় বিষয়ই সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে এবং কেন্দ্রাভিমুখি স্বার্থের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের কৌশলগত একটি আবেদন আছে। অভিন্ন এসব বিষয় চিন্তা করুন; অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূলবোধ, জ্বালানি নিরাপত্তা, ইসলামপন্থি উগ্রবাদীদের বিষয়ে উদ্বেগ, চীনের আগ্রাসী উত্থান, আফগানিস্তানের ভবিষ্যত ও ইন্দো-প্যাসিফিকে ভূরাজনৈতিক রূপরেখা প্রণয়ের বিষয়। দুই দেশের মধ্যেই এসব হচ্ছে কেন্দ্রাভিমুখী কৌশলগত ক্রমবর্ধমান স্বার্থ।
তবে পাকিস্তানের গুরুত্বকেও খাটো করে দেখা যাবে না। চীনকে কাউন্টার দিতে যুক্তরাষ্ট্রের যেমন ভারতকে প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন পাকিস্তানকে পাশে রাখা। ভারত পূর্বমূখী নীতিতে জোর দিয়েছে, তবে তাদের প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল পশ্চিমা ফ্রন্ট, যাতে পাকিস্তানের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য লিভারেজ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে পাকিস্তানের ওপর অতিমাত্রায় চাপ প্রয়োগ করার প্রকৃত অর্থ হতে পারে উল্টোমুখী। এতে পাকিস্তান আক্ষরিক অর্থেই চীনের বৃত্তে চলে যাবে। এমন একটি প্রেক্ষাপট যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত কারো কাছে কাঙ্খিত নয়।
তৃতীয় যুক্তিটি হলো, উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকে দেখা হয় পাকিস্তানের খারাপ আচরণের নিন্দা জানানো হিসেবে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে হস্তক্ষেপ করেছে তা হলো নয়া দিল্লির প্রতি তাদের সহানুভূতি। ইসলামাবাদকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সমর্থন বন্ধ করতে আহ্বান জানায় নয়া দিল্লি। তার অর্থ হলো প্রতিবারই দিল্লিকে সহানুভূতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যা ঘটে তা হলো, পাকিস্তান বিরোধী ভারতীয় উদ্বেগকে বৈধতা দিয়ে আন্তর্জাতিকীকরণকে সহায়তা করা।
শেষ দফায়, দৃশ্যত মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে সুবিধাজনক অবস্থান হলো, ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে দিচ্ছে যে, পাকিস্তানের আগ্রাসনের জবাব সে কিভাবে নিতে চায় সে সিদ্ধান্ত তার, যেমনটা দেখা গেছে সাম্প্রতিক সঙ্কটের সময়। কিন্তু এক্ষেত্রে চিরস্থায়ী একটি সম্ভাব্যতা আছে। তা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ও অন্য রাষ্ট্রগুলোতে মধ্যস্থতার শূন্যস্থান পূরণে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের উদাসীনতা দ্বিধার সৃষ্টি করবে।
সম্প্রতি এ বিষয়টিই দৃশ্যমান হয়েছে, যখন উত্তেজনা প্রশমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে রাশিয়া ও চীন। উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার পর এক সাক্ষাতকারে পাকিস্তানের একজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, যদি আমি বলি অন্যদের মধ্যে রাশিয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, তাহলে তা মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। একইভাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই একইভাবে নিশ্চিত করেছেন যে, উত্তেজনা প্রশমনে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে চীন। উপরন্তু, খুব সম্ভবত চীন থেকে আসা চাপের কারণে ভারতীয় আটক পাইলটকে ফেরত দিয়েছে পাকিস্তান।
পক্ষান্তরে, ফ্রান্স, জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের থেকে অভিন্ন নয় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। এসব শক্তিধর দেশ ভারতের অবস্থানকে অনুমোদন দিয়েছে এবং তারা চুপচাপ বসে থাকার নীতি নিয়েছে। এমন প্রবণতায় বিশ্বজুড়ে শুভ প্রচেষ্টায় দায়িত্বশীল শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপরন্তু সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের পক্ষকে সমর্থন করার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মূলত দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যকার উত্তেজনাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এমন কি বাইরের গঠনমূলক প্রভাব থেকে কম সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার সমস্যাগুলো। তবু, দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়গুলোতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরত রাখা উচিত নয়। সবার আগে যা বলতে হয় তাহলো, এ অঞ্চলের বিষয়কে শুধু ইন্দো-পাক দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে দেখা বন্ধ করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। এমন দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশের সঙ্গে গুরুত্বকে খাটো করে দেখা হয়। এ দুটি দেশ এ অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক স্বার্থের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের খুব সহায়ক। বিশেষ করে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। শ্রীলঙ্কায় সর্বশেষ যে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং তার দায় স্বীকার করেছে আইসিস সমর্থনপুষ্ট একটি গ্রুপ, সেই হামলা অধিক গুরত্বপূর্ণ একটি মাত্রা যোগ করেছে। আফগানিস্তানে আইসিসের উপস্থিতি মিলেয়ে দক্ষিণ এশিয়া দ্রুত আইসিস নেতৃত্বাধীন একটি জোটের নতুন ফ্রন্ট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এসব হুমকি মোকাবিলার জন্য আঞ্চলিক এসব সক্রিয় অংশীদার প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের।
পাকিস্তান প্রসঙ্গে, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুধু মৌখিক হুমকি যথেষ্ট নয়। সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের সমর্থনের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তিমূলক সক্রিয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থনৈতিক সঙ্কট যখন ঘনিয়ে আসছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র অতি প্রয়োজনীয় আইএমএফের বেইলআউট থেকে রক্ষা করতে পাকিস্তানকে উচ্চ মাত্রায় প্রিমিয়াম দিতে পারে। একইভাবে, ফিনান্সিয়াল একশন টাস্ক ফোর্স এরই মধ্যে পাকিস্তানকে ‘গ্রে লিস্টে’ তালিকাভুক্ত করেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অর্থায়নে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য এমনটা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যায় সেক্ষেত্রে পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে কাশ্মিরে ভারতের কঠোরতার বিষয়টিও চেক দিতে দেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। গত বছর জাতিসংঘ প্রথমবার কাশ্মিরে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে। তবে কাশ্মির ইস্যুতে বাইরের প্রেসক্রিপশন নিতে সব সময়ই বিরোধিতা করে এসেছে ভারত। এক্ষেত্রে কাশ্মির সমস্যাকে নমনীয়তার সঙ্গে মোকাবিলার জন্য ভারতকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
সাদা চোখে এটা মেনে নিতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজেকে সরিয়ে নেয়ার যে ভূমিকা নিয়েছে তাতে অধিক থেকে অধিক হারে এখানে শিকড় গাঁড়বে চীন অথবা রাশিয়া। সম্প্রতি জাতিসংঘ মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ নিয়ে আগে যে বিরোধ ছিল, তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে চীন। ফলে ভারতের শুভকামনা অর্জন করেছে দেশটি। আর এর মধ্য দিয়ে ইন্দো-পাক গতিবিধিতে নিজেদেরকে সফলভাবে টেনে আনতে সক্ষম হয়েছে চীন ও রাশিয়া। সঙ্কটের সময়ে তারা প্রতীকী অর্থে পাকিস্তানের পাশে থেকেছে। একইভাবে এ অঞ্চলে পাকিস্তানের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময় যে বিরোধ ছিল তা থেকে সাবধানে নিজেকে বের করে এনেছে ক্রেমলিন এবং দেশটির সঙ্গে তারা সম্পর্ক উন্নত করেছে। ভারতের সঙ্গে তাদের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে, তাতে এর প্রভাব লাগতে দেয় নি রাশিয়া। বেইজিং এবং মস্কো দু’পক্ষই দক্ষিণ এশিয়ার বৈরিদের মধ্যে কখনো সমাপ্ত হবে না এমন এই সঙ্কট কিভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে সমতাভিত্তিক উদ্যোগ প্রদর্শন করেছে, যেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই শিখতে হবে।
এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে মেনে নিতে হলে এসব সুপারিশ গ্রহণযোগ্য। যারা এটার পক্ষে যে, ওয়াশিংটন এমন ভূমিকা থেকে নিজের ভূমিকাকে খর্ব করলে তাতে শক্তির একটি কি ভয়াবহ শূন্যতা সৃষ্টি হবে, তারা তা জানেন। এ অঞ্চলে রয়েছে আফগানিস্তানে শাস্তি প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের উচ্চাকাঙ্খা। এ অঞ্চলের এসব ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রয়েছে। এই বিষয়টিকে অনুধাবন করে তাদেরকে আঞ্চলিক সম্পর্ক, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্কে অনেক বেশি করে জড়াতে হবে। সেটা যুক্তরাষ্ট্র ও এ অঞ্চল উভয়ের ভালোর জন্য।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এই উপমহাদেশ সফরে এসেছিলেন। তার সেই সফরের সময় তিনি যুদ্ধবিরতি রেখা (চিজফায়ার লাইন), যা ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে, সেই রেখাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক স্থান হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। বিষয়টি সেরকম সত্য আজও। যাহোক, ট্রাম্প প্রশাসনের সচেতনার অভাব আমাদেরকে উদ্বিগ্ন করে, যখন সাম্প্রতিক সঙ্কট আমাদেরকে এমন এক বিপদের মুখে ফেলে যায়, যেখানে এ অঞ্চলকে ফেলে রাখা হয় তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর।
(মিনাম শাহ কাশ্মিরভিত্তিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ছাত্র এবং এশিয়ান পিস রিভিউ-এর সম্পাদক। অনলাইন ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ডট অর্গ-এ প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ)
স্বভাবতই, এটা প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, এ অঞ্চলে বিরোধ নিস্পত্তিকারী যুক্তরাষ্ট্র এই উত্তেজনা প্রশমনে সহায়তা করবে। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকের শুরুর পর থেকে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র এই সঙ্কট সমাধানে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখে নি।
এর আগে ১৯৯০ সালে যখন কাশ্মীরে সবেমাত্র বিদ্রোহ এবং একটি সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দক্ষিণ এশিয়ায় তার সিআইএ পরিচালককে পাঠিয়েছিলেন আঞ্চলিক নেতাদের মাথা ঠান্ডা করতে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর এক বছর পর ১৯৯৯ সালে কারগিল যুদ্ধ বন্ধে এককভাবে বিশাল প্রভাব বিস্তার করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। একইভাবে ২০০১-২০০২ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। ওই সময় ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলার পর দুই দেশই তাদের সেনাদের মোতায়েন করতে থাকে। তখন ১০ মাস স্থায়ী সেই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার ইতি ঘটাতে মধ্যস্থতা করে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন।
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে (বাফার) আমেরিকার ভূমিকা দৃশ্যত স্থায়ী হয়ে ওঠে যখন তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিসা রাইস পরিমড়ি করে এ অঞ্চলে ছুটে আসেন ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর একটি সম্ভাব্য সামরিক যুদ্ধ প্রতিরোধে। যুক্তরাষ্ট্র শুধু যুদ্ধ থামানোর ভূমিকা নিয়েছে এমন নয়। তারা বিভিন্ন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার বৈরি এই দেশ দুটিকে শান্তি আলোচনায় বসতে উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের সেই ভূমিকা তেমন কার্যকর হয় নি। কারণ, যেমন ভারত, তেমন পাকিস্তান- তারা কেউই চায় নি তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে বাইরের কেউ প্রভাব বিস্তার করুক। তারা এক্ষেত্রে একপক্ষ অন্যপক্ষের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। তবুও সর্বোপরি শান্তি ও যুদ্ধÑ উভয় ক্ষেত্রেই ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রীয় অবস্থানে চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু সাম্প্রতিক সঙ্কট থেকে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে, তার অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছে তারা। পূর্বেকার মতো ঘটে নি এবার। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সিনিয়র কর্মকর্তাকে ফুলেফেঁপে ওঠা সঙ্কট নিয়ন্ত্রণে পাঠানো হয় নি। সর্বোচ্চ যা ঘটেছে তা হলো, হামলার সময়ে দু’বার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তিনি ‘আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় ভারতের’ অধিকার আছে বলে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। এমনকি এর মধ্য দিয়ে এই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, এটা হলো ভারতের সামরিক হামলার একটি কৌশলগত অনুমোদন। বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে হামলা চালাতে ভারতকে বিরত রাখতে যথেষ্ট উপায় অবলম্বন করে নি। এমন প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে দেখা যেতে পারে সঙ্কট থেকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে নিজেদের সরিয়ে নেয়া হিসেবে। খারাপ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র কম শক্তিসম্পন্ন একটি দেশ পাকিস্তানকে ভারতের বিমান হামলার প্রতিশোধমূলক জবাব দেয়া থেকে প্রতিরোধ করতে পারে না। দৃশ্যত, যুক্তরাষ্ট্র শুধু তখনই হস্তক্ষেপ করেছে যখন পাকিস্তান হামলার জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার পূর্ব পর্যন্ত তারা ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি অনুসরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতির সমর্থকরা বিষয়টিকে প্রধানত চারটি যুক্তির সঙ্গে দেখেন। অতি সাম্প্রতিক একটি দৃষ্টিভঙ্গি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হলো অতিমাত্রায় বিস্তৃত ও অতিমাত্রায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। এটা সত্য যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে অতিমাত্রায় জড়িত বা সংশ্লিষ্ট। তিনি মনে করেন, বিশ্বের এসব প্রতিশ্রুতি থেকে তার সরে যাওয়া উচিত। কিন্তু এই অবস্থান এমন অনুভূতি সৃষ্টি করে যে, এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণের রিসোর্স নষ্ট হচ্ছে। যাহোক, দক্ষিণ এশিয়া, প্রতিশ্রুতির সমস্যার চেয়ে নীতিগত দিক দিয়ে প্যারালাইসিস হয়ে আছে বলেই নিজেকে তুলে ধরে। ভারত বা পাকিস্তান কোথাও যুক্তরাষ্ট্র তার উল্লেখযোগ্য ‘ফিজিক্যাল’ উপস্থিতি প্রদর্শন করে নি। এক্ষেত্রে বড় যা করা হয়েছে তা হলো, গত বছরে পাকিস্তানকে দেয়া আর্থিক সহায়তার বড় কর্তন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তিনি ক্ষমতায় এসে যে ‘ক্র্যাক ডাউন’ করেছেন তাতে এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরিবর্তে সমস্যা যেটা তা হলো, এ অঞ্চলটি ট্রাম্পের অগ্রাধিকার তালিকার নি¤েœ অবস্থান করছে। সর্বশেষ সঙ্কটের বিষয়টিই জোরালোভাবে তুলে ধরা যাক। এ সময়ে একজন নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত তো পরের কথা, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের একজন স্থায়ী রাষ্ট্রদূতই নেই, যিনি সঙ্কটকালে পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে রয়েছে ক্রমবর্ধমান অসংলগ্নতা। ইরানের অশোধিত তেল আমদানি করে ভারত। তাই ভারতের মতো দেশগুলো আর ‘ওয়েভার’ সুবিধা পাবে না বলে গত মাসে ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন। একইভাবে, ২০১৭ সালের পর ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আর কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয় নি। সহসাই হবার সম্ভাবনাও কম।
দ্বিতীয় ও অধিক বিশ্বাসযোগ্য যুক্তিটি হলো, চীনকে দমিয়ে রাখতে ভারতকে প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের। এক্ষেত্রে, ভারতের পক্ষ নেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। যেখানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের রয়েছে জেনুইন ক্ষোভ। উভয় বিষয়ই সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে এবং কেন্দ্রাভিমুখি স্বার্থের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের কৌশলগত একটি আবেদন আছে। অভিন্ন এসব বিষয় চিন্তা করুন; অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূলবোধ, জ্বালানি নিরাপত্তা, ইসলামপন্থি উগ্রবাদীদের বিষয়ে উদ্বেগ, চীনের আগ্রাসী উত্থান, আফগানিস্তানের ভবিষ্যত ও ইন্দো-প্যাসিফিকে ভূরাজনৈতিক রূপরেখা প্রণয়ের বিষয়। দুই দেশের মধ্যেই এসব হচ্ছে কেন্দ্রাভিমুখী কৌশলগত ক্রমবর্ধমান স্বার্থ।
তবে পাকিস্তানের গুরুত্বকেও খাটো করে দেখা যাবে না। চীনকে কাউন্টার দিতে যুক্তরাষ্ট্রের যেমন ভারতকে প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন পাকিস্তানকে পাশে রাখা। ভারত পূর্বমূখী নীতিতে জোর দিয়েছে, তবে তাদের প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল পশ্চিমা ফ্রন্ট, যাতে পাকিস্তানের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য লিভারেজ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে পাকিস্তানের ওপর অতিমাত্রায় চাপ প্রয়োগ করার প্রকৃত অর্থ হতে পারে উল্টোমুখী। এতে পাকিস্তান আক্ষরিক অর্থেই চীনের বৃত্তে চলে যাবে। এমন একটি প্রেক্ষাপট যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত কারো কাছে কাঙ্খিত নয়।
তৃতীয় যুক্তিটি হলো, উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকে দেখা হয় পাকিস্তানের খারাপ আচরণের নিন্দা জানানো হিসেবে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে হস্তক্ষেপ করেছে তা হলো নয়া দিল্লির প্রতি তাদের সহানুভূতি। ইসলামাবাদকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সমর্থন বন্ধ করতে আহ্বান জানায় নয়া দিল্লি। তার অর্থ হলো প্রতিবারই দিল্লিকে সহানুভূতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যা ঘটে তা হলো, পাকিস্তান বিরোধী ভারতীয় উদ্বেগকে বৈধতা দিয়ে আন্তর্জাতিকীকরণকে সহায়তা করা।
শেষ দফায়, দৃশ্যত মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে সুবিধাজনক অবস্থান হলো, ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে দিচ্ছে যে, পাকিস্তানের আগ্রাসনের জবাব সে কিভাবে নিতে চায় সে সিদ্ধান্ত তার, যেমনটা দেখা গেছে সাম্প্রতিক সঙ্কটের সময়। কিন্তু এক্ষেত্রে চিরস্থায়ী একটি সম্ভাব্যতা আছে। তা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ও অন্য রাষ্ট্রগুলোতে মধ্যস্থতার শূন্যস্থান পূরণে আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের উদাসীনতা দ্বিধার সৃষ্টি করবে।
সম্প্রতি এ বিষয়টিই দৃশ্যমান হয়েছে, যখন উত্তেজনা প্রশমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে রাশিয়া ও চীন। উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার পর এক সাক্ষাতকারে পাকিস্তানের একজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, যদি আমি বলি অন্যদের মধ্যে রাশিয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, তাহলে তা মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। একইভাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই একইভাবে নিশ্চিত করেছেন যে, উত্তেজনা প্রশমনে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে চীন। উপরন্তু, খুব সম্ভবত চীন থেকে আসা চাপের কারণে ভারতীয় আটক পাইলটকে ফেরত দিয়েছে পাকিস্তান।
পক্ষান্তরে, ফ্রান্স, জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের থেকে অভিন্ন নয় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। এসব শক্তিধর দেশ ভারতের অবস্থানকে অনুমোদন দিয়েছে এবং তারা চুপচাপ বসে থাকার নীতি নিয়েছে। এমন প্রবণতায় বিশ্বজুড়ে শুভ প্রচেষ্টায় দায়িত্বশীল শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপরন্তু সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের পক্ষকে সমর্থন করার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মূলত দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যকার উত্তেজনাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এমন কি বাইরের গঠনমূলক প্রভাব থেকে কম সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার সমস্যাগুলো। তবু, দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়গুলোতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরত রাখা উচিত নয়। সবার আগে যা বলতে হয় তাহলো, এ অঞ্চলের বিষয়কে শুধু ইন্দো-পাক দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে দেখা বন্ধ করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। এমন দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশের সঙ্গে গুরুত্বকে খাটো করে দেখা হয়। এ দুটি দেশ এ অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক স্বার্থের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের খুব সহায়ক। বিশেষ করে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। শ্রীলঙ্কায় সর্বশেষ যে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং তার দায় স্বীকার করেছে আইসিস সমর্থনপুষ্ট একটি গ্রুপ, সেই হামলা অধিক গুরত্বপূর্ণ একটি মাত্রা যোগ করেছে। আফগানিস্তানে আইসিসের উপস্থিতি মিলেয়ে দক্ষিণ এশিয়া দ্রুত আইসিস নেতৃত্বাধীন একটি জোটের নতুন ফ্রন্ট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এসব হুমকি মোকাবিলার জন্য আঞ্চলিক এসব সক্রিয় অংশীদার প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের।
পাকিস্তান প্রসঙ্গে, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুধু মৌখিক হুমকি যথেষ্ট নয়। সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের সমর্থনের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তিমূলক সক্রিয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থনৈতিক সঙ্কট যখন ঘনিয়ে আসছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র অতি প্রয়োজনীয় আইএমএফের বেইলআউট থেকে রক্ষা করতে পাকিস্তানকে উচ্চ মাত্রায় প্রিমিয়াম দিতে পারে। একইভাবে, ফিনান্সিয়াল একশন টাস্ক ফোর্স এরই মধ্যে পাকিস্তানকে ‘গ্রে লিস্টে’ তালিকাভুক্ত করেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অর্থায়নে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য এমনটা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যায় সেক্ষেত্রে পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে কাশ্মিরে ভারতের কঠোরতার বিষয়টিও চেক দিতে দেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। গত বছর জাতিসংঘ প্রথমবার কাশ্মিরে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে। তবে কাশ্মির ইস্যুতে বাইরের প্রেসক্রিপশন নিতে সব সময়ই বিরোধিতা করে এসেছে ভারত। এক্ষেত্রে কাশ্মির সমস্যাকে নমনীয়তার সঙ্গে মোকাবিলার জন্য ভারতকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
সাদা চোখে এটা মেনে নিতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজেকে সরিয়ে নেয়ার যে ভূমিকা নিয়েছে তাতে অধিক থেকে অধিক হারে এখানে শিকড় গাঁড়বে চীন অথবা রাশিয়া। সম্প্রতি জাতিসংঘ মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ নিয়ে আগে যে বিরোধ ছিল, তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে চীন। ফলে ভারতের শুভকামনা অর্জন করেছে দেশটি। আর এর মধ্য দিয়ে ইন্দো-পাক গতিবিধিতে নিজেদেরকে সফলভাবে টেনে আনতে সক্ষম হয়েছে চীন ও রাশিয়া। সঙ্কটের সময়ে তারা প্রতীকী অর্থে পাকিস্তানের পাশে থেকেছে। একইভাবে এ অঞ্চলে পাকিস্তানের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময় যে বিরোধ ছিল তা থেকে সাবধানে নিজেকে বের করে এনেছে ক্রেমলিন এবং দেশটির সঙ্গে তারা সম্পর্ক উন্নত করেছে। ভারতের সঙ্গে তাদের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে, তাতে এর প্রভাব লাগতে দেয় নি রাশিয়া। বেইজিং এবং মস্কো দু’পক্ষই দক্ষিণ এশিয়ার বৈরিদের মধ্যে কখনো সমাপ্ত হবে না এমন এই সঙ্কট কিভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে সমতাভিত্তিক উদ্যোগ প্রদর্শন করেছে, যেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই শিখতে হবে।
এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে মেনে নিতে হলে এসব সুপারিশ গ্রহণযোগ্য। যারা এটার পক্ষে যে, ওয়াশিংটন এমন ভূমিকা থেকে নিজের ভূমিকাকে খর্ব করলে তাতে শক্তির একটি কি ভয়াবহ শূন্যতা সৃষ্টি হবে, তারা তা জানেন। এ অঞ্চলে রয়েছে আফগানিস্তানে শাস্তি প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের উচ্চাকাঙ্খা। এ অঞ্চলের এসব ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রয়েছে। এই বিষয়টিকে অনুধাবন করে তাদেরকে আঞ্চলিক সম্পর্ক, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্কে অনেক বেশি করে জড়াতে হবে। সেটা যুক্তরাষ্ট্র ও এ অঞ্চল উভয়ের ভালোর জন্য।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এই উপমহাদেশ সফরে এসেছিলেন। তার সেই সফরের সময় তিনি যুদ্ধবিরতি রেখা (চিজফায়ার লাইন), যা ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে, সেই রেখাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক স্থান হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। বিষয়টি সেরকম সত্য আজও। যাহোক, ট্রাম্প প্রশাসনের সচেতনার অভাব আমাদেরকে উদ্বিগ্ন করে, যখন সাম্প্রতিক সঙ্কট আমাদেরকে এমন এক বিপদের মুখে ফেলে যায়, যেখানে এ অঞ্চলকে ফেলে রাখা হয় তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর।
(মিনাম শাহ কাশ্মিরভিত্তিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ছাত্র এবং এশিয়ান পিস রিভিউ-এর সম্পাদক। অনলাইন ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ডট অর্গ-এ প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1267)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 01
(19)
- ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘গুরুতর’ মনে করেন বেশিরভ...
- সম্রাটকে নিয়ে কেন এত আলোচনা?
- রেনিটিডিনে ক্যান্সার ঝুঁকি: যেসব দেশ ঔষধটি প্রত্যা...
- জুয়া: আইন কী বলে? by রাশিম মোল্লা
- সমাজ এবং আমাদের দায়িত্ববোধ by মাহবুব এ রহমান
- ইতিহাসে প্রথম ব্ল্যাক হোলে নক্ষত্র পতনের দৃশ্য ধারণ
- যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে ...
- ওয়ান ইলেভেন পুনরায় ঘটবে না: যদি কোনো অনিয়ম থাকে আম...
- চাকরির প্রলোভনে দুই বছর ধরে তরুণীকে ধর্ষণ পল্টনের ...
- চীনে অগ্রগতি হলেও মানবাধিকারের রেকর্ড নাজুক: কমিউন...
- কীভাবে নাজমুলের সম্পদের পাহাড়
- সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকায় বানানো চোখধাঁধানো শেখ জায়ে...
- ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ by মাসুদ মিলাদ
- এক রাতের জন্য ৪০ হাজার পাউন্ড প্রস্তাব
- পৃথিবীতে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো এইডস রোগী সুস্থ হল...
- কাবিননামার ৫ নম্বর কলাম নারীর জন্য অপমানজনক by সুহ...
- কাশ্মিরের বিলাসবহুল এক হোটেল এখন ‘রাজনৈতিক কারাগার’
- বিমসটেকে জোর বাংলাদেশের; অগ্রযাত্রা ব্যাহত করবে ‘ন...
- ময়নামতির কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি: বিশ্বযুদ্ধের ক...
-
▼
Oct 01
(19)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
স্পেশাল প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্য
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
কালবেলা
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
ফুটবল
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
ইউরোপ
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
আলোকিত চট্টগ্রাম
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
মালয়েশিয়া
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
জ্যোতির্বিজ্ঞান
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
গবেষণা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
মিসর
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
ইরাক
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
জীবনযাপন
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
কাজী সোহাগ
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
প্রকৃতি ও পরিবেশ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
মসজিদ
অরুণ কর্মকার
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
আশীষ-উর-রহমান
ইয়েমেন
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
Exclusive
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
ভেনেজুয়েলা
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
জনস্বাস্থ্য
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
আরব আমিরাত বা দুবাই
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
আবিষ্কার
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মণিপুর
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
মহাকাশচারী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
যৌন অপরাধ
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment