Wednesday, May 23, 2012
প্রতিক্রিয়া-এ তো বাংলাদেশের অপমান!
প্রতিক্রিয়া-এ তো বাংলাদেশের অপমান!
হাসানুজ্জামান চৌধুরী, ইমরান হোসেন, হোসাইন কবির, দ্বৈপায়ন সিকদার, রাহমান নাসির উদ্দিন, কাজী এসএম খসরুল আলম কুদ্দুসী, অলক পাল, মোঃ ফয়সাল, মাসুম আহমেদ, মোঃ মোরশেদুল হক, নইমুদ্দীন হাসান চৌধুরী, মোঃ ফারুক হোসেন, আশরাফুল আজাদ, ফারিয়া মাহজেবীন, রিদুয়ান মোস্তাফা
কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের শ্রদ্ধা করা যায় অন্তরের অন্তস্তল থেকে। কেননা এ শ্রদ্ধা কেবল কোনো ব্যক্তি মানুষের চৌহদ্দিতে সীমাবদ্ধ থাকে না, হয়ে ওঠে দেশমাতৃকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের ভালোবাসা যায় প্রাণভরে। কেননা তাদের প্রতি ভালোবাসা দেশের প্রতি ভালোবাসার সমার্থক হয়ে ওঠেন। কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের অবনত মস্তকে প্রণাম করা যায়; যেভাবে প্রণাম করতে হয় জাতীয় পতাকাকে। কেননা এ মানুষগুলো নিজেদের কর্মগুণে জাতীয় পতাকার সমতুল্য জাতীয় প্রতীক হয়ে ওঠেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এ রকম এক ব্যক্তি যাকে ভালোবাসা যায়, শ্রদ্ধা করা যায় এবং অবনত মস্তকে প্রণাম করা যায়। তাই অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'অপমান' করা, দেশকে, দেশাত্মবোধকে এবং জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার শামিল। এ তুলনা এখানে এ কারণেই অধিকতর যুক্তযুক্ত যে, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সম্প্রতি অপমানিত হয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে আদালতে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে। তাই অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তখন আর ব্যক্তি থাকেন না, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের তিরিশ লাখ শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো দু'লাখ মা-বোনের প্রতিনিধি হয়ে ওঠেন। তখন তার অপমান এ দেশের ষোল কোটি মানুষের অপমান হয়ে ওঠে। গত ১৪ মে ২০১২ তারিখে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট বক্তব্য রাখার কারণে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'মিথ্যুক' বলে অপমান করা হয়। এ ঘটনায় আমরা চরমভাবে অপমানিত বোধ করি। আমরা এর সুতীব্র নিন্দা জানাই।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা সেলের সদস্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস, বাংলা একাডেমীর বর্তমান সভাপতি, বরেণ্য শিক্ষাবিদ এবং সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামের সোচ্চার কণ্ঠস্বর অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি গত ১৪ মে ২০১২ তারিখে আদালতে ঘৃণিত যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় জবানবন্দি দিয়েছেন। স্বাধীনতার চেতনাধারী এ দেশের প্রতিটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত এ বিচার কার্যে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়ে তিনি জাতীয় দায়িত্বই পালন করেছেন। আমরা এই সাহসী মানুষটির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অভিবাদন জানাই। কেননা এ দেশের অনেক বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদ যখন দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি করে ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার হালুয়া-রুটি খাওয়ার মাতাল তালে বেঘোর, তখন অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে আমরা দেখতে পাই আদালতে গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী হয়ে ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সাক্ষ্য দিতে। আমরা মনে করি, তিনি জাতির বিবেকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এ দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের তিরিশ লাখ শহীদের বিদেহী আত্মার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এ দেশের ষোল কোটি মানুষের, গুটিকয়েক রাজাকার এবং তাদের নব্য দোসর ব্যতীত, জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের দোসর এক ব্যক্তি মিডিয়ার সামনে অত্যন্ত অশল্গীলভাবে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'মিথ্যুক' বলে আখ্যা দিয়েছেন।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান কেন আদালতে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে গেলেন? এখানে তার ব্যক্তিগত লাভালাভের কোনো বিষয় নেই। তিনি জাতির বিবেক হিসেবে, চেতনার তাড়নায়, মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সক্রিয় যোদ্ধা এবং সংগঠক হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সপক্ষে এ দেশের আপামর গণমানুষের অনুচ্চারিত অভিব্যক্তি ব্যক্ত করতেই তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। তাই অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'মিথ্যুক' বলে কটূক্তি করাকে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃণিত, অবৈধ এবং নিন্দিত আস্টম্ফালন বলে মনে করি। আমরা এ ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ অবলম্বনকারী ওই আইনজীবী ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত বর্বর, যা তার বিকৃত রুচিরই পরিচায়ক। অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতো মানুষের প্রতি তার এ আস্টম্ফালন জাতির বিবেকের প্রতিই চরম অবমাননা হিসেবে অনুভব করছি। আমরা ওই আইনজীবীর ধৃষ্টতার প্রতি ধিক্কার জানাই এবং আদালত অবমাননার জন্য তাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তাই যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত করতে চায় এবং সে প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রফেসর আনিসুজ্জামানের মতো মনীষাকে 'মিথ্যুক' বলে অপমান করার দুঃসাহস দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি। কেননা আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রফেসর আনিসুজ্জামানের অপমান, বাংলাদেশের অপমান। আর বাংলাদেশের অপমানে আমরা আর নিশ্চুপ ঘরে বসে থাকতে পারি না।
লেখকবৃন্দ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা সেলের সদস্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস, বাংলা একাডেমীর বর্তমান সভাপতি, বরেণ্য শিক্ষাবিদ এবং সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামের সোচ্চার কণ্ঠস্বর অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি গত ১৪ মে ২০১২ তারিখে আদালতে ঘৃণিত যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় জবানবন্দি দিয়েছেন। স্বাধীনতার চেতনাধারী এ দেশের প্রতিটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত এ বিচার কার্যে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়ে তিনি জাতীয় দায়িত্বই পালন করেছেন। আমরা এই সাহসী মানুষটির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অভিবাদন জানাই। কেননা এ দেশের অনেক বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদ যখন দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি করে ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার হালুয়া-রুটি খাওয়ার মাতাল তালে বেঘোর, তখন অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে আমরা দেখতে পাই আদালতে গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী হয়ে ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সাক্ষ্য দিতে। আমরা মনে করি, তিনি জাতির বিবেকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এ দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের তিরিশ লাখ শহীদের বিদেহী আত্মার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এ দেশের ষোল কোটি মানুষের, গুটিকয়েক রাজাকার এবং তাদের নব্য দোসর ব্যতীত, জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের দোসর এক ব্যক্তি মিডিয়ার সামনে অত্যন্ত অশল্গীলভাবে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'মিথ্যুক' বলে আখ্যা দিয়েছেন।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান কেন আদালতে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে গেলেন? এখানে তার ব্যক্তিগত লাভালাভের কোনো বিষয় নেই। তিনি জাতির বিবেক হিসেবে, চেতনার তাড়নায়, মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সক্রিয় যোদ্ধা এবং সংগঠক হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সপক্ষে এ দেশের আপামর গণমানুষের অনুচ্চারিত অভিব্যক্তি ব্যক্ত করতেই তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। তাই অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে 'মিথ্যুক' বলে কটূক্তি করাকে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃণিত, অবৈধ এবং নিন্দিত আস্টম্ফালন বলে মনে করি। আমরা এ ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ অবলম্বনকারী ওই আইনজীবী ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত বর্বর, যা তার বিকৃত রুচিরই পরিচায়ক। অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতো মানুষের প্রতি তার এ আস্টম্ফালন জাতির বিবেকের প্রতিই চরম অবমাননা হিসেবে অনুভব করছি। আমরা ওই আইনজীবীর ধৃষ্টতার প্রতি ধিক্কার জানাই এবং আদালত অবমাননার জন্য তাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তাই যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত করতে চায় এবং সে প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রফেসর আনিসুজ্জামানের মতো মনীষাকে 'মিথ্যুক' বলে অপমান করার দুঃসাহস দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি। কেননা আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রফেসর আনিসুজ্জামানের অপমান, বাংলাদেশের অপমান। আর বাংলাদেশের অপমানে আমরা আর নিশ্চুপ ঘরে বসে থাকতে পারি না।
লেখকবৃন্দ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
ডিডাব্লিউ
3/ডিডাব্লিউ/post-grid
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment